fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

Chapter 3 বারিমণ্ডল Barimondol

Geography Bhugol Subject Wbbse Madhyamik Class 10

Here you will learn the basics of বারিমণ্ডল (Atmosphere) in a simple language it is for Bengali medium students who are studying under West Bengal Board of Secondary Education and preparing for their Madhyamik exam (Class 10 WBBSE) Here you will find all necessary and important WBBSE Madhyamik Suggestions, notes, solved sample question paper in Bangla along with video lectures from expert teachers

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

    বারিমন্ডল(Hydropshphere)

সমুদ্রস্রোতের ধারণা,সৃষ্টির কারণ,পৃথিবীব‍্যাপী বিশেষ প্রভাব(Concept of Ocean Currents , Causes of Origin,Specific Influence throughout the World)

  • সমুদ্রস্রোত(Ocean Currents):-

সমুদ্রের জলরাশি পৃথিবীর  আবর্তন ,বায়ুপ্রবাহ ,সমুদ্রজলের লবণতা,উষ্ণতা,ঘনত্বের তারতম‍্য ,সমুদ্রতলের গভীরতা এসবের কারণে  একস্থান থেকে অন‍্যস্থানে অগ্রসর হয় একে সমুদ্রস্রোত(Ocean Currents)বলে‌।

সমুদ্রস্রোত একমুখী।এর গতিবেগ ঘন্টায় 3-9 কিমি।অগভীর সমুদ্রে সমুদ্রস্রোতের গতিবেগ বেশি।উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত  হয়।

 

  • সমুদ্রতরঙ্গ(Sea waves):-

–––––––––––––––––––

সমুদ্রের উপরিভাগের জলরাশি প্রবল বায়ু প্রবাহ ও ভূমিকম্পের কারণে  একই স্থানে অবস্থান করে দুই-এক মিটার ওঠানামা করে,একেসমুদ্রতরঙ্গ(Sea waves)বলে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=sea+waves+animation+video#imgrc=Z4SMmsOppUuM_M

সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে সমুদ্রতরঙ্গের পার্থক‍্য(Comparison between Ocean Currents and sea waves):

বিষয়সমুদ্রস্রোতসমুদ্রতরঙ্গ
1)প্রকৃতিসমুদ্রের জলরাশি নির্দিষ্টদিকে প্রভাবিত হয়।উলম্বভাবে ওঠানামা করে একস্থানে।
2)স্থান পরিবর্তনএকটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে নির্দিষ্ট পথে স্থানান্তরিত হয়।একই স্থানে আবদ্ধ থাকে।
3)উৎপত্তির কারণমৌসুমি বায়ুপ্রবাহ,জলের উষ্ণতা,লবণতা,তটরেখার অবস্থান ইত‍্যাদি।বায়ুপ্রবাহের গতিপথ, সুনামি।
4)উপকূলের সঙ্গে সম্পর্কউপকূলের কোনো পরিবর্তন হয় না।ক্ষয়কাজ ও সঞ্চয়কাজ এর মাধ‍্যমে পরিবর্তন হয়।
5)জলবায়ুর উপর প্রভাবউষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোত জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।জলবায়ুর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

 

সমুদ্রস্রোতের প্রকারভেদ:-  সমুদ্রস্রোত দুই প্রকার।

 

১)উষ্ণ স্রোত(Warm Currents):

সমুদ্রজলের উপর দিয়ে ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও হালকা জলরাশি শীতল অঞ্চলে প্রবাহিত হয় একে বলে উষ্ণ স্রোত।

যেমন:-নিরক্ষীয় স্রোত।

২)শীতল স্রোত(Cold Currents):-

সমুদ্রজলের নীচের অংশ দিয়ে মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি উষ্ণমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয় একে শীতল স্রোত বলে।

যেমন:-ল্যাব্রাডার স্রোত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=warm+currents+and+cold+currents+animation+video#imgrc=A443QewdI6H6cM

https://youtu.be/sm37kL-gfP4  

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ:-

১) পৃথিবীর আবর্তন :

a)পৃথিবীর আবর্তনের  কারণে কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত  উত্তর গোলার্ধের ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। 

b)নিরক্ষীয়  অঞ্চলে পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি।তাই সমুদ্রস্রোত গুলি নিরক্ষরেখার উভয়পাশ দিয়ে  দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের সৃষ্টি হয়।

২)বায়ুপ্রবাহ:

নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রসৃষ্টির প্রধান কারণ।নিয়ত বায়ুপ্রবাহ ঘর্ষণ বলের মাধ‍্যমে জলরাশিকে তার গতিপতের দিকে তাড়িত করে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে।

৩)সমুদ্রজলের উষ্ণতার তারতম‍্য: সমুদ্রজলের উষ্ণতার জন‍্য সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়।

৪)সমুদ্রজলের লবণতা ও ঘনত্বের পার্থক‍্য: সমুদ্রজলের লবণতার তারত‍ম‍্যে ঘনত্বের তারতম‍্য হয় এবং তা থেকে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়।

৫)বরফের গলন:সমুদ্রের কোনো অঞ্চলে বরফ গলে গেলে মিষ্টি জলের পরিমাণ বেরে যায় এবং লবণতা হ্রাস পায় এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়।

৬)ঋতুভেদ:

ঋতু অনুসারে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হলে সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি হয়।যেমন-ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী স্রোত এবং শীতকালে উত্তর পশ্চিম মৌসুমি স্রোত প্রবাহিত হয়।

৭)উপকূলের আকৃতি:

উপকূলভাগ ও দ্বীপপুঞ্জ সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে অবস্থানের জন‍্য গতিপত পরিবর্তন করে একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়।এবং সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি করে।যেমন-ব্রাজিল স্রোত।

পৃথিবীব্যাপী সমুদ্র স্রোতের প্রভাব(effects of Ocean Currents the World):

 

■মগ্নচড়া সৃষ্টি ও তার বাণিজ‍্যিক গুরত্ব: শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে হিমশৈল ভেসে আসে যা উষ্ণ বায়ুস্রোতের সংস্পর্শে গলে যায়।এর ফলে হিমশৈলের সাথে আসা নুড়ি,বালি,কাঁকড়  সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত হয় এবং মগ্নচড়ার সৃষ্টি করে।

a)এই মগ্নচড়া গুলিতে প্রচুর পরিমাণে প‍্ল‍্যাংকটন জন্মায় যেগুলি মাছের প্রিয় খাদ‍্য।

  1. b) উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাতে মাছেরা আকর্ষিত হয়।

c)মগ্নচড়া অঞ্চলে বাণিজ‍্যিক মৎসক্ষেত্র গড়ে ওঠে এবং এখান থেকে বাণিজ‍্যিক ভিত্তিতে মৎস শিকার হয়।

https://www.google.com/search?safe=active&q=shallow+water#imgrc=X1Bd2TxAg6G8aM

■উপকূলের জলবায়ু:

সমুদ্রস্রোত উপকূলীয় জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূলীয় জলবায়ু কিছুটা উষ্ণ হয়।শীতল স্রোতের প্রভাবে উপকূলীয় জলবায়ু শীতল হয়।যেমন-উত্তর পশ্চিমের জলবায়ুকে, উষ্ণ উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোত ইউরোপের জলবায়ুকে সারাবছর মৃদুভাবাপন্ন রাখে।

জলবায়ুর  পরিবর্তন:

2-7 বছর অন্তর অন্তর ডিসেম্বরে দক্ষিণমুখী অস্থির উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়,তাকে এল -নিনো বলে ।এল-নিনো বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনে অনেকাংশ দায়ী।যেমন-এল- নিনোর প্রভাবে পেরু,চিলি প্রভৃতি অঞ্চলে ঝড় বজ্র সহ বৃষ্টিপাত হয়। কয়েক বছর অন্তর শীতকালে শীতল উত্তরাভিমুখী পেরু স্রোত সৃষ্টি হয়ে বিশ্ব জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটায় এটাকে লা-নিনো বলে। এর প্রভাবে পেরু -চিলি ইকুয়ডরের মরু অঞ্চলে অনাবৃষ্টি খরা ও শীতে শৈত প্রবাহের সৃষ্টি হয়। জোয়ার ভাটার ধারণা ,সৃষ্টির কারণ ও ফলাফল(Concept of Tides ,Origin and Effects)

জোয়ার ভাটা(Tides):

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সাগর-মহাসাগরের জল এক জায়গায় স্ফীত বা ফুলে ওঠে একে জোয়ার বলে।

আর অন‍্য জায়াগায় জল অবনমিত হয় একে ভাটা বলে।

জোয়ারভাটা সৃষ্টির কারণ,(causes of origin of Tides):-

দুটি কারণে পৃথিবীতে জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়।

1)পৃথিবীর ওপর চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষ বলের প্রভাব:-

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুসারে এই মহাবিশ্বে প্রতিটি বস্তুকণা প্রতিটি বস্তুকণাকে  আকর্ষণ করে।সূর্য 15 কোটি কিমি দূরে অবস্থিত চাঁদ 3 লক্ষ 84 হাজার 400 কিমি দূরে অবস্থিত।তাই পৃথিবীর ওপর চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি।চাঁদের আকর্ষণেই সমুদ্রের জলস্ফীতি হয়ে জোয়ারের সৃষ্টি হয়। জোয়ারের সমকোণস্থ অঞ্চলের জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি হয়।

2)পৃথিবীর আবর্তন জনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব:-

পৃথিবীর আবর্তনের জন‍্য কেন্দ্রাতিগ বলের সৃষ্টি হয়।চাদের আকর্ষণে পৃথিবীর যেখানে জোয়ার সৃষ্টি হয় তার বিপরীত দিকেও  কেন্দ্রাতিগ বলের জন‍্য জোয়ার সৃষ্টি হয় । জোয়ারের স্থানে বিপুল জলরাশির জন‍্য জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি হয়।

মুখ‍্য জোয়ার:- 

পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের কাছে থাকে সেখানে মাধ‍্যাকর্ষণ বলের প্রভাব বেশি দেখা যায় ।ফলে ওই স্থানে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় ওই প্রবল জোয়ারটাই হল  মুখ‍্য জোয়ার ।চন্দ্রের আকর্ষণে সৃষ্টি হয় বলে একে চান্দ্র জোয়ার ও বলে।

গৌণ জোয়ার:-

চাঁদের আকর্ষণ বল পৃথিবীর যে অংশে বেশি কাজ করে তার বিপরীত দিকে কেন্দ্রাতিগ বলের জন‍্য যে জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে গৌণ জোয়ার বলে।

জোয়ারভাটার সময়ের ব‍্যবধান:-

পৃথিবীর একবার পূর্ণ আবর্তন করতে সময় নেয় 23ঘন্টা  56মিনিট  4সেকেন্ড ।চাঁদ তার কক্ষপথে 13°10′ কৌণিক দূরত্ব অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। ফলে পৃথিবীকে পরের দিন চাঁদের সম্মুখীন হতে 13°10’×4 মিনিট=52 মিনিট 40সেকেন্ড  সময় অতিরিক্ত লাগে। সুতরাং পৃথিবীর কোনো স্থানে মুখ‍্য 

জোয়ার ঘটার 24 ঘন্টা 48 মিনিট 44 সেকেন্ড পরে আবার সেই স্থানে মুখ‍্য জোয়ার হবে। সুতরাং মুখ‍্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের সময়ের ব‍্যবধান 24 ঘন্টা 48 মিনিট 44 সেকেন্ড÷2=12 ঘন্টা 24 মিনিট  22সেকেন্ড এবং একটি জোয়ার ও একটি ভাটার মধ‍্যে সময়ের ব‍্যবধান 6ঘন্টা 12 মিনিট 11 সেকেন্ড। এই কারণৈ  পৃথিবীর কোনো স্থানে একই সময়ে জোয়ার ভাটা হয় না।

https://www.google.com/search?safe=active&q=High+tide+time++picture+animation#imgrc=vsR4puB_qyaMOM

  • ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল:-

পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করলে প্রবল জোয়ার ভাটার সৃষ্টি হয় একে ভরা বা তেজ কোটাল বলে।

অমাবস্যা তিথি:- অমাবস‍্যা তিথিতে এক পৃথিবী সূর্যের মাঝে চাঁদ অবস্থান করলে  সমুদ্রের জলরাশির অত‍্যাধিক স্ফীতি ঘটে এবং অমাবস‍্যাতে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়।

 

পূর্ণিমা  তিথি:-পূর্ণিমা  তিথিতে চাঁদ ও  সূর্যের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করলে  সমুদ্রের জলরাশি স্ফীত হয়ে চান্দ্র জোয়ারের সৃষ্টি করে।

অন‍্যদিকে সূর্যের আকর্ষণে সূর্য জোয়ারের সৃষ্টি হয়।চাঁদ ও সূর্যের মিলিত শক্তির প্রভাবে পূর্ণিমাতে ভরা জোয়ারের সৃষ্টি হয়।

■মরা কোটাল বা মরা জোয়ার:- কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পরস্পর এক সরলরেখায় না থেকে সমকোণে অবস্থান করে ।এর জন‍্য চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পর এর বিপরীতে কাজ করে বলে সমুদ্রের জলরাশি সেভাবে ফুলে ওঠে না।একে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে।

সিজিগি, অ্যাপোজি, পেরিজি (SyZyGy,Apogee,Perigee):

চাঁদ ও পৃথিবীর সরলরৈখিক অবস্থানকে সিজিগি বলে ।চাঁদের  থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র যখন দূরে অবস্থান করে তাকে   অ্যাপোজি   বা  অপসূর বলে।  চাঁদের থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র  যখন কাছে অবস্থান করে তাকে অনুসূর বা  পেরিজি বলে। একটি চান্দ্রমাসের 14 দিন ছাড়া ছাড়া পেরিজি  ও অ্যাপোজি হয়।

বানডাকা: 

বর্ষাকালে ভরা কোটাল এর সময় সমুদ্রের জল  স্ফীত হয়ে  নদী ও   মোহনার মধ্য দিয়ে প্রবলবেগে  নদীতে  প্রবেশ করে এবং নদীতে প্রবল জলস্রোতের সৃষ্টি হয় একেই বলে বান ডাকা । 

যেমন- হুগলি, সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদী, ইংল্যান্ডের টেমস নদী, ব্রাজিলের আমাজন নদী প্রভৃতি নদীতে বান দেখা যায়।

জোয়ার ভাটার ফলাফল(Effect of Tides): জোয়ার ভাটার কিছু কিছু সুবিধাও আছে আবার কিছু অসুবিধাও আছে।

 সুবিধা- 

জোয়ারের সময় নদীর জলের পরিমাণ ও উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে  নৌকা জাহাজ চলাচলের সুবিধা হয়। 

ভাটার টানে  নদীর আবর্জনা ও পলি  সমুদ্রে গিয়ে নদীর গভীরতা বজায় রাখে।

জোয়ারের সময় সমুদ্রের মাছ নদীতে চলে  আসায় জেলেদের  জীবিকা অর্জনের সুবিধা হয়।

জোয়ার ভাটার গতিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

 অসুবিধা- 

জোয়ারের সময় সামগ্রিক নোনা জল নদীতে প্রবেশ করায় নদীর জল লবণাক্ত হয়ে  ওঠে। এর ফলে আমাদের জল পান করতে অসুবিধা হয়।

প্রবল জোয়ারের জন্য ঘরবাড়ি, চাষাবাদের জমি ও  উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

MCQ SHort Questions (1 Marks)

update

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)

update

 

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)

update

 

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • all replace

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat