fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

পরিবেশের জন্য ভাবনা (Poribesher Jonno Vabna) Chapter 1 Physical Science Bangla ভৌত বিজ্ঞান (Bengali Subject) WBBSE Madhyamik Class 10

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

পরিবেশের জন্য ভাবনা

১.১) ভৌত বিজ্ঞান এবং পরিমণ্ডল

বায়ুমণ্ডল: পৃথিবীর উপরিভাগ, এক বিরাট বায়ু সমুদ্র দ্বারা আবদ্ধ। এই ভূপৃষ্ঠকে ঘিরে থাকা বায়ু স্তরকে আমরা বলে থাকি বায়ুমণ্ডল। বায়ুমন্ডলের উচ্চতার সীমা নির্ধারণ করা কার্যত অসম্ভব কারণ যে কোন গ্যাসীয় পদার্থ আশেপাশের সব জায়গায় বিচরণ করে। উচ্চতার সাথে বায়ুর ঘনত্ব ব্যাস্তানুপাতিক; অর্থাৎ উচ্চতা যত বাড়তে থাকে, বায়ুর ঘনত্ব তত কমতে থাকে। একজন সাধারন মানুষের পক্ষে ভূপৃষ্ঠের ৭৫০ কিলোমিটার থেকে এক হাজার কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব অনুভব করা খুবই স্বাভাবিক।

১.১.১) বায়ুমণ্ডলের গঠন প্রণালী

১) বায়ুমণ্ডলের উপাদান সমূহঃ মূলত তিন ধরনের উপাদান দিয়ে বায়ুমণ্ডল গঠিত হয়েছে; যাহা হল যথাক্রমে (ক) ধূলিকণা, (খ) জলীয় বাষ্প, (গ) গ্যাসীয় উপাদান সমূহ (নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং নিষ্ক্রিয় গাস)।

২) বায়ুমণ্ডলের স্তর বিভাজন
ক) রাসায়নিক গঠনের নিরিখে বায়ুস্তরের বিন্যাস:
রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে আমরা বায়ু স্তরকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করে থাকি।

অ) হোমোস্ফিয়ারঃ ভূপৃষ্ঠের উপরিতল থেকে ৮০ কিলোমিটার অথবা ৫০ মাইল পরিসর পর্যন্ত, যে বায়ুস্তরকে আমরা দেখতে পাই, তা খুবই সমসত্ব হয় এবং একেই আমরা সমমন্ডল, অথবা হোমোস্ফিয়ার বলে থাকি। এই বায়ুস্তরে, ওজোন গ্যাস ও জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়ে থাকে।

আ) হেটেরোস্ফিয়ারঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ কিলোমিটারের উপরে, যে বায়ু স্তর বিদ্যমান, তাতে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন গ্যাস অবস্থান করে। উদাহরণস্বরূপ – অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নাইট্রোজেন, ইত্যাদি। বায়ুমণ্ডলের এই বিশেষ উচ্চস্তরকেই আমরা বিষমন্ডল অথবা হেটেরোস্ফিয়ার নামে চিহ্নিত করে থাকি।

খ) উচ্চতা নিরিখে বায়ুস্তরের বিন্যাসঃ
উচ্চতার পরিবর্তনের সাথে সাথে, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের নিরিখে,বায়ুমণ্ডলকে বিভিন্ন স্তরে বিভাজিত করা হয়েছে।

অ) ট্রপোস্ফিয়ারঃ
বায়ুমণ্ডলের এই স্তরটি ভূপৃষ্ঠের সবথেকে কাছে অবস্থিত। পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত, এই স্তরটি বিদ্যমান। এই বায়ু স্তরে, প্রতি কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে, ৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তাপমাত্রার হ্রাস ঘটে।
যেহেতু, এই বায়ুস্তরে তাপমাত্রা পরিবর্তনশীল, সেহেতু মেঘ, ধূলিকণা, বায়ুর পরিচলন স্রোত, ঝড় বৃষ্টি, ইত্যাদি এই স্তরেই দেখা যায়। এই বায়ুস্তরকে আমরা খুব্ধমণ্ডল নামেও অবিহত করে থাকি।

এই বায়ুস্তরে, ধুলিকনার অবস্থিতির জন্যই আকাশ আমাদের কাছে নীল রঙের দেখায়। ট্রপোপজ হলো এই বায়ুস্তরের উপরিভাগের সীমানা। ট্রপোস্ফিয়ারে,উষ্ণতার তারতম্য, ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে -৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
সমুদ্রপৃষ্ঠে এই উষ্ণতা থাকে ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং- ৫৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস হল ট্রপোপজের তাপমাত্রা। পৃথিবীর বিষুবরেখায়, ট্রপোপজ এর উচ্চতা থাকে নয় মাইল অর্থাৎ ১৫থেকে ১৬ কিলোমিটার। আবার এই উচ্চতাই তিন মাইলে পরিণত হয় উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে। যেহেতু মেরু অঞ্চলে বায়ু সংকোচিত অবস্থায় অবস্থান করে তাই ওই অঞ্চলের উষ্ণতা গ্রীষ্মকালে বৃদ্ধি পায় এবং শীতকালে হ্রাস ঘটে।

আ) স্ট্রাটোস্ফিয়ারঃ
স্ট্রাটোস্ফিয়ার হলো ট্রপোস্ফিয়ারের ঠিক উপরিভাগের বায়ুস্তর। এই বায়ুস্তরটির উচ্চতা, ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই স্তরে, উচ্চতা এবং তাপমাত্রার মধ্যে সমানুপাতিক সম্পর্ক; অর্থাৎউচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চতার হ্রাস ঘটালে তাপমাত্রারও হ্রাস ঘটে। এই অঞ্চলটির সীমানা বরাবর স্ট্রাটোপজ অবস্থিত।
এই অঞ্চলের অঞ্চলের তাপমাত্রা সাধারণ ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা ৩২ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকে। প্রচলন স্রোত, এই অঞ্চলে সৃষ্টি হয় না এবং এখানে মেঘ, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি অনুপস্থিত। বিশেষত এই কারণটির জন্যই এই অঞ্চলটির আরেক নাম, ‘শান্ত মন্ডল’। ইহাকে ‘শান্ত অঞ্চল’ বলেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।

ই) মেসোস্ফিয়ারঃ
স্ট্রাটোস্ফিয়ার এর উপরিভাগকে আমরা মেসোস্ফিয়ার বলে অভিহিত করে থাকি এবং এই স্তরটি 50 থেকে 80 কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তীর্ণ থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে মেসোস্ফিয়ারে তাপমাত্রার হ্রাস ঘটতে দেখা যায়। বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল -৯৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা -১৩৯ ডিগ্রী ফারেনহাইট। যা এই বায়ু স্তরে দেখা যায়। এই স্তরের অপরের স্তরকে আমরা মেসোপজ বলে অবিহিত করে থাকি।

ঈ) থার্মোস্ফিয়ারঃ
থার্মোস্ফিয়ারের অবস্থান, মেসোপজের ঠিক উপরিভাগে এবং এই স্তরটি ৮৫ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তীর্ণ থাকে। এই স্তরে, প্রথমে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রারও দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে; এবং ধীরে ধীরে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হারে হ্রাস ঘটে। থার্মোস্ফিয়ারের তাপমাত্রা ১২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্তও পৌঁছতে পারে।

উ) এক্সোস্ফিয়ারঃ
৫০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তীর্ণ এই বায়ুস্তরটিতে, কম ঘনত্ব বিশিষ্ট গ্যাস অবস্থান করে এবং ১২৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এই স্তরের উষ্ণতা।

ওজোনোস্ফিয়ারঃ ওজোন গ্যাস তৈরি হয় ট্রপোস্ফিয়ারে এবং ইহা ২৫ থেকে ২৮ মাইল অর্থাৎ ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। এই বায়ুস্তরটি কেমোস্ফিয়ার অথবা ওজোন স্তর নামেও পরিচিত। সর্বোচ্চ পরিমাণ ওজোন গ্যাস অবস্থিত রয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে 30 কিলোমিটার উচ্চতা এবং ওজোন গ্যাসের ঘনত্বকে আমরা ডবসন (DU) একক দ্বারা চিহ্নিত করে থাকি।
সূর্য থেকে নিঃসৃত অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে ভূপৃষ্ঠকে রক্ষা করাই হলো এই বায়ুস্তরের মুখ্য কাজ। ওজয়নোস্ফিয়ারের তাপমাত্রা সাধারণ ৭৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস হয়ে থাকে।

আয়োনোস্ফিয়ারঃ এই বিশেষ বায়ুস্তরটি মেসোস্ফিয়ারের উপরের অংশ থেকে শুরু করে থার্মোস্ফিয়ার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বায়ুস্তরটি বেতার সংযোগে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বায়ুমণ্ডলের এই অংশেই বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। অরোরা বা যাকে আমরা মেরুজ্যোতি বলে থাকি তা এই অংশেই দেখা যায়। আয়োনোস্ফিয়ারে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ইত্যাদি গ্যাসীয় পদার্থ, আয়নিত অবস্থায় বিচরণ করে।

ম্যাগনেটোস্ফিয়ারঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৩০ -৬৪০০০ কিলোমিটার এলাকায় বিশিষ্ট এই বায়ুস্তরে আমরা ইলেকট্রন এবং প্রোটনের অস্তিত্ব প্রত্যক্ষ করতে পারি। ভ্যান অ্যাঁলেন বিকিরণ বলয়কে আমরা ম্যাগনেটোস্ফিয়ারেই দেখতে পাই।

বিভিন্ন বায়ুস্তরে উচ্চতা এবং উষ্ণতার মধ্যে সম্পর্কঃ

i) ট্রপোস্ফিয়ারঃ এই বায়ু স্তরেরউচ্চতা ১০ থেকে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং -৫৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস ডিগ্রি সেলসিয়াস হল এই অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

ii) স্ট্রাটোস্ফিয়ার ও ওজনোস্ফিয়ারঃ ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আমরা স্ট্রাটোস্ফিয়ার-এর অস্তিত্ব লক্ষ্য করতে পারি। ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হল স্ট্রাটোপজের সাধারন তাপমাত্রা। আমরা যত ওজোনস্ফিয়ারের দিকে অগ্রসর হতে থাকি, উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং প্রায় ৭৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পরিণত হয়।

iii) মেসোস্ফিয়ারঃ ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা বিশিষ্ট এই বায়ুস্তরের তাপমাত্রা প্রায় – ৯৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস হয়ে থাকে।

iv) থার্মোস্ফিয়ারঃ এই বায়ুস্তরটির উচ্চতা ৪৫০ কিলোমিটার এবং এই অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পেতে প্রায় ১২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন বায়ুস্তরের মধ্যে উচ্চতার পরিবর্তনে, চাপের পরিবর্তনঃ

পৃথিবীর উপরিভাগে অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ থাকে সাধারনত ১.০১৩। [ একক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ = ৭৬ সেমি পারদস্তম্বের চাপ = ১,০১৩ x ১০৫Pa] ১০-১বায়ুমণ্ডলীয় চাপ আমরা ট্রপোপজে অর্থাৎ কুড়ি কিলোমিটার উচ্চতায় পেয়ে থাকি। স্ট্রাটোস্ফিয়ারে 40 কিলোমিটার উচ্চতায়, এই বায়ুমণ্ডলীয় চাপ গিয়ে দাঁড়ায় ১০-৩তে। মেসোস্ফিয়ারে এই চাপ হয়ে থাকে ১০-৪। মেসপজে অর্থাৎ ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমন্ডলীয় চাপ সাধারণত হয়ে থাকে ১০-৫। ১০-৬ হল থার্মোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫০ কিলোমিটার উচ্চতা আরোহন করার পর যে কোন ব্যক্তি ১০-৯বায়ুমণ্ডলীয় চাপ অনুভব করে থাকে। এই গাণিতিক সংখ্যাটি ১০-১০, ১০-১১, এবং ১০-১২ হয়ে থাকে যথাক্রমে ৩৫০ কিলোমিটার, ৪৫০ কিলোমিটার এবং ১০০০ কিলোমিটার উচ্চতার জন্য।

প্রচলন স্রোত এবং ঝড়-বৃষ্টিঃ
বায়ু, ধোঁয়া, জলীয় বাষ্প, জৈব পদার্থ ইত্যাদি এরোসল ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থান করে এবং এই স্তরে, উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা হ্রাস হয়। আমরা সকলে জানি উষ্ণ বায়ু হালকা হবার ফলে ওপরের দিকে অগ্রসর হয়। ফলপ্রসূ আদ্র এবং উষ্ণ বায়ু হালকা হয় ট্রপোস্ফিয়ার অঞ্চলের পরিচলন স্রোতের সৃষ্টি ঘটায়।

এই উষ্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর মধ্য দিয়ে প্রসারিত হয় তখন ইহা কিউমুলোনিম্বাস মেঘ তৈরি করে। এই বায়ু আরো ওপরের দিকে উঠতে থাকে লীন তাপের দ্বারা, যা জলীয় বাষ্পের ঘনীভবনের ফলে উৎপন্ন হয়ে থাকে। এই ঘনীভবনের ফলেই তৈরি হয় জলকনা এবং তা মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবীপৃষ্ঠে নেমে আসে এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে ওপরের দিকে অগ্রসর হয়।

এইসকল জলবিন্দু অর্থাৎ বৃষ্টির কণাগুলির মধ্যে ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন হয়ে থাকে ঘর্ষণজনিত বিদ্যুৎ। উপরে উঠে এই বায়ু যখন শান্ত শীতল হয়ে পড়ে তখন বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের আবির্ভাব ঘটে। এই বৃষ্টি আমাদের মধ্যে পরিচলন বৃষ্টি নামে পরিচিত।

১.১.২) ওজোন স্তরঃ
ওজোন গ্যাসকে মূলত ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪০-৪৫ কিলোমিটার উচ্চতায় অর্থাৎ স্ট্যাটোস্ফিয়ার অঞ্চলে সহজেই লক্ষ্য করা যায়। বায়ুমণ্ডলের এই স্তরটির অপর নাম ওজোনোস্পিয়ার।

ওজোন স্তরের উৎপত্তি :
সূর্য থেকে নিঃসৃত অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করাই হল ওজোন স্তরের মূল লক্ষ্য। এই বায়ুস্তর অতিবেগুনি রশ্মির মধ্যে অবস্থিত অক্সিজেন অনুকে বিভাজিত করে পরমাণুতে পরিণত করে। অক্সিজেন অনুর (O2)সাথে যখন অক্সিজেন পরমাণু (O)সংযুক্ত হয়, তখনই ওজন অণুর (O3) উৎপত্তি ঘটে। এই ওজন অণুর সাথে অক্সিজেন অনুর বিক্রিয়াচক্রটি সর্বক্ষণ চলতেই থাকে। এবং এই বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন ওজোন অনুগুলিই মূলত অতিবেগুনিরশ্মিকে শোষণ করে নেয়; যার ফলে এই বায়ুস্তরের উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। O2+অতিবেগুনিরশ্মি = 2O, O + O2 = O3, O3 + অতিবেগুনি রশ্মি =O2+O

ওজোনস্তরের বিপত্তি :
যে ওজোনস্তর মনুষ্যজাতিকে প্রতিনিয়ত অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে চলেছে। সেই বায়ুস্তরটি বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাসের দ্বারা ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, এবং অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস। এই সকল গ্যাসের দ্বারা সুমেরু এবং কুমেরু অঞ্চল এর ওজোন স্তর সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গহ্বর।

ওজোনস্তরের ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাবসমুহঃ
বিভিন্ন গ্যাসের দ্বারা ওজোন স্তর বিভিন্ন রুপে ধ্বংসান্নিত হয়ে চলেছে। এর ফলস্বরূপ ওজোন স্তরের মোট আয়তনের 4% এখনো পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলপ্রসূ, বেশি পরিমাণে ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে যা মনুষ্যজাতি তথা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ এর ওপর অতিরিক্ত আঘাত আনছে।
i) গাছপালা বিপুল হারে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ii) জলে বসবাসকারী বিভিন্ন পরিযায়ীর সংখ্যায় ক্রমাগত হ্রাস ঘটবে।
iii) বেশি পরিমাণে অতিবেগুনি রশ্মি খুব সহজেই পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি করতে সক্ষম।
iv) মানুষ থেকে শুরু করে জীবজন্তুর ত্বক এবং চোখে বিভিন্ন মারণ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে।

১.১.৩) বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং গ্রিনহাউস এফেক্টঃ
সূর্য থেকে নিঃসৃত ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাপীয় বিকিরণ খুব সহজেই গ্রীন হাউসের অভেদ্য কাঁচ ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করতে যায় কিন্তু, গ্রীন হাউজের ভিতরে অবস্থিত উদ্ভিদ এবং গ্রীন হাউজের মেঝে থেকে সৃষ্ট ইনফ্রারেড, যাহা সাধারণত বড় তরঙ্গ যুক্ত হয়ে থাকে, তা ওই অভেদ্য বিকিরণ ভেদ করে বাইরে নির্গত হতে অক্ষম। ফলপ্রসূ, গ্রীন হাউসের ভেতর সৃষ্টি হয় প্রবল উষ্ণতার।

ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করে সূর্য থেকে নির্গত ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাপীয় বিকিরণ, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে, পৃথিবীপৃষ্ঠেকে প্রচন্ড রূপে উত্তপ্ত করে তোলে। এবং ভূতল থেকে নিশ্চিত ইনফ্রারেড রশ্মি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন অথবা জলীয়বাষ্প দ্বারা শোষিত হয়ে থাকে। এইসকল গ্যাস সমূহই মূলত গ্রীন হাউজ গ্যাস নামে পরিচিত।

এই সকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠের দিকেও তাপীয় বিকিরণ করে থাকে। ফলস্বরূপ, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। কার্বন-ডাই-অক্সাইডকেই আমরা মূলত মুখ্য গ্রীন হাউস গ্যাস হিসেবে গণ্য করে থাকি। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের তুলনায় ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড প্রকৃতি গ্যাসের তাপ শোষণ ক্ষমতা অনেকগুন বেশি। মনুষ্যজাতির কিছু বিশেষ কাজের ফলস্বরূপ এই সকল গ্যাসের উৎপত্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে যার ফলে বেড়ে চলেছে পৃথিবীর উষ্ণতা। পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির এই ঘটনাকে আমরা গ্লোবালওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়ন বলে থাকি।

গ্লোবালওয়ার্মিং-এ গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহের প্রভাবঃ
গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ কার্বন ডাই অক্সাইডের অনুদান থাকে ৫২%, ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের অনুদান ১৪%, মিথেন ১৫%, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ৬% এবং অন্যান্য গ্যাসের অবদান থেকে ১৩ শতাংশ।

গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর পরিবেশের উপর কুপ্রভাবঃ
পৃথিবীর আবহাওয়ায় বিপুল পরিবর্তন ঘটতে পারে এবং প্রবল ঝড়ঝঞ্জা, খরা এবং বন্যার সম্ভাবনা।
বিভিন্ন ধরনের জীবাণু ঘটিত রোগের আবির্ভাব।
মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে থাকবে; যার ফলে সমুদ্রের জলতলের বৃদ্ধি ঘটবে। ফলপ্রসূ বহু বসবাসযোগ্য স্থান জলের তলায় চলে যাবে।
গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে নিয়ন্ত্রিত বা কমানোর উপায়সমূহঃ
রাসায়নিক সারের ব্যবহার কম করে জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি ঘটাটে হবে।
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে হ্রাস টেনে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার প্রচলন বিপুল হারে করতে হবে।
বনভূমি রক্ষা এবং বনসৃজন এর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের উৎপত্তি এবং ব্যবহার যতটা সম্ভব কম করা যায় ততই ভালো।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি দিকে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন।

১.২) শক্তি যথার্থ এবং পর্যাপ্ত ব্যবহার

১.২.১) স্থিতিশীল উন্নয়নের প্রেক্ষিতে শক্তির উৎস সমূহের যথার্থ ব্যবহারঃ

সাধারণত ব্যবহৃত জীবাশ্ম জ্বালানিসমূহের তাপন মূল্যঃ

জ্বালানিসমূহঃ যে সকল পদার্থকে বাতাসের উপস্থিতিতে পোড়ালে প্রচুর পরিমাণে তাপের সৃষ্টি হয়, সেই সকল পদার্থকে আমরা সাধারণভাবে জ্বালানি বলে থাকি।

জীবাশ্ম জ্বালানি সমূহঃ জীবাশ্ম জ্বালানি হল সেই সকল উদ্ভিদ এবং প্রাণী যা লক্ষ লক্ষ বছর আগে বিভিন্ন কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক শক্তির উঠতে রূপান্তরিত হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানির পরিমাণ পৃথিবীতে সীমিত এবং এগুলির উৎপন্ন করা কার্যত অসম্ভব। জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ হল পেট্রোলিয়াম কয়লা, এবং প্রাকৃতিক গ্যাস।

জ্বালানির তাপন মূল্যঃ একক পরিমাণ যে কোন জ্বালানিকে অক্সিজেনে সম্পূর্ণরূপে দহন করলে, যে পরিমাণ পরিমান তাপ সৃষ্টি হয়, তাকেই ওই জ্বালানির তাপন মূল্য বলা হয়ে থাকে। কিলোজুল/গ্রাম (KJ/g) হল তাপন মূল্যের SI ইউনিট।

স্থিতিশীল উন্নয়নঃ বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা যথাযথ পরিমাণে মিটিয়ে, উৎসের অপচয় না করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঞ্চিত রাখাকেই আমরা স্থিতিশীল উন্নয়ন বলে অভিহিত করে থাকি। নতুন এই উন্নয়নের ফলে, মনুষ্যজাতির বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ দুইই সুরক্ষিত থাকবে। এবং সমাজের অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত উন্নতি ঘটবে।

মনুষ্য প্রজাতির ভবিষ্যৎ সংরক্ষিত করতে বর্তমান প্রজন্মকে জীবাশ্ম জ্বালানির সংরক্ষণের দিকে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ঘটানো প্রয়োজন। কারণ কয়লা পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমাণ এই পৃথিবীতে সুনির্দিষ্ট। এবং ইহা কমতে কমতে তলানীতে এসে উপস্থিত। অন্যদিকে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি সমূহ একদিকে যেমন পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না তেমনই এদের উৎসও অপরিসীম। কিছু অপ্রচলিত শক্তির উৎস হলঃ

সৌরশক্তিঃ সূর্য থেকে আমরা যে অপরিসীম শক্তি অর্জন করি তাকে সৌরশক্তি বলা হয়। সৌর শক্তির উৎস হল নিউক্লিয় সংযোজন। এই শক্তির মধ্যে রয়েছে আলোক শক্তি এবং তাপ শক্তি। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন দৈনন্দিন জিনিস যেমন সোলার কুকার, হিটা্‌র সৌরকোষ- কে সরাসরি ব্যবহার করা যায়।

সৌরকোশঃ তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করতে সৌরকোশ হল একটা খুবই জনপ্রিয় উপাদান। সৌরকোশ সাধারণত সিলিকনের সাহায্য তৈরি করা হয়। একটি সৌরকোশে সিলিকন আর্সেনিক এবং সিলিকন বোরনের স্তর পাশাপাশি অবস্থান করে। এই সকল স্তর গুলি তারের দ্বারা সংযুক্ত থাকে এবং এই প্যানেলটি সূর্যের সংস্পর্শে এলেই তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং এই জাতীয় সৌরকোশ ০.৫ পর্যন্ত বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে।

সৌরকোশ প্যানেলঃ বহু সৌরকোশকে একস্থানে সংযুক্ত করলে একটি সৌরকোশ প্যানেল তৈরি হয়। এই বস্তুটির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক তড়িৎ উৎপন্ন করা সম্ভব হয় এবং তাকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা যায়।

সৌরকোশের ব্যবহারসমূহঃ

ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, খেলনা, ট্রাফিক সিগন্যাল ইত্যাদি চালাতে সৌরকোশের বিপুল ব্যবহার দেখা যায়।
কৃত্রিম উপগ্রহ সৌরকোশের ব্যবহার করেই বিভিন্ন স্থানে রেডিও-টিভি ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

বায়ু শক্তি:

বাতাস থেকে জল উত্তোলন? উইন্ড টারবাইন প্রযুক্তিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী কি ভুল?

বায়ুপ্রবাহ, ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বিদ্যমান। এই বায়ুপ্রবাহের গতি কে কাজে লাগিয়ে আমরা তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করতে পারি। এই গতি কে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে আমরা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকি। বর্তমানে এই পদ্ধতি খুবই জনপ্রিয় বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি এবং ভারত এই বায়ু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রায় ১০২৫ মেগাওয়াট তড়িৎ উৎপন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

http://yua.wind-solar-power.com/small-wind-turbine/mini-wind-turbine/300w-12v-horizontal-mini-wind-turbine.html

জোয়ার ভাটা থেকে উৎপন্ন শক্তিঃ
আমরা সকলেই জানি চাঁদের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবীর সমুদ্রের জলে দিনে দুবার জোয়ার এবং ভাটার সৃষ্টি হয়। সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে এই জোয়ার ভাটার ফলে উৎপন্ন শক্তিকে ব্যবহার করে আমরা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করে থাকি। এক্ষেত্রেও জলকে আমরা টারবাইন এর মধ্য দিয়ে পরিবহন করে তড়িৎ উৎপন্ন করি। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে জোয়ার ভাটা থেকে আমরা বিপুল পরিমান তড়িৎ এর উৎস তৈরি করতে পারবোনা।

ভূতাপ শক্তি:
ভূগর্ভে অবস্থিত বিভিন্ন উত্তপ্ত শিলা থেকে উৎপন্ন তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়েও বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায়। তবে এই জাতীয় উৎপাদনের পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সৃষ্টি করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। কারণ ভূগর্ভে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন চাপ হয়ে থাকে। এবং পূর্বে বহু বিষাক্ত গ্যাসীয় পদার্থের অবস্থান।

বায়োগ্যাস বা বায়োফুয়েলঃ
বিভিন্ন প্রাণী দ্বারা সৃষ্ট জৈব বর্জ্য পদার্থ, মৃত উদ্ভিদ থেকে উৎপন্ন হয়ে থাকে বায়োগ্যাস যাকে আমরা জ্বালানি রূপে ব্যবহার করতে পারি। বায়োগ্যাস বা বায়োফুয়েল হলো সৌরশক্তিরই এক ভিন্ন রূপ। ইহা একটি অন্যতম পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস।
বায়োগ্যাসের ব্যবহারঃ
কাঠঃ কাঠ হলো একটি খুবই ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় বায়োগ্যাস কারণ কাঠকে পোড়ালে আমরা সহজে তাপ উৎপন্ন করতে পারি।
গোবরঃ গরুর মল থেকে উৎপন্ন ঘুঁটে হল এক অন্যতম বায়োফুয়েল-এর উদাহরণ।

বায়ো গ্যাসের মুখ্য উপাদান সমূহঃ
বায়োগ্যাস এর মধ্যে আমরা কার্বন ডাই অক্সাইড, হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন সালফাইট এবং মিথেনের নিপসম খুঁজে পাই। এই বায়োগ্রাফি ৭৫ শতাংশ মিথেন গ্যাস থাকার ফলে ইহা সহজেই দাহ্য এবং খুব ভালো জ্বালানি।

বায়োগ্যাসের ব্যবহার সমূহঃ
জ্বালানি হিসাবে বায়োগ্যাস রান্নার কাজে বিপুল হারে ব্যবহৃত হয়।
বিভিন্ন আলো জ্বালানোর ক্ষেত্রেও এই গ্যাসের ব্যবহার দেখা যায়।
বিদ্যুৎ উৎপাদন এই গাছের ব্যবহার করে সম্ভব।
কৃষিক্ষেত্রে জলসেচের কাজেও এই গ্যাস বিপুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।

বায়োগ্যাস উৎপাদনের বিভিন্ন পদ্ধতি
মিথজেনিক ব্যাক্টেরিয়াঃ এই জাতীয় ব্যাকটেরিয়া হল একটি অ্যারকি অর্থাৎ এরা অল্প অক্সিজেন এর মাধ্যমে পরিবেশে বিভিন্ন বিক্রিয়া ঘটিয়ে মিথেন উৎপন্ন করে। জলাভূমিতে এই জাতীয় ব্যাকটেরিয়া বিপুল হারে দেখা যায়।
বায়োগ্যাস প্ল্যান্টঃ জলের উপস্থিতিতে এবং অক্সিজেনের অনুপস্থিত হতে বহু ব্যাকটেরিয়া বিভাজন পদ্ধতির মাধ্যমে বায়ো গ্যাস উৎপন্ন করতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে বায়োগ্যাস প্লান্ট তৈরি করতে হয়। এই প্ল্যান তৈরি করা খুবই সোজা এবং স্বল্প ব্যয়বহুল। গোবর আর জলের সামান্য মিশনের দ্বারাইএই প্ল্যান্ট থেকে বায়োগ্যাস উৎপন্ন করা সম্ভব।

কয়লা খনির মিথেনঃ বিশ্বের বিভিন্ন কয়লা খনি থেকে আমরা Coal Bed Methane নামক এক প্রাকৃতিক গ্যাস পেয়ে থাকি যা সাধারণত কয় না উপরের স্তরের পাতলা স্তর রূপে অবস্থিত থাকে। একে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, এমনকি আমেরিকার মতো শক্তিশালী দেশ গুলি তাদের চাহিদা পূরণ করছে।

মিথেন হাইড্রেটঃ
মিথেন হাইড্রেট এর অপর নাম হল ‘ফায়ার আইস’। খুব নিম্নচাপে এবং নিম্ন উষ্ণতায় মিথেন হাইড্রেট পাওয়া যায়। মূলত মেরু অঞ্চলে এবং সমুদ্রের গভীরে মিথেন হাইড্রেট সহজে উপলব্ধ। এক অনু মিথেন হাইড্রেট বিয়োজিত হয়ে নিজের আয়তনের প্রায় ১৫০-১৬০ গুন আয়তনের গ্যাস তৈরি করতে সক্ষম। এই মিথেন হাইড্রেট খুব অল্প পরিমাণে পৃথিবীতে উপলব্ধ থাকলেও ইহা জ্বালানির একটি অন্যতম উৎস।

MCQ SHort Questions (1 Marks)

পরিবেশের জন্য ভাবনা
1. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর রেডিয়াে যোগাযোগের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়
A. মেসােস্ফিয়ার
B. ট্রপােস্ফিয়ার
C. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
D. থার্মোস্ফিয়ার
Ans- D

2. সব থেকে বেশী বায়ুদূষণ বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে হয় ?
A. ট্রপােস্ফিয়ার
B.স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
C. মেসােস্ফিয়ার
D. থার্মোস্ফিয়ার
Ans- A
3. বায়ুমণ্ডলের CO, কোন পদ্ধতিতে বাড়ে ?
A.দহন
B.আম্রাবণ।
C.পাতন
D.বাষ্পীভবন
Ans- A

4. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোনস্তর পাওয়া যায় ?
A.ট্রপােস্ফিয়ার
B.স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
C.মেসােস্ফিয়ার।
D.থার্মোস্ফিয়ার
Ans- B

5. ওজোনস্তরের ঘনত্ব কোন একক দ্বারা মাপা হয় ?
A. AU
B. F U
C. DU
D. MU
Ans- C

6. বায়ুমণ্ডলে ওজোনস্তর কি ভাবে তৈরি হল ?
A. ভৌত পরিবর্তন
B. আলােকরাসায়নিক বিক্রিয়া
C. নিউক্লিয় বিভাজন
D. নিউক্লিয় সংযােজন
Ans-B

7. ওজোনস্তর ক্ষতি করে
A. CO2,,CO
B. P2,O5.
C.NO, NO2
D. O2,
Ans- C

৪. এদের মধ্যে কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় ?
A.O2
B.CO2
C. CH4
D.CFC
Ans- A

9. ওজোনস্তরের ক্ষতির জন্য কোন গ্যাসটি সব থেকে বেশি সক্রিয় ?
A.CO2
B. CO
C. CFC
D.CH4
Ans- C

10. শীতের দেশে কাচের ঘরে গাছ রাখা হয়। এইটি কে কি বলে?
A. হােয়াইট হাউস
B.BLUE HOUSE
C.গ্রিনহাউস
D.গ্লাস হাউস
Ans- C

11. কোনটি ফসিল ফুয়েল নয় ?
A.কয়লা
B.পেট্রোল
C. ডিজেল
D.ইথানল
Ans- D

12. সমস্ত শক্তি উৎপাদন হয় কি থেকে ?
A.জীবাশ্ম জ্বালানি
B.সমুদ্রের জল
C.সূর্য
D.বায়ু
Ans- C

13. এদের মধ্যে কোনটি প্রচলিত শক্তি ?
A.বায়ুশক্তি
B.ডিজেল
C. সৌরশক্তি
D.ভূ-তাপশক্তি
Ans- C

14. বায়ােগ্যাস কিসের দ্বারা তৈরী হয় ?
A .CH4
B,Co,
C.N2
D.H2
Ans- A

15. বায়ুমণ্ডলের কোথায় মেরুজ্যোতি তৈরী হয় ?
A.স্ট্রাটোস্ফিয়ার
B.মেসােস্ফিয়ার
C.থার্মোস্ফিয়ার
D. ট্রপােস্ফিয়ার
Ans- C

16. LPG গ্যাসে কি উপাদান থাকে?
A. বিউটেন
B.ইথেন
C.বিউটানােন
D.মিথেন
Ans- A

17. পুনর্নবীকরণযােগ্য শক্তি কি থেকে পাওয়া যায় ?
A.পেট্রোল
B.বায়ােগ্যাস
C.প্রাকৃতিক গ্যাস
D.কেরােসিন
Ans- B
18. সৌরকোষ কি দিয়ে বানানো হয় ?
A.কয়লা দিয়ে
B.ডিজেল দিয়ে
C.অর্ধপরিবাহী দিয়ে
D.অতিপরিবাহী দিয়ে
Ans- C


19. বায়ােমাস কী ?
A.প্রাণীজ বা উদ্ভিজ্জ বর্জ্যপদার্থ
B.উদ্ভিদ যেটি মাটির নিচে চাপা পড়া
C.পেট্রোল
D.যেই মাসে কার্বন থাকে না।
Ans- A

20. এদের মধ্যে কোন গ্যাসটি অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী নয় ?
A.No2
B.So2
C. N2
D.Co2
Ans- C

21. আগামীদিনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হিসেবে কি হতে পারে?
A..ইথেন হাইড্রেট
B. মিথেন নাইট্রেট
C.মিথেন হাইড্রেট
D.মিথেন
Ans -C

22. নীচের পদার্থগুলির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশী তাপ উৎপাদন করতে পারে ?
A.চারকোল
B.LPG
C. ডিজেল
D.কাঠ
Ans- B

23. ভেজিটেবল অয়েল ও প্রাণীজ ক্যাটের সঙ্গে মিথানল মিশিয়ে কি বানানো হয়?
বায়ােগ্যাস।
বায়ােডিজেল
LPG
বায়ােমাস
Ans-2

24. 1 অণু CFC কত অনু কার্বন ডিঅক্সিডের সমান তাপ উৎপন্ন করে ?
200 অণুর সমান
100 অণুর সমান
20,000 অণুর সমান
10,000 অণুর সমান
Ans-3


25. সমুদ্র বায়ু উৎপাদনের জন্য এদের মধ্যে কোনটি প্রয়ােজন?
পরিবহণ
পরিচলন
বিকিরণ
দহন
Ans- 2

26. ঝড় ও বজ্রপাত কোথায় হয় ?
ক্ষুদ্ধমণ্ডলে।
শান্তমণ্ডলে
মেসােস্ফিয়ার
থার্মোস্ফিয়ারে
Ans- 1

27. গ্রিনহাউস গ্যাস বেড়ে গেলে কি হয় ?
পৃথিবীর গড় উষ্ণতা কমে যাবে
পৃথিবীর গড় উষ্ণতা বাড়বে
পৃথিবীর গড় উষ্ণতাপরিবর্তিত থাকবে
বায়ুচাপ বেড়ে যাবে
Ans- 2

28. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের সবচেয়ে উঁচু অংশের উষ্ণতা কত ?
-20°C
-30°C
-10°C
0°C
Ans- 4

29. গ্রিনহাউস গ্যাস কি ভাবে কমানো যায় ?
CFC-এর উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ
N,-এর পরিমাণ কমিয়ে
CFC-এর উৎপাদন বাড়িয়ে
বৃক্ষচ্ছেদন
Ans- 1

30. সৌরকোশ তৈরী করতে প্রধানত কি লাগে ?
Bi
Pt
Si
Ag
Ans-3

31. ফসিল ফুয়েল সংরক্ষণ করার জন্য কি করা উচিত ?
অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার
প্রচলিত শক্তির ব্যবহার
কলকারখানা বন্ধ রাখা
দ্সভ্যতার শিখরে তাড়াতাড়ি পৌঁছােনাে
Ans- 1

32.অনেক সৌরকোষকে একসাথে কি বলে ?
সৌর উত্তাপক
সৌর ফার্নেস।
সৌর প্যানেল
সৌরপাত
Ans-3

33. ভারতবর্ষের কোন রাজ্যে অনেক উইন্ডমিল পাওয়া যায় ?
পশ্চিমবঙ্গ
আসাম
তামিলনাড়ু
মণিপুর
Ans- 3

34. তাপ উৎপাদন হিসেবে নীচের জ্বালানিগুলিকে সঠিক ভাবে সাজাও-
কয়লা < ডিজেল < LPG <H,
কয়লা < LPG < ডিজেল < H2
কয়লা < H,< ডিজেল < LPG
কয়লা < ডিজেল <H,< LPG
Ans- 2

35. কোনটিকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা যায় না ?
N,O
2. O,
3. N
4. CFC
Ans-3

36. CFC এর কোন উপাদান ওজোনস্তর ধক্ষতির জন্য বিশেষভাবে দায়ী ?
1. C
2. Cl
3 .N
4 .F
Ans- 2
37. গ্রিনহাউস এফেক্টের কোন রশ্মির জন্য হয় ?
1. ইনফ্রায়েড (IR রশ্মি)
2 .রশ্মি
3. X-রশ্মি
4. (UV) অতিবেগুনি রশ্মি
Ans- 1

38. কোন স্তর জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত করে ?

1.ট্রপােস্ফিয়ার
2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
3.মেসােস্ফিয়ার
4. থার্মোস্ফিয়ার
Ans- 1
39. কয়লাখনিতে কোন গ্যাস পাওয়া যায় যেটি জ্বালানির মতো ব্যবহার করা হয় ?
1.মিথেন
2.হাইড্রোজেন
3.অক্সিজেন
4.নাইট্রোজেন
Ans- 1

40. বায়ােগ্যাস প্লান্টে বায়ােগ্যাস কি ভাবে তৈরী করা হয় ?
জলের ছাড়া , বায়ুর উপস্থিতিতে
জলের উপস্থিতিতে, বায়ুর অনুপস্থিতিতে
জল এবং বায়ু উভয় ই লাগে
জল এবং বায়ু উভয় লাগে না
Ans- 2

 

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)

পরিবেশের জন্য ভাবনা
একটি অজৈব গ্যাসের নাম লেখাে বিশ্ব উম্নয়নের জন্য দায়ী ।
ANS- কার্বন ডাই-অক্সাইড।

সবচেয়ে বেশি কোন জ্বালানির তাপন মূল্য?
ANS- হাইড্রোজেনের তাপন মূল্য (150 kJ/g) সবচেয়ে বেশি।

CFC-এর ওজোন হােল গঠনে ভূমিকা কী?
ANS- CFC থেকে উৎপন্ন জায়মান ক্লোরিন ওজোন গ্যাসকে ভেঙে অক্সিজেন-এ পরিণত করে। এইভাবে ওজোন স্তরে ওজোন হােল গঠিত হয়।

পুনর্নবীকরণযােগ্য একটি শক্তির উৎসের নাম লেখাে৷
ANS-বায়শক্তি

পাওয়ার অ্যালকোহল কী ?
ANS-যে জ্বালানি পেট্রোল-এর সাথে 23% ইথানল মিশিয়ে তৈরি করা হয় তাকে পাওয়ার অ্যালকোহল।


তাপন মূল্যের একক লেখো ?
ANS- কিলাে জুল / গ্রাম।

আয়নােস্ফিয়ার-এর অন্য নাম লেখো ?
ANS- থার্মোস্ফিয়ার।

কোন স্তরকে ক্ষুব্বমণ্ডল বলা হয় ?
ANS-ট্রপােস্ফিয়ারকে।

কী কারণে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার-এর এরুপ নামকরণ?
ANS-চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতির জন্য এই অঞ্চলকে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার বলা হয়।

CFC-এর পুরাে নাম লেখো ?
ANS-ক্লোরাে কার্বন।

গ্রিনহাউস কথাটির অর্থ লেখো ?
ANS-এর অর্থ হলাে গাছপালা পরিচর্যার কাচের ঘর।


কোনটি গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য দায়ী প্রধান গ্যাস?
ANS-কার্বন ডাই-অক্সাইড।

কাকে স্থিতিশীল উন্নয়ন বলে?
ANS-যে উন্নয়ন ব্যবস্থায় দেশের মঙ্গল করা যায় প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না করে, তাকেই স্থিতিশীল উন্নয়ন বলে।

কত শতাংশ মিথেন গােবর গ্যাস-এ থাকে?
ANS-গােবর গ্যাসে প্রায় 60 শতাংশ মিথেন থাকে।

কাকে মেথাননাজেনিক ব্যাকটেরিয়া বলে ?
ANS-মিথেন গ্যাস উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়াকে মিথানােজেনিক ব্যাকটেরিয়া বলে।

মেথাননাজেনিক ব্যাকটেরিয়ার একটি নাম লেখাে।
ANS-মিথানকক্কাস।

কাকে সুইট গ্যাস বলে?
ANS-সুইট গ্যাস বলে কোল বেড মিথেনকে। কারণ এর মধ্যে H,S গ্যাস থাকে না।

কাকে ফায়ার আইস বলা হয় ?
ANS-মিথেন হাইড্রেটকে ফায়ার আইস বলা হয়।

রাসায়নিক সংকেত লেখাে মিথেন হাইড্রেট-এর ।
ANS-4CH, 23H,O.

কোন স্তরে জেট প্লেন চলাচল করে বায়ুমণ্ডলের ?
ANS-জেট প্লেন চলাচল করে শান্তমণ্ডল স্তরে।

সর্বাধিক উয়তা থার্মোস্ফিয়ার-এর কত?
ANS-থার্মোস্ফিয়ার-এর সর্বাধিক উয়তা 1200° সেন্টিগ্রেড।

ODS কথাটির সম্পূর্ণ রূপ কী।
ANS-ওজোন ডিপ্লেটিং সাবস্টেন্স।

ভূতাপ শক্তির প্রধান উৎস লেখো ?
ANS-ভূতাপ শক্তির প্রধান উৎস হলাে আগ্নেয়গিরি ও উত্ন প্রস্রবণ ।


হাইড্রোজেন ও এলপিজি -এর মধ্যে তাপন মূল্য কোনটির সর্বোচ্চ?
ANS-হাইড্রোজেন।

কেরােসিন, পেট্রোল, কয়লা। ক্রমবর্ধমান তাপন মূল্য হিসেবে সাজাও।
ANS-কয়লা < কেরােসিন < পেট্রোল।

একটি ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করাে ভুউষ্ণতা বৃদ্ধির ।
ANS-মেরুপ্রদেশের বরফ গলন ও সমুদ্রের জলের উচ্চতা বৃদ্ধি।

বায়ােগ্যাসের মুখ্য উপাদান লেখো ?
ANS-মিথেন।

কোন জৈব জ্বালানি ভারতবর্ষে পেট্রোল-এর সাথে মেশানাে হয়?
ANS-ইথানল।

এমন দুটি গ্যাসের নাম লেখাে যা বায়ুমণ্ডলের উন্নতা বৃদ্ধি করে ৷
ANS-CO, ও CH

ওজোন গহুর তৈরির জন্য একটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।
ANS-অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্যানসার জাতীয় রােগ হয়।

বায়ুমণ্ডলে ওজোন গ্যাস তৈরিতে তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের কোনটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে ?
ANS-অতিবেগুনি রশ্মি।

তাপন মূল্য কত রান্নার গ্যাস এলপিজি-এর?
ANS-50 কিলাে জুল প্রতি গ্রাম।

কোনটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট স্তর?
ANS-ট্রপােস্ফিয়ার।

কোন গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে উৎপন্ন হয় ?
ANS-কার্বন ডাই-অক্সাইড।

বেতার তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে প্রতিফলিত হয় ?
ANS-আয়নােস্ফিয়ার।


শূন্যস্থান পূরণ করাে
_______ স্তরকে পৃথিবীর ছাতা বলা হয় বায়ুমণ্ডলের ।
ANS-ওজোন

তাপ সঞ্চালনের ফলে বায়ুর মধ্যে যে চক্রাকার স্রোতের সৃষ্টি হয় তাকে ________ বলে।
ANS-রিচলন স্রোত

বিশ্ব উয়ায়ন হয় _______ এর কারণে।
ANS-গ্রিনহাউস এফেক্ট

ওজোন গহুর বলে যদি ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব _________ ডবসন একক-এর কম হয় ।
ANS-200
5. সুপারসনিক বিমান নির্গত যে গ্যাস ওজোন স্তরকে ভেঙে দেয় সেই গ্যাসটি
হলাে ________
ANS-নাইট্রিক অক্সাইড

________ সমবায়ে সােলার প্যানেলে সৌরকোশগুলি যুক্ত থাকে।
ANS-শ্রেণি

__________ বায়ােমাসে অন্তর্নিহিত শক্তি ।
ANS-সৌরশক্তি

প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে _______ শক্তি সূর্য থেকে পাওয়া যায় না।
ANS-ভূতাপীয়

অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের _________ হতে পারে।
ANS-ক্যানসার

বায়ােডিজেল উৎপাদনে _________গাছের তেল ব্যবহৃত হয়।
ANS-মহুয়া / জ্যাট্রোফা

মিথেন বহুসংখ্যক জল অণু দিয়ে _______ যৌগে গঠিত খাঁচায় আবদ্ধ থাকে।
ANS-মিথেন হাইড্রেট ।

_______ হলাে প্রাকৃতিক সৌরপর্দা
ANS-ওজোন স্তর।

________ হলাে একটি অপ্রচলিত শক্তির উৎস ।
ANS-বায়ােগ্যাস

______ হলো CFC-এর পুরাে নাম।
ANS-ক্লোরােফ্লুরাে কার্বন

_________ বায়ােগ্যাসের প্রধান উপাদান।
ANS-মিথেন।

__________ হলো শক্তির প্রধান উৎস ।
ANS-সূর্য


___________ হলাে একটি জীবাশ্ম জ্বালানি ।
ANS-কয়লা

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)

কীভাবে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ ওজোন স্তরের ক্ষতি করে?
ANS- নাইট্রিক অক্সাইড ওজোন স্তরের অণুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে। এই নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড পুনরায় অক্সিজেন পরমাণুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড ও ওজোনে পরিণত হয়। এভাবে উৎপন্ন নাইট্রিক অক্সাইড পুনরায় আরেকটি | ওজোনকে ভেঙে দেয়। এই পদ্ধতি ক্রমাগত চলে এবং ওজন স্তরের বিনাশ ঘটে।

বিশ্ব উয়ায়ন বলতে কী বােঝাে? দু’টি ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো |
ANS- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা গ্রিনহাউস প্রভাব-এর ফলে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘটনাকে বিশ্ব উয়ায়ন বলে।
এর দু’টি ক্ষতিকারক প্রভাব
(ক) ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণের পরিবর্তন ও অনিয়মিত হবে ।
(খ) মেরুপ্রদেশের বরফ গলে সমুদ্রের জলের উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উপকূলবর্তী এলাকা ডুবে যাবে।

দুটি উপায় লেখাে গ্রিনহাউস প্রভাব কমানোর।
ANS- (ক) বনভূমি রক্ষা করতে হবে এবং বনসৃজনের ওপর জোর দিতে হবে।
(খ) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে যাতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে যায়।

কেন মিথেন হাইড্রেটকে ফায়ার আইস বলে? এটি কোথায় পাওয়া যায় ?
ANS- একপ্রকার কেলাসাকার কঠিন পদার্থ হলাে মিথেন হাইড্রেট । প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস জলের অণুর সমন্বয়ে গঠিত বরফ সদৃশ এই কেলাসের মধ্যে আবদ্ধ অবস্থায় থাকে। এই গ্যাস দাহ্য প্রকৃতির হওয়ায় এটি আগুনের সংস্পর্শে এলেই জ্বলতে থাকে, তাই একে ফায়ার আইস বলে। মিথেন হাইড্রেট সমুদ্রের তলদেশে 1100 মিটার গভীরে পাললিক শিলাস্তর-এর নীচে পাওয়া যায়।।

কীভাবে ক্লোরােফ্লোরাে কার্বন ওজোন স্তরকে ধ্বংস করে? বা, ওজোন স্তর ধ্বংসের কারণগুলি লেখাে।
ANS- CFC রেফ্রিজারেটর, বাতানুকূল যন্ত্র, এরােসল স্প্রে-তে ব্যবহৃত হয়। এই CFC গ্যাস স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছায় এবং অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ক্লোরিন পরমাণু গঠন করে। লক্ষ লক্ষ ওজোন অণুকে এই সক্রিয় ক্লোরিন পরমাণু অক্সিজেনে পরিণত করে।
Cl + O3 = CIO + O2, CIO + O3= 2O2, + Cl

কীভাবে ওজোন স্তর সৃষ্টি হয়?
ANS- অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে স্ট্যাটোস্ফিয়ারে উপস্থিত অক্সিজেন অণু অক্সিজেন পরমাণুতে বিয়ােজিত হয়। এই পারমাণবিক অক্সিজেন আণবিক অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ওজোন তৈরি করে। এইভাবে 16 কিলােমিটার থেকে 30 কিলোমিটার-এর মধ্যে স্ট্রাটোস্ফিয়ার-এ একটি ওজোন স্তর সৃষ্টি হয়।
O2 + অতিবেগুনি রশ্মি = O+ O; O2 + O = O3

দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় লেখাে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উন্নয়নের প্রভাব কমানাের? অথবা, গ্রিনহাউস প্রভাব কমাননার দুটি উপায় লিখাে।
ANS- নিম্নলিখিত কাজ দু’টি করা আবশ্যক গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে ।
(ক) প্রচুর বনসৃজন ও বন সংরক্ষণ করতে হবে, এতে বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস গাছপালা দ্বারা শােষিত হবে।
(খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপাদনকারী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে, যথা – কাঠকয়লা, ডিজেল-পেট্রোল ইত্যাদির ব্যবহার কমাতে হবে।

স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারণাটি কী? বা, স্থিতিশীল উন্নয়ন বলতে কী বােঝায়?
ANS- প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমিত ও যথাযথ ব্যবহার, বর্তমান জীবনযাত্রার মানােন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদকে সুরক্ষিত করে মানবজাতির মঙ্গলসাধন করা যায়,যে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে তাকে স্থিতিশীল উন্নয়ন বলে।

কেন স্ট্রাটোস্ফিয়ারকে শান্তমণ্ডল বলা হয়? অথবা, কেন স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার অঞ্চলে জেট বিমান চলাচল করতে পারে?
ANS- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার অঞলে খুব কম পরিমাণে বায়ু, ধূলিকণা ও জলকণা থাকায় ঝড়-বৃষ্টি প্রায় কিছুই হয় না। তাই জেট বিমানগুলি ঝড়-বৃষ্টি এড়িয়ে চলার জন্য এই স্তরে চলাচল করে। তাই একে শান্তমণ্ডল বলা হয়।

অনবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস বা চিরাচরিত শক্তির উৎস বলতে কী বােঝাে? উদাহরণ দাও।
ANS- অনেক দিন ধরে ব্যবহার করার ফলে যেসব শক্তির উৎসর ভাণ্ডার বর্তমানে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং যেগুলি একবার শেষ হয়ে গেলে পুনরায় ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই তাদের চিরাচরিত বা অনবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস বলে।।
যেমন— পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা প্রভৃতি জীবাশ্ম জ্বালানি হলাে চিরাচরিত বা অনবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস।

কাকে মেরুপ্রভা বলে এবং কোন স্তরে এটি দেখা যায়?
ANS- আয়নােস্ফিয়ার স্তরে তড়িদাহিত কণা থাকে। এখানে বায়ু থাকে না। সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলে এক ধরনের আলাের বিচ্ছুরণ দেখা যায় এই তড়িদাহিত কণার চৌম্বক বিক্ষেপের কারণে। এই ঘটনাকে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা বলে। বায়ুমণ্ডলের আয়নােস্ফিয়ারে মেরুপ্রভা দেখা যায়।

কাকে ও কেন ক্ষুব্ধমণ্ডল বলা হয়?
ANS- ক্ষুব্বমণ্ডল বলা হয় ট্রপােস্ফিয়ারকে। কেননা ট্রপােস্ফিয়ারে জলীয় বাষ্প, মেঘ, ধূলিকণা ইত্যাদি থাকে। এখানে আবহাওয়ার প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয় এবং ঝড়, বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত ঘটে থাকে। তাই এই অঞ্চলকে ক্ষুব্বমণ্ডল বলা হয়।

মিথেন হাইড্রেট কী? মিথেন হাইড্রেট কোথায় পাওয়া যায়?
ANS- 4 CH4 23 H20 সংকেত বিশিষ্ট বরফের ন্যায় কেলাসাকার সাদা কঠিন পদার্থ হলাে মিথেন হাইড্রেট । এর মধ্যে 13.4% মিথেন থাকে। সমুদ্রের তলদেশে 1100 মিটার গভীরে পাললিক শিলাস্তরের নীচে মিথেন হাইড্রেট পাওয়া যায়।

ট্রলােপজ কাকে বলে ?
ANS- যে অঞ্চলে ট্রপােস্ফিয়ার শেষ হয়েছে এবং স্ট্রাটোস্ফিয়ার শুরু হয়েছে সেই অঞলে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উয়তার পরিবর্তন হয় না, তাকে ট্রপােপজ বলে।

বায়ুশক্তির ও সৌরশক্তি একটি করে অসুবিধা লেখাে।
ANS- বায়ুশক্তির অসুবিধা : বায়ুশক্তির একটি অসুবিধা হলাে কেবলমাত্র উপকূল ও মরু অঞলে যেখানে বাতাসের বেগ বেশি সেখানে বায়ুকল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
সৌরশক্তির অসুবিধা : রৌদ্রোজ্জ্বল দিন না হলে অর্থাৎ মেঘলা দিনে বা রাতের বেলা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন অসম্ভব।

ওজোন মণ্ডল কাকে বলে ?
ANS- ওজোন মণ্ডল হলো ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 20-50 কিমি উচ্চতায় ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৃথিবীকে ঘিরে বায়ুমণ্ডলের ওজোন গ্যাস (O,) সমৃদ্ধ স্তর ।

গ্রিনহাউস গ্যাসের কয়েকটি নাম লেখাে। পরিবেশে এই গ্যাসগুলির ভূমি লেখাে।
ANS- NO, CFC, CO, CH, ও জলীয় বাষ্প। এই গ্যাসগুলি বায়ুমণ্ডলের তা বৃদ্ধি করে, যার ফল বিশ্ব উয়ায়ন।

কাকে জ্বালানির স্থিতিশীল ব্যবহার বলে?
ANS- বর্তমান প্রজন্মের জ্বালানি চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি সংরক্ষণ ও বিকল্প জ্বালানির উৎস সুন ও ব্যবহারকে বলে জ্বালানির স্থিতিশীল ব্যবহার।

জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা কী লেখো ?
ANS- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সভ্যতার উন্নতির ফলে কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম জাতীয় বিভিন্ন অনবীকরণযােগ্য চিরাচরিত শক্তির ব্যবহার বেড়ে গেছে। তাই এর পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, একবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এই শক্তির উৎসগুলি একদম শেষ হয়ে যাবে। এর ফলে শক্তি সংকটের সৃষ্টি হবে। তাই এই জ্বালানির প্রয়ােজনীয়তার দিকে লক্ষ রেখে এদের সংরক্ষণের প্রয়ােজন।

দু’টি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখাে অতিবেগুনি রশ্মির ।
ANS- মানুষের চামড়ায় সানবার্ন, ক্যানসার ও বিভিন্ন চর্মরােগ সৃষ্টিকরে। প্রজনন ক্ষমতা ও রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।

সভ্যতার উন্নতিসাধনে বিকল্পশক্তির ব্যবহার এর প্রয়ােজন লেখো ?
ANS- বর্তমানে আমরা যে-সমস্ত জীবাশ্ম জ্বালানি শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার | সেগুলির ভাণ্ডার সীমিত। সেগুলি একদিন না একদিন শেষ হয়ে যাবে। ফলে জ্বালানি অভাবে সভ্যতার উন্নয়ন থমকে যাবে। তাই সভ্যতার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে হলে বিকল্প শক্তির সন্ধান ও ব্যবহার প্রয়ােজন।

ফটোভােল্টিক কোশ কাকে বলে ?
ANS- এই কোশের সাহায্যে সৌরশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রুপান্তরিত করা হয়। অর্ধপরিবাহী সিলিকন (Si) দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এতে সিলিকন-বােনের একটি ক এবং সিলিকন-আর্সেনিকের একটি স্তরকে পাশাপাশি রেখে তার দিয়ে যুক্ত করা হয়। এর ওপর সূর্যালােক পড়লে অর্ধ-পরিবাহী সিলিকনের ইলেকট্রনগুলি উত্তেজিত হয়ে গতিশীল হয়। এই কোশকে ফটোভােন্টিক কোশ বা সৌরকোশ বলে।

গ্রিনহাউস কাকে বলে?
ANS- প্রচণ্ড ঠান্ডার হাত থেকে উদ্ভিদকে বাঁচিয়ে রাখতে শীতপ্রধান অঞ্চলে কাচের ঘর তৈরি করা হয়। এর মধ্যে গাছপালা সবজ ও সতেজ থাকে। এই গ্রিনহাউস বলে।

গ্রিনহাউস এফেক্ট কাকে বলে?
ANS- প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে উদ্ভিদকে রক্ষা করার জন্য শাতপ্রধান অঞ্চলে পলিথিনের ঘর তৈরি করে গাছপালা লাগানাে হয়। এই কটি গাছপালা লাগানাে হয়। ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলােকরশ্মি এই কাচ বা পলিথিন ভেদ করে প্রবেশ করে কিন্তু উদ্ভিদ কর্তৃক শােষণের পর তা তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ইনফ্রারেড রশ্মিতে পরিণত হয় যা ঐ কাচ বা পলিথিন বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে গ্রিনহাউসের ভেতরটা গরম থাকে। তেমনই সূর্য থেকে আগত আলােকরশ্মি ভূপৃষ্ঠে এসে পড়ে এবং পুনরায় বিকিরিত হয়ে ফিরে যায়। কিন্তু বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত CR, CFC, A,O ও জলীয় বাষ্প দ্বারা শােষিত হয়ে তা পুনরায় মহাশূন্যে ফিরে যেতে পারে না। ফলে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বাড়ে। এই ঘটনাটি গ্রিনহাউস এফেক্ট বলে পরিচিত।

এলপিজি-র তাপনমূল্য 2800 কিলােক্যালােরি প্রতি মিটার-এর অর্থ কী ?
ANS- 1 ঘনমিটার আয়তনের এলপিজি-কে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ হন। করলে 2800 কিলােক্যালােরি তাপ উৎপন্ন হয়।

ওজোন স্তরকে প্রাকৃতিক সৌরপর্দা বা পৃথিবীর ছাদ বলা হয় কেন ? অথবা, বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তরের গুরুত্ব কী ?
ANS- সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর UV-B, UV-V অতিবেগুনি রশ্মিকে ওজোন স্তর শোষণ করে। ফলে ওই ক্ষতিকর রশ্মি পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না এবং পরিবেশ এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।

উৎকৃষ্ট জ্বালানির শর্তগুলি কী কী লেখো ?
ANS- উৎকৃষ্ট জ্বালানির শর্তগুলি হলাে—
i. জ্বালানি সস্তা ও সহজলভ্য হবে।
ii. তাপনমূল্য বেশি হবে।
iii. জ্বালানির দহনে ধোঁয়া বা কোনাে বিষাক্ত গ্য উৎপন্ন হবে না।

বায়ােফুয়েল কাকে বলে?
ANS- কৃষিজ বর্জ, গােবর, কাঠ, গাছের শুকনাে ডালপালা, মৃত প্রাণীর দেহাবশেষ ইত্যাদি কার্বনঘটিত পদার্থকে একত্রে বলা হয় বায়ােমাস। এই বায়ােমাসকে পচিয়ে তা থেকে বায়ােগ্যাস উৎপন্ন করে সেটাকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় বা এই বায়ােমাসকে সরাসরি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে । বায়ােমাসের এই রাসায়নিক শক্তিকে বায়ােফুয়েল বলা হয় ।

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
    বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরের গুরুত্ব লেখো ?
  • কেন ওজোন স্তরকে প্রাকৃতিক সৌরপর্দা বা পৃথিবীর ছাদ বলা হয়?
  • বায়ােফুয়েল কাকে বলে ? এর একটি ব্যবহার লেখাে।
  • জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
  • জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা লেখো ?
  • উৎকৃষ্ট জ্বালানির শর্তগুলি কী?
  • এলপিজি-এর তাপন মূল্য 2800 কিলাে ক্যালােরি প্রতি ঘন মিটার-এর অর্থ কী?
  • জৈবগ্যাস বা বায়ােগ্যাস কী ? বায়ােগ্যাসের উপাদানগুলি লেখাে।
  • গ্রিনহাউস ক্রিয়া কাকে বলে ?
  • কাকে ওজোন হােল বা ওজোন গহ্বর বলে?
  • কেন ট্রপােস্ফিয়ারকে ক্রমহ্রাসমান উষ্ণতা স্তর বলা হয়?
  • কেন ট্রপােস্ফিয়ারকে ক্ষুদ্ধমণ্ডল বলা হয়?
  • কাকে মেরুপ্রভা বলে এবং কোন স্তরে মেরুপ্রভা দেখা যায় ?
  • কীভাবে গৃহস্থালির বর্জ্য পদার্থ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়?
  • সৌরকোশ কাকে বলে এবং কীভাবে এই কোশ গঠিত হয়?

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat