fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

প্রবন্ধ - হারিয়ে যাওয়া কালি কলম - Hariye Jawa Kali Kolom Bangla

মাধ্যমিক Suggestion বাংলা Subject

Here you will learn the basics of হারিয়ে যাওয়া কালি কলম in a simple language it is for Bengali medium students who are studying under West Bengal Board of Secondary Education and preparing for their Madhyamik exam (Class 10 WBBSE) Here you will find all necessary and important WBBSE Madhyamik Suggestions, notes, solved sample question paper in Bangla along with video lectures from expert teachers

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

updated

 

MCQ SHort Questions (1 Marks)


1 MARKS QUESTIONS

1.শ্রীপান্থের আসল নাম

অন্নদাশঙ্কর রায়
নিখিল সরকার।
নিখিলনাথ রায়
সুবােধ ঘােষ
Ans-2


2.সিজার যে কলমটি দিয়ে কাসকাকে আঘাত করেছিলেন, তার পােশাকি নাম

রিজার্ভার
স্টাইলাস
পার্কার
পাইলট
Ans-2

3.লেখক কোন বিখ্যাত সাহিত্যিকের সংগ্রহে প্রায় দু’ডজন ফাউন্টেন পেন দেখেছিলেন?

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
অন্নদাশঙ্কর রায়
শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়
Ans-4

4.চার খণ্ড রামায়ণ কপি করে একজন লেখক অষ্টাদশ শতকে পেয়েছিলেন

সাত টাকা
আট টাকা
নয় টাকা
দশ টাকা
Ans-1

5.পণ্ডিতমশাইয়ের কলম খ্যাত ছিল”—কী জন্য?

দামি বলে
শাস্ত্র লেখার জন্য
কানে গুঁজে রাখার জন্য
রঙের জন্য
Ans-3

6. *এই নেশা পেয়েছি আমি শরৎদার কাছ থেকে কীসের নেশা?

ফাউন্টেন পেন
মদ
ধূমপান
পাকার
Ans-1

7.“সম্ভবত শেষ পর্যন্ত নিবের কলমের মান-মর্যাদা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন” – কে?

সুকুমার রায়
সমরেশ বসু
সত্যজিৎ রায়
লীলা মজুমদার
Ans-3

8.“যার পােশাকি নাম স্টাইলাস”-কার পােশাকি নাম?

কুইল
খাগের কলম
নলখাগড়া
ব্রোঞ্জের শলাকা
Ans-4

9.ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করতেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
জীবনানন্দ দাশ
শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়
সত্যজিৎ রায়
Ans-3

10.তাঁরও ছিল ফাউন্টেন পেনের নেশা-ফাউন্টেন পেনের নেশা ছিল

বঙ্কিমচন্দ্রের
ত্রৈলােক্যনাথের।
শরৎচন্দ্রের
সত্যজিৎ রায়ের
Ans-3

11,.হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কোন কলমটিকে কিনেছিলেন ?

পার্কার
জাপানি পাইলট
ওয়াটারম্যান
শেফার্ড
Ans-2

12.“বাবু কুইল ড্রাইভারস”- কথাগুলি বলেছেন

ওয়াটারম্যান
রবীন্দ্রনাথ
বঙ্কিমচন্দ্র
লর্ড কার্জন
Ans-4

13.কথায় বলে”- কী বলে?

কলম কালি মন, লেখেন দশজন
কালি কলম,লেখা হয় হরজন
কালি কলম মন, লেখে তিনজন
কালি কলম লেখেন পঞ্জন
Ans-3

 

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)


“বাংলায় একটা কথা চালু ছিল।” কি কথা চালু ছিল?
কথাটি হলাে—“কালি নেই, কলম নেই, বলে আমি মুনশি।”

“আগে একজন বিদেশি সাংবাদিক লিখেছিলেন”—কী লিখেছিলেন?
তিনি লিখেছেন যে কলকাতার চৌরঙ্গিতে তিনজন ফেরিওয়ালার মধ্যে একজন কলম বিক্রেতা।

“আশ্চর্য, সবই আজ অবলুপ্তির পথে।” কিসের কথা বলা হয়েছে ?
ফাউন্টেন পেন থেকে বল পয়েন্ট পেন কম্পিউটার আসায় সবই অবলুপ্তির পথে।

কলমের বদলে টাইপরাইটারে কে লিখেছেন?
অন্নদাশঙ্কর রায় টাইপরাইটারে লিখেছেন।

কোন বিখ্যাত বাঙালি লেখক আধুনিক যুগে নিবের কলম ব্যবহার করতেন?
সত্যজিৎ রায় আধুনিক যুগে নিবের কলম ব্যবহার করতেন।

কীভাবে রবীন্দ্রনাথের চিত্রশিল্পের সূচনা হয়েছিল?
হাতে লেখা পাণ্ডুলিপির পাতায় অক্ষর কাটাকুটি করতে গিয়ে তার চিত্রশিল্পের সূচনা হয়েছিল।

“সেই আঘাতের পরিণতি নাকি তার মৃত্যু।” এখানে কোন আঘাতের কথা বলা হয়েছে?
ডমরু চরিত্রের লেখক ত্রৈলােক্যনাথ মুখােপাধ্যায় মারা গিয়েছিলেন অসাবধানতাবশত নিজের হাতের কলম বুকে ফুটে গিয়ে।

“এই নেশা পেয়েছি আমি শরদার কাছ থেকে।” কে, কাকে উক্তিটি করেছিলেন? নেশাটি কী ছিল?
আলােচ্য উক্তিটি শৈলজানন্দ প্রাবন্ধিক নিখিল সরকারকে করেছিলেন। ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করাকে এখানে নেশা বলা হয়েছে।

 

“কিন্তু সে সব ফাকি মাত্র।” লেখক কোনটাকে ইঙ্গিত করেছেন?
উদ্ধৃতাংশটিতে লেখক কোনাে কোনাে আপিসে টেবিলের ওপর সাজানাে দোয়াত-কলম আসলে বলপেন; এটাকেই ইঙ্গিত করেছেন।

“আমরা ফেরার পথে কোনাে পুকুরে ফেলে দিয়ে আসতাম।” কেন বক্তা তা পুকুরে ফেলে দিতেন?
“হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকেরা ছোটবেলায় কলাপাতাকে লেখালেখির খাতা হিসেবে ব্যবহার করতেন। সেই কলাপাতা গােরু খেয়ে ফেললে অমঙ্গল মনে করে তারা কলাপাতাকে পুকুরে ফেলে দিতেন।

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)


“সবমিলিয়ে লেখালেখি রীতিমতাে ছােটোখাটো একটা অনুষ্ঠান।” কেন লেখালেখি ব্যাপারটিকে ছােটোখাটো অনুষ্ঠান বলা হয়েছে তা বুঝিয়ে দাও।

প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থের লেখা ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রশ্নোপ্ত মন্তব্যটির বক্তা হলেন স্বয়ং শ্রীপান্থ। লেখক আলােচ্য প্রবন্ধে কালি ও কলমের বিবর্তনের ইতিহাসটিকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। শৈশবে ছিল লেখকের নিজের হাতে বাঁশের কঞি কেটে তৈরি করা কলম, তারপর বাজারে এল পালকের কলম, শেষে আসে ফাউন্টেন পেন। কালির ক্ষেত্রে ছিল দোয়াতের কালি, আর এরপর এল কম্পিউটার।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দোয়াত-কলম হয়ে গেল অচল। একসময় লেখা শুকানাে হতাে বালিতে, পরে ব্লটিং পেপারে। সেসব এখন ইতিহাস। তখন কালি তৈরির প্রক্রিয়া ছিল সব মিলিয়ে বিশাল এক আয়ােজন। সেজন্য লেখক প্রশ্নোধৃত মন্তব্যটি করেছেন।

“দোয়াত যে কত রকমের হতে পারে, না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত” – বক্তা কত রকমের দোয়াতের কথা বলেছেন ?

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থ দোয়াত ও কলমের এক বিপুল বৈচিত্র্যের সন্ধান দিয়েছেন।
প্রাবন্ধিক কালি ও কলমের তথ্যানুসন্ধান করতে গিয়ে নানা রকমের দোয়াত দেখেছিলেন। দোয়াতগুলির অবয়ব জেড, পিতল, ব্রোঞ্জ, কাচ, কাট গ্লাস, পাের্সেলিন, শ্বেতপাথর, ভেড়ার শিং দিয়ে নির্মিত ছিল। আবার কখনাে কখনাে মূল্যবান সােনা দিয়ে দোয়াত তৈরি হতাে ।সুভাে ঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহশালায় প্রাবন্ধিক স্বচক্ষে সােনার দোয়াত দেখেছিলেন । প্রাবন্ধিক এইসব দোয়াতের কালি দিয়ে সৃষ্টি রচনাসম্ভার দেখে অভিভূত হয়েছিলেন।

“সবাই এখানে লেখক। কিন্তু আমি ছাড়া কারও হাতে কলম নেই।” এখানে বলতে কোথাকার কথা বলা হয়েছে? কেন লেখক হওয়া সত্ত্বেও হাতে কলম নেই?

প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থের লেখা ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে উল্লিখিত অংশে ‘এখানে’ বলতে যে সংবাদপত্রের অফিসে লেখক কাজ করতেন সেখানকার কথা বলা হয়েছে।

সংবাদপত্রের অফিস আসলে ‘লেখালেখির’ অফিস। সবাই সেখানে লেখালেখির কাজই করে থাকেন। ইদানীং লেখালেখির জন্য কম্পিউটার প্রচলিত হয়েছে। তাই লেখালেখির অফিসে কেউ আর কালি-কলমের উপর ভরসা করে না | সবাই সবাই এখন নির্ভর কম্পিউটারের উপর | অথচ শ্রীপান্থ সেসবে দক্ষ নন কলমের ওপরেই ভরসা করে থাকেন। কিন্তু লেখকের সহকর্মীরা অনবরত বার্ডের সাহায্যেই লিখে চলেছেন। তাই লেখক প্রশ্নে উদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছেন।

“আমাদের ছিল সহজ কালি তৈরি পদ্ধতি।” প্রবন্ধানুসারে কালি তৈরির সহজ পদ্ধতিটি লেখাে। অথবা, “আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই”—লেখকরা কীভাবে কালি তৈরি করতেন তা প্রবন্ধ অনুসরণে লেখাে।

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক শ্রীপান্থ শৈশবে সহজে কালি তৈরির স্মৃতিটিকে তুলে ধরেছেন ।
লেখক কালি তৈরির প্রসঙ্গে প্রাচীন ভারতীয়দের কথাটি প্রবন্ধে তুলে ধরেছেন— “তিল ত্রিফলা সিমুল ছালা/ছাগ দুগ্ধে করি মেলা/লৌহপাত্রে লােহায় ঘসি/ছিড়ে পত্র না ছাড়ে মসি।” লেখকের বাড়িতে কাঠের উনুনে রান্না হতাে। তাতে কড়াইয়ের তলায় বেশ কালি জমত। লাউপাতা দিয়ে তা ঘষে তুলে একটা পাথরের বাটিতে রাখা জলে গুলে নিতে হতাে। সবশেষে ন্যাকড়ায় হেঁকে দোয়াতে ঢেলে নিলেই তৈরি হয়ে যেত কালি।

“অথচ কত সামান্যই না রােজগার করতেন ওঁরা”—কাদের কথা বলা হয়েছে? তাঁদের সম্বন্ধে পাঠ্যপুস্তক থেকে কী জানা যায়? অথবা, “মুঘল দরবারে একদিন তাদের কত না খাতির, কত না সম্মান?” তাদের’ বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? তাদের খাতির ও সম্মানের পরিচয় দাও। অথবা, ক্যালিগ্রাফিস্ট’ বা ‘লিপি-কুশলী’ কাদের বলা হয়? প্রাবন্ধিক এঁদের সম্বন্ধে কী বলেছেন তা প্রবন্ধ অনুসারে লেখাে।

লেখক শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে আলােচ্য উক্তিটিতে তাঁদের বলতে ‘লিপি-কুশলী বা ওস্তাদ কলমবাজদের কথা বলেছেন। ওই ওস্তাদ কলমবাজ-এর পারিভাষিক শব্দ ‘ক্যালিগ্রাফিস্ট’ বা ‘লিপি-কুশলী।

\প্রাবন্ধিক জানিয়েছেন— মােগল দরবারে ওস্তাদ কলমবাজদের খুব খাতির ও সম্মান ছিল। শুধু মােগল দরবারে নয়, বিশ্বের সব দরবারেই এঁরা সম্মান অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশেও রাজা-জমিদাররা লিপিকুশলীদের সম্মান করতেন। রাজা-জমিদার ছাড়াও সাধারণ গৃহস্থরা লিপিকরদের পুথি নকল করাতেন। প্রাবন্ধিক উদাহরণ প্রসঙ্গে বলেছেন, “সমানি সম শীর্ষানি ঘনানি বিরলানি চ।” এর অর্থ সব অক্ষর সমান, প্রতিটি ছত্র সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন। লিপিকুশলীদের হস্তাক্ষরচি মুক্তোর মতাে। অথচ তারা খুব সামান্যই রােজগার করতেন। অষ্টাদশ শতকে একজন লেখক চার খণ্ড রামায়ণ কপি করে উপার্জন করেছিলেন নগদ সাত টাকা, কিছু কাপড় আর মিঠাই। লিপিকররা অর্থ উপার্জন কম করলেও তাদের পুঁথির মাহাত্ম্য ছিল মূল্যবান।

“কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য।” প্রাবন্ধিকের কাদের প্রতি এই উক্তি? কেন কলম সম্পর্কে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন?

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থ বলেছেন, কলম একসময় অতিমূল্যবান বস্তু ছিল এবং সহজে পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন কলম বস্তুটি এতই সস্তার হয়েছে যে পথের ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে পকেটমারের হাতেও কলম দেখা যায়। শ্রাবন্তীকে এসব মানুষকে উদ্দেশ্য করেই কথাটি বলেছেন।

প্রাবন্ধিক আলােচ্য প্রবন্ধটিতে কলমের দুনিয়ায় অভাবনীয় পরিবর্তনের কথা বলেছেন। প্রাবন্ধিকরা শৈশবে ফাউন্টেন পেন বা বলপেন ছিল না | তারা নিজেরাই বাঁশের কঞ্চির কলম তৈরি করতেন। ক্রমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন ঘটে। বাজারে ফাউন্টেন বলপেন ছাড়াও বিভিন্ন পেন এল, যেগুলি কালী কলমের জায়গা দখল করে নিল। অতীতে যে পালকের কলম এবং দোয়াত, কলমের ব্যবহার ছিল আজ সেগুলি ঘর-সাজানাের উপকরণে পরিণত হয়েছে। যে কলম একদিন হাতের নাগালের বাইরে ছিল, সেই কলম নিয়ে রাস্তার ফেরিওয়ালারাও ব্যাবসা শুরু করল।পণ্ডিতমশাইদের কাছে কলম হয়ে উঠল কানে খুঁজে রাখার বস্তু। প্রাবন্ধিক বলেছেন, এখনকার অতি আধুনিক ছেলেরা কলম বুকপকেটে রাখে না, কঁাধের ছােটো পকেটে সাজিয়ে রাখে। এমনকী মহিলাদের ভিড় ট্রামে-বাসে যাতায়াতের সময় খােপায় কলম খুঁজে রাখতে দেখা যায়। এসব কথার নিরিখে খুব সহজেই বলা যায়—কলম এখন সর্বজনীন হয়ে গেছে। কলম অতিসস্তা এবং সর্বভােগ্য হওয়ার কারণে কলম নিয়ে পকেটমাররাও হাতসাফাইয়ের খেলা খেলে না। কলম আজ এদের কাছেও অস্পৃশ্য হয়ে গেছে।

 

 

 

“কলমকে বলা হয় তলােয়ারের চেয়ে শক্তিধর”— প্রবন্ধ অনুসারে মন্তব্যটির – তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে।

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থের লেখা অনেকটা ঠাট্টার ছলে কথাটি বলেছেন। এই কথাটি প্রথমে সাহিত্যে ব্যবহার করেছিলেন ইংরেজ নাট্যকার এডওয়ার্ড বুলওয়ার লিটন তার “Richelieu, or The Conspiracy’ নাটকে।
ফাউন্টেন পেনের অংশগুলি কিন্তু তারই ইঙ্গিতবাহী। কারণ ফাউন্টেন পেনের অংশ হলাে কর্টেজ ব্যারেল। এগুলির সঙ্গে কিন্তু গােলাবারুদ ইত্যাদির একটা সম্পর্ক আছে। একটি প্রচলিত প্রবাদ আছে—‘অসির চেয়ে মসি বড়াে’। ইতিহাস যেমন বলে গােলাবারদ এর জোরে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করা যায়, তেমনি কোনাে মিথ্যাচার, স্বৈরাচার বিরদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র অস্ত্র হলাে লেখকের হাতের লেখনী। অস্ত্র আঘাত হানে দেহে, তেমনি কলম চেতনায় আঘাত নিয়ে আসে।

“কম্পিউটার তাদের জাদুঘরে পাঠাবে বলে যেন প্রতিজ্ঞা করেছে।” তাদের’ বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? তাদের ঐতিহ্যের প্রতি লেখক শ্রদ্ধাশীল কেন? অথবা, কালি-কলমের প্রতি ভালােবাসা হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে কীভাবে ফুটে উঠেছে তা আলােচনা করাে।

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতাংশটি গৃহীত। প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থ তাদের বলতে এখানে আগেকার নানা ধরনের কলম, কালি ও দোয়াত সহ ফাউন্টেন পেন এবং বলপেনের কথা বলা হয়েছে।
লেখক শ্রীপান্থের কালি, কলমের শখ থাকায় ছােটোবেলায় নানা ধরনের কলম তিনি ব্যবহার করতেন। তারপর নানা ধরনের ফাউন্টেন পেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাজারে আসতে থাকে। পুরাতন দিনের সেই কালি, কলম এবং দোয়াত এখন অবলুপ্তির পথে। তার জায়গা দখল করে নিয়েছে কম্পিউটার। লেখকের মতে, এই পদ্ধতি তাে যান্ত্রিক। হাতের লেখার একটা আলাদা গৌরব আছে। এটা কম্পিউটার কখনােই হ্রাস করতে পারে না। তাছাড়া বােতামে চাপ দিয়ে অক্ষর বিন্যাসে মনের যােগ খুব কম থাকে। এইভাবে লেখক কলমে প্রতি তার দুর্বলতা ও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

“কালি নেই কলম নেই বলে আমি মুনশি” —কথাটির সাধারণ অর্থ কী? কেন বক্তা একথা বলেছেন তা নিজের ভাষায় লেখাে?

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে এই কথাটির সাধারণ অর্থ হলাে—যিনি কলম পেষেন বা কেরানি তাদের কাছে কালি-কলম না থাকাটা হাস্যকর ব্যাপার বলে মনে হয়।
বক্তা একটা সংবাদপত্রের অফিসে চাকরি করেন। সেখানে তাঁর লেখালেখিই একমাত্র কাজ কিন্তু কোনাে কারণে কলম নিয়ে যেতে ভুলে গেলে লেখক কলম চাইতে গেলে সেখানে কলম পান না। এখানে লেখালেখির কাজ চলে কম্পিউটারের সাহায্যে। লেখক কারাের কাছে কলম পেলেও কলম ভোঁতা, শুকনাে তা দিয়েই কোনােক্রমে কাজ চালাতে হয়, তা দিয়ে লেখা গেলেও কলম পেষণ যাদের পেশা তাদের কাছে শের এরকম ব্যবহার দেখে লেখক এমন মন্তব্যটি করেছেন।

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • all replace

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat