fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

বহুরূপী - Bohurupi Golpo

Bangla Literature Subject WBBSE Madhyamik Class 10

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

update

 

MCQ SHort Questions (1 Marks)

update

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)

update

 

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)


  • “মানুষের ক্ষমতার সীমা নেই রে—ওরা পাগলা বলছে বলুক”—বক্তা কে? কোনির জীবনের ক্ষেত্রে বক্তার এই বক্তব্য কতখানি সত্য হয়ে উঠেছিল তা আলােচনা করাে। 

 

সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি উপন্যাসে উল্লিখিত মন্তব্যটি করেছেন কোনির সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ ওরফে ক্ষিদ্দা। 

ক্ষিদ্দা কোনিকে সফল সাঁতারু হিসেবে গড়ে তােলার লক্ষ্যে তাকে সর্বদা কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রাখেন। কোনির শরীর অনেক সময় সেই পরিশ্রমের ধকল নিতে না পারলেও ক্ষিদ্দা তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। মনে মনে তিনি বলেন—“মার খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে, যন্ত্রণাকে হারিয়ে দিতে হবে।” আসলে ক্ষিতীশ মনে করেন খিদের তাড়নাই কোনিকে যন্ত্রণাটি সহজে বােঝাতে পারবে বলে । মানুষ চেষ্টা এবং শ্রমের দ্বারাই অসম্ভবকে সম্ভব করে তােলে। প্রথমদিকে লােকে হয়তাে অমানুষিক পরিশ্রম করলে পাগল বলবে, কিন্তু এই পরিশ্রমই মানুষকে এনে দেবে সাফল্য। কোনিও ক্ষিদ্দার কথামতাে প্রথমদিকে এই অমানুষিক পরিশ্রম করে পরবর্তীতে সফলতার মুখ দেখে। 


  • কম্পিটিশনে পড়লে মেয়েটা তাে আমার পা ধােয়া জল খাবে”—বক্তা কে? এরূপ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। 

 

মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে অমিয়া একথা বলেছে।

ক্ষিতীশের কঠোর অনুশাসনে অমিয়া ‘জুপিটার’ক্লাবের সুইমার থাকাকালীন বিরক্ত হয়ে অ্যাপােলে’তে চলে আসে। তার গর্ব ছিল সে দক্ষ সাঁতারু ও বেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন। এই অহংকারবােধ থেকেই সে কোনি সম্পর্কে এরূপ উক্তি করেছে। 

কেউ ক্ষিতীশের গুণের সম্মান করেনি।  ক্ষিতীশ যেকোনাে সাঁতারুকেই বিশ্বমানের তৈরি করতে সচেষ্ট ছিলেন। নিজের সাফল্যে অমিয়া মগ্ন তাই সে অনায়াসে অপরকে নীচ দেখাতে দ্বিধাকে নিতে দেখে অমিয়া এ জাতীয় নিজের যােগ্যস্থানে পৌছেতে দ্বিধাবােধ করে না। কোনিকে ক্ষিতীশের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ দেখে সে এই উক্তি করেছে, কারণ সে মনে করে প্রশিক্ষক ছাড়াই  নিজেই বস্থানে পৌঁছে গিয়েছে। এ জাতীয় আচরণ কখনােই কোনাে মানুষের জীবনে কাম্য নয়। 


  • “চ্যাম্পিয়নরা জন্মায়, ওদের তৈরি করা যায় না”- মন্তব্যটি বিচার করাে কোনির জীবনচিত্র উল্লেখ করে ।

 

মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে জুপিটারের প্রেসিডেন্ট বিনােদ ভড়ের কথার সূত্র ধরে ক্ষিতীশ সিংহ উদ্ধৃত উক্তিটি করেছেন। 

কোচকেই সর্বদা চোখ-কান খােলা রাখতে হয় কোন সাতারুর মধ্যে চ্যাম্পিয়নের লক্ষণ রয়েছে তা বুঝে নেওয়ার জন্য। কারণ ক্ষিতীশ মনে করেন, প্রতিভাধর সাঁতারুকে নিয়মিত কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন বানানাে যায়।

‘কোনি’ উপন্যাসে বারুণীর দিন গঙ্গার ঘাটে আম কুড়ানাের সময় ক্ষিতীশ কোনির যে আগ্রাসী মনােভাব ও সাঁতার দেখেছিলেন কাদের তিনি বুঝেছিলেন যে কোন এরমধ্যে চ্যাম্পিয়ন হবার যোগ্যতা আছে। এরপর কুড়ি ঘণ্টা অবিরাম হাঁটা প্রতিযােগিতায় কোনির ধৈর্যের পরিচয় পেয়ে তার মধ্যে থাকা চ্যাম্পিয়নের লক্ষণগুলি সম্পর্কে নিশ্চিত হন তিনি। আর এই চিন্তা থেকেই ব্যক্তিগতউদ্যোগেই তিলে তিলে তিনি কোনিকে যােগ্য সাঁতারুতে পরিণত করেন। নানারকম বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে কোনি জাতীয় সাঁতার প্রতিযােগিতায় শেষ পর্যন্ত সফলও হয়। সুতরাং বক্তা যে প্রশ্নোস্তৃত কথাটি বলেন তা তিনি ভুল প্রমাণিত হতে দেননি। 


  • “হঠাৎ কোনির দুচোখ জলে ভরে এল”— কেন কোনির দু’চোখ জলে ভরে এল? এরপর কী হয়েছিল? 

 

মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে দেখা যায় কোনি রবীন্দ্র সরােবরে এক মাইল সাঁতার প্রতিযােগিতায় সবার শেষে নির্দিষ্ট সীমায় পৌছায়। এইজন্য অনেকে কোনিকে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করতে থাকে। তার উদ্দেশে বলা হয়—“পরের বছর কম্পিটিশনে প্রথম প্লেস পেত যদি আরেকটু দেরিতে পৌঁছত।” বােনের জন্য এতক্ষণ ধরে চিৎকার করতে থাকা কমল এ কারণে অপমানিত বােধ করেন। ক্ষিতীশ কোনিকে এইসময় দ্বিতীয়বারের জন্য সাঁতার শেখার প্রস্তাব দেন। সাঁতার শিখলেই যে সাফল্য সম্ভব ক্ষিতীশ সেটা বুঝিয়ে দেন। ক্ষিতীশের কোনির ভেতরের অপমান এবার কথায় চোখের জল হয়ে বেরিয়ে আসে। 

 

ক্ষিতীশ জেনে নেন নীল শার্ট পরা যে লােকটি এতক্ষণ কোনির চিৎকার করছিলেন, তিনি আসলে কোনির দাদা। এটা জানার পর ক্ষিতীশ কোনির দাদা কমলের কাছে প্রস্তাব দেন যে তিনি কোনিকে সাঁতার শেখাতে চান। কোনির দাদা তখন নিজের সাঁতারের প্রতি ভালােবাসার কথা ক্ষিতীশকে জানান| তাছাড়া তিনি মটর গ্যারেজে কাজ করেন তাই কোনিকে সাঁতার শেখানাের সামর্থ্য তাঁদের নেই | তাই নিজের নামকরা সাঁতারু হওয়ার শখ আজ কারণে বিসর্জন দিতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষিতীশ সিদ্ধান্ত নেয় যে কোনির সমস্ত দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করবেন। 


  • “একটা মেয়ে পেয়েছি, তাকে শেখাবার সুযােগটুকু দিও তাহলেই হবে। কি কারনে বক্তা এমন কথা বলেন? এ কথায় বক্তার কোন মানসিকতার পরিচয় পাও? 

 

সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে কোনিকে জুপিটার ক্লাবে ভর্তি করতে গিয়ে ক্ষিতীশকে চরমভাবে অপমানিত হতে হয়। বলা হয় কোনিকে ট্রায়াল দিতে হবে। কিন্তু ট্রায়ালে উত্তীর্ণ হলেও জলে জায়গা নেই—এই যুক্তিতে কোনিকে জুপিটারে ভর্তি নেওয়া হয় না। শেষমেষ ধৈর্য রাখতে না পেরে ক্ষিতীশ তার চিরশত্রু অ্যাপেলাে ক্লাবে পৌছে। যান। সেখানে তাদের জুপিটার থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গটি তুলে ধরে প্রশ্নে উদ্ধৃত মন্তব্যটি ক্ষিতীশ করেন। 

 

ক্ষিতীশের চ্যালেঞ্জ ছিল কোনিকে একজন সফল সাঁতারু হিসেবে গড়ে তােলা। তাই জুপিটারের প্রশিক্ষকের পদ ছাড়তে তিনি বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে হাজির হয়ে যান তার চিরশত্রু অ্যাপেলাে ক্লাবে। এখানে তিনিও নিজেকে এক সফল প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়াসী হন। যে প্রশিক্ষক নিজের কৃতিত্বের চেয়ে প্রতিভা খুঁজে বের করাকে সাফল্য হিসেরে ভাবেন তিনি যথার্থই প্রশিক্ষক। তাই কোনির কাছে ক্ষিতীশই ছিলেন অনুপ্রেরণা ও পথপ্রদর্শক। 

  • “তার আসল লজ্জা জলে, আবার আসল গর্বও জলে”— এই উক্তি কোন প্রসঙ্গে? এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে। 

 

সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসে দেখা যায় কোনি চল্লিশ টাকার বিনিময়ে লীলাবতীর দর্জির দোকানে ঝট দেয় ও ফাই-ফরমাস খাটে। একদিন অমিয়া ওই দোকানে ব্লাউজ তৈরি করাতে এসেছিল। কোনিকে সেখানে দেখে অমিয়া বলেছিল, “তুই এখা ঝি-এর কাজ করিস?”  একথায় কোনি খুব লজ্জা পেয়েছিল। তখন ক্ষিতীশ তাকে সান্ত্বনা একথায় দিতে আলােচ্য উক্তিটি করেন। 

 

যার যেখানে অবস্থান লজ্জা এবং সম্মান সেখানেই। একজন ক্রিকেটার বা ফুটবলারের সম্মান, লজ্জা, গর্ব সব খেলার মাঠেই। দোকানে ঝি-এর কাজ করে বলেই কোনিকে ছােটো চোখে দেখেছিল অমিয়া। কিন্তু ক্ষিতীশ তাকে বুঝিয়ে দেন যে সেটা তার আসল কর্মক্ষেত্র নয়। সেখানে তার সাফল্য, ব্যর্থতা, গর্বের কোনাে স্থান নেই। কোনি প্রতিভাবান সাঁতারু। যেহেতু সাঁতারের সঙ্গে জলের সম্পর্ক নির্দিষ্ট তাই কোনির সাফল্য, ব্যর্থতা জলেই সীমাবদ্ধ। সাঁতারে ব্যর্থ হলে তার লজ্জিত হওয়া উচিত, আবার সাফল্য লাভ করলেও গর্ববােধ করা উচিত। এ কারণে ক্ষিতীশ কোনিকে বলতে চেয়েছেন অমিয়ার কথায় লজ্জিত না হয়ে সে যেন সাঁতার ভালাে করে শেখে। জলের বাইরে কোনাে লজ্জা বা গর্ব নেই। 

  • মার খেয়ে ইম্পাত হয়ে উঠতে হবে। কোন ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ক্ষিতীশ কোনিকে ইস্পাত করে তুললে চেয়েছিলেন? প্রসঙ্গক্রমে ক্ষিতীশ কেন বলেন—“যন্ত্রণাকে বােঝ, ওটাকে কাজে লাগাতে শেখ, ওটাকে হারিয়ে দে”? 

 

মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাস পাঠে দেখা যায় কোনিকে যথাযথ অনুশীলনের মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তৈরি করা ক্ষিতীশের জীবনের চরম লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল। প্রশিক্ষক হিসাবে তিনি কোনিকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়ে নিজের যােগ্যতা প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি কোনিকে সবরকমভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে তার সকল ত্রুটি দূর করতে চেয়েছিলেন। 

তাকে ইস্পাত হিসেবে গড়ে তােলার জন্য ক্ষিতীশ কোনিকে বার বার আঘাত করেছেন। কখনাে অতিরিক্ত সময়ে প্র্যাকটিস করতে তাকে বাধ্য করা, প্রয়ােজনে ভয় দেখানাে বা টিফিনের লােভ দেখানাে এই সব কিছুর মধ্য দিয়েই তিনি কোনির সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চান। 

কাতর আবেদন সত্ত্বেও ক্ষিতীশ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। 

ক্ষিতীশ জানতেন অসামান্য পরিশ্রমে কোনি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই গলায় ঝােলানাে স্টপওয়াচ মুঠোয় ধরে তিনি বলতে থাকেন—“জানি রে জানি কষ্ট হচ্ছে, হাত-পা খুলে আসছে, কলজে ফেটে যাচ্ছে। যাক, তুই যন্ত্রণা ঠেলে ঠেলে এগিয়ে যা।” তিনি ভেবেছিলেন কষ্ট সহ্য করতে করতে কষ্টকেই যাতে কোনি তুচ্ছজ্ঞান করে জয়কে বরণ করতে পারে সেইজন্য ক্ষিতীশ তাকে দিয়ে অসম্ভব পরিশ্রম করাতেন। 

যন্ত্রণার বােঝা যত বাড়বে তত বেশি কোনি যন্ত্রণাকে পরাজিত করে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। যন্ত্রণাকে পরাজিত করার অপর নামই হলাে সাধনা। আলস। আরাম করে সাধনা কখনােই সম্ভব নয়। তাই কোনি যাতে কষ্টকে সহ্য করে চরম সাধন মধ্য দিয়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে সেজন্যই ক্ষিতীশ উদ্ধৃত উক্তিটি করেন। 

  • বারুণী কী? বারুণীর দিনে গঙ্গার ঘাটে যে দৃশ্য ফুটে উঠেছে তা লেখাে। অথবা, “আজ বারুণী গঙ্গায় আজ কাঁচা আমের ছড়াছড়ি”-বারুণী কী ? 

গঙ্গাতীরের বর্ণনা পাঠ্যাংশে যেভাবে পড়েছ তা গুছিয়ে লেখাে। ভতর শতভিষা নক্ষত্রযুক্ত কৃয়া চতুর্দশী তিথিতে পুণ্য স্নানাদি দ্বারা পালনীয় বিশেষ পর্ব হলাে বারুণী। এই দিনে মনস্কামনা পূরণের ইচ্ছায় গঙ্গাদেবীর উদ্দেশে কাঁচা ফল দান করা হয়। 

বারুণী পর্বকে কেন্দ্র করে গঙ্গার ঘাটে প্রচুর কঁচা আম ভেসে যাচ্ছিল। মহাউৎসাহের সাথে ছেলে-মেয়ের দল সেই আম কুড়ােচ্ছিল। ভাটায় জল কিছুটা দুরে। সরে যাওয়ায় কাদামাখা পায়ে ফেরা লােকেদের মুখে ছিল বিরক্তির ছাপ। সাড়ে তিন মণ। 

ওজনের বিষ্ণুচরণ ধর একটা ছেড়া মাদুরের উপর শুয়ে মালিশ করাচ্ছিলেন এবং বিরক্তি সহ গঙ্গার দিকে তাকিয়েছিলেন। সাদা লুঙ্গি, গেরুয়া পাঞ্জাবি এবং চোখে মােটা লেন্সের চশমা পরিহিত ৫০-৫৫ বছরের ক্ষিতীশ সিংহ বিষ্ণুচরণকে দেখে হাসছিলেন। 

তানপুরা, তবলা, সারেগামা ইত্যাদি বিচিত্র ভঙ্গিতে মালিশ করার নির্দেশ দিচ্ছিলেন বিষ্ণুচরণ ধর। এই দৃশ্যে আনন্দিত হয়ে নানান অঙ্গভঙ্গি করে যখন ক্ষিতীশ সিংহ মজা করতে শুরু *রেন তখন বিষ্ণুচরণ ধরের রাগের বদলে কৌতুহল হয়। ক্রমশ তাদের মধ্যে আলাপ জমে ওঠে। 

  • দারিদ্র্য ও বনার বিরুদ্ধে কোনির যে লড়াই তা সংক্ষেপে আলােচনা করাে। 

 

মতি নন্দীর লেখা ‘কোনি’ উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনিকে ঘিরেই ঘটনাপ্রবাহ আবর্তিত হয়েছে। এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু দারিদ্র্যের অন্ধকারে তলিয়ে না গিয়ে কীভাবে সে সাফল্যের আলাে অর্জন করে । 

 

কোনির লড়াই একইসাথে দারিদ্র্য ও জলের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পরিবারকে বাঁচাতে লীলাবতীর দোকানে ৪০ টাকার বিনিময়ে কাজ করতে হয় তাকে। এখানে অমিয়া এসে তাকে ফাই ফরমাস খাটতে দেখে বলে  “ঝি-এর কাজ করিস?” কোনি এইজন্য খুব লজ্জা পায়। গরিব ঘরে জন্মানাের বা অমিয়ার মতাে মেয়ের সামনে তার জড়তা বােধ হয়। 

 

জলে সাঁতার প্র্যাকটিসের সময়ও অমিয়া কোনিকে কটু কথা শােনায়। স্টেপ অক্ষ বাদশাহ এত – এহতে হয়েশি চ্যাম্পিয়নশিপে তাকে চক্রান্ত স্ক কোনি দলের সাথে গেলেও তাকে চক্রান্ত করে বাতিল করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপের সাথে গেলেও তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়। এইসব কিছুর জবাব হিসেবে 8 x ১০০ মিটার রিলে রেখে বাংলাকে জিতিয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করে। এর মধ্যে #য়ে কোনির একরােখা পরিশ্রমী আর কষ্টসহিষ্ণু মনােভাব প্রকাশ পেয়েছে। 

আর এই জনই কোনি বাংলা তথা ভারতের জেদি ও লড়াকু মেয়েদের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। 

  • “ট্যালেন্ট ঈশ্বরের দান৷” ট্যালেন্ট কী? ট্যালেন্ট সম্পর্কে ক্ষিতীশ সিংহের মতামত কী ছিল? 

 

মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে প্রশ্নোপ্ত আলােচ্য উক্তিটি অন্তর্গত। ট্যালেন্ট’ নামক ইংরেজি শব্দটির আভিধানিক অর্থ প্রতিভা। প্রতিভা মানুষের জন্মগত, এটা অর্জন করা যায় না। 

বিষ্ণু ধরের বক্তৃতা লিখতে গিয়ে ক্ষিতীশ সিংহ লিখেছেন, ট্যালেন্ট ঈশ্বরের দান, তার বদলি কিছু হয় না। ঈশ্বর যাকে ট্যালেন্ট দেন সে সেটা ব্যবহার না করলে তাকে অপরাধী বলা চলে। তবে খেলােয়াড়ের একার পক্ষে ট্যালেন্টকে কাজে লাগানাে সম্ভব নয়। 

এদেশে প্রতিভাবান খেলােয়াড়কে অভাবের কারণে খাওয়াপরার চিন্তা করতে হয়।  ট্যালেন্টকে কাজে লাগানাের জন্য দেশ ও সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। অনেক জায়গায় প্রতিভাবান খেলােয়াড়দের খাওয়াপরার ব্যবস্থা সরকার করে। এদেশেও এই ব্যবস্থা চালু হওয়া উচিত। অন্যথায় অনেক প্রতিভা অকালে হারিয়ে যাবে। 

প্রসঙ্গত, প্রতিভাবান খেলােয়াড়দের প্রতিভা বিশ্বে তার দেশকে উজ্জ্বল করে। প্রতিভার জোরেই একজন খেলােয়াড় দেশবাসীর কাছে নায়ক হন। এপ্রসঙ্গে ব্রাজিলের পেলে, অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান, ভারতের শচীনের নাম করা যায়। 

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • all replace

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat