fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

আলো (Light)

Physical Science Bhouto Bigyan – Class 10 Madhyamik WBBSE

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

আলো (Light)

গোলীয় দর্পণে আলোর প্রতিফলণ:-
আলোকের প্রতিফলক হিসাবে গোলীয় তল
প্রাত‍্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আলোকের প্রতিফলক হিসাবে গোলীয় তল:-
কোনো স্টিলের চামচের পিছনে এবং সামনে আমরা নিজেদের মুখ দেখতে পাই।চামচের দুটি পৃষ্ঠে আলোর প্রতিফলনের ফলে এরকম হয়।চামচের সামনের তল এবং পিছনের তল দুটি সমতল নয় , বক্রতল।চামচের তলগুলি আলোর প্রতিফলনের ফলে প্রতিবিম্ব গঠন করে।এই তলগুলিকে গোলীয় তল বলা হয়।আর চামচের ভিতরের অবতল পৃষ্ঠটি দর্পণের মত আচরণ করে তাই সেটি উত্তল দর্পণ।

https://i.redd.it/cjvibdjhtm351.jpg
কোনও প্রতিফলক তল যদি কোনও গোলকের অংশবিশেষ হয়, তাহলে তাকে গোলীয় দর্পণ (Spherical Mirror) বলে।
এই গোলীয় দর্পণ দুই ধরণের হতে পারে।
1)উত্তল দর্পণ(convex mirror)
(2) অবতল দর্পণ (Concave Mirror)
কোনও গোলীয় দর্পণের ভিতরের তল, প্রতিফলক তল হিসাবে কাজ করলে দর্পণটিকে অবতল দর্পণ (Concave Mirror) বলা হয়।
কোনও গোলীয় দর্পণের বাইরের তল, প্রতিফলক তল হিসাবে কাজ করলে দর্পণটিকে উত্তল দর্পণ (Convex Mirror) বলা হয়।
নীচে চিত্রের সাহায‍্যে দেখানো হল।

https://lookaside.fbsbx.com/lookaside/crawler/media/?media_id=261512365170065&get_thumbnail=1

গোলীয় দর্পণের জ‍্যামিতি:-
1)মেরু : একটি গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক তলের মধ‍্যবিন্দুকে (P)ওই দর্পণের মেরু (M)বলে।
2)বক্রতা কেন্দ্র : গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই গোলকের কেন্দ্রকে ওই দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র (C)বলে।
3)বক্রতা ব‍্যাসার্ধ : গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই গোলকের ব‍্যাসার্ধকে ওই দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ (CP)বলে।
4)প্রধান অক্ষ : গোলীয় দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র ও মেরুর মধ‍্য দিয়ে অঙ্কিত সরলরেখাকে ওই দর্পণের প্রধান অক্ষ বলে।

https://notunboi.com/images/thumb/0/07/Podarthobilggan-_8.5%2C6.jpg/500px-Podarthobilggan-_8.5%2C6.jpg

গোলীয় দর্পণে প্রতিফলন:-
গোলীয় দর্পণের তল থেকে আলোকের প্রতিফলন,প্রতিফলনের সূত্র মেনে হয়। আপতিত রশ্মি প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই
সমতলে থাকে এবং আপতন কোণ (∠i) এবং প্রতিফলন কোণ (∠r) সমান হয়।

http://physics-web-blog.blogspot.com/2016/07/reflection-at-spherical-mirror.html

https://1.bp.blogspot.com/-3Bivnr5WDRY/V4KGkP9wEeI/AAAAAAAAEys/5q0oqbcj5CgywsER2JxpS6zg_4xoYrBJwCLcB/s1600/r%253D2f%2BPrroof%2Bof%2BConvex%2BMirror.png

আলোকরশ্মিগুচ্ছের গোলীয় দর্পণ থেকে প্রতিফলন:-
গোলীয় দর্পণের মুখ‍্য ফোকাস ও ফোকাস দূরত্ব:-
সমান্তরাল আলোকরশ্মি যখন প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আসে এবং অবতল দর্পণে আপতিত হয়। এর পরে প্রধান অক্ষের উপর রশ্মি গুলি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় এই নির্দিষ্ট বিন্দুকে উত্তল দর্পণের মুখ্য ফোকাস বলে।
দর্পণের মেরু থেকে মুখ্য ফোকাস এর দূরত্ব কে দর্পণের ফোকাস দূরত্ব বলে।

http://physics-web-blog.blogspot.com/2016/07/reflection-at-spherical-mirror.html

অবতল দর্পণের ফোকাস বিন্দু থেকে আলোকরশ্মিগুচ্ছ নির্গত হয়ে দর্পণে প্রতিফলন করে।
পরে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে নির্গত হয়।উত্তল দর্পণের ফোকাস বিন্দুর দিকে অভিসারী আলোকগুচ্ছ দর্পণে প্রতিফলিত হবার পরে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে নির্গত হয়।

Light (Reflection): Download Science Study Notes FREE PDF for Teaching Exams

সহজে একটি অবতল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব সম্পর্কে ধারণা গঠন:

উপকরণ:অপটিক‍্যাল বেঞ্চ,হোল্ডার,অবতল দর্পণ, শক্ত সাদা কাগজ।
কার্যপ্রণালী:- একটা বড় ঘরের মধ‍্যে প্রথমে অপটিক‍্যাল বেঞ্চ নেওয়া হল এর উপর একটা স্কেল রাখা হল।এর উপরে দুটি হোল্ডার রাখা হল ।একটা হোল্ডারে অবতল দর্পণ রাখা হল,আর অপর হোল্ডারে শক্ত কাগজ রাখা হল।এই সাদা কাগজ পর্দা রূপে কাজ করবে।এবার দর্পণটিকে জানালার দিকে ঘোরানো হল।এর ফলে দেখা গেল প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়েছে কাগজের উপর।এরপর স্কেলের সাহায‍্যে দর্পণের কাছ থেকে পর্দার দূরত্ব মাপা হল ।এটাকেই বলা হয় ফোকাস দূরত্ব।
জানালা থেকে পর্দার দূরত্ব বেশি বলে আলোকরশ্মি সমান্তরাল ভাবে পড়ে এবং ফোকাস দূরত্বে প্রতিবিম্ব গঠন হয়।

গোলীয় দর্পণে আলোকের প্রতিফলনের জন‍্য উৎপন্ন প্রতিবিম্বের চিত্র অঙ্কন:-
1)রেখাচিত্রের সাহায্যে প্রতিবিম্ব-
i)আলোকরশ্মির প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে গমন:-একটি আলোকরশ্মি যদি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এগিয়ে যায় এবং গোলীয় দর্পণে আপতিত হয়।তারপর অবতল দর্পণের মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্যে দিয়ে অপসৃত হয়ে যায়।
ii)মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্যে দিয়ে গমন:-আলোকরশ্মি যখন মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্যে দিয়ে অবতল দর্পণে আপতিত হলে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে চলে যায়।
iii)বক্রতা কেন্দ্রের মধ‍্য দিয়ে গমন:-
আলোকরশ্মি যখন অবতল দর্পণে বক্রতা কেন্দ্রের মধ‍্যে দিয়ে গমন করে তখন দর্পণের উপর আলোকরশ্মি লম্বভাবে আপতিত হয় এবং প্রতিফলিত হয়ে একই পথে ফিরে যায়।

2)উপাক্ষীয় রশ্মি:-
যেসব আলোকরশ্মী গোলীয় দর্পণের প্রধান অক্ষের সঙ্গে ক্ষুদ্র কোণ-এ মেরুর কাছে আপাতিত হয় তাদের উপাক্ষীয় রশ্মি বলে।

উপাক্ষীয় রশ্মির ধারণা ও উপাক্ষীয় রশ্মির ক্ষেত্রে r(বক্রতা ব‍্যাসার্ধ)=2f(ফোকাস দৈর্ঘ‍্য)প্রদর্শন:
i)উত্তল দর্পণ:-চিত্রে দেখা যাচ্ছে,M1PM2 অবতল দর্পণের প্রধান ছেদ,C বক্রতা কেন্দ্র,F ফোকাস এবংP মেরু। একটি আলোকরশ্মিS প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে দর্পণের উপর S বিন্দুতে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর F এর মধ‍্য দিয়ে যায়।ST হল প্রতিফলিত রশ্মি ।CS দর্পণের ব‍্যাসার্ধ বলে দর্পণের উপর লম্ব হয়।

ii)অবতল দর্পণ:-চিত্রে দেখা যাচ্ছে,M1PM2 উত্তল দর্পণের প্রধান ছেদ,C বক্রতা কেন্দ্র,F ফোকাস এবংP মেরু।একটি আলোকরশ্মিS প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে দর্পণের উপর B বিন্দুতে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর F দিয়ে নির্গত হয়ে BR পথে চলে যায়।
রেখাচিত্রের সাহায‍্যে প্রতিবিম্বের অবস্থান নির্ণয়:-
i)অবতল দর্পণ দ্বারা অসদ, বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব : বস্তু মেরু ও ফোকাসের মধ‍্যে অবস্থিত:
a)বিন্দু বস্তুর ক্ষেত্রে প্রতিবিম্বের অবস্থান ও প্রকৃতি:-দর্পণের পিছনে।এবং অসদবিম্ব।
b)বিস্তৃত বস্তুর ক্ষেত্রে:- প্রতিবিম্বের অবস্থান দর্পণের পিছনে,এবং প্রকৃতি অসদবিম্ব সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত।

ii) অবতল দর্পণ দ্বারা সদ,বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব : বস্তু ফোকাস ও বক্রতা কেন্দ্রের মধ‍্যে অবস্থিত:
a)বিন্দু বস্তুর ক্ষেত্রে:- প্রতিবিম্বের অবস্থান দর্পণের সামনে বক্রতা কেন্দ্র ও অসীমের মধ‍্যে, এবং প্রকৃতি সদবিম্ব।
b)বিস্তৃত বস্তুর ক্ষেত্রে: প্রতিবিম্বের অবস্থান দর্পণের সামনে এবং অসীমের মধ‍্যে।এবং প্রকৃতি সদবিম্ব,অবশীর্ষ এবং বিবর্ধিত।

লেন্স ও প্রতিবিম্ব

গোলীয় দর্পণের ব‍্যবহার:-
i)দন্ত চিকিৎসকের দর্পণ
দন্ত চিকিৎসক রা দন্তচিকিৎসকের দর্পণের সাহায‍্যে মানুষের দাঁত পরীক্ষা করেন।যন্ত্রটিতে থাকা অবতল দর্পণটিকে মানুষের দাঁতের খুব কাছে নিয়ে এলে দাঁতটি দর্পণটির ফোকাস দৈর্ঘ‍্যের মধ‍্যে থাকে ।দর্পণে উৎপন্ন প্রতিবিম্বটি দেখে ডাক্তারবাবু সহজে এবং নির্ভুল ভাবে দাঁত পরীক্ষা করতে পারেন।
https://www.pxfuel.com/en/free-photo-jymwq
ii)গাড়ি ,স্কুটার ইত‍্যাদিতে ব‍্যবহৃত উত্তল দর্পণ
গাড়ি ,স্কুটার ইত‍্যাদির চালক পিছনে থাকা গাড়িকে দেখার জন‍্য উত্তল দর্পণ ব‍্যবহার করেন।একে রিয়ার ভিউ মিরর বলে।

https://www.needpix.com/photo/1491304/mirror-rear-view-mirror-free-pictures-free-photos-free-images-royalty-free
iii)মোটর গাড়ির হেডলাইট এ বক্রতল দর্পণ ব‍্যবহার করে সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ সৃষ্টি
একটি অবতল ফোকাসের মধ‍্যে একটি বালব জ্বালানো হল এবং বালব থেকে আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল আলোকরশ্মিতে পরিণত হল।এই আলোকরশ্মি অনেক দূর পর্যন্ত যায়।
এর ফলে গাড়ির চালক এই দর্পণের সাহায‍্যে অনেক দূরের বস্তুকে দেখতে পায়।

আলোর প্রতিসরণ
আলোকরশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যমের থেকে ভিন্ন মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করলে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে এর দিক পরিবর্তিত হয়। আলোকরশ্মির এই দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
প্রথম চিত্রে দেখানো হয়েছে যে আলোকরশ্মি লঘু মাধ‍্যম(Rare medium) এর মধ‍্য দিয়ে AO পথে এসে XY বিভেদতলে O বিন্দুতে আপতিত হয়,ঘন মাধ‍্যম এ (Dense medium) অভিমুখ পরিবর্তন করে OB পথে গিয়েছে।AO হল আপতিত রশ্মি।OB হল প্রতিসৃত রশ্মি। দ্বিতীয় চিত্রে দেখানো হয়েছে আলোকরশ্মি ঘন মাধ‍্যম এর মধ‍্য দিয়ে AO পথে এসে XY বিভেদতলে O বিন্দুতে আপতিত হয়,লঘু মাধ‍্যম এ অভিমুখ পরিবর্তন করে OB পথে গিয়েছে।OB প্রতিসৃত রশ্মি।

http://physics-web-blog.blogspot.com/2016/07/refraction-of-light-part-i.html?m=1

আলোর প্রতিসরণের সূত্র:-
1)আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে বিভেদতলের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে।
2)একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য, আপতন কোণের সাইন (sin) এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের (sin) অণুপাত সর্বদা ধ্রুবক থাকে।
আলোর প্রতিসরণের প্রথম সূত্রের ব‍্যাখা:
আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিসারকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে।
অর্থাৎ AO রশ্মি, OB রশ্মি এবং O আপতন বিন্দুতে আঁকা অভিলম্ব N1ON2 একই সমতলে অবস্থান করে।
আলোর প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রের ব‍্যাখা:
যেকোনও দুটি নির্দিষ্ট মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর ক্ষেত্রে আপতন কোণের সাইন (sini) এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের (sinr) অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক হয়।
এখন আপতন কোণ i এবং প্রতিসরণ কোণ r।

দুটি নির্দিষ্ট মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর ক্ষেত্রে আপতন কোণের সাইন (Sin) এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের (Sin) অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক হয়।এই ধ্রুবককে প্রথম মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বলে।

নীচের চিত্রে বায়ুর মাধ‍্যম থেকে কাচের আলোর প্রতিসরণ দেখানো হল:-

আলোর প্রতিসরণ – উইকিপিডিয়া

আলোকরশ্মির কৌণিক চ‍্যুতি:-
আলোক রশ্মির কৌণিক চ্যুতি বলতে বোঝানো হয় যে প্রতিসরণের সময় একটি আলোক রশ্মি তার সোজা পথ থেকে যত ডিগ্রি কোণে বেঁকে যায় সেই কোণটির মানকেই আলোক রশ্মিটির কৌণিক চ্যুতি বা deviation of light বলা হয়।

লঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে প্রতিসরণে আলোক রশ্মির চ্যুতিকোণ:
উপরের চিত্রে AO আলোকরশ্মি PQ মাধ্যমের বিভেদতলে O বিন্দুতে আপতিত হয়ে, OB পথে প্রতিসৃত হয়। এখন দ্বিতীয় মাধ্যমটি না থাকলে আলোকরশ্মিটি AOC পথে যেত, কিন্তু O বিন্দুতে দ্বিতীয় স্বচ্ছ মাধ্যম থাকায় রশ্মিটি দিক পরিবর্তন করে AOB পথে প্রতিসৃত হয়। তাই এক্ষেত্রে আলোর প্রতিসরণে কৌণিক চ্যুতি δ হলে, আপতন কোণ i=∠AON1,প্রতিসরণ কোণ r=∠BON2,∠AON1 = বিপ্রতীপ কোণ।আলোকরশ্মিটির
চ্যুতিকোণ হয় δ=(i−r)।

ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে আলোকশ্মির প্রতিসরণ:
নিচের চিত্রে AO আলোকরশ্মি PQ মাধ্যমের বিভেদতলে O বিন্দুতে আপতিত হয়ে, OB পথে প্রতিসৃত হয়। এখন দ্বিতীয় মাধ্যমটি না থাকলে আলোকরশ্মিটি AOC পথ বরাবর যেত, কিন্তু O বিন্দুতে দ্বিতীয় স্বচ্ছ মাধ্যম থাকায় রশ্মিটি দিক পরিবর্তন করে AOB পথে প্রতিসৃত হয়।
আপতন কোন= i
প্রতিসরণ কোণ =r
চ্যুতিকোণ = δ

http://physics-web-blog.blogspot.com/2016/07/refraction-of-light-part-i.html

কাচের স্ল‍্যাব ও প্রিজমের গঠন:-
কাচের স্ল‍্যাবের গঠন:-
নীচের চিত্রে একটি সমান্তরাল কাচফলক দেখানো হয়েছে।এটি হল কাচের তৈরি একটি আয়তকার ফলক।এটি ছয়টি আয়তকার তল,দ্বারা গঠিত।এর বিপরীত তলগুলি সমান্তরাল।EFGH তল এবং BCDA তল পরস্পরের তল এবং GFCD তল পরস্পরের সমান্তরাল।

Refraction of Light Part: II | Old Millennium Physics

প্রিজমের গঠন:-
প্রিজম হল কাচের তৈরি একটি সমসত্ত্ব মাধ‍্যম যা পাঁচটি তল দিয়ে ঘেরা।
চিত্রে যে প্রিজম টা দেখানো হয়েছে তার তিনটি তল DEGH,EGIF, এবং DHIF আয়তকার এবং দুটি তল DEF এবং HG ত্রিভুজাকার।DEGH ও EGIF তল দুটি হল প্রতিসারক তল।∠BAC হল প্রিজমের প্রতিসারক কোণ।EG হল প্রান্তরেখা।DHIF হল প্রিজমের ভূমি।

Refraction of Light Part: II | Old Millennium Physics

কাচের স্ল‍্যাব ও প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ,প্রতিসরণের জন‍্য চ‍্যুতি:
কাচের স্ল‍্যাবের মধ‍্যে দিয়ে আলোর প্রতিসারণ:-
EFGH একটি সমান্তরাল কাচের স্ল‍্যাব।AO হল আপতিত রশ্মি আলোকরশ্মি AO বায়ুর মধ‍্য দিয়ে এসে EF তলে O বিন্দুতে প্রতিসরণের পরে OB (প্রতিসৃত রশ্মি )পথে স্ল‍্যাবের মধ‍্যে প্রবেশ করেছে এবং স্ল‍্যাবের HG তলের B বিন্দুতে প্রতিসৃত হয়ে বায়ুতে BC পথে নির্গত হয়েছে।

https://www.aplustopper.com/refraction-of-light-through-glass-slab/
প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ:-
ABC একটি প্রিজমের প্রধান ছেদ,∠A প্রিজমের প্রতিসারক কোণ;AB এবং AC দুটি প্রতিসারঙ্ক তল এবং BC হল প্রিজমের ভূমি। ধরা যাক, কাচের প্রিজমটি বায়ু মাধ‍্যমে রাখা আছে। একটি আলোকরশ্মি PQ বায়ুর মধ‍্য দিয়ে গিয়ে কাচের প্রিজমের AB প্রতিসারক তলের Q বিন্দুতে আপতিত হয়ে প্রতিসরণের পরে প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে QS পথে প্রতিসৃত হয়ে অন‍্য প্রতিসারক তল AC এর ওপর S বিন্দুতে আবার প্রতিসৃত হয়ে ST পথে বায়ুতে নির্গত হয়েছে।NQO,AB তলের Q বিন্দুতে অভিলম্ব ।

Refraction of Light Part: II | Old Millennium Physics
লেন্স:-
লেন্স এক ধরনের সমসত্ত্ব আলোকীয় যন্ত্র, যার মধ্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ ঘটে।লেন্স দুই রকম হয়ে থাকে। যথা: উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স।
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের গঠনের পরিচিতিকরণ:
লেন্সের গঠন:
i)উত্তল লেন্স :- যে লেন্সের মাঝের অংশটি মোটা এবং প্রান্তের দিকগুলি সরু তাকে উত্তল লেন্স বলে।
ii)অবতল লেন্স:– যে লেন্সের মধ্যস্থল সরু এবং প্রান্তের দিকটা মোটা তাকে অবতল লেন্স বলে ।

লেন্স সংক্রান্ত কয়েকটা সংজ্ঞা-
i)বক্রতা:-লেন্সের উভয় তলই যদি গোলীয় হয় তবে এরা প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট গোলকের অংশ হবে । ওই গোলকের কেন্দ্রকে ওই তলের বক্রতা কেন্দ্র বলে ।
ii)প্রধান অক্ষ:-যদি লেন্সের দুই তল গোলীয় হয় তবে ওই তলদুটির বক্রতা কেন্দ্র দুটিকে যোগ করলে যে সরলরেখা পাওয়া যায় তাকে ওই লেন্সের প্রধান অক্ষ বলে ।

YouTube
উত্তল ও অবতল লেন্সের মধ‍্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ:-
i)আলোক কেন্দ্র:-কোনো আলোকরশ্মি যদি কোনো লেন্সের এক পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে নির্গত হওয়ার সময় আপতিত রশ্মির সমান্তরালভাবে নির্গত হয় তাহলে সেই রশ্মি লেন্সের প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দু দিয়ে যায় সেই বিন্দুকে লেন্সের আলোককেন্দ্র বলে।
আলোককেন্দ্রের অবস্থান লেন্সের আকারের ওপর নির্ভর করে ।

চিত্রে দেখানো হয়েছে লেন্স দুটিতে আপতিত রশ্মি AC লেন্সে CD পথে প্রতিসৃত হয়ে DB পথে নির্গত হয়।আপতিত রশ্মি AC এবং নির্গত রশ্মি DB পরস্পরের সমান্তরাল।O বিন্দুটি লেন্স দুটির আলোককেন্দ্র ।

https://m.jagranjosh.com/general-knowledge/refraction-of-light-by-spherical-lenses-1456814088-1

পাতলা লেন্সের আলোককেন্দ্র:-
কোনো লেন্সের তলের বক্রতা ব‍্যাসার্ধের তুলনায় নগন‍্য হলে লেন্সটিকে পাতলা লেন্স বলে।

https://cnx.org/contents/lQXiC0Me@68.3:OuYpIlRP/Thin-Lenses

1)উত্তল লেন্সের প্রথম মুখ‍্য ফোকাস:- উত্তল লেন্সের প্রথম মুখ‍্য ফোকাস হল লেন্সের প্রধান অক্ষের অবস্থিত এমন একটি বিন্দু যেখান থেকে অপসারী আলোকরশ্মি নির্গত হয়।

2)অবতল লেন্সের প্রথম মুখ‍্য ফোকাস:- অবতল লেন্সের প্রথম মুখ‍্য ফোকাস হল
প্রধান অক্ষের উপর অবস্থিত যে বিন্দুর দিকে আগত অভিসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ প্রতিসরণের পর প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে নির্গত হয়,।

3)উত্তল লেন্সের দ্বিতীয় মুখ‍্য ফোকাস:- সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ কোনো উত্তল লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে লেন্সে প্রতিসরণের পরে প্রধান অক্ষের উপর অবস্থিত যে নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয়, তাকে ঐ লেন্সটির দ্বিতীয় মুখ্য ফোকাস বলে।

4)অবতল লেন্সের দ্বিতীয় মুখ‍্য ফোকাস:- সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ কোনো অবতল লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে লেন্সে প্রতিসরণের পরে প্রধান অক্ষের উপর অবস্থিত যে নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাকে ঐ লেন্সটির দ্বিতীয় মুখ্য ফোকাস বলে।

ফোকাস দূরত্ব(f):- কোনো লেন্সের আলোককেন্দ্র থেকে মুখ‍্য ফোকাসের ওই দূরত্বকৈ ফোকাস দূরত্ব (f)বলে।
ফোকাস তল:- প্রধান ফোকাস বিন্দুর মধ‍্য দিয়ে প্রধান অক্ষের উপর লম্বভাবে অবস্থিত কাল্পনিক তল হল ফোকাস তল।

ফোকাস ও ফোকাস দূরত্ব

উত্তল লেন্সের অভিসারী ক্রিয়া:- সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছকে কোনো উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে পাঠালে প্রতিসরণের পর ঐ রশ্মিগুচ্ছ একটি বিন্দুমুখী অভিসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয়। এ কারণে উত্তল লেন্সকে অভিসারী লেন্স বলা হয়। একটি উত্তল লেন্সকে অনেকগুলি মাথায়কআটা প্রিজমের সমষ্টি বলে মনে করা যেতে পারে।উত্তল লেন্সের ক্ষেত্রে প্রিজমগুলির ভূমি লেন্সের প্রধান অক্ষের দিকে থাকে।আবার আলোকরশ্মি কাচের
প্রিজমের ভিতর দিয়ে গেলে ভূমির দিকে বেঁকে যায়।যে প্রিজমের প্রতিসারক কোণ যত বেশি তার ক্ষেত্রে আপতিত রশ্মির চ্যুতিও তত বেশি।এর ফলে সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ অভিসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় এবং একটি বিন্দুতে মিলিত হয় । একেই লেন্সের ফোকাসিং ক্রিয়া বলে । এজন্য উত্তল লেন্সকে অভিসারী লেন্স বলা হয় ।

অবতল লেন্সের অপসারী ক্রিয়া:-
এইভাবে অবতল লেন্সে প্রিজমগুলির ভূমি প্রধান লেন্সের অক্ষ থেকে দূর প্রান্তের দিকে থাকে । এক্ষেত্রে রাশ্মিগুলির চ্যুতি বিপরীত হবে । ফলে সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ লেন্স কর্তৃক প্রতিসৃত হয়ে অপসারী হয় এবং প্রধান অক্ষের একটি বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় অর্থাৎ, সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হবে । এজন্য অবতল লেন্সকে অপসারী লেন্স বলা হয় ।

পাতলা লেন্স দ্বারা প্রতিবিম্ব গঠন:-
প্রতিবিম্ব গঠনের জন‍্য ফোকাস ও আলোককেন্দ্রের মধ‍্য দিয়ে আলোকরশ্মির গমন:-
i)আলোকরশ্মি যখন আলোককেন্দ্রের মধ‍্য দিয়ে যায় তখন রশ্মিটি সোজা চলে যায়।
ii)উত্তল লেন্সের ক্ষেত্রে কোনো আলোকরশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে দ্বিতীয় মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্য দিয়ে যায় এবং অবতল লেন্সের ক্ষেত্রে মনে হবে যেন দ্বিতীয় মুখ‍্য ফোকাস থেকে অপসারিত হচ্ছে।
iii)আলোকরশ্মি উত্তল বা অবতল লেন্সের প্রথম মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্য দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়ে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে নির্গত হয়‌।

উত্তল লেন্সের সাহায‍্যে প্রতিবিম্ব গঠন:-

i)সদ্ , অবশীর্ষ এবং খর্বাকার প্রতিবিম্ব :-
অবস্থান:-F2 এবং 2F2 এর মাঝে লেন্স থেকে বিপরীত বস্তুর দিকে।
একটি বস্তু PQ, লেন্স L থেকে দ্বিগুণ ফোকাসের দূরত্বের চেয়ে বেশি দূরে,প্রধান অক্ষের ওপর খাড়াভাবে রয়েছে।বস্তুর P বিন্দু থেকে আগত আলোকরশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল ভাবে PR পথে এসে লেন্সে প্রতিসরণের ফোকাস বিন্দু F2 এর মধ‍্য দিয়ে RF2 পথে যায়।P বিন্দু থেকে নির্গত আর একটি রশ্মি আলোককেন্দ্র O এর মধ‍্যে দিয়ে PO পথে সোজা চলে যায়।

ii)সদ্ ,অবশীর্ষ এবং বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব :- প্রতিবিম্বটি লেন্স থেকে বস্তুর বিপরীত বিপরীত দিকে 2F2 এর চেয়ে বেশি দূরে অবস্থান করে।P, বিন্দু থেকে নির্গত আলোকরশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে PR পথে এসে লেন্সে প্রতিসরণের পরে ফোকাস বিন্দু F2 এর মধ‍্য দিয়ে RF2 পথে যায়।P বিন্দু থেকে নির্গত আর একটি রশ্মি PO পথে
সোজা চলে যায়।

iii)অসদ্ ,সমশীর্ষ এবং বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব:- প্রতিবিম্বটি লেন্সের যে দিকে বস্তু রয়েছে সেই দিকে বস্তুটির পিছনে অবস্থান ।লেন্সটির ফোকাস দূরত্ব f এর মধ‍্যে প্রধান অক্ষের উপর খাড়াভাবে রয়েছে।, বিন্দু থেকে নির্গত আলোকরশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে PR পথে এসে লেন্সে প্রতিসরণের পরে ফোকাস বিন্দু F2 এর মধ‍্য দিয়ে RF2 পথে যায়।

https://doubtnut.com/question-answer-physics/draw-neat-and-well-labelled-ray-diagrams-for-image-formation-by-a-convex-lens-when-an-object-is-at-f-96610187/bengali

অবতল লেন্সের সাহায‍্যে প্রতিবিম্ব গঠন:-
অসদ্ এবং সমশীর্ষ প্রতিবিম্ব গঠন:-
একটি বস্তু PQ অবতল লেন্সের সামনে প্রধান অক্ষের ওপর খাড়াভাবে রয়েছে।P বিন্দু থেকে আলোকরশ্মি নির্গত হয়ে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে PR পথে আসে।মনে হয় F থেকে অপসারিত হয় RS পথে যায়।

লেন্স ও প্রতিবিম্ব

রৈখিক বিবর্ধন:-
:-প্রতিবিম্বের উচ্চতা(Ih) এবং বস্তুর উচ্চতার(Oh) অনুপাত হল রৈখিক বিবর্ধন।
রৈখিক বিবর্ধনের সূত্র হল(m=IhOh)

মানুষের চোখে সরল ক‍্যামেরা এবং লেন্সের সাহায‍্যে প্রতিবিম্ব:-
সরল ক‍্যামেরা এবং লেন্সের সাহায‍্যে প্রতিবিম্ব গঠনের উদাহরণরূপে মানুষের চোখ:
সরল ক‍্যামেরা গঠন :-
গঠন ও কাজ:-কাপড় বা চামড়ার তৈরি একটা আলোকনিরুদ্ধ বাক্স থাকে।বাক্সের সামনে একটি উত্তল লেন্স থাকে।লেন্সের উন্মেষ হ্রাস বৃদ্ধি করার জন‍্য একটি রন্ধ্র থাকে, যার সাহায‍্যে প্রয়োজনীয় আলোক সম্পাত করা হয়।লেন্স এবং ফিল্মের দূরত্ব পরিবর্তনের জন‍্য ফোকাসিং রিং থাকে।ক‍্যামেরার আলোক সম্পাত নিয়ন্ত্রণ করার জন‍্য শাটার থাকে।প্লাস্টিকের আবরণের ওপর জিলেটিনের প্রলেপ দেওয়া একটি কাচের প্লেট থাকে।ফিল্ম থাকে যার উপর বস্তুর প্রতিবিম্ব উৎপন্ন হয়।

আলো

কার্যপ্রণালী:কোনো বস্তুর আলোকচিত্র তুলতে গেলে ক‍্যামেরায় লেন্স এবং ফিলম এর মধ‍্যে এমন দূরত্ব করতে হবে যাতে ফিলমের উপর বস্তুর প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়।এরপর প্রয়োজনীয় আলোকসম্পাত করা হয় ।এরপর শাটার টিপে ফিলমের উপর আলো ফেলতে হবে।এর ফলে বস্তুটির প্রতিবিম্ব গঠন হয়।

ক‍্যামেরায় প্রতিবিম্বের রেখচিত্র:-
ক‍্যামেরায় ফোকাসিং রিং এর সাহায‍্যে লেন্স এবং ফিল্মের মধ‍্যে দূরত্ব করা হয়।লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ‘f’ এর দূরত্ব সমান করা হয়।

https://www.scratchapixel.com/lessons/3d-basic-rendering/3d-viewing-pinhole-camera

মানুষের চোখের গঠন:-
মানুষের চোখ প্রায় গোলাকার একে অক্ষিগোলক বলে। অক্ষিগোলকের সামনের দিকে মাঝের স্থান কিছুটা খোলা ও স্বচ্ছ আবরণে ঢাকা থাকে একে কর্নিয়া বলে। কর্ণিয়ার ঠিক পিছনে অবস্থিত

অস্বচ্ছ পদার্থকে আইরিশ বলে। এর বর্ণ কালো,নীল, হালকা বাদামি হতে পারে ।আইরিশ চোখের আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে ।আইরিশের মাঝে একটি ছিদ্র থাকে একে চোখের মণি বলে।চোখের মণির পিছনে থাকে অক্ষিলেন্স।জৈব পদার্থে তৈরি।অক্ষিগোলকের পিছনের দিকের ভিতরের স্তরকে রেটিনা বলে।রেটিনা এবং চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত জেলি জাতীয় পদার্থ ভিট্রিয়াস হিউমার।অক্ষিগোলকের পিছনে চক্ষু নার্ভ থাকে।চক্ষুনার্ভের কাছে অন্ধবিন্দু থাকে।

কাজ:- চোখের পেশির সাহায‍্যে মণি ছোটো বা বড় করলে আলো চোখে প্রবেশ
করে।কর্ণিয়া,চক্ষুলেন্স,অ্যাকুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার অভিসারী লেন্সের মত কাজ ক‍রে।রেটিনার স্নায়ুতন্ত্রের দ্বারা আলোক সংকেত তড়িৎ সংকেতে রুপান্তরিত হয় এবং চক্ষু নার্ভের মধ‍্যে দিয়ে মস্তিস্কে পৌঁছায়।এর ফলে আমরা দেখতে পায়।

https://bn.quora.com/amara-cokhera-sahayye-kibhabe-dekhate-pai

চোখে প্রতিবিম্ব গঠনের রেখাচিত্র:-
i)এক্ষেত্রে দুরের বস্তু থেকে সমান্তরাল আলোকরশ্মি চোখে পড়ে।
ii)এক্ষেত্রে কাছে অবস্থিত বস্তু থেকে অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ চোখে পড়ে।

মানুষের চোখের দৃষ্টি সমস‍্যা:-
দীর্ঘদৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়া-
অক্ষিগোলকের আকার স্বাভাবিকের থেকে ছোটো হলে ,এর ফলে কাছের বস্তুকে স্পষ্ট দেখা যায় না এবং দূরের বস্তুকে স্পষ্ট দেখা যায়।এই ত্রুটিই হল দীর্ঘদৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়া।
প্রতিকার:
উপযুক্ত ফোকাস দূরত্বের একটি উত্তল লেন্স ‘L’ চোখের সামনে রেখে এই ত্রুটি দূর করা যায়।

:হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া-
অক্ষিগোলকের আকার স্বাভাবিকের থেকে বড় হলে ,এর ফলে কাছের বস্তুকে স্পষ্ট দেখা যায় এবং দূরের বস্তুকে স্পষ্ট দেখা যায় না।এই ত্রুটিই হল হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া।
প্রতিকার:
উপযুক্ত ফোকাস দূরত্বের একটি অবতল লেন্স ‘L’ চোখের সামনে রেখে এই ত্রুটি দূর করা যায়।

আলোর বিচ্ছুরণ:-
বিজ্ঞানী নিউটন প্রথম প্রমাণ করেন যে সূর্যের সাদা রশ্মি একটি প্রিজমের মধ‍্যে দিয়ে গিয়ে সাতটি বিভিন্ন রঙে ভাগ হয়ে যায়,একেই আলোর বিচ্ছুরণ বলে।
সাদা আলো বা অন্য কোন মিশ্র আলো প্রিজমের মত কোন প্রতিসারক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের ফলে বিশ্লিষ্ট হয়ে বিভিন্ন বর্ণের আলোতে বিভক্ত হয়ে যায় । এই ঘটনাকে আলোকের বিচ্ছুরণ বলে ।কাচ একটি বিচ্ছুরক মাধ‍্যম।
একটি সাদা আলোকরশ্মি ABC এর প্রতিসারক তল AB এর উপর আপতিত।রশ্মিটি AB তলে প্রতিসৃত হয়ে সাতটি ভিন্ন বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়ে BC তলে পুনরায় প্রতিসৃত হয়ে পর্দার উপর পড়ে।বিশ্লিষ্ট হওয়া আলোকরশ্মি গুলি সাদা পর্দার উপর সাতটি বিভিন্ন বর্ণযুক্ত পটির সৃষ্টি করেছে।সাতটি বর্ণ হল -বেগুনী (violet), নীল(blue) ,আকাশি(sky) ,সবুজ (green),হলুদ(yellow),কমলা,(orange) ,লাল(red)।

https://www.toppr.com/ask/content/concept/dispersion-of-light-by-prism-210300/

আলোক বিচ্ছুরণের কারণ বর্ণনা: শূন‍্য মাধ‍্যমে সব আলোর বেগ সমান হয় না তাই আলোর বিচ্ছুরণ হয় না এই মাধ‍্যমে।কিন্তু ঘন মাধ‍্যমে আলোর বেগ বিভিন্ন হয়।কাচের প্রিজমের প্রতিসারঙ্ক বিভিন্ন বর্ণের আলোর জন‍্য বিভিন্ন হয়।বেগুনি বর্ণের চ‍্যুতি সবচেয়ে বেশি, এবং লাল আলোর চ‍্যুতি সবচেয়ে কম।বেগুনি আলোকরশ্মির চ‍্যুতি সবচেয়ে বেশি।আর মাঝের বর্ণের রশ্মিগুলি চ‍্যুতির ক্রমানুসারে হয়।এর ফলে পর্দায় আলোক বিচ্ছুরণ ঘটে।

বর্ণালী:-
প্রিজমের দ্বারা বিশ্লিষ্ট হওয়ার পর যে একাধিক বর্ণের আলোর চওড়া পটি উৎপন্ন হয় তাকে বর্ণালী বলে। সাদা আলোর বিচ্ছুরণে বর্ণালিতে সাতটি রং থাকে।যাদের কে ইংরাজিতে ‘VIBGYOR’ আর বাংলাতে ‘বেনীআসহকলা’ বলা হয়।

রামধনুর নানা বিস্ময়

বিচ্ছুরণের প্রাকৃতিক দৃষ্টান্ত:
বিচ্ছুরণের প্রাকৃতিক দৃষ্টান্ত হল রামধনু ।সূর্যরশ্মি বৃষ্টির জলের ফোঁটার মধ‍্য দিয়ে প্রতিসরণ ও প্রতিফলনের ফলে বিচ্ছুরণ হয় এবং রামধনুর সৃষ্টি হয়।রামধনুকে সূর্যের বিপরীত দিকের আকাশে দেখা যায়। প্রিজম আলোর বর্ণ সৃষ্টি করে না।

নীচের চিত্রে, সবুজ আলোকরশ্মির প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে প্রতিসরণ দেখানো হয়েছে।

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Light_dispersion_conceptual_waves.gif
একটি কাচের স্ল‍্যাব বর্ণালি সৃষ্টি করে না।কারণ সাদা আলোকরশ্মি কাচের স্ল‍্যাবে তির্যকভাবে পড়ে এর ফলে বিভিন্ন বর্ণের আলোকরশ্মিগুলি আবার মিশে সাদা আলো গঠন করে, তাই বর্ণালি সৃষ্টি হয় না।

একবর্ণী আলোকরশ্মি ও বহুবর্ণী আলোকরশ্মির ধারণা:-
একবর্ণী আলোকরশ্মি:-
প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে সাদা আলোর প্রতিসরণ হলে যে সাতটি বিভিন্ন বর্ণের আলোকরশ্মি উৎপন্ন হয় তার যে কোনো একটি রশ্মি হল একবর্ণী আলোকরশ্মি।

http://physicsexperiments.eu/1952/refraction-of-monochromatic-light-with-a-prism

বহুবর্ণী আলোকরশ্মি:-
যে আলোকরশ্মি একাধিক বর্ণ দ্বারা গঠিত এবং বিচ্ছুরণের ফলে বিভিন্ন বর্ণের রশ্মিতে বিশ্লিষ্ট হয় তাকে বহুবর্ণী আলোকরশ্মি বলে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=Multicolored+light+rays#imgrc=bgwFfUeQYb5MXM

বিভিন্ন বর্ণের বস্তু কেমন করে দেখা যায়:
যখন কোনো বস্তুর উপর সাদা আলো এসে পড়ে তখন ওই বস্তুটি কিছু বর্ণের আলোকে প্রতিফলিত করে এবং কিছু বর্ণের আলোকে তার মধ‍্য দিয়ে চলে যেতে দেয় এই চলে যাওয়া আলো যখন আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় তখন সেই বস্তুকে আমরা দেখতে পায়।

অস্বচ্ছ বস্তুর বর্ণ:-
একটি অস্বচ্ছ বস্তুর উপর সাদা আলো পড়লে যদি বস্তুটি সব বর্ণের আলো প্রতিফলিত করে তাহলে বস্তুটিকে সাদা দেখায়।

পাতা সবুজ দেখায় কেন:-
সবুজ পাতার উপর সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয় তাই সবুজ দেখায়।

সবুজ আলোয় গোলাপ কেন কালো:-
.লাল ফুলের উপর সবুজ আলো পড়লে লাল গোলাপ সবুজ আলো শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না তাই কালো দেখায়।

স্বচ্ছ বস্তুর বর্ণ:-
একটি স্বচ্ছ বস্তু যদি সবুজ রঙের হয় এবং তার উপরে সাদা আলো পড়লে সবুজ বর্ণ চলে যায় সাদা বর্ণের শোষণ হয় ফলে স্বচ্ছ বস্তুকে সবুজ দেখায়।

আলোক তরঙ্গ:-
আলোক তরঙ্গ হল একপ্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ এবং এর বিস্তারের জন‍্য কোনো জড় মাধ‍্যমের প্রয়োজন হয় না। দৃশ‍্যমান আলোর বিভিন্ন বর্ণের ক্ষেত্রে কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য আলোকের প্রাকৃতিক উৎস হল সূর্য। একটি আলোক উৎস থেকে নির্গত আলোর বর্ণ কী হবে তা নির্ভর করে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=light+waves&spell=1&sa=X&ved=2ahUKEwi7xtXR4bbwAhWGSH0KHTVUBxEQBSgAegQIARAC&biw=360&bih=346&dpr=2#imgrc=I6ipta8aqnKOdM

আলোর তরঙ্গের গতিবেগ এবং মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক:-
কোনো মাধ‍্যমের পরম প্রতিসারঙ্ক শূন‍্যস্থানে আলোর গতিবেগ এবং ওই মাধ‍্যমের আলোর গতিবেগ অনুপাতের সমান হয়।

কোনো মাধ‍্যমের পরম প্রতিসারঙ্ক

আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য এবং মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক-

আলো এক মাধ‍্যম থেকে অন‍্য মাধ‍্যমে গেলে তরঙ্গ দৈর্ঘ‍্য ও গতিবেগ পরিবর্তিত হয় ।মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক তরঙ্গ দ‍্যৈর্ঘের উপর নির্ভর করে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=Wavelength#imgrc=JmwjSis36AbHFM

তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের বর্ণালী:
নীচের চিত্রে দেখানো হল দৃশ‍্যমান আলোর একপাশে অবলোহিত তরঙ্গ,অণুতরঙ্গ ও বেতার তরঙ্গ এবং আর একপাশে অতিবেগুনি রশ্মি,xরশ্মি এবং গামা রশ্মি রয়েছে।

https://bn.quora.com/kibhabe-manusa-sakala-tarangera-alo-dekhate-parabe

অতিবেগুনি রশ্মির ব‍্যবহার:-
জীবাণু ধ্বংসের কাজে, ভিটামিন D তৈরিতে,ডিম-ঘি- রত্ন পরীক্ষায় কাজে লাগে।

https://www.asme.org/topics-resources/content/bacteria-killer-robot-armed-with-ultraviolet-light

অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর দিক:- বেশি মাত্রায় পড়লে চোখে ও চামড়ার ক্ষতি হয়।

https://www.google.com/search?safe=active&q=ultraviolet+rays+effect#imgrc=2lewtZAIJNHfOM

x রশ্মি ব‍্যবহার:- চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব‍্যবহার হয়,গোয়েন্দা বিভাগে ব‍্যবহার হয়।

https://www.google.com/search?safe=active&q=x+rays+uses#imgrc=ueW86Xh39Q-JdM
x রশ্মির ক্ষতিকর দিক:- জীবন্ত কোশকে ধ্বংস করে।

গামা রশ্মির ব‍্যবহার:- বিকিরণ থেরাপি , গবেষণার কাজে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=use+of+gamma+ray#imgdii=KhQ4TPJSrvVP_M&imgrc=Xbab1QUe-po45M

গামা রশ্মির ক্ষতিকর দিক:- জীবন্ত কোশের ক্ষতি করে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=Gamma+rays+destroy+Living+cells+image#imgrc=tDSXboAdISyDaM

আলোর বিক্ষেপ:/
সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমন্ডলের ভিতর দিয়ে আসে তখন ওই রশ্মি বাতাসের ধূলিকণার ওপর পরে চারিদিকে ছড়িয়ে যায় একে আলোর বিক্ষেপ বলে। আলোর বিক্ষেপ এর জন‍্য দিনের বেলা আকাশ নীল দেখায়।নীল বর্ণের আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য কম হওয়ায় বায়ুর মধ‍্যে থাকা কণাগুলি নীল বর্ণের আলোকে বিক্ষিপ্ত করে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়।

What is Scattering of light?

MCQ SHort Questions (1 Marks)


1)মানুষের চোখে সাধারণত কীরকম লেন্স থাকে?
উ:-উত্তল লেন্স।

2)যদি পাতলা উত্তল লেন্সের আলোক কেন্দ্র ও ফোকাসের মাঝে কোনো বস্তু রাখলে বস্তুর প্রতিবিম্ব কেমন হবে?
উ:-সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত।

3)সমতল দর্পণে ফোকাসের দৈর্ঘ‍্য কত হয়?
উ:-শূন‍্য।

4)কখন আপতিত রশ্মি ও নির্গত রশ্মির চ‍্যুতি 0হয়?
উ:-আলোকরশ্মি লম্বভাবে আপতিত হলে।


5)কখন উত্তল লেন্স ব‍্যবহার করা হয়?
উ:-ক‍্যামেরার অভিলক্ষের জন‍্য।

6)চোখের লেন্সের ধরণ কেমন?
উ:-উত্তল লেন্স।

7)চোখের লেন্সের প্রতিবিম্ব কেমন?
উ:-সদ্।

8)রৈখিক বিবর্ধন এর মান 1হলে কার দৈর্ঘ‍্য সমান হবে?
উ:-বস্তু ও প্রতিবিম্বের।

9)সেভিং মিররে কোন দর্পণ ব‍্যবহার করা হয়?
উ:-অবতল।

10)অসদ্ বিম্ব গঠিত হয় কোন লেন্সে
উ:-অবতল লেন্সে।

11)গোলীয় দর্পণে বক্রতা ব‍্যাসার্ধের সাথে যে সম্পর্ক আছে সেটি লেখ।
উ:-f=r2

12)কখন প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন 1হয়?
উ:-যখন অবতল দর্পণে বস্তু বক্রতা কেন্দ্রে থাকে।

13)আলোক কেন্দ্র থেকে কোনো বস্তুকে কত সেমি দূরে রাখলে বস্তুটির প্রতিবিম্ব অসদ্,সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত হয়?
উ:-3সেমি দূরে রাখলে।

14)কীসের দ্বারা হ্রস্বদৃষ্টির প্রতিকার করা হয়?
উ:-অবতল লেন্সের দ্বারা ।
15) স্নেলের সূত্রের গাণিতিক রুপটি লেখ?
উ:Sin iSin r=

16)লাল ফুলকে কখন কালো দেখায়?
উ:-সবুজ কাচের মধ‍্য দিয়ে দেখলে।

17)স্বাভাবিক চোখ থেকে দূরবিন্দুর দূরত্ব কত হয়?
উ:-অসীম।

18)কোন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য সবথেকে কম?
উ:-বেগুনী বর্ণের আলোর।

19)কাকে অপসারী লেন্স বলা হয়?
উ:-অবতল লেন্স কে।

20)কোন লেন্স দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধার জন‍্য ব‍্যবহার করা হয়?
উ:-অবতল লেন্স।

21)অবতল দর্পণের ফোকাস দৈর্ঘ‍্য 15 সেমি হলে তার বক্রতা ব‍্যাসার্ধ কত?
উ:-30সেমি।

22)একটি অবতল দর্পণের ফোকাস দৈর্ঘ‍্য 15 সেমি হলে বক্রতা ব‍্যাসার্ধ কত?
উ:-30সেমি।

23)প্রতিসৃত রশ্মির চ‍্যুতিকোণের মান কখন হ্রাস পায়?
উ:-যখন প্রিজমের প্রতিসারক কোণের মাণ বাড়ে।

24)কখন কোনো বস্তুর সদ্ অবশীর্ষ এবং বস্তুর সমান আকারের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
উ:-উত্তল লেন্সে কোনো বস্তুকে 2f দূরত্বে রাখলে।
25)কোনো বস্তুকে যদি উত্তল লেন্সের মধ‍্যে f এবং 2f দূরত্বে রাখলে তাহলে বস্তুর প্রতিবিম্ব কোথায় সৃষ্টি হবে?
উ:-2f থেকে বেশি দূরে।

26)উত্তল লেন্স কোন কাঁচে ব‍্যবহার করা হয়?
উ:-বিবর্ধক কাঁচে।

27)রামধনু কীভাবে গঠিত হয়?
উ:-আলোর বিচ্ছুরণে।

28)উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্বে কী গঠিত হবে?
উ:-সূর্যের প্রতিবিম্ব।

29)সমান্তরাল আলোকরশ্মি কখন অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয়?
উ:-উত্তল দর্পণে সমান্তরাল আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হলে।
30)আলোর বেগ, তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য ও কম্পাঙ্কের মধ‍্যেকার যে সম্পর্ক আছে তা নিরুপণ কর:-
উ:-আলোর বেগ=আলোর কম্পাঙ্ক ×তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য।

31)লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কী?
উ:-লেন্সের আলোক থেকে ফোকাস পর্যন্ত দূরত্ব ই হল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব।

32)বর্ণালী কাকে বলে?
উ:-প্রিজম দ্বারা সৃষ্ট রঙিন পটিকে বলা হয় বর্ণালী।

33)আলোর বিচ্ছুরণ কাকে বলে?
উ:-সাদা আলো যখন সাতটি রঙে ভেঙে যায় তাকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।

34)গোলীয় দর্পণের বক্রতাকেন্দ্র কোনটি?
উ:-গোলীয় দর্পণ টি যে গোলকের অংশ সেটিই হল গোলীয় দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র।

35)গোলীয় দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ কোনটি?
উ:-গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই গোলকের ব‍্যাসার্ধ ই হল গোলীয় দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ।

36)বক্রতলে কোন সূত্র প্রযোজ‍্য?
উ:-প্রতিফলনের সূত্র।

37)প্রতিফলক তলের সামনে কী থাকে?
উ:-অবতল দর্পণের বক্রতাকেন্দ্র‌।

38)উত্তল দর্পণের পিছনে কী থাকে?
উ:-বক্রতাকেন্দ্র।

39)অবতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তুকে যদি ফোকাস ও বক্রতাকেন্দ্রের মাঝে রাখা হয় তাহলে কি গঠিত হবে?
উ:-বস্তুর বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠিত হবে।

40)আলোকরশ্মি কখন অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়?
উ:-আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ‍্যম থেকে লঘু মাধ‍্যমে প্রতিসৃত হয়।

41)কখন স্নেলের সূত্র প্রযোজ‍্য হয় না?
উ:-যখন প্রতিসারক তলের উপর লম্বরশ্মি লম্বভাবে আপতিত হয়।

42)লেন্সের বক্রতাকেন্দ্র যে দুটি সরলরেখা দ্বারা গঠিত সেই সরলরেখাকে কী বলে?
উ:-লেন্সের প্রধান অক্ষ।

43)বায়ুর ভাসমান জলকণা রামধনু সৃষ্টিতে কীসের কাজ করে?
উ:-প্রিজমের।


44)লাল ও বেগুনী কোন আলোর বিশুদ্ধ বর্ণালী?
উ:-সাদা আলোর।

45)সাদা আলোর বর্ণালিতে মাঝখানে কোন বর্ণ থাকে?
উ:-হলুদ।

45)পরিপূরক বর্ণ কী?
উ:-যে দুটি বর্ণ মিলেমিশে সাদা বর্ণ সৃষ্টি করে সেই দুটি বর্ণকে পরিপূরক বর্ণ বলে।

46)বিবর্ধক কাচের ব‍্যবহার লেখ:-
উ:-i)বইয়ের ছোটো অক্ষর দেখার জন‍্য ব‍্যবহার হয়।
ii)সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি দেখার জন‍্য ব‍্যবহার হয় ।

47)ডায়াপটার কীসের একক?
উ:-লেন্সের ক্ষমতার একক।
48)জল সাপেক্ষ কাচের প্রতিসারঙ্ক ×কাচ সাপেক্ষ জলের প্রতিসারঙ্ক=?
উ:-1.

49)আলোর প্রতিসরণের ফলে কম্পাঙ্কের কী কোনো পরিবর্তন ঘটে?
উ:-না।

50)প্রতিসারঙ্ক সবথেকে বেশি এমন একটি জিনিসের উদাহরণ দাও?
উ:-হীরক।

51)অতিবেগুনী রশ্মি কী কী কাজে ব‍্যবহার করা হয়?
উ:-i)জল পরিশোধন করতে ব‍্যবহার হয় ।
ii)জীবাণু ধ্বংস করতে ব‍্যবহার হয়।

52)বায়ু থেকে যদি লেন্সকে জলে ডোবানো হয় তাহলে কী ঘটবে?
উ:-ফোকাস দৈর্ঘ‍্যের পরিবর্তন ঘটবে।

শূন‍্যস্থান পূরণ কর:-

1)_________ও বক্রতাকেন্দ্রের সংযোজক সরলরেখাকে প্রধান অক্ষ বলে।
উ:-গোলীয় দর্পণের মেরু।

2)স্টিলের চামচ এর ________অংশ মুখের সামনে রাখলে তার প্রতিবিম্ব বড় হবে।
উ:-অবতল।

3) সমতল দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ এর মান হল
—————–।
উ:-অসীম

4)দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ হল _____________।
উ:-2×ফোকাস দূরত্ব
5) কোনো অবতল দর্পণের ফোকাসে থাকা বস্তুর প্রতিবিম্ব _______।
উ:-অসীম।

6)গাড়ির ভিউ মিররে ব‍্যবহার করা হয়_________দর্পণ ব‍্যবহার করা হয়।
উ:-উত্তল ।

7)অবতল দর্পণ ব‍্যবহৃত হয় ___________প্রতিবিম্ব গঠন করার জন‍্য।
উ:-সদ্ বিবর্ধিত।

8)____________ মাধ‍্যমের থেকে লঘু মাধ‍্যমের আলোর বেগ বেশি।
উ:-ঘন।

9)প্রতিসারক মাধ‍্যমের অভিলম্ব বরাবর আপতিত রশ্মির প্রতিসরণ কোণ _________।
উ:-শূন‍্য।

10)আলোর প্রতিসরণের জন‍্য বিভিন্ন মাধ‍্যমে আলোর বেগ হয় ___________।
উ:-বিভিন্ন।

11)আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য সর্বাধিক _____________বর্ণে।
উ:-লাল।

12)কোনো মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক ________ আলোর চেয়ে লাল আলোর জন‍্য কম হয়।
উ:-হলুদ।

13)আলোর বেগ বেড়ে যায় কাচ থেকে ________আলো প্রবেশ করলে।
উ:-জলে ।

14)কোনো মাধ‍্যমের প্রতিসারাঙ্ক হ্রাস পায় ________বাড়ালে।
উ:-তাপমাত্রা।

15)কোনো একক নেই __________এর।
উ:-প্রতিসারঙ্ক।

16)________তলের সংখ‍্যা পাঁচটি।
উ:-প্রিজমের।

17)সূর্যকে ডিম্বাকার দেখায় _________ও________এর সময়।
উ:-সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়।

18)__________এর মধ‍্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণের চ‍্যুতির পরিমাণ শূন‍্য হয়।
উ:-সমান্তরাল কাচফলক।

19)________কে উত্তপ্ত করলে জলের প্রতিসারঙ্ক হ্রাস পায়।
উ:-জল।

20)উত্তল লেন্স ব‍্যবহার হয় ____________হিসাবে।
উ:-অভিলক্ষ‍্য।

 

 

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)


1)উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কী?
উ:-উত্তল লেন্সের আলোর কেন্দ্র থেকে মুখ‍্য ফোকাসের মধ‍্যে যে দূরত্ব আছে ওই দূরত্বকে বলে উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব।

2)দিনের বেলা আকাশ কেন নীল থাকে?
উ:-সূর্যরশ্মি দিনের বেলায় বায়ুমন্ডলের ভিতর দিয়ে প্রবেশ করার ফলে নীল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য কমে যায় এর ফলে বায়ুর মধ‍্যে অবস্থিত নীল রঙের কণাগুলি চারিদিকে ছড়িয়ে যায় বিক্ষিপ্ত আকারে।এই আলোকরশ্মি আমাদের চোখে পড়ে ।তাই আমরা আকাশকে দিনের বেলা নীল দেখি।

3)মায়োপিয়া বা হ্রস্বদৃষ্টি বলতে কী বোঝ?
উ:-কোনো ব‍্যক্তি যখন কাছের জিনিসকে স্পষ্ট দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিসকে স্পষ্ট দেখতে পায় না।চোখের এই দোষকে মায়োপিয়া বা হ্রস্বদৃষ্টি বলে।
অক্ষিগোলক যখন বড় হয় তখন এই রোগের সৃষ্টি হয়।
অবতল লেন্স কে চোখের সামনে রেখে এই রোগের প্রতিকার করা হয়।

4)প্রতিসারঙ্ক কী?
উ:-আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইন এর অনুপাত সবসময় ধ্রুবক হয়, যখন আলোকরশ্মি প্রতিসরণ করে।এই ধ্রুবকটিই হল প্রথম মাধ‍্যমের উপর দ্বিতীয় মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক।
প্রতিসারঙ্ক মাধ‍্যম এর প্রকৃতি , মাধ‍্যমের উষ্ণতা ও আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ‍্যের উপর নির্ভরশীল।

5)স্নেলের সূত্র টি লেখ:-
উ:-একটি নির্দিষ্ট মাধ‍্যম ও নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন‍্য আলোর প্রতিসরণ কোণের সাইন ও আপতণ কোণের সাইনের অনুপাত সবসময় ধ্রুবক হয়।আলোর প্রতিফলনের জন‍্য দ্বিতীয় সূত্রটি স্নেলের সূত্র নামে পরিচিত।


6)উত্তল লেন্সের মাধ‍্যমে গঠিত বস্তুর বিবর্ধিত অসদ্ বিম্ব গঠনের রশ্মিচিত্র অঙ্কন কর।

 

7)ট্রাফিক সিগনালে লাল রঙের সংকেত থাকে কেন?
উ:-বিপদের সংকেত বোঝানোর জন‍্য লাল রঙের আলো ব‍্যবহার করা হয়।কারণ এই আলো অনেক দূর পর্যন্ত অতিক্রম করে এবং মানুষের চোখে পড়ে কারণ এর বিক্ষেপণ ক্ষমতা সবথেকে কম হয়।এর ফলে মানুষ সাবধান হয়।

8)গোলীয় দর্পণের প্রধান ফোকাস দূরত্ব কাকে বলে?
উ:-দর্পণের মেরু থেকে মুখ‍্য ফোকাস বিন্দু পর্যন্ত যে দূরত্ব আছে সেই দূরত্বকে গোলীয় দর্পণের প্রধান ফোকাস দূরত্ব বলে।
9)কোন মাধ‍্যমে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে না?
উ:-শূন‍্য মাধ‍্যমে আলোকরশ্মি এক ই বেগে থাকে তাই আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে না।

10)গোলীয় দর্পণের বক্রতাকেন্দ্র কাকে বলে?
উ:-গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই কেন্দ্রকে বক্রতাকেন্দ্র বলে।

11)উত্তল লেন্সের মুখ‍্য ফোকাস কাকে বলে চিত্রসহ লেখ।
উ:-অপসারী রশ্মিগুচ্ছ গুলি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে নির্গত হয়,সেই নির্দিষ্ট বিন্দুকে উত্তল লেন্সের মুখ‍্য ফোকাস বলে।

12)উত্তল লেন্স কে শনাক্ত করণ করা যায় কীভাবে?
উ:-একটি লেন্সের খুব কাছে যদি একটি আঙুল রাখা হয় তাহলে তার কারণে যদি বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব সৃষ্ট হয় তাহলে সেটি উত্তল লেন্স।

 


13)লেন্সের আলোককেন্দ্র কাকে বলে চিত্র।সহ লেখ?
উ:-যখন কোনো আলোকরশ্মি লেন্সের একপৃষ্ঠে আপতিত হয়, এবং আপতিত হওয়ার সময় আপতিত রশ্মি যদি সমান্তরাল হয়, তখন সেই রশ্মি প্রধান অক্ষের উপর একটা বিন্দুকে ছেদ করে,তাকে লেন্সের আলোককেন্দ্র বলে।

14)সমতল,অবতল ও উত্তল এই তিন প্রকার দর্পণকে কীভাবে শনাক্ত করা যায়?
উ:-স্পর্শ না করে দর্পণের কাছে কোনো বস্তুকে নিয়ে গেলে প্রতিবিম্ব টি যদি সমশীর্ষ হয় এবং বস্তুর আকারের যদি সমান হয় তবে সেই দর্পণটি সমতল।
আর যদি প্রতিবিম্বটি সমশীর্ষ বস্তুর থেকে বড় হয় তাহলে সেটি অবতল।
আর যদি বস্তুর থেকে ছোটো হয় তাহলে সেটি উত্তল।


15)অবতল লেন্সকে কীভাবে শনাক্তকরণ করা যায়?
উ:-একটি লেন্সের খুব কাছে যদি একটি আঙুল রাখা হয় তাহলে তার কারণে যদি খর্বাকৃতি প্রতিবিম্ব সৃষ্ট হয় তাহলে সেটি অবতল লেন্স ।

16)গাড়ির হেটলাইটে অবতল দর্পণ কেন থাকে?
উ:-গাড়ির হেটলাইটের আলো অবতল দর্পণের ফোকাসে থাকে।এর ফলে লাইট থেকে আলো বাইরে বেরিয়ে এসে দর্পণে পড়ে।দর্পণে এসে পড়ার পর আলো প্রতিফলিত হয় এবং এমন একটা আলোকরশ্মি গঠন করে যা বহুদূর বিস্তৃত হয়।এর জন‍্যই গাড়ির হেটলাইটে অবতল দর্পণ ব‍্যবহার করা হয়।

17)উত্তল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব ও অবতল দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধের সম্পর্ক নিরুপণ কর।
উ:- চিত্রে C বক্রতা কেন্দ্র ,Fফোকাস ,P মেরু।CS দর্পণের ব‍্যাসার্ধ দর্পণের উপর লম্ব। একটি আলোকরশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে দর্পণের উপর আপতিত হয়ে f এর মধ‍্যে দিয়ে যায়।
RS এবং CP পরস্পর সমান্তরাল।
ধরা যাক,দর্পণের উন্মেষ তার বক্রতা ব‍্যাসার্ধের তুলনায় খুব ছোট।আপতিত রশ্মি RS মেরু P এর কাছে আপতিত হয়।
FS=FP,CF=FP
বা,F P=12 r
বা,f=12 r
বা,r=2f
যেখানে r দর্পণের বক্রতা ব‍্যাসার্ধ এবং fফোকাস দৈর্ঘ‍্য।
(একই ভাবে উত্তল দর্পণের প্রমাণ হবে।)
EF এবং HG পরস্পর সমান্তরাল।EF এর উপর লম্ব n এবং HG এর উপর লম্ব i1।A এবং BC পরস্পরের সমান্তরাল।

 

 

 

 

18)প্রিজমের মধ‍্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ কীভাবে হয় চিত্র সহ দেখাও।

 

 


19)কখন আকাশ লাল রঙের দেখায় এবং কেন?
উ:-সূর্য অস্ত যাবার পর আকাশ লাল রঙের দেখায়।কারণ, কারণ অন‍্যান‍্য রঙের তুলনায় লাল রঙের আলোর বিক্ষেপণ ক্ষমতা সবথেকে কম।বায়ুমন্ডলের ভিতর দিয়ে সূর্যের রশ্মিগুলোকে অনেক দূরত্ব অতিক্রম করতে হয় কারণ সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত যখন হয় সে সময় সূর্যের অবস্থান থাকে দিগন্ত রেখার কাছাকাছি।এই অতিক্রমের সময় ছোটো তরঙ্গদৈর্ঘ‍্য তৈরি হয় যেগুলি বেগুনী বা নীল রঙের হয়,এবং সেগুলি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।বেগুনী বা নীল রঙের আলোর বিক্ষেপণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় সেগুলো আমাদের চোখে এসে পড়ে না।কিন্তু লাল রঙের আলোর বিক্ষেপণ ক্ষমতা কম তাই লাল রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পড়ে।

20)মানুষের চোখের লেন্স কেমন?ভিট্রিয়াস হিউমার কাকে বলে?
উ:-মানুষের চোখের লেন্স উভত্তল ।
চোখের লেন্স ও মধ‍্যবর্তী প্রকোষ্ঠ জেলী জাতীয় তরল স্বচ্ছ দ্বারা নিমজ্জিত থাকে।এটাই হল ভিট্রিয়াস হিউমার।

21)আলোর বিচ্ছুরণ বলতে কী বোঝায়?
উ:-প্রিজমের দ্বারা প্রতিসারিত হওয়ার ফলে সাদা আলো বা যে কোনো যৌগিক আলো বিভিন্ন মৌলিক বর্ণে ভাগ হয়ে যায় একেই বলে আলোর বিচ্ছুরণ।

22)আলোর বিক্ষেপণের সংজ্ঞা দাও?
উ:-বায়ুর মধ‍্যে অবস্থিত ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও বিভিন্ন গ‍্যাসের অণু সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সূর্যালোক থেকে শক্তি শোষণ করে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয় তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে।

23)সদবিম্ব ও অসদবিম্ব এর তুলনা আলোচোনা কর?
উ:-ক)সদবিম্ব কে দেখা যায়।

কিন্তু অসদবিম্ব কে দেখা যায় না।

খ)সদবিম্ব অবশীর্ষ হয়।

কিন্তু অসদবিম্ব সমশীর্ষ হয়।

24) হাইপারমেট্রোপিয়া কী?
উ:-কেউ যদি দূরের বস্তুকে স্পষ্ট দেখতে পায়, এবং কাছের বস্তুকে অস্পষ্ট দেখতে পায়, চোখের এই ত্রুটিই হল হাইপারমেট্রোপিয়া।
চোখের সামনে উত্তল লেন্স রেখে এর প্রতিকার করা হয়।

25)রামধনু বলতে কী বোঝ?
উ:-বৃষ্টির জলের জন‍্য সূর্যালোক বিচ্ছুরিত হয় এবং আকাশে সাদা আলোর বিশুদ্ধ বর্ণালি গঠিত হয় এটাই হল রামধনু।

26)প্রতিসারঙ্ক কাকে বলে তা স্নেলের সূত্রানুযায়ী লেখ।
উ:-স্নেলের সূত্র অনুযায়ী,আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইন সবসময় ধ্রুবক হয়।

Sin iSin r=
এই ধ্রুবক ই হল প্রতিসারঙ্ক ।একে μ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

27)অভিসারী লেন্সের অপর নাম উত্তল লেন্স কেন?
উ:-যেসব আলোকরশ্মি গুলো সমান্তরাল সেগুলি উত্তল লেন্সের সাহায‍্যেপরস্পরের কাছে চলে আসে। এরপর এরা অভিসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয়।তাই অভিসারী লেন্সের অপর নাম উত্তল লেন্স।

28)গোলীয় দর্পণের ফোকাসের সংজ্ঞা দাও?
উ:-সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুলি যে বিন্দু থেকে অপসারিত হয় সেই বিন্দুকে গোলীয় দর্পণের ফোকাস বলে।

 

29)কেন সাদা জামায় নীল দেওয়া হয়?
উ:-কাপড় কাচার জন‍্য আমরা যে জল ব‍্যবহার করি সেই জলে আয়রন থাকে, এর জন‍্য কাপড়ের উপর দাগ ধরে রং যায় হলুদ বা বাদামী বর্ণে।হলুদ ও নীল পরস্পরের পরিপূরক তাই কাপড়ে সাদা ভাব আনার জন‍্য নীল ব‍্যবহার করা হয়।

30)আলোকরশ্মি যখন লঘু থেকে ঘন মাধ‍্যমে যায় তার চ‍্যুতিকোণের রাশিমালা নিরুপণ কর?
উ:-রাশিমালাটি হল-δ=r – i δ হল চ‍্যুতিকোণ, i =আপতন কোণ ও r =প্রতিসরণ কোণ।

31)লেন্সে দুটি মুখ‍্য ফোকাস থাকে কেন?
উ:-লেন্সের দুটি প্রতিসারক তল,আপতিত রশ্মি ও প্রতিসৃত রশ্মি।কিন্তু এই দুটি রশ্মি পাশাপাশি থাকে না তাই লেন্সের দুটি মুখ‍্য ফোকাস থাকে।

 

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)

 

১)কোনো আলোকরশ্মি একটি পরিস্কার কাঁচের এর উপর লম্ব ভাবে বিকিরণ করলে তার চ‍্যুতিকোণের মান কত?
ক)0° খ)20° গ)50° ঘ)90°

উ:-ক)0°

২) প্রতিবিম্ব সবসময় অসদ্ ও খর্বাকার হয় কোন দর্পণে?
ক)সমতল দর্পণ খ) উত্তল দর্পণ গ)গোলীয় দর্পণ, ঘ)অবতল দর্পণ

উ:-খ)উত্তল দর্পণ।

 

৩)কোন রঙের আলোর জন‍্য কোনো মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক সবচেয়ে কম?
ক)সবুজ,খ)লাল গ)কালো ঘ) সাদা

উ:-লাল।

৪)দিনের বেলা আকাশকে কেন নীল দেখায়?
ক)আলোর প্রতিফলন খ) আপতন কোণ, গ) আলোর বিক্ষেপণ, ঘ)আলোর প্রতিসরণ এর জন‍্য।

উ:-গ)আলোর বিক্ষেপণ।

৫)কখন উত্তল লেন্সে বস্তুর অসদ্ ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
ক)বস্তু যখন আলোক কেন্দ্র ও ফোকাসের মাঝে থাকে,খ)বস্তু যখন কেন্দ্রে থাকে,গ)বস্তু যখন ফোকাসে থাকে,ঘ)বস্তু যখন অসীমে থাকে।

উ:-ক)বস্তু যখন আলোক কেন্দ্র ও ফোকাসের মাঝে থাকে।

৬)কোন আলোর প্রতিসরণে লাল আলোর বিচ‍্যুতি সর্বনিম্ন হয়?
ক)প্রিজমের সাদা আলো,খ)লাল আলো,গ) নীল আলো,ঘ) হলুদ আলো।

উ:-ক)প্রিজমের সাদা আলো

৭)মানুষের সুস্থ চোখের সাথে স্পষ্ট দেখার মধ‍্যে দূরত্ব কত?
ক)২৩ সেমি, খ)২৫ সেমি, গ)৬০ সেমি,ঘ)১৫ সেমি।

উ:-খ)২৫ সেমি।

 


৮)অবতল দর্পণে বস্তু বক্রতা কেন্দ্রে অবস্থান করলে প্রতিবিম্ব কোনখানে সৃষ্টি হয়?
ক)আলোক কেন্দ্র ও ফোকাসের মাঝে ,খ)বস্তুর কেন্দ্রে গ)ফোকাসে ,ঘ)বক্রতা কেন্দ্রে।

উ:-ঘ)বক্রতা কেন্দ্রে।

৯)তীর্যকভাবে আলোক রশ্মি বায়ু থেকে যদি কাচের দিক ধাবিত হয় তাহলে নীচের কোন কথাটা সত‍্য হবে?
ক)আপতন কোণ < প্রতিসরণ কোণ,খ)আপতন কোণ=প্রতিসরণ কোণ,গ)আপতন কোণ > প্রতিফলন কোণ,ঘ)আপতন কোণ >প্রতিসরণ কোণ।

উ:-ঘ)আপতন কোণ >প্রতিসরণ কোণ।

 

১০)কোনো একটি অবতল দর্পণের সামনের বস্তু তার সদ্ ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠন করে এবং সেই দর্পণের দৈর্ঘ যদি 20 সেন্টিমিটার হয় , তাহলে বস্তুর দৈর্ঘ‍্য কত হবে?
ক)40 সেমি,খ)30 সেমি,গ)10 সেমি,ঘ)20 সেমি।

উ:-ক)40 সেমি

১১)লাল,হলুদ, সবুজ,বেগুনি কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ‍্য সবচেয়ে বেশি?
ক)লাল, খ)হলুদ, খ)সবুজ,গ)বেগুনি।

উ:-ক)লাল।

 


১২)১২)অবতল দর্পণের ফোকাস ও বক্রতা কেন্দ্রের মাঝে কোনো বস্তু থাকলে কি প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হবে?
ক)সদ্ খর্বাকার,খ)সদ্ বিবর্ধিত, গ) অসদ্ খর্বাকার ঘ) এর মধ‍্যে কোনোটাই নয়।

উ:-খ)সদ্ বিবর্ধিত।

১৩)কোন মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্ক কম?
ক)লাল,খ)নীল,গ)হলুদ,ঘ)সবুজ

উ:-ক)লাল।

 


১৪)বায়ুতে কাচের প্রতিসারঙ্ক 1.5 এবং আলোর বেগ 3×108 m/s হলে কাচে আলোর বেগ কত?
ক)4×108 m/s,খ)2×108 m/s,গ)9×108 m/s,ঘ)6×108m/s।

উ:-খ)খ)2×108m/s

১৫)কোন রশ্মি কেলাসের গঠন বিষয়ক গবেষণার কাজে ব‍্যবহৃত হয়?
ক)গামা,খ)ভিটা,গ)এক্স ,গ)দৃশ‍্যমান রশ্মি।

উ:-গ)এক্স রশ্মি।

১৬)সাধারণ ক‍্যামেরাতে কোন লেন্স থাকে?
ক)অভিসারী,খ)অপসারী,গ)উত্তল,ঘ)অবতল |

উ:অভিসারী।
১৭)ফোকাস দৈর্ঘ্য ও বক্রতা ব্যাসার্ধের মধ্যে সম্পর্ক কেমন?
ক)r=f, খ) f=r,গ)r=2f,ঘ) r=3f
উ:-গ)r=2f

১৮)বিবর্ধক কাচে যদি বস্তুকে 10সেমি দূরে রাখলে বস্তুর প্রতিবিম্ব হয় 40 সেমি,তাহলে বিবর্ধন কত?
ক)5.6,খ)4.0,গ)2.7,ঘ)5.8।
উ:-খ)4.0।

১৯)কোনো বস্তুর প্রতিবিম্ব অবশীর্ষ ও সমান হয় কখন?
ক)উত্তল লেন্স থেকে 2f দূরত্বে রাখলে, খ)উত্তল লেন্স থেকে 3f দূরত্বে রাখলে,গ)উত্তল লেন্স থেকে 4f দূরত্বে রাখলে,ঘ)উত্তল লেন্স থেকে 5f দূরত্বে রাখলে,
উ:-ক)উত্তল লেন্স থেকে 2f দূরত্বে রাখলে


২০)বস্তুর থেকে বড় অসদবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়?
ক)অবতল দর্পণের মাধ‍্যমে,খ)উত্তল দর্পণের মাধ‍্যমে,গ)অসমতল দর্পণের মাধ‍্যমে,ঘ)সমতল দর্পণের মাধ‍্যমে।
উ:-ক)অবতল দর্পণের মাধ‍্যমে।

২১)শূন‍্য মাধ‍্যমের প্রতিসারঙ্কের মান?
ক)1,খ)2,গ)3,ঘ)4
উ:-ক)1

২২)বস্তুর দূরত্ব কত হলে বস্তুর খর্বাকার সদ্ বিম্ব পাওয়া যায়?
ক)=3f,খ) >2f,গ)>cf,ঘ)>f
উ:-খ) >2f

 

২৩)অবতল দর্পণে বস্তুকে কোথায় রাখলে প্রতিবিম্ব অসদ্,সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত হবে?
ক)আলোক কেন্দ্র ও ফোকাসের মাঝে ,খ)বস্তুর কেন্দ্রে গ)মেরু ও ফোকাসের মধ‍্যে ,ঘ)বক্রতা কেন্দ্রে।
উ:-গ)মেরু ও ফোকাসের মধ‍্যে।

২৪)কোন রঙের আলোর বিক্ষেপণ ক্ষমতা সবথেকে বেশি?
ক)লাল,খ) হলুদ,গ)নীল,ঘ)সবুজ।
উ:-গ)নীল

২৫)বস্তুর প্রতিবিম্ব সর্বদা অসদ্ হয়-
ক)অবতল দর্পণের মাধ‍্যমে,খ)উত্তল দর্পণের মাধ‍্যমে,গ)অসমতল দর্পণের মাধ‍্যমে,ঘ)সমতল দর্পণের মাধ‍্যমে।
উ:-খ)উত্তল দর্পণের মাধ‍্যমে।


২৬)কোন চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব‍্যবহার করেন?
ক)দন্ত,খ)চক্ষু,গ)নার্ভ,ঘ)কোনোটিই নয়।
উ:-ক)দন্ত।

২৭)সমতল দর্পণে কী রকম প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
ক)সদ্,খ)অসদ্,গ)অসদ্ ও সমশীর্ষ,ঘ)সমশীর্ষ।
উ:-গ)অসদ্ ও সমশীর্ষ।

২৮)আলোর বিচ্ছুরণের জন‍্য কি গঠিত হয়?
ক)মেরুজ‍্যোতি,খ)আকাশপ্রভা, গ)রামধনু, ঘ)বজ্রপাত।
উ:-গ)রামধনু

২৯)মোটর গাড়ির ভিউয়ে কোন দর্পণ ব‍্যবহার করা হয়?
ক)উত্তল,খ)অবতল,গ)অভিসারী,ঘ)অপসারী।
উ:-ক)উত্তল।
৩০)কোথায় আপতিত ও নির্গম রশ্মির চ‍্যুতিকোণ=i2+i2-2A?
ক)প্রিজম,খ)শঙ্কু,গ)আয়তক্ষেত্র,ঘ)বর্গক্ষেত্র।
উ:-ক)প্রিজম।

৩১)কখন আলোর কম্পাঙ্ক অপরিবর্তিত থাকে?
ক)আলোর প্রতিফলনে,খ)আলোর প্রতিসরণে,গ)আলোর বিক্ষেপণে,ঘ)আলোর ক্ষেপণে।
উ:-,খ)আলোর প্রতিসরণে

৩২)রেটিনা প্রতিবিম্ব কোথায় উৎপন্ন হয়?
ক)মানুষের চোখে,খ)মানুষের ত্বকে,গ)মানুষের দাঁতে,ঘ)মানুষের চুলে।
উ:-ক)মানুষের চোখে

৩৩)বিক্ষেপিত আলোর তীব্রতার সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ‍্যের সম্পর্ক কেমন?
ক)I∝12,খ)I∝1,গ)I∝14,ঘ)I∝15
উ:-গ)I∝14
৩৪)সমতল দর্পণে বক্রতা ব‍্যাসার্ধ কেমন?
ক)সসীম,খ)অসীম,গ)0,ঘ)8
উ:-খ)অসীম।

৩৫)প্রতিসরণের ফলে কী হয়?
ক)সন্ধ‍্যে হয়,খ)সূর্যাস্তের পরে সূর্য দেখা যায়,গ)মেঘের পরে বৃষ্টি হয়,ঘ)অমাবস‍্যায় চাঁদ দেখা যায়।
খ)সূর্যাস্তের পরে সূর্য দেখা যায়।

৩৬)মৌলিক রং নয়?
ক)লাল, খ)হলুদ, গ)নীল ,ঘ)সবুজ।
উ:-খ)হলুদ

 

৩৭)কার একক নেই?
ক)প্রতিসারঙ্ক,খ)প্রতিফলন,গ)অপসারণ,ঘ)অভিসারী।
উ:-ক)প্রতিসারঙ্ক।

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • all replace

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat