fbpx

Skillyogi – Video Lectures In English & Bangla

বায়ুমণ্ডল Bayumondol

Geography Bhugol Subject WBBSE Madhyamik Class 10

Here you will learn the basics of বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) in a simple language it is for Bengali medium students who are studying under West Bengal Board of Secondary Education and preparing for their Madhyamik exam (Class 10 WBBSE) Here you will find all necessary and important WBBSE Madhyamik Suggestions, notes, solved sample question paper in Bangla along with video lectures from expert teachers

You will learn the basics and the foundation of this chapter in English medium from an expert teacher this module has been organised in four segments

  • In the first segment you are going to learn the foundation and basics of this chapter
  • In the second module you are going to learn the multiple choice questions that is MCQ or high order thinking skills question of 1 marks
  • In the third segment you are going to learn the short answers and questions which is typically asked from the chapter in your examination which is explained in very easy and simple method
  • The fourth segment comprises of long answers and questions which is typically of 5 to 6 marks which will help you prepare well for your examination you also get sample questions and sample paper for better preparation

If you have any questions please feel free to contact our team for details and help

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে  আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে 
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  •  তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  •  চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

এখানে আপনি Basic Terms, Definitions, Solved Short, Long Answers & Questions and MCQ's নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন

সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারিহয়েছে করা হয়েছে সাবস্ক্রাইব করুন সব ভিডিও লেকচার, স্টাডি মেটেরিয়াল এবং সাজেশন পেতে

বাংলা বিষয়- পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পরিষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা সাহায্য কর হবে এখানে আমরা আপনাকে এক Marks er MCQ  এবং Suggestion পেয়ে যাবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং ভালো মাল আনতে নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষা

VIDEO LECTURES BY EXPERT TEACHERS FOR EASY LEARNING

FOUNDATION - BASICS OF THE CHAPTER

MCQ QUESTIONS - 1 MARKS

SHORT QUESTIONS ANSWER - 3/4 MARKS

LONG QUESTIONS ANSWER - 5/6 MARKS

Definition, Important Terms, Explanation in Simple Words for Fast Learning

বায়ুমন্ডল(Atmosphere)

সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রায় উপরের দিকে 10000কিমি পর্যন্ত যে অদৃশ‍্য গ‍্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে,তা হল বায়ুমন্ডল।

বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ:-

বায়ুমন্ডল প্রধানত তিনপ্রকার উপাদান নিয়ে গঠিত।

i)গ‍্যাসীয় উপাদান:-বায়ুমন্ডলের গ‍্যাসীয় উপাদান 99%নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত।

ii)জলীয় বাষ্প:-জলের গ‍্যাসীয় অবস্থাকেই জলীয় বাষ্প বলে।উচ্চতা, অক্ষাংশ ,উষ্ণতা,স্থলভাগ,জলভাগ বন্টনের তারতম‍্যে জলীয় বাষ্পের তারতম‍্য ঘটে‌।

iii)ধূলিকণা:-মরু অঞ্চলের সূক্ষ্ম বালুকণা,কলকারখানার পোড়া কয়লার ছাইবিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণ প্রভৃতি ধূলিকণা ভাসমান অবস্থায় রয়েছে।

উপাদানের বায়ুমন্ডলের স্তরবিন‍্যাস:-

উপাদানগত ভিত্তিতে বায়ুমন্ডলকে দুভাগে ভাগ করা যায়:-

i)সমমন্ডল:-সমুদ্রতল থেকে ১০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অংশে বায়ুমন্ডল গঠনকারী উপাদানগুলি মোটামুটি একই রকম থাকে একে সমমন্ডল বলে।

জৈব ও অজৈব কণিকা দ্বারা গঠিত।পৃথিবীর জলবায়ু নির্ধারণ করে।

ii)বিষমমন্ডল(Heterosphere):-সমমন্ডলের উর্ধ্বে 100 কিমি থেকে 10000 কিমি পর্যন্ত অংশে বায়ুমন্ডল গঠনকারী উপাদানগুলি মোটামুটি একই রকম থাকে না তাকে বিষমমন্ডল বলে।এই অঞ্চল চার ভাগে বিভক্ত-নাইট্রোজেন স্তর,হাইড্রোজেন স্তর,অক্সিজেন স্তর, হিলিয়াম স্তর।

https://www.englishandgeography.in/2020/10/homoaphere-and-heterosphere-class-10.html?m=1

উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুস্তর বিন‍্যাস :-

উষ্ণতার ভিত্তিতে ছয় ভাগে ভাগ করা যায়:-

i)ট্রপোস্ফিয়ার:-এটি বায়ুমন্ডলের নীচের স্তর।নীরক্ষীয় অঞ্চলে 18কিমি,ক্রান্তীয় অঞ্চলে 12.5কিমি এবং মেরু অঞ্চলে 18 কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।এই স্তরে প্রতি হাজার মিটার উচ্চতায় উষ্ণতা হ্রাস পায় ।75% গ‍্যাসীয় উপাদান এই স্তরে অবস্থিত।এই স্তরে ঝড় ,বৃষ্টি হয় একে তাই ক্ষুদ্ধমন্ডল বলে। এর উর্ধ্বসীমা ট্রপোপজ।

ii)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার:-ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমা স্ট্রাটোস্ফিয়ার নামে পরিচিত।20থেকে 50 কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়।এই স্তরে আবহাওয়া শান্ত থাকে তাই একে শান্তমন্ডল বলে ।

গ‍্যাসের অস্তিত্ব লক্ষ‍্য করা যায় তাই একে ওজনোস্ফিয়ার বলে।

এই গ‍্যাস অতিবেগুনি রশ্মি শোষন করে।

iii)মেসোস্ফিয়ার:-স্ট্রাটোস্ফিয়ার এর উপরের স্তর মেসোস্ফিয়ার।80কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়।উল্কাপিন্ড এই স্তরে এসে ছাই হয়ে যায়।

 

iv)আয়নোস্ফিয়ার:-মেসোস্ফিয়ার এর উপরের অংশ আয়নোস্ফিয়ার ।80 থেকে500 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়।বেতারতরঙ্গ এখানে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

V)এক্সোস্ফিয়ার:-আয়নোস্ফিয়ার এর উপরের অংশ এক্সোস্ফিয়ার।500-700 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।

vi)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার:-এক্সোস্ফিয়ারের উপরের অংশ ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।750-10000 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।

ওজনস্তরের গুরুত্ব:-

স্ট‍্রাটোস্ফিয়ারের উপরে যে ওজন গ‍্যাসের আস্তরণ সৃষ্টি হয়েছে সেটাই হল ওজনস্তর।

জীবজগৎকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে ও বায়ুমন্ডলের ভারসাম‍্য বজায় রাখে।

ওজনোস্ফিয়ারে প্রাকৃতিক ভাবে ক্রমান্বয়ে ওজন গ‍্যাস সৃষ্টি ও ধ্বংস হয়। ওজন স্তর পাতলা হতে শুরু করে।এভাবে ওজন স্তরের বিনাশ হয়। এর ফলে সমগ্র মানুষ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

বায়ুমন্ডলের তাপ,উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন:- বায়ুণ্ডলের প্রধান উৎস হল সূর্য।

তাপের সমতা:-

দিনের বেলায় ভূপৃষ্ঠে  সূর্যকিরণের ফলে পৃথিবী উত্তপ্ত হয়।তেমনি রাত্রিতে তাপ বিকারণের ফলে পৃথিবী শীতল হয়,এর ফলে পৃথিবীর বার্ষিক উপাদানের সমতা এক থাকে একেই বলে তাপের সমতা।

https://www.google.com/search?safe=active&q=heat+balance#imgrc=PEXcuxOo7MAelM

বায়ুমন্ডলের উত্তপ্ত হওয়ার পদ্ধতি:-

i)বিকিরণ পদ্ধতি:-ক্ষুদ্রতরঙ্গ যুক্ত সূর্যরশ্মি ভূপৃষ্ঠকে প্রত‍্যক্ষ ভাবে উত্তপ্ত করার পর ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর বৃহৎ তরঙ্গদের দ্বআরা পরোক্ষভাবে উত্তপ্ত হয় একে বিকিরণ পদ্ধতি বলে।

ii)পরিবহন পদ্ধতি:-সূর্যের তাপে ভূপৃষ্ঠের নীচেযর বায়ুস্তর উত্তপ্ত হয়,এই তাপে শীতল বায়ুস্তরে পরিবাহিত হয়।এইভাবে বায়ুস্তর থেকে বায়ুস্তরে তাপ পরিবাহিত হতে থাকে যতক্ষণ না উভয় বায়ুস্তরের তাপ সমান হয়,একেই বলে পরিবহন পদ্ধতি।

iii)পরিচলন পদ্ধতি:-উত্তপ্ত ভূপৃষ্ঠের জন‍্য বায়ুস্তর উত্তপ্ত হয়,এবং প্রসারিত ও হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়,তখন ওই বায়ুশূন‍্য স্থান শূন‍্যস্থান পূরণের জন‍্য শীতল ও ভারী বায়ু ছুটে আসে এবং পুনরায় উত্তপ্ত করে একে পরিচলন বলে ।

এছাড়াও অ্যাডভেকশন,প্রত‍্যক্ষ সৌরতাপ শোষণ,তেজস্ক্রিয় পদার্থ,ভূর্গস্থ তাপ,লীনতাপ ও মনুষ‍্যকতৃক সৃষ্ট তাপ থেকেও বায়ুমন্ডল উত্তপ্ত হয়।

তাপের পরিমাপ:-বায়ুর উষ্ণতা পরিমাপের জন‍্য যে যন্ত্র ব‍্যবহার করা হয় তাকে থার্মোমিটার বলে।

থার্মোমিটারে দু ধরনের স্কেল থাকে,সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল ।

কোনো স্থানের কোনো দিনের উষ্ণতাকে নির্ণয় করার জন‍্য সেই দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার যোগফলকে দুই দিয়ে ভাগ করে এবং প্রতি ঘন্টার তাপমাত্রার যোগফলকে 24 দিয়ে ভাগ করে দিনের গড় উষ্ণতা পাওয়া যায়।

গরিষ্ট লঘিষ্ট থার্মোমিটার বা সিক্সের থার্মোমিটার:-

এর সাহায‍্যে দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতা নির্ণয় করা হয়।

এর উভয় দিকের প্রান্তভাগে সরু নলের মত দুটি সূচক থাকে,এর উভয় প্রান্তে থাকে অ্যালকোহল।

বায়ুমন্ডলের তাপের তারত‍্যমের কারণ:-

i)অক্ষাংশ:-পৃথিবী কক্ষতলের সঙ্গে সর্বদা সাড়ে 66°হেলে থাকার কারণে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়,এবং তাপীয় ফল বেশি থাকে।অপর দিকে নিরক্ষরেখা থেকে উভয় মেরুর দিকে সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে তখন তাপীয় ফল বেশী থাকে।

ii)ভূমির উচ্চতা:- সমুদ্রতল থেকে কোনো স্থান যত উপরে অবস্থান করে  যে ভূমির উচ্চতার সাথে সাথে ভূমির উষ্ণতা হ্রাস পায়,আবার কোনো কোনো স্থানে বৃদ্ধি পায় ।

iii)স্থলভাগ ও জলভাগের বন্টন:- জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ বা শীতল হলে গ্রীষ্মকাল অধিক উষ্ণও  শীতকাল অধিক  শীতল হয়।

iv)বায়ুপ্রবাহ:-সমুদ্রস্রোতের মত উষ্ণ বায়ু প্রবাহিত অঞ্চল উষ্ণ এবং শীতল বায়ু প্রবাহিত অঞ্চল শীতল হয়।

V)সমুদ্রস্রোত:-সমুদ্রের যে অঞ্চলে শীতল সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয়,সেই অঞ্চল এর বায়ুমন্ডল  শীতল হয় এবং যে অঞ্চলে উষ্ণ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয় সেই অঞ্চলের বায়ুমন্ডল উষ্ণ হয়।

vi)ভূমির ঢাল:-দক্ষিণমুখী ভূমির ঢালে বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা অধিক হয়।

vii)মেঘাচ্ছন্নতা ও অধঃক্ষেপণ:-দিনের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে তাপীয় ফল হ্রাস পায়, রাতের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

viii)স্বাভাবিক উদ্ভিদ:-উদ্ভিদ আবৃত অঞ্চলে উষ্ণতা কম হয়,কিন্তু উদ্ভিদ কম থাকলে উষ্ণতা অতিরিক্ত হয়।

ix)মৃত্তিকা:-বালি বা নুড়ি অধ‍্যুষিত অঞ্চল দ্রুত উষ্ণ বা শীতল হয়।

x)নগরায়ন ও শিল্পায়ন:-বৃক্ষচ্ছেদন,যানবাহন,রাস্তাঘাট নির্মাণ,ঘর নির্মাণ এসবের জন‍্য উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

তাপমন্ডল:-

ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা সমান নয়,কোথাও কম ও কোথাও বেশি।উষ্ণতার তারতম‍্য অনুসারে পৃথিবীর তাপমন্ডল কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়-

উষ্ণমন্ডল: পৃথিবীর মাঝ বরাবর উত্তর অক্ষাংশ থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ‍্যবর্তী অঞ্চল উষ্ণমন্ডল।এই অঞ্চলের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা 27℃।

নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল:উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি থেকে সুমেরুবৃত্ত উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল।

দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি রেখা থেকে কুমেরু বৃত্ত পর্যন্ত দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল।

হিমমন্ডল:উত্তরে সুমেরুবৃত্ত থেকে সুমেরু বিন্দু উত্তর হিমমন্ডল।দক্ষিণে কুমেরু বৃত্ত থেকে কুমেরুবিন্দু পর্যন্ত দক্ষিণ হিমমন্ডল।

সমোষ্ণ রেখা:-

ভূপৃষ্ঠে এক ই উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়,তাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

এই রেখা গুলি একেঁবেঁকে যায়।অক্ষরেখার সমান হয়।

বিশ্ব উষ্ণায়ণ:-

 জনবিস্ফোরণ ,নগরায়ন ,শিল্পায়ন ,যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, নির্বিচারে অরণ্য নিধন প্রভৃতির কারণে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যান্য গ্যাসের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানীরা বিশ্ব উষ্ণায়ন আখ্যা দিয়েছে।

বিভিন্ন প্রকার গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ:-

 কার্বন ডাই অক্সাইড:

 বায়ুমন্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ0.03% ।জীবাশ্ম জ্বালানির অধিক দহন ও নির্বিচারে অরণ্য নিধন এর কারণেই এর মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব উষ্ণায়নে এর ভূমিকা প্রায় 49%।

ক্লোরোফ্লোরো কার্বন:-

 এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য বিশ্ব উষ্ণায়ন এর ক্ষমতা প্রায় 14%।হিমায়ন যন্ত্র রেফ্রিজারেটর ও প্লাস্টিক ফোম ফাঁপিয়ে তুলতে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মিথেন:-

 বিশ্ব   উষ্ণায়ন এর ভূমিকা প্রায় 18% । গোবর  ,মানুষ ও প্রাণীর মলমূত্র বিয়োজনের ফলে এই গ্যাস সৃষ্টি হচ্ছে।

নাইট্রাস অক্সাইড:-

বিশ্ব উষ্ণায়নে এর ভূমিকা 6% । কৃষি জমিতে নাইট্রোজেন ঘটিত সার প্রয়োগ ও দাবানলের কারণে এই গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।

বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব:

  1. i) বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফের গলন শুরু হয় এবং পার্বত্য হিমবাহ বরফের আয়তন ক্রমশ কমছে।
  2. ii) বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

iii) বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি   বা হ্রাস পেতে পারে।

  1. iv) পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে কৃষি বলয়ের স্থান পরিবর্তিত হচ্ছে।

বায়ুর চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ:

অন্যান্য পদার্থের মত বায়ুর ওজন আছে তাই বায়ু তার চারিদিকে যে বল প্রয়োগ করে তাকে বায়ুর চাপ  বলে।

বায়ুর চাপ পরিমাপের জন্য বিজ্ঞানী টরিসেলি আবিষ্কৃত ব্যারোমিটার ব্যবহার হয়। বায়ুর চাপ নির্ভুলভাবে পরিমাপ করার জন্য   ফর্টিন্স ব্যারোমিটার আবিষ্কার হয়েছে। 

ছোট আয়তনের বায়ুচাপ পরিমাপক যন্ত্র হিসেবে  অ্যানিরয়েড ব্যারোমিটার তৈরি হয়েছে। বিমানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যাতে চাপের দ্রুত পরিবর্তন ধরা পড়ে তার জন্য তৈরি হয়েছে অলটিমিটার ও ব্যারোগ্রাম তৈরি হয়েছে।

https://www.nationalgeographic.org/encyclopedia/altimeter/

বায়ুচাপের তারতম্যের নিয়ন্ত্রক সমূহ:

বায়ুচাপের তারতম্যের প্রধান কারণ হল  বায়ুর ঘনত্ব  বায়ুর ঘনত্ব বেশি বা কম হলে চাপের তারতম্য হয় ।বায়ুচাপের  নিয়ন্ত্রক গুলি হল উচ্চতায়, উষ্ণতা ,জলীয়বাষ্প ,পৃথিবীর আবর্তন স্থলভাগ জলভাগ এর বন্টন।

সমচাপ রেখা:

ভূপৃষ্ঠের একটি বায়ুর চাপ বিশিষ্ট স্থান গুলিকে মানচিত্রের যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় তাকে সমচাপ রেখা বলে । সমচাপ রেখা গুলি আঁকাবাঁকা ভাবে বিস্তৃত থাকে। সমচাপ রেখা গুলির মধ্যবর্তী দূরত্ব বেশি হলে শান্ত আবহাওয়া। চক্রাকারে কাছাকাছি ঝড়-বৃষ্টি সম্ভাবনা থাকে।

 

 পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয় সমূহ:-

ক)নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়-নিরক্ষরেখার দুপাশে পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের এই নিম্নচাপ বলয় অবস্থান করে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় উষ্ণ ও আদ্র বায়ু এখান থেকে উত্তর  ও  দক্ষিণে  ক্রান্তীয় অঞ্চলের দিকে ছিটকে যায় এর ফলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।

খ) কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় –   উত্তর  ও দক্ষিণ গোলার্ধে কর্কটীয়  ও  মকরীয় ও উচ্চ চাপ বলয় সৃষ্টি হয়। উষ্ণ ও আদ্র বায়ু শীতল হয়ে ক্রান্তীয় অঞ্চলে নেমে আসে এর ফলে উচ্চচাপে সৃষ্টি হয়। সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলে শীতল ও ভারি বায়ু কোরিওলিস বলের প্রভাবে ক্রান্তীয় অঞ্চলে নেমে আসে এর ফলে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।

) সুমেরু ও কুমেরু বৃত্ত    নিম্নচাপ বলয়– উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে এর অবস্থান। মেরু অঞ্চলের তুলনায় এই দুই অঞ্চলের উষ্ণতা বেশি হয় ফলে এই অঞ্চলের বায়ু হালকা ও প্রসারিত হয়ে উপরে উঠে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে।

ঘ) সুমেরু ও কুমেরু উচ্চচাপ বলয়– অক্ষ রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল এদের অবস্থান।    পৃথিবীর আবর্তন এর কারণে  মেরু বৃত্ত  থেকে কিছু অংশ মেরু অঞ্চলে নেমে আসে এবং বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ বৃদ্ধি করে। 

বায়ুপ্রবাহ:

ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে সমান্তরালভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে একে বায়ু প্রবাহ বলে। বায়ু চাপের তারতম্য, উষ্ণতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন গতি, ভূপৃষ্ঠের ঘর্ষণের প্রভাব  প্রভৃতি কারণে বায়ুর প্রভাবে সৃষ্টি হয়।

 বায়ুপ্রবাহ চার প্রকার-

১) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ:– সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে সারা বছর ধরে একই দিকে একই গতি বেগে প্রবাহিত বায়ু হল   নিয়ত বায়ু। নিয়ত বায়ু তিন প্রকার- আয়ন বায়ু,  পশ্চিমা বায়ু, মেরু বায়ু।

কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয় এর দিকে প্রবাহিত বায়ু আয়ন বায়ু।

 অনুরূপভাবে সুমেরু ও কুমেরু বৃত্ত  নিম্নচাপ বলয় এর দিকে প্রবাহিত বায়ু হলো পশ্চিমা বায়ু।

   দুই  মেরু দেশীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে যে শুষ্ক ও শীতল বায়ু সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে নিম্নচাপ বলয় এর দিকে প্রবাহিত হয় সেটা  মেরু বায়ু ।

২)সাময়িক বায়ু প্রবাহ:– নির্দিষ্ট ঋতুতে চাপের তারতম‍্যের কারণে প্রবাহিত বায়ু হল সাময়িক বায়ু।

সাময়িক বায়ু পাঁচ প্রকার:-

স্থলবায়ু:-রাতের বেলা স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে প্রবাহিত বায়ু হল স্থলবায়ু।

 

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81#imgrc=YP5NhYLvSHPm5M&ip=1

সমুদ্র বায়ু:-দিনের বেলা স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে প্রবাহিত বায়ু হল সমুদ্র বায়ু।

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81#imgrc=9TYrm-Tpqy-QaM

মৌসুমি বায়ু:-দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ,উত্তর অস্ট্রেলিয়া,উত্তর আফ্রিকা, মেক্সিকো প্রভৃতি অঞ্চলের সাময়িক বায়ু মৌসুমি বায়ু।

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%80+%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81+%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0#imgrc=2o-qzo34EZvtIM

 

পার্বত‍্য বায়ু:-শীতকালে বায়ু দ্রুত তাপ বিকিরণের ফলে শীতল ও ভারী হয়ে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচে নেমে আসে একে বলে পার্বত‍্য বায়ু।

https://www.illustrationsource.com/stock/image/506928/dynamics-of-the-valley-and-mountain-wind-system-which-creates-a-valley-breeze-during-the-day-and-a-mountain-breeze-at-night/

উপত‍্যকা বায়ু:-পর্বতের ঢাল বরাবর উর্ধ্বগামী বায়ু হল উপত‍্যকা বায়ু।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ু:

  • ঘূর্ণবাত:স্বল্প পরিসরে হঠাৎ কোনো স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হলে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বায়ু কুন্ডলাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিম্নচাপ এর দিকে ছুটে আসে একে ঘূর্ণবাত বলে।

কেন্দ্রের নিম্নচাপে অবস্থান করে ।

ঘূর্ণবাত দুই প্রকার, 

ক)ক্রান্তীয় ঘূর্নবাত:-ক্রান্তীয় অঞ্চলের স্বল্প পরিসরে সৃষ্ট উর্ধ্বমূখী ঘূর্ণায়মান প্রবল  বায়ুপ্রবাহ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত।

ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে শান্ত অঞ্চল থাকে একে ঘূর্ণবাতের চক্ষু বলে।

খ)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত:-নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণবাত হল নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত।



https://www.google.com/search?safe=active&q=cyclone#imgrc=vuKt6QO1k0SC-M

  • প্রতীপ ঘূর্ণবাত:-

কোনো স্থানে অধিক শীতলতার জন‍্য প্রবল উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়।উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল বায়ু কুন্ডলী হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে,এটি ঘূর্ণবাতের বিপরীত অবস্থা হওয়ার জন‍্য এর নাম প্রতীপ ঘূর্ণবাত।

এর কেন্দ্রে থাকে উচ্চচাপ।



https://www.google.com/search?safe=active&q=anticyclone&spell=1&sa=X&ved=2ahUKEwil76XfzaPwAhUY7XMBHeEhDIYQBSgAegQIARAC&biw=360&bih=346&dpr=2#imgrc=v07u0RLc8X2zPM

পৃথিবীতে সংগঠিত কয়েকটি ঘূর্ণবাত:-হ‍্যারিকেন,টাইফুন, টর্নেডো,সাইক্লোন।

বায়ুর আদ্রতা:-

কোনো নির্দিষ্ট  স্থানে ও সময়ে নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে তাকে বায়ুর আদ্রতা বলে।

বায়ুর আদ্রতাকে তিনভাগে ভাগ করা হয়:-নিরপেক্ষ আদ্রতা,বিশেষ আদ্রতা,আপেক্ষিক আর্দ্রতা।

বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ করা হয় হাইগ্রোমিটার যন্ত্রের সাহায‍্যে।

মানচিত্রে আবহাওয়ার প্রতীক চিহ্ন:-

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87+%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%95+%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%A8#imgdii=n1k-S2mSfLK1MM&imgrc=EU3IzpbPOJF23M

অধঃক্ষেপণ:-

জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু উপরে উঠে ঘনীভূত হয় এবং ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয় একে বলে অধঃক্ষেপণ।

অধঃক্ষেপণের বিভিন্ন রূপগুলি হল:-

বৃ্ষ্টিপাত,তুষারপাত,ইলশেগুঁড়ি,স্লিট,বরফশলাকা,শিলাবৃষ্টি।

বৃষ্টিপাত তিন প্রকার:-

◆পরিচলন বৃষ্টিপাত:-

দিনের বেলায় সূর্য এর কিরণে জল বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শ এ এসে ওই জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।

নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে গ্রীষ্মের শুরুতে ও ভারতে শরৎকালে ঘটে।

  • শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:- জলীয় বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় কোনো উঁচু পাহাড় বা পর্বতশ্রেণী দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে তা উপরেরে দিকে উঠে এবং ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোযৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।

চেরাপুঞ্জির মৌসিনরামে দেখা যায়।

 

  • ঘূর্ণবাত জনিত বৃষ্টিপাত:-

ঘূর্ণবাতের মাধ‍্যমে যে বৃষ্টিপাত হয় তাকে ঘূর্ণবাত জনিত বৃষ্টিপাত বলে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%A8+%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4#imgrc=-VM3IpZYU0IKaM

 

বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র হল রেনগজ।



https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%9C+#imgrc=tigD2DoIdor4cM



পৃথিবীর মুখ‍্য জলবায়ু অঞ্চল:-

যেসব অঞ্চলে তাপমাত্রা,বৃষ্টিপাত ,বায়ুপ্রবাহ ছাড়াও জলবায়ুর অনান‍্য উপাদান ও আবহাওয়া এবং উদ্ভিদের মধ‍্যে সাদৃশ‍্য দেখা যায় তাকে জলবায়ু অঞ্চল বলে।

 

পৃথিবীর কয়েকটি মুখ‍্য জলবায়ু অঞ্চলের বিবরণ:-

নাম

অবস্থান 

উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত

জলবায়ুগত বৈশিষ্ট‍্য

আর্দ্র নিরক্ষীয়

অক্ষাংশগত :-5°-10° নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে।


আঞ্চলিক:-কঙ্গো, জাইরে, ইন্দোনেশিয়া আমাজন।

বার্ষিক উষ্ণতা -গড়ে 25°- 28℃।


বৃষ্টিপাত:-150-250সে।

এখানে ঋতুবৈচিত্র দেখা যায় না।জলবায়ু উষ্ণ-আর্দ্র প্রকৃতির জলবায়ু দেখা যায়।এখানে সারাবছর পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

ক্রান্তীয় মৌসুমী 

অক্ষাংশগত:-10°-  2312° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ


আঞ্চলিক:-উত্তর অষ্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 

শীতকালীন উষ্ণতা :-15°-20° সে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা:-27°-32°সে।


বৃষ্টিপাত:-100-150 সেমি ।

ঋতু পরিবর্তন হয় ।বায়ুর দিক পরিবর্তন হয়।


শুষ্ক শীতকাল ও উষ্ণ-আর্দ্র গ্রীষ্মকাল।

উষ্ণ মরু 

অক্ষাংশগত:-15°-30° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ।


আঞ্চলিক:-আফ্রিকার সাহারা, কালাহারি, ভারতের থর।

গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা:-30°-35°সে।


উষ্ণতার প্রসর:-16°-27°সে।


বৃষ্টিপাত:-16সেমির কম।

বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অল্প।


শীত ও গ্রীষ্মের উষ্ণতার প্রসর বেশি।

ভূমধ‍্যসাগরীয় 

অক্ষাংশগত:30°- 45° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ।


আঞ্চলিক:- অষ্ট্রেলীয়া, ভূমধ‍্যসাগরের তীরবর্তী দেশগুলি।

বার্ষিক গড় উষ্ণতা 16°-20° সে‌।


উষ্ণতার প্রসর:-6°-16° সে।


বৃষ্টিপাত:-25-75 সেমি।

শীতকাল বৃষ্টিবহুল।উষ্ণ – শুষ্ক গ্রীষ্মকাল।

স্তেপ

অক্ষাংশগত:–35°-60° উত্তর অক্ষাংশ এবং 35°-50° দক্ষিণ অক্ষাংশ।




আঞ্চলিক:-ইউরেশিয়া, মারে ডার্লিং অববাহিকা,আন্দিজ পর্বতের পূর্ব ঢাল।রকি পর্বতের পূর্বাংশ।

শীতকালীন উষ্ণতা :- হিমাঙ্কের নীচে থাকে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা:-17°-30° সে।


বৃষ্টিপাত :-25-50সেমি।

পরিবর্তনশীল আবহাওয়া।অনিয়মিত বৃষ্টিপাত।

চীনাদেশীয়

অক্ষাংশগত:-25°-40° উত্তর ও দক্ষিণ।



আঞ্চলিক:-পূর্ব এশিয়ার চিন,মধ‍্য ও দক্ষিণ আমেরিকা,অষ্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল ও দক্ষিণ আফ্রিক।

শীতকালীন উষ্ণতা :-4°-12°সে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা :-25° -30° সে।


বৃষ্টিপাত:-100-150 সেমি।

মৃদু শীতকাল এবং আর্দ্র গ্রীষ্মকাল ।

পশ্চিম উপকূলীয় সামুদ্রিক

অক্ষাংশগত :-40°-60° উত্তর ও দক্ষিণ।



আঞ্চলিক:-উত্তর পশ্চিম ইউরোপ,নিউজিল্যান্ড, কানাডা।আলাস্কা, চিলির পশ্চিম উপকূল।

শীতকালীন উষ্ণতা :-3° -7° সে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা :-15°-30° সে।


বৃষ্টিপাত:-80-90 সেমি।

শীতল শীতকাল ও মৃদু গ্রীষ্মকাল ।শীতকালীন ঘূর্ণবাত দেখা যায়।

মহাদেশীয় 

অক্ষাংশগত :-35°-65° উত্তর অক্ষাংশ।



আঞ্চলিক:-ইরাক,পূর্ব ও মধ‍্য আমেরিকা, ইরান, মধ‍্য এশিয়া।

শীতকালীন উষ্ণতা:-1°-20° সে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা :-20°-22°সে।


বৃষ্টিপাত:-50-100 সেমি।

শীতল শীতকাল উষ্ণ গ্রীষ্মকাল।এখানে শীতকাল স্বল্পস্থায়ী।

আর্দ্র নাতিশীতোষ্ণ

অক্ষাংশগত:-35°-50° উত্তর অক্ষাংশ।


আঞ্চলিক:-ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, পশ্চিম আমেরিকা।

শীতকালীন উষ্ণতা :-6°-8° সে।


গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতা:-

20°-24° সে।


বৃষ্টিপাত:-50-100 সেমি ।

মৃদু শীতল শীতকাল ও মৃদু উষ্ণ গ্রীষ্মকাল।

তুন্দ্রা

অক্ষাংশগত:-60°- 80° উত্তর এবং 60°-75° দক্ষিণ অক্ষাংশ।


আঞ্চলিক:-কানাডার উত্তরাংশ, গ্রিনল্যান্ড, সুমেরু মহাসাগর।

বার্ষিক গড় উষ্ণতা :-12° সে এর নীচে।


উষ্ণতার প্রসর:-28-30° সে।


বার্ষিক বৃষ্টিপাত:-5-25 সেমি।

শীতকাল দীর্ঘস্থায়ী, গ্রীষ্মকাল স্বল্পস্থায়ী।

তাপমাত্রা 7-8 মাস হিমাঙ্কের নিচে থাকে।

https://www.google.com/search?safe=active&q=%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE+%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81#imgrc=iWa-nE38736UeM

উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের লেখচিত্রের সাহায‍্যে জলবায়ু ও গোলার্ধ শনাক্তকরণ:-

আর্দ্র নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল(wet equatorial climate):-

 

 স্থান:-(সিঙ্গাপুর,এশিয়া) অক্ষাংশ:-1°36′ উত্তর ।দ্রাঘিমা :130°45′ পূর্ব।

মাসের নাম:

জানু

ফেব্রু

মার্চ

এপ্রি

মে

জুন

জুলা

আগ

সেপ্টে

অক্টো

নভে

ডিসে

উষ্ণতা(সেলসিয়াস)

26.7

27.3

27.7

28.5

28.2

28.1

27.7

27.6

27.5

27.5

27.1

26.6

বৃষ্টিপাত(সেন্টিমিটার)

24.2

16.3

18.4

17.8

17.1

16.2

15.8

17.6

16.9

19.3

25.5

24.1

 

গোলার্ধের সংস্করণ:-উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের তথ‍্য ও লেখচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায় এখানে প্রতিমাসের গড় উষ্ণতা প্রায় সমান।বার্ষিক উষ্ণতা 1.9° সে।সারাবছর বৃষ্টিপাত হয়। এই অঞ্চলটি নিরক্ষীয় অঞ্চলে অবস্থিত।নিরক্ষরেখা বরাবর কোনো সৃথানের গোলার্ধ নির্ণয় করা কঠিন,তাই গোলার্ধ নির্ণয় করা যাবে না।

 

জলবায়ুর শনাক্তকরণ:-এখানে বার্ষিক উষ্ণতার প্রসার খুব কম।সারাবছর গড়  উষ্ণতা এক থাকে।বছরে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।16.3 সেমির কমে এখানে বৃষ্টি হয় না।সারাবছর উষ্ণ -আর্দ্র ঋতু \বিরাজ করে তাই বলা যায় এই স্থানটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=wet+equatorial+climate+singapore&spell=1&sa=X&ved=2ahUKEwj82P_prMnwAhWTB BdcQkeECKAB6BAgBEAI

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু(Tropical monsoon climate)

স্থান:-কলকাতা(ভারত), অক্ষাংশ :-22°34′ উত্তর।দ্রাঘিমা:-88°24′ পূর্ব।

মাসের নাম

জানু

ফেব্রু 

মার্চ 

এপ্রি 

মে 

জুন 

জুলা 

আগ

সেপ্টে 

অক্টো 

নভে 

ডিসে 

উষ্ণতা(সেলসিয়াস)

19.5

22.2

27.3

30.2

30.5

30.1

28.8

28.7

28.9

27.6

23.4

20.7

বৃষ্টিপাত(সেন্টিমিটার)

1.2

2.8

3.4

5.2

13.7

29.2

33.8

33.2

25.4

12.7

2.7

0.5

 

গোলার্ধ সংস্করণ:-উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের তথ‍্য ও লেখচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায় শীতকাল অর্থাৎ জানুয়ারি ,ফ্রেব্রুয়ারী ও নভেম্বর ,ডিসেম্বর এখানে উষ্ণতা কম থাকে ।গ্রীষ্মকাল অর্থাৎ এপ্রিল -সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখানে উষ্ণতা বেশি থাকে।21 শে জুন সূর্যরশ্মি

লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং 22 শে ডিসেম্বর সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে।5-6 মাস অর্থাৎ জুন মাসের আগে ও পরে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং ডিসেম্বরের আগে ও পরে 4 মাস শীতকাল বিরাজ করে। তাহলে বোঝায় যাচ্ছে জায়গাটি উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।

জলবায়ুর শনাক্তকরণ:- এখানে শীতকালে উষ্ণতা কম থাকে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও কম থাকে।আর গ্রীষ্মকালে এর ঠিক উলটো টা হয় উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত বেশি ।মে মাসের পর সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেয়,কিন্তু বৃষ্টিপাত হয় বলে এখানে উষ্ণতা কম থাকে।তাহলে বোঝায় যাচ্ছে এই স্থানটি ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=tropical+monsoon+climate+kolkata+diagram#imgrc=6pk_vSvWMI_PfM

ক্রান্তীয় মরু জলবায়ু(Tropical Hot Desert climate)

স্থান:ফিনিক্স(মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ।অক্ষাংশ(33°27′ উত্তর)।দ্রাঘিমা:112°07 পশ্চিম

মাস

জানু

ফেব্রু

মার্চ

এপ্রি

মে

জুন

জুলা

আগ

সেপ্টে

অক্টো

নভে 

ডিসে

উষ্ণতা(সেলসিয়াস)

13.6

15.5

18.5

22.5

27.8

32.7

34.6

34.7

30.5

26.2

17.8

14.4

বৃষ্টিপাত(সেন্টিমিটার)

2.3

2.3

2.5

0.7

0.2

0

0.5

2.6

2.5

1.2

1.9

1.8

গোলার্ধ শনাক্তকরণ:-জানুয়ারী-মার্চ ও নভেম্বর -ডিসেম্বর উষ্ণতা কম অর্থাৎ শীতকাল।এপ্রিল – অক্টোবর উষ্ণতা বেশি অর্থাৎ গ্রীষ্মকাল।জুন মাসে সূর্য উত্তর গোলার্ধে লম্বভাবে কিরণ দেয় তাই এখানে গ্রীষ্মকাল ।আর ডিসেম্বরে তীর্যক ভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে ডিসেম্বর শীতকাল।অতএব স্থানটি উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।

জলবায়ু শনাক্তকরণ:-এখানে উষ্ণতা চরমভাবাপন্ন।মোট বৃষ্টিপাত 18.4 সেমি।এখানে জলবায়ু সারাবছর শুষ্ক থাকে,জুন মাস এখানে বৃষ্টিহীন।এই স্থানটি উত্তর গোলার্ধের ক্রান্তীয় উষ্ণ মরু জলবায়ুর অন্তর্গত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=tropical+hot+desert+climate+diagram+phoenix#imgrc=I3_iFVnU7sV3eM

ভুমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ু(Mediterranean climate)

স্থান:-কেপটাউন(দক্ষিণ আফ্রিকা) , অক্ষাংশ :(33°53′ দক্ষিণ), দ্রাঘিমা:(18°25′ পূর্ব)

 

মাস

জানু 

ফেব্রু 

মার্চ 

এপ্রি

মে 

জুন 

জুলা

আগ 

সেপ্টে 

অক্টো 

নভে 

ডিসে 

উষ্ণতা(সেলসিয়াস)

20.5

20.4

19.2

16.9

14.4

12.5

11.9

12.4

13.7

15.6

17.9

19.5

বৃষ্টিপাত(সেমি)

1.5

1.7

2.0

4.1

6.9

9.3

8.2

7.1

4.0

3.0

1.4

1.7

গোলার্ধ শনাক্তকরণ:-জানুয়ারি – মার্চ এবং নভেম্বর -ডিসেম্বর মাস উষ্ণতা বেশি অর্থাৎ গ্রীষ্মকাল।এপ্রিল-অক্টোবর উষ্ণতা কম তাই শীতকাল থাকে।সূর্যের পতণ কোণ সর্বাধিক থাকে দক্ষিণ গোলার্ধে জানুয়ারি-মার্চ এবং নভেম্বর- ডিসেম্বর মাসে।আর কম থাকে এপ্রিল -অক্টোবর।অর্থাৎ স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে ‌।

জলবায়ু শনাক্তকরণ:-প্রায় 5 মাস শুষ্ক গ্রীষ্মকাল এবং 7 মাস আর্দ্র শীতকাল।বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম‌।এখানকার আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির।এই স্থানটি  দক্ষিণ গোলার্ধের ভূমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ুর অন্তর্গত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=mediterranean+climate+diagram+south+africa&tbm=isch&chips=q:mediterranean+climate+diagram+south+africa,online_chips:cape+town:eWNO-utXm3M%3D&usg=AI4_-kQr8GUwqUjSgCRXmCkMULCSOqpRwg&stc=c&sa=X&ved=2ahUKEwiA88ma68rwAhU8IbcAHTRbDxsQgIoDKAJ6BAgBEA8&biw=360&bih=346&dpr=2

তুন্দ্রা জলবায়ু (tundra climate)

স্থান:-(কিরুনা)সুইডেন।অক্ষাংশ:-67°51′ উত্তর ।দ্রাঘিমা:0°20′ পূর্ব।

 

মাস

জানু

ফেব্রু 

মার্চ 

এপ্রি

মে 

জুন 

জুলা 

আগ 

সেপ্টে

অক্টো 

নভে 

ডিসে 

উষ্ণতা(সেলসিয়াস)

–13.9

–12.4

8.7

3.2

3.4

9.0

12.0

9.8

4.6

–4.4

–8.1

–11.9

বৃষ্টিপাত(সেমি)

3.0

2.5

2.5

2.7

3.4

4.8

8.6

7.4

4.9

4.7

4.1

3.4

গোলার্ধ শনাক্তকরণ:-এখানে জানুয়ারি -এপ্রিল এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর শীতকাল,উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে থাকে।মে-সেপ্টেম্বর গ্রীষ্মকাল।উত্তর গোলার্ধে মে -সেপ্টেম্বর সূর্যরশ্মি তীর্যক ভাবে পড়ে  আর জানুয়ারি – এপ্রিল ও অক্টোবর – ডিসেম্বর সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ে।অর্থাৎ এই স্থানটি উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।

জলবায়ু শনাক্তকরণ:-এখানে প্রায় 5 মাস শীতকাল এবং 7 মাস গ্রীষ্মকাল।সারাবছর বৃষ্টিপাত ঘটলেও পরিমাণ কম আর বেশি বৃষ্টিপাত গ্রীষ্মকালে হয়।অতএব এই স্থানটি তুন্দ্রা জলবায়ুর অন্তর্গত।

https://www.google.com/search?safe=active&q=tundra+climate+diagram+kiruna#imgrc=jCNHCyTnKFTGmM

MCQ SHort Questions (1 Marks)

বায়ুমণ্ডল 

বায়ুমন্ডলের ধারণা উপাদান ও স্তরবিন‍্যাস(2.1)

 

1)বায়ুমন্ডল সর্বোচ্চ বিস্তার কত?

ক)200 কিমি।

খ)800 কিমি ।

গ)10000 কিমি ।

ঘ)500 কিমি।

 

উ:-গ)10000 কিমি ।

 

2)বায়ুমন্ডলে হোমোস্ফিয়ার কোথায় অবস্থান করে?

ক)90 কিমি উর্ধ্বে।

খ)800 কিমি উর্ধ্বে।

গ)10000 কিমি উর্ধ্বে।

ঘ)20 কিমি উর্ধ্বে।

 

উ:-ক)90 কিমি উর্ধ্বে।

 

3)বায়ুমন্ডলের উপরের স্তর কোনটি?

ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

খ)মেসোস্ফিয়ার।

গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

 

4)শান্তমন্ডল কোন স্তরকে বলা হয়?

ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

খ)মেসোস্ফিয়ার।

গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

 

5)ট্রপোস্ফিয়ার দেখতে কেমন?

ক)উপবৃত্তকার।

খ)গোলাকার।

গ)চৌকো।

ঘ)আয়তকার।

 

উ:-ক)উপবৃত্তকার।

 

6)বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?

ক)20.95%

খ)30.5%

গ)50.6%

ঘ)67.4%

 

উ:-ক)20.95%।

 

7)বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ কত?

ক)0.009%

খ)0.002%

গ)0.003%

ঘ)0.004%

 

উ:-গ)0.003%

 

8)বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?

ক)78.04%

খ)30.5%

গ)50.6%

ঘ)67.4%

 

উ:-ক)78.04%

 

9)বায়ুমন্ডলে কোন গ‍্যাসীয় উপাদান বেশি মাত্রায় থাকে?

ক)অক্সিজেন

খ)নাইট্রোজেন।

গ)হাইড্রোজেন।

ঘ)কার্বন।

 

উ:-খ)নাইট্রোজেন।

 

10)ক্ষুদ্ধ মন্ডল বলা হয় কোন স্তরকে?

ক)মেসোপজ।

খ)ট্রপোপজ।

গ)মেসোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোস্ফিয়ার

 

উ:-ঘ)ট্রপোস্ফিয়ার

 

11)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার ও ট্রপোস্ফিয়ারের মধ‍্যবর্তী সীমারেখা কোনটি?

ক)মেসোপজ।

খ)ট্রপোপজ।

গ)মেসোস্ফিয়ার।

ঘ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

 

উ:-খ)ট্রপোপজ।

 

12)নীচের কোনটি নিস্ক্রিয় গ‍্যাস?

ক)নিয়ন।

খ)ক্রেপটন।

গ)আর্গন।

ঘ)রেডন।

 

উ:-গ)আর্গন।

 

13)নিরক্ষরেখার ওপরে ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত কিমি?

ক)18কিমি।

খ)12কিমি।

গ)34 কিমি।

ঘ)23 কিমি।

 

উ:-ক)18কিমি।

 

14)মুক্ত মেঘ দেখা যায় কোন স্তরে?

ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

খ)মেসোস্ফিয়ার।

গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।



15)প্রতি হাজার মিটার উষ্ণতায় ট্রপোস্ফিয়ারে কত হারে উষ্ণতা কমে?

ক)2.4℃

খ)6.4℃

গ)4.5℃

ঘ)6.7℃

 

উ:-খ)6.4℃।

 

16)ভূপৃষ্ঠ থেকে 3,500 থেকে 10,000 কিমি উচ্চতায় বায়ুমন্ডলে কোন স্তর দেখা যায়?

ক)অক্সিজেন স্তর।

খ)নাইট্রোজেন স্তর।

গ)হাইড্রোজেন স্তর।

ঘ)হিলিয়াম স্তর।

 

উ:-গ)হাইড্রোজেন স্তর।

 

17)সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মেরু অঞ্চলের ট্রপোস্ফিয়ার এর বিস্তার কত কিমি?

ক)10 কিমি।

খ)20 কিমি।

গ)9 কিমি।

ঘ)40 কিমি।

 

উ:-গ)9 কিমি।

 

18)ওজোন স্তরের প্রাধান্য কোন স্তরে দেখা যায়?

ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

খ)মেসোস্ফিয়ার।

গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

 

19)অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে কোন গ‍্যাস?

ক)ওজোন গ‍্যাস।

খ)নাইট্রোজেন।

গ)অক্সিজেন।

ঘ)হাইড্রোজেন।

 

উ:-ক)ওজোন গ‍্যাস।

 

20)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার মাঝের স্তর কোনটি?

ক)স্ট‍্যাটোপজ

খ)মেসোস্ফিয়ার।

গ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)স্ট‍্যাটোপজ

 

21)মহাকাশ থেকে আগত উল্কাপিন্ড গুলি কোন স্তরে পুড়ে ছাই হয়ে যায়?

ক)মেসোস্ফিয়ার।

খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

গ)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)মেসোস্ফিয়ার।

 

22)সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত কিমি উচ্চতায় ওজোনোস্ফিয়ার অবস্থান করে?

ক)22-40 কিমি।

 

খ)30-50 কিমি।

গ)40-50 কিমি।

ঘ)24-45 কিমি।

 

উ:-খ)30-50 কিমি।

 

23)কোন স্তর থেকে রেডিয়ো তরঙ্গ ফিরে আসে?

ক)ওজনোস্ফিয়ার।

খ)আয়নোস্ফিয়ার।

গ)ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)মেসোস্ফিয়ার।

 

উ:খ)আয়নোস্ফিয়ার।




24)মেসোপজের উষ্ণতা হল 

ক) –100℃

খ)200℃

গ)–400℃

ঘ)300℃

 

উ:-ক) –100℃

 

25)কোন স্তরে নকটিলুসেন্ট জাতীয় মেঘ দেখা যায়?

ক)ওজনোস্ফিয়ার।

খ)আয়নোস্ফিয়ার।

গ)ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)মেসোস্ফিয়ার।

 

উ:-ঘ)মেসোস্ফিয়ার।

 

26)থার্মোস্ফিয়ারের বিস্তার

ক)22-40 কিমি।

খ)30-50 কিমি।

গ)40-50 কিমি।

ঘ)750 কিমি।

 

উ:-ঘ)750 কিমি।

 

27)কোন স্তরে সমতাপ অঞ্চল দেখতে পাওয়া যায়?

ক)ওজনোস্ফিয়ার।

খ)আয়নোস্ফিয়ার।

গ)ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)থার্মোস্ফিয়ার।

 

28)কোন স্তর পৃথিবীর চৌম্বক বর্ম?

 

ক)মেসোস্ফিয়ার।

খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

গ)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।



29)বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন রঙের মেঘ দেখা যায় কেন?

ক)ধূলিকণা।

খ)বালুকণা।

গ)জলীয় বাষ্প।

ঘ)অক্সিজেন।

 

উ:-ক)ধূলিকণা।

 

30)হেটরোস্ফিয়ারের প্রথম স্তর কোনটি?

ক)ওজোন স্তর

খ)নাইট্রোজেন স্তর।

গ)অক্সিজেন স্তর।

ঘ)হাইড্রোজেন স্তর‌।

 

উ:-খ)নাইট্রোজেন স্তর।

 

31)কোন স্তরে  জেটবিমান থেকে নির্গত ধোঁয়া কুন্ডলী আকারে দেখা যায়?

ক)মেসোস্ফিয়ার।

খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

গ)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-গ)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

 

32)হেটরোস্ফিয়ারের উচ্চতম স্তর হল

ক)ওজোন স্তর

খ)নাইট্রোজেন স্তর।

গ)অক্সিজেন স্তর।

ঘ)হাইড্রোজেন স্তর‌।

 

উ:-ঘ)হাইড্রোজেন স্তর‌।

 

33)ওজন গহ্বর দেখা যায় কোন স্তরে?

ক)কুমেরুতে।

খ)সুমেরুতে।

গ)মেরু অঞ্চলে।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-ক)কুমেরুতে।

 

34)সুমেরুপ্রভা ও কুমেরুপ্রভা দেখা যায় কোন স্তরে?

ক)ওজনোস্ফিয়ার।

খ)আয়নোস্ফিয়ার।

গ)ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)থার্মোস্ফিয়ার।

 

উ:-ঘ)থার্মোস্ফিয়ার।

 

35)কে প্রথম লক্ষ্য করেন আন্টার্কটিকা অঞ্চলে ওজোন গহ্বর আছে?

ক)ফারমেন।

খ)ডেভিড

গ)অ্যারোবারো

ঘ)চেকভ।

 

উ:-ক)ফারমেন।

 

36)বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর কোনটি?

ক)মেসোস্ফিয়ার।

খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

গ)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার।

ঘ)ট্রপোপজ।

 

উ:-খ)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

 

37)কোন গ‍্যাস ওজনগহ্বর সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়?

ক)ওজোন গ‍্যাস।

খ)নাইট্রোজেন।

গ)অক্সিজেন।

ঘ)ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ।

 

উ:-ঘ)ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ।

 

38)বায়ুমন্ডলের ‘রক্ষাকবচ’ 

ক)ওজনোস্ফিয়ার।

খ)আয়নোস্ফিয়ার।

গ)ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)থার্মোস্ফিয়ার।

 

উ:-ক)ওজনোস্ফিয়ার।

 

39)কোন অঞ্চলে ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব কম?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

খ)মেরু অঞ্চলে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে।

ঘ)তুন্দ্রা অঞ্চলে।

 

উ:-ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

 

40)ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব সবথেকে বেশি কোন অঞ্চলে?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

খ)মেরু অঞ্চলে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে।

ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

উ:-ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

41)আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস 

ক)22 অক্টোবর।

খ)৫ ই জুন।

গ)22 সেপ্টেম্বর।

ঘ)16 সেপ্টেম্বর।

 

উ:-ঘ)16 সেপ্টেম্বর।

 

বায়ুমন্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন:- (2.2)   

1)সমুদ্র পৃষ্ঠের উষ্ণতা

ক)6000℃

খ)7000℃

গ)5000℃

ঘ)4000℃

 

উ:-ক)6000℃

 

2)সূর্যকিরণ পৃথিবীতে কোন তরঙ্গরূপে প্রবেশ করে?

ক)ক্ষুদ্র।

খ)মাঝারি।

গ)ভারী।

ঘ)হালকা।

 

উ:-ক)ক্ষুদ্র।

 

3)কোন অঞ্চলে ইনসোলেশনে তাপের প্রভাব বেশি পড়ে?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

খ)মেরু অঞ্চলে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে।

ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

উ:-ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

4) ইনসোলেশনে বাধাদান বেশি করে কোন ভূমি?

ক)মরুভূমি।

খ)জলাভূমি।

গ)বনভূমি।

ঘ)বরফাবৃত ভূমি।

 

উ:-ঘ)বরফাবৃত ভূমি।

 

5)বায়ুমন্ডল  প্রত‍্যক্ষভাবে কত পরিমাণ সূর্যতাপ শোষণ করে ?

ক)19%

খ)20%

গ)30%

ঘ)10%

 

উ:-ক)19%

 

6)পৃথিবীতে অ্যালবেডোর পরিমাণ কত?

ক)19%

খ)20%

গ)30%

ঘ)34%

 

উ:-ঘ)34%

 

7)অ্যালবেডোর মধ‍্যে মেঘ থেকে কত পরিমাণ সূর্যকিরণ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে যায়?

ক)19%

খ)20%

গ)25%

ঘ)34%

 

উ:-গ)25%

 

8)কার্যকরী সৌর বিকারণের মোট পরিমাণ কত?

ক)19%

খ)20%

গ)25%

ঘ)66%

 

উ:-ঘ)66%

 

9)শতকরা কত পরিমাণ  সূর্যরশ্মি মেঘপুঞ্জ  থেকে  বিচ্ছুরিত হয়?

ক)19%

খ)20%

গ)25%

ঘ)23%

 

উ:-ঘ)23%

 

10)ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় কোন পদ্ধতিতে?

ক)পরিচলন।

খ)পরিবহন।

গ)বিক্ষিপ্ত

ঘ)বিকিরণ।

 

উ:-ঘ)বিকিরণ।

 

11)আমাদের দেশে উষ্ণতা মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায‍্যে?

ক)সেলসিয়াস স্কেল।

খ)ফারেনহাইট স্কেল।

গ)ভার্নিয়ার স্কেল।

ঘ)ডায়াগ্রাম স্কেল।

 

উ:-ক)সেলসিয়াস স্কেল।

 

13)মরু অঞ্চলে উষ্ণতার প্রসার কেমন?

ক)বেশি।

খ)কম।

গ)20℃

ঘ)শূন‍্য।

 

উ:-ক)বেশি।

 

14)কোনো অঞ্চলের যদি উষ্ণতার প্রসার কম হয় তাহলে সেই অঞ্চল টি কোন জলবায়ুকে নির্দেশ করবে?

ক)নিরক্ষীয় জলবায়ু।

খ)মেরু জলবায়ু ।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ু।

ঘ)ক্রান্তীয় জলবায়ু।

 

উ:-ক)নিরক্ষীয় জলবায়ু।

 

15)বৈপরিত‍্য উষ্ণতা কোথায় দেখা যায়?

ক)পার্বত‍্য উপত‍্যকায়।

খ)মরুভূমি।

গ)বায়ুমন্ডলে।

ঘ)সমভূমিতে‌।

 

উ:-ক)পার্বত‍্য উপত‍্যকায়।

 

16)মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোতে বরফ পড়ে কেন?

ক)জলীয় বাষ্পের আধিক‍্যে‌।

খ)উচ্চতার কারণে।

গ)জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টনের পার্থক‍্য।

ঘ)অক্ষাংশ গত কারণে।

 

উ:-গ)জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টনের পার্থক‍্য।

 

17)হিমালয়ের দক্ষিণ ঢাল উত্তপ্ত হয় কেন?

ক)ভূমির ঢালের পার্থক‍্যে।

খ)উচ্চতার কারণে।

গ)জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টনের পার্থক‍্য।

ঘ)অক্ষাংশ গত কারণে।

 

উ:-ক)ভূমির ঢালের পার্থক‍্যে।

 

18)কোন অঞ্চল হিট কুয়েটার নামে অভিহিত?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলকে।

খ)মেরু অঞ্চলকে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলকে।

ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলকে

 

উ:-ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলকে।

 

19)তাপের অনুভূমিক বন্টন কেন হয়?

ক)ভূমির ঢালের পার্থক‍্যে।

খ)উচ্চতার কারণে।

গ)জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টনে।

ঘ)অক্ষাংশ গত কারণে।

 

উ:-গ)জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টনে।

 

20)কোন গ‍্যাস বিশ্ব উষ্ণায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করে?

ক)ক্লোরোফ্লুরো কার্বন।

খ)কার্বন ডাই অক্সাইড।

গ)মিথেন।

ঘ)হিলিয়াম।

 

উ:-খ)কার্বন ডাই অক্সাইড।

 

21)কাকে হ‍্যাডলি কক্ষ বলা হয়?

ক)30°–20° অক্ষাংশকে।

খ)0°–30° অক্ষাংশকে।

গ)30°–40° অক্ষাংশকে।

ঘ)30°–50° অক্ষাংশকে।

 

উ:-খ)0°–30° অক্ষাংশকে।

 

22)পৃথিবীর উত্তাপ বৈষম‍্যের জন‍্য দায়ী কে?

ক)এল নিনোর প্রভাবে।

খ)ওজোন স্তর ধ্বংসে।

গ)বিশ্ব উষ্ণায়নে।

ঘ)প্রবল তাপ বিকিরণে।

উ:-খ)ওজোন স্তর ধ্বংসে।

 

23)নীচের কোন গ‍্যাসটি CFC গ‍্যাসের মধ‍্যে পরে?

ক)হ‍্যালন।

খ)ক্রেপটন।

গ)রেডন।

ঘ)জেনন।

 

উ:-ক)হ‍্যালন।

24)ধান জমি চাষ করার ফলে উৎপন্ন হয় কোন গ‍্যাস?

ক)মিথেন।

খ)অক্সিজেন।

গ)কার্বন।

ঘ)নাইট্রোজেন।

 

উ:-ক)মিথেন।

 

25)একই গড় উষ্ণতা বিশিষ্ট স্থান গুলিকে কোন রেখা দ্বারা যোগ করা হয়?

ক)সমচাপরেখা।

খ)সমতাপ রেখা।

গ)সমোষ্ণরেখা 

ঘ)সমবর্ষনরেখা।

 

উ:-গ)সমোষ্ণরেখা

 

26)উষ্ণমন্ডল কোন অক্ষাংশে অবস্থিত?

ক)30°–20° অক্ষাংশে।

খ)0°–30° অক্ষাংশে।

গ)30°–40° অক্ষাংশে।

ঘ)30°–50° অক্ষাংশে।

 

উ:-খ)0°–30° অক্ষাংশে।

 

27)30° – 66°30′ দক্ষিণ অক্ষাংশের মাঝে কোন তাপবলয় অবস্থিত?

ক)দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল।

খ)উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল।

গ)হিমমন্ডল 

ঘ)উষ্ণমন্ডল।

 

উ:-ক)দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল।

 

28)এল নিনোর প্রভাবে আটকামা মরুভূমিতে কত সেমি বৃষ্টিপাত হয়?

ক)300-400

খ)500-600

গ)700-800

ঘ)800-900

 

উ:-ক)300-400

 

29)কোন মাস দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণতম মাস?

ক)মার্চ‌

খ)জানুয়ারি।

গ)জুলাই।

ঘ)জুন।

 

উ:-খ)জানুয়ারি।

 

30)কোন মহাসাগরে এলনিনোর পরিমাণ সর্বাধিক?

ক)দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।

খ)আরব সাগরে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরে।

ঘ)লোহিত সাগরে।

 

উ:-ক)দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।



বায়ুর চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ(2.3)

 

1)সমুদ্রপৃষ্টে বায়ুর চাপ কত মিলিবার?

ক)1013.25 মিলিবার।

খ)2013.56 মিলিবার।

গ)1029.34 মিলিবার।

ঘ)1234.56 মিলিবার।

উ:-ক)1013.25 মিলিবার।

 

2)ব্যারোমিটারে পারদের সূচক নেমে গেলে কী ঘটে?

ক)প্রতীপ ঘূর্ণবাত।

খ)ঘূর্ণবাত।

গ)বৃষ্টি।

ঘ)বন‍্যা।

 

উ:-খ)ঘূর্ণবাত।

 

3)বায়ুর আদ্রতা মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায‍্যে?

ক)হাইগ্রোমিটার।

খ)ব্যারোমিটার।

গ)রেনগজ।

ঘ)থার্মোমিটার।

 

উ:-ক)হাইগ্রোমিটার।

 

4)পৃথিবীতে সমচাপমানের স্থানগুলিকে কোন কাল্পনিক রেখার দ্বারা যোগ করা হয়?

ক)সমচাপ রেখা।

খ)সমবায়ু রেখা।

গ)সমোন্নতি রেখা।

ঘ)বিষুব রেখা।

 

উ:-ক)সমচাপ রেখা।

 

5)পৃথিবীর চাপবলয় কয়টি?

ক)3টি।

খ)৯টি।

গ)২ টি।

ঘ)১ টি।

 

উ:-গ)২ টি।

 

6)কোন অঞ্চলে নিম্নচাপবলয় লক্ষ‍্য করা যায়?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

খ)মেরু অঞ্চলে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে।

ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

উ:-ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

 

7)আয়ন বায়ু উত্তর গোলার্ধে কোন দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়?

ক)দক্ষিণ -পূর্ব দিক।

খ)পূর্ব -পশ্চিম দিক।

গ)উত্তর -পূর্ব দিক।

ঘ)দক্ষিণ দিক।

 

উ:-গ)উত্তর -পূর্ব দিক।

 

8)কোন বায়ুকে বাণিজ‍্য বলা হয়?

ক)আয়ন বায়ু।

খ)নিয়ত বায়ু।

গ)মেরু বায়ু।

ঘ)পশ্চিমা বায়ু।

 

উ:-ক)আয়ন বায়ু।

 

9)মকরীয় উচ্চচাপবলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয় কোন বায়ু?

ক)উত্তর -পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু।

খ)উত্তর- পশ্চিম নিয়ত বায়ু।

গ)উত্তর – পশ্চিম মেরু বায়ু।

ঘ)উত্তর – পশ্চিম আয়ন বায়ু।

 

উ:-ক)উত্তর -পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু।

 

10)কোন বায়ুর প্রভাবে ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে শীতকালীন বৃষ্টিপাত হয়?

ক)আয়ন বায়ু।

খ)নিয়ত বায়ু।

গ)মেরু বায়ু।

ঘ)পশ্চিমা বায়ু।

 

উ,:-ঘ)পশ্চিমা বায়ু।

 

11)নিরক্ষীয় অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে বায়ুর চাপ কেমন?

ক)বেশি।

খ)কম।

গ)মাঝামাঝি।

ঘ)খুবই কম।

 

উ:-ক)বেশি।

 

12)একটি সাময়িক বায়ুর উদাহরণ?

ক)মেরু বায়ু।

খ)স্থলবায়ু।

গ)নিয়ত বায়ু।

ঘ)চিনুক।

 

উ:-খ)স্থলবায়ু।

 

13)আল্পস পর্বতের উত্তর দিকের ঢালে প্রবাহিত হয় কোন বায়ু?

ক)মেরু বায়ু।

খ)স্থলবায়ু।

গ)নিয়ত বায়ু।

ঘ)ফন।

 

উ:-ঘ)ফন।

 

14)নীচের কোনটি সাময়িক বায়ু?

ক)স্থল বায়ু ও সমুদ্র বায়ু।

খ)সমুদ্র বায়ু ও নাতিশীতোষ্ণ বায়ু।

গ)আয়ন বায়ু ও মেরু বায়ু।

ঘ)স্থানীয় বায়ু ও স্থলবায়ু।

 

উ:-ক)স্থল বায়ু ও সমুদ্র বায়ু।

 

15)কোন পার্বত‍্য অঞ্চলে ফন বায়ু প্রবাহিত হয়?

ক)আল্পস।

খ)হিমালয়।

গ)আন্দিজ।

ঘ)রকি।

 

উ:-ক)আল্পস।

 

16)কোন পার্বত‍্য অঞ্চলে চিনুক বায়ু প্রবাহিত হয়?

ক)আল্পস।

খ)হিমালয়।

গ)আন্দিজ।

ঘ)রকি।

 

উ:-ঘ)রকি।

 

17)লু কখন প্রবাহিত হয়?

ক)মার্চ -এপ্রিল।

খ)জুন -জুলাই।

গ)সেপ্টেম্বর-অক্টোবর।

ঘ)নভেম্বর – ডিসেম্বর।

 

উ:-ক)মার্চ -এপ্রিল।

 

18)নীচের কোন ঝড় সবথেকে বিধ্বংসী ?

ক)হ‍্যারিকেন।

খ)টর্নেডো।

গ)টাইফুন।

ঘ)সাইক্লোন‌।

 

উ:-খ)টর্নেডো।

 

19)ঘূর্ণবাতের ক্ষেত্রে বায়ু কোন দিকে মুখ করে উত্তর গোলার্ধে প্রবাহিত হয়?

ক)পূর্ব দিকে।

খ)ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

গ)দক্ষিণ দিকে।

ঘ)উত্তর-পূর্ব দিকে।

 

উ:-খ)ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

 

20)নীচের কোনটি জেটবায়ুর তরঙ্গ?

ক)ডালটন।

খ)রসবি।

গ)ফলেন।

ঘ)জেমস।

 

উ:-খ)রসবি।

 

21)চীন সাগরে যে ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?

ক)হ্যারিকেন।

খ)টর্নেডো।

গ)টাইফুন।

ঘ)সাইক্লোন‌।

 

উ:-গ)টাইফুন।

 

22)ফাইলিন ঘূর্ণিঝড় 2013 তে দেখা গিয়েছিল।এই ঝড়ে কোন রাজ‍্য বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল?

ক)পশ্চিমবঙ্গ।

খ)ওড়িশা।

গ)অন্ধ্রপ্রদেশ।

ঘ) মধ্যপ্রদেশ।

 

উ:-গ)অন্ধ্রপ্রদেশ।

 

23)কালাহারি ও সাহারা মরুভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত?

ক)ক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চলে।

খ)ক্রান্তীয় নিম্নচাপ অঞ্চলে।

গ)নিরক্ষীয় উচ্চচাপ অঞ্চলে।

ঘ)নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলে।

 

উ:-ক)ক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চলে।

 

24)পৃথিবীর আবর্তনের কারণে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তার উপর কাজ করে কোন শক্তি?

ক)ফেরেল শক্তি।

খ)কেন্দ্রাতিগ শক্তি।

গ) কোরিয়োলিস শক্তি।

ঘ)মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।

 

উ:-গ) কোরিয়োলিস শক্তি।

 

25)নীচের কোনটি সাময়িক বায়ু?

ক)মেরু বায়ু।

খ)স্থলবায়ু।

গ)নিয়ত বায়ু।

ঘ)মৌসুমী বায়ু।

 

উ:-ঘ)মৌসুমী বায়ু।

 

26)কোন বায়ুর অপর নাম তুষার ভক্ষক?

ক)মেরু বায়ু।

খ)স্থলবায়ু।

গ)লু বায়ু।

ঘ)চিনুক।

 

উ:-ঘ)চিনুক।

 

27)কোন স্তরের মধ‍্য দিয়ে জেট বায়ু প্রবাহিত হয়?

ক)উর্ধ্ব ওজনোস্ফিয়ার।

খ)উর্ধ্ব আয়নোস্ফিয়ার।

গ)উর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ার।

ঘ)উর্ধ্ব থার্মোস্ফিয়ার।

 

উ:-গ)উর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ার।

 

28)কোন অঞ্চলে ডোলড্রাম দেখা যায়?

ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

খ)মেরু অঞ্চলে।

গ)ভূমধ‍্যসাগরীয় অঞ্চলে।

ঘ)ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

 

উ:-ক)নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

 

29)ক‍্যারিবায়ান সাগরে যে ঘূর্ণিঝড় দেখা যায় তার নাম কী?

ক)হ্যারিকেন।

খ)টর্নেডো।

গ)টাইফুন।

ঘ)সাইক্লোন।

 

উ:-ক)হ্যারিকেন।

 

30)সাহসি পশ্চিমা বায়ু কোন গোলার্ধে প্রবাহিত হয়?

ক)উত্তর গোলার্ধে।

খ)উত্তর পূর্ব গোলার্ধে।

গ)দক্ষিণ গোলার্ধে।

ঘ)উত্তর দক্ষিণ গোলার্ধে।

 

উ:-গ)দক্ষিণ গোলার্ধে।

 

31)কোন সূত্র অনুসারে বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়?

ক)প্রতিসরণ সূত্র।

খ)ফেরেল সূত্র।

গ)ফোর্টিন সূত্র।

ঘ)ব্যালট সূত্র।

 

উ:-খ)ফেরেল সূত্র।

 

আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ 

 

1)সূর্য বা চাঁদের আশেপাশে বলয়ের মত একটা মেঘ ভেসে বেড়ায় তাকে কী বলে?

ক)সিরোস্ট্রাটাস।

খ)কিউমুলোনিম্বাস।

গ)কিউটিকল।

ঘ)অল্টোস্ট্রাটাস।

 

উ:-ক)সিরোস্ট্রাটাস।

 

2)কোন মেঘের আকাশকে Mackerel sky নামে চিহ্নিত করা হয়?

ক)অল্টোস্ট্রাটাস।

খ)সিরোকিউমুলাস।

গ)কিউমুলোনিম্বাস।

ঘ)সিরোস্ট্রাটাস।

 

উ:-খ)সিরোকিউমুলাস।

 

3)কোন মেঘ নিম্ন উচ্চতাবিশিষ্ট?

ক)সিরোস্ট্রাটাস।

খ)কিউমুলোনিম্বাস।

গ)স্ট্র‍্যাটাস।

ঘ)সিরোকিউমুলাস।

 

উ:-গ)স্ট্র‍্যাটাস।

 

4)শরৎকালে বাংলাদেশে কী রকম  বৃষ্টিপাত দেখা যায়?

ক)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবৃষ্টি।

খ)শিলাবৃষ্টি।

গ)ঘূর্ণবাত বৃষ্টি।

ঘ)পরিচলন বৃষ্টি।

 

উ:-ঘ)পরিচলন বৃষ্টি।

 

5)চেরাপুঞ্জিতে কীরকম বৃষ্টিপাত হয়?

ক)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবৃষ্টি।

খ)শিলাবৃষ্টি।

গ)ঘূর্ণবাত বৃষ্টি।

ঘ)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি।

 

উ:-ঘ)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি।

 

6)কোনটি অধঃক্ষেপণ নয় ?

ক)শিশির।

খ)বৃষ্টি।

গ)ঝড়।

ঘ)রোদ।

 

উ:-ক)শিশির।

 

7)শীতকালে মধ‍্য অক্ষাংশে কীরকম বৃষ্টিপাত হয়?

ক) নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণ বৃষ্টি।

খ)শিলাবৃষ্টি।

গ)ঘূর্ণবাত বৃষ্টি।

ঘ)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি।

 

উ:-ক)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবৃষ্টি।

 

8)পশ্চিমবঙ্গে শিলাবৃষ্টির আগমন কোন ঋতুতে?

ক)গ্রীষ্মের প্রথম ভাগে।

খ)শরৎকালে।

গ)বর্ষাকালে।

ঘ)হেমন্তকালে।

 

উ:-ক)গ্রীষ্মের প্রথম ভাগে।

 

9)কোন জায়গায় পরিচলন বৃষ্টিপাত সারাবছর হয়?

ক)ভারত।

খ)ইন্দোনেশিয়া।

গ)পাকিস্তান।

ঘ)মায়ানমার।

 

উ:-খ)ইন্দোনেশিয়া।

 

10)বায়ুর চরম আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতার কী রকম পরিবর্তন হয়?

ক)কমে।

খ)বাড়ে।

গ)একই থাকে।

ঘ)পাল্টে যায়।

 

উ:-খ)বাড়ে।

 

11)CGS পদ্ধতিতে লীনতাপের একক কোনটি?

ক)ক্যালরি / গ্রাম।

খ)ক্যালরি /মিটার।

গ)ক্যালরি/সেন্টিমিটার।

ঘ)ক‍্যালরি/ডেসিমিটার।

 

উ:-ক)ক্যালরি / গ্রাম।

 

13)কোন  জলবায়ু অঞ্চলে উষ্ণতার প্রসার দেখা যায়?

ক)তুন্দ্রা।

খ)স্তেপ।

গ)মরু।

ঘ)ভূমধ‍্যসাগরীয়।

 

উ:-গ)মরু।

 

14)কোন জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালীন বৃষ্টিপাত দেখা যায়?

ক)তুন্দ্রা।

খ)স্তেপ।

গ)মরু।

ঘ)ভূমধ‍্যসাগরীয়।

 

উ:-ঘ)ভূমধ‍্যসাগরীয়।

 

15)স্টেপ জলবায়ু কোন দেশে দেখা যায়?

ক)ভারত।

খ)ইউক্রেন।

গ)পাকিস্তান।

ঘ)মায়ানমার।

 

উ:-খ)ইউক্রেন।

 

16)কোন বৃষ্টিকে সীমান্ত বৃষ্টি বলা হয়?

ক)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণ বৃষ্টি।

খ)শিলাবৃষ্টি।

গ)ঘূর্ণবাত বৃষ্টি।

ঘ)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি।

 

উ:-ক)নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণ বৃষ্টি।

 

17)দূষণের ফলে সৃষ্টি হয় কী?

ক)বৃষ্টিপাত।

খ)ধোঁয়াশা।

 

গ)শিশির।

ঘ)ঝড়।

 

উ:-খ)ধোঁয়াশা।

 

18)নীচের কোন জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন হয় না?

ক)তুন্দ্রা।

খ)স্তেপ।

গ)মরু।

ঘ)নিরক্ষীয়।

 

উ:-ঘ)নিরক্ষীয়।

 

19)জলবায়ুর শ্রেণীবিভাগ করেন কে?

ক)চেকভ।

খ)ডালটন‌।

গ)ডেভিড হেলেন।

ঘ)কোপেন।

 

উ:-ঘ)কোপেন।

 

20)বৃষ্টি কম হয় কোন জলবায়ুতে?

ক)পশ্চিম ইউরোপীয়।

খ)মরু।

গ)নাতিশীতোষ্ণ।

ঘ)ভূমধ‍্যসাগরীয়।

 

উ:-ক)পশ্চিম ইউরোপীয়।

 

21)পৃথিবীর সর্বোচ্চ গতিবেগ সম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় কোনটি?

ক)টাইফুন।

খ)আয়লা।

গ)টর্নেডো।

ঘ)হ‍্যারিকেন।

 

উ:-গ)টর্নেডো।

 

22)কোন জলবায়ু অঞ্চলের লেখচিত্র তে দেখা যায় সামান‍্য বৃষ্টিপাত ও সারাবছর উষ্ণতা বেশি।

ক)তুন্দ্রা।

খ)স্তেপ।

গ)মরু।

ঘ)ভূমধ‍্যসাগরীয়।

 

উ:-গ)মরু।

 

23)বৃষ্টিপাত যখন হয় তখন বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ কত?

ক)100%

খ)300%

4)500%

6)150%

উ:-ক)100%

24)কোন দেশে উষ্ণ ও আর্দ্র নিরক্ষীয় জলবায়ু দেখা যায়?

ক)ভারত।

খ)ইন্দোনেশিয়া।

গ)পাকিস্তান।

ঘ)মায়ানমার।

উ:-খ)ইন্দোনেশিয়া।

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Short Answers & Questions (3-4 Marks)

বায়ুমণ্ডল 

বায়ুমন্ডলের ধারণা,উপাদান ও স্তরবিন‍্যাস(2.1)

1)বায়ুমন্ডলে কার্বনডাইঅক্সাইড ___________ পরিমাণে থাকে।

উ:-0.03%

2)ক্রান্তীয় অঞ্চলে জলীয় বাষ্প __________ পরিমাণে থাকে।

উ:-4% 

3)ধূলিকণার প্রাকৃতিক উৎস হল_________।

উ:-অগ্ন‍্যুৎপাত

4)_________ থেকে প্রায় 90 কিমি পর্যন্ত বায়ুমন্ডলীয় উপাদানগুলির পরিমাণ একই থাকে।

উ:- ভূপৃষ্ঠ

5)___________হল হেটরোস্ফিয়ারের সর্বশেষ স্তর।

উ:- হাইড্রোজেন স্তর

6)বায়ুমন্ডলে সর্বাধিক আছে _________ গ‍্যাস।

উ:-নাইট্রোজেন

7)__________ হল ক্ষুদ্ধমন্ডল।

উ:-ট্রপোস্ফিয়ার

8)__________ ও ___________ এর মধ‍্যবর্তী স্তর হল স্ট্র‍্যাটোপজ।

উ:-স্ট‍্যাটোস্ফিয়ার ,মেসোস্ফিয়ার

9)___________উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে উত্তাপ কমে যাওয়াকে বলে উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার।

উ:-ট্রপোস্ফিয়ারে

10)1 কিমি উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে ট্রপোস্ফিয়ারে উষ্ণতা ________℃ হারে হ্রাস পায়।

উ:-6.4

11)স্ট‍্যাটোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমা__________‌।

উ:-স্ট্র‍্যাটোপজ।

12)সুমেরুতে ____________ দেখা যায়।

উ:-অরোরা বোরিয়োলিস।

13)_________ স্তর পৃথিবীতে অতিবেগুনী রশ্মি আসতে দেয়না।

উ:-ওজোন।

14)এক্সোস্ফিয়ারের নিম্নসীমা __________।

উ:-এক্সোবেস 

15)500 কিমি উচ্চতায় মোসোস্ফিয়ারের উষ্ণতা ____________।

উ:-1200℃

16)এক্সোস্ফিয়ারের বিস্তৃতি ___________।

উ:-750

17)ঝড়,বৃষ্টি,মেঘ দেখা যায়____________।

উ:-ট্রপোস্ফিয়ার 

18)দ্রুতগামী জেটপ্লেন চলে _____________।

উ:-স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

19)ট্রপোপজের তাপমাত্রা মধ‍্য অক্ষাংশে ___________।

উ:- –57℃ 

20)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারকে ___________ বলা হয়।

উ:-শান্তমন্ডল।

21)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ারে অবস্থান করে_________।

উ:-ম‍্যাগনেটোপজ  

22)ওজোনগ‍্যাসের ধ্বংসপ্রক্রিয়া __________প্রক্রিয়া।

উ:-ভৌত রাসায়নিক প্রক্রিয়া

23)ওজন গ‍্যাসের উৎপত্তি ________কিমি উচ্চতায়।

উ:-12–15

24)আন্টার্কটিকায় ওজনগহ্বর আবিষ্কার হয়_________।

উ:-1985

25)আন্টার্কটিকায় ওজনগহ্বর সৃষ্টিতে সাহায‍্য করে ___________অণু।

উ:-ক্লোরিন অণু

26)ওজন গ‍্যাস পরিমাপের একক_________।

উ:- ডবসন।

27)রেফ্রিজারেটার থেকে __________ গ‍্যাস নির্গত  হয়ে __________ স্তর ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

উ:- CFC, ওজোন

28)__________ চুক্তির দ্বারা সারাবিশ্বে  CFC এর ব‍্যবহার কমানো হয়।

উ:-মন্ট্রিল প্রোটোকল

29) ___________ মন্টিকল প্রোটোকল অনুষ্ঠিত হয়।

উ:- 1987 খ্রিস্টাব্দে।

30)ট্রপোস্ফিয়ারের মধ‍্য দিয়ে ___________ বায়ু প্রবাহিত হয়।

উ:-জেট।

বায়ুমন্ডলের তাপ,উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন (2.2)

1)পৃথিবীতে সৌর ধ্রুবকের থাকে __________ পরিমাণে ।

উ:-1.94 

2)যে পরিমাণ সূযরশ্মি ___________ ও ________ কে উত্তপ্ত করে তাকে কার্যকরী সৌরবিকিরণ বলা হয়।

উ:-পৃথিবী, বায়ুমন্ডল

3)পৃথিবীতে _____________ কার্যকরী সৌরবিকিরণ।

উ:-66%

4)বায়ুমন্ডলে তাপের প্রধান উৎস হল _________।

উ:-সূর্য

5)যে পদ্ধতিতে উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ কেন্দ্রের মধ‍্যে বায়ু আদান – প্রদান করে তাকে বলা হয় ___________ পদ্ধতি।

উ:- পরিচলন

6)____________ বায়ু বৈপরিত‍্য উষ্ণতা সৃষ্টিতে সাহায‍্য করে।

উ:- ক‍্যাটাবেটিক

7)প্রতি সেকেন্ডে ___________ কিমি বেগে সৌরশক্তি ক্ষুদ্রতরঙ্গরূপে পৃথিবীর দিকে আসে।

উ:-3,00,000

8)পৃথিবীর মোট উত্তাপ যদি সমপরিমাণ হয় তাকে ____________ বলে।

উ:-উত্তাপের সমতা 

9)___________ থেকে  __________ পর্যন্ত অঞ্চল  উত্তর হিমমন্ডল।

উ:- সুমেরুবৃত্ত ,সুমেরুবিন্দু

10)___________ অঙ্কন করার সময় ________ ধরা হয় না।

উ:-সমোষ্ণ রেখা প্রকৃত উষ্ণতা 

11)উভয় গোলার্ধে  সমোষ্ণরেখাগুলি _________ এর সমান্তরালে বিস্তৃত ।

উ:-অক্ষরেখা

12)ফারেনহাইট স্কেলে স্ফুটনাঙ্ক ________ ডিগ্রি।

উ:-212

13)যে সকল পদ্ধতির দ্বারা বায়ু শীতলতা ও উষ্ণতা লাভ করে তার মধ‍্যে __________ ,_________ও _________ পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উ:- বিকিরণ,পরিচলন,পরিবহন 

14)___________ হল পর্বতগাত্রের নিম্নগামী বায়ু।

উ:-ক‍্যাটাবেটিক

15)সূর্যরশ্মি মেরু অঞ্চলে ________ কোণে পড়ে।

উ,:-তির্যক 

16)পৃথিবীতে হিমমন্ডল সৃষ্টি হয় __________জন‍্য।

উ:-তির্যকভাবে সূর্যকিরণের 

17)লঘিষ্ঠ ও গরিষ্ঠ উষ্ণতাকে যোগ করে আবার দুই দিয়ে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যায় তা হল ______________।

উ:-গড় দৈনিক উষ্ণতা 

18)লঘিষ্ঠ ও গরিষ্ঠ উষ্ণতাকে বিয়োগ করে  যে বিয়োগফল পাওয়া যায় তা হল __________।

উ:-প্রসর 

19)উষ্ণতার বৈপরিত‍্যের জন‍্য নিউফাউন্ডল‍্যান্ডে _____________ হয়।

উ:-ঘনকুয়াশা 

20)___________ হল গ্রিনহাউস গ‍্যাসের প্রাকৃতিক উৎস।

উ:-দাবানল 

21)_____________ হল গ্রিনহাউস গ‍্যাসের মনুষ‍্যসৃষ্ট উৎস।

উ:-পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা 

22)____________ জন‍্য সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং ___________ অর্ধেক অংশ জলে ডুবে যায়।

উ:-গ্রিনহাউস,বাংলাদেশের 

23)___________ প্রভাবে ভারতবর্ষ থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে জলবায়ুর পরিবর্তনে যে চক্র কাজ করে তাকে ওয়াকার সারকুলেশান বলে।

উ:-এলনিনোর 

24)__________ এল নিনো দেখা যায়।

উ:-প্রশান্ত মহাসাগর 

25)___________ মরুভূমিতে এলনিনোর জন‍্য বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

উ:- আটাকামা 

26)বায়ুমন্ডলে __________ গ‍্যাস নির্গত হয় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ব‍্যবহারের ফলে।

উ:-CFC

বায়ুর চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ: (2.3)   

1)__________ এককে মিলিবার মাপা হয়।

উ:-মিলিবার 

2)বায়ু ও সমুদ্রস্রোত বেঁকে যায় ________ বলের প্রভাবে।

উ:-কোরিয়োলিস 

3)___________ হল মানচিত্রে সমান উষ্ণতার রেখা।

উ:-সমোষ্ণরেখা 

4)____________ স্থান পরিবর্তন হয় সূর্যের উত্তর ও দক্ষিণায়নের জন‍্য।

উ:-চাপবলয়ের 

5)প‍্যাটাগোনিয়া  মরুভূমি সৃষ্টির জন‍্য দায়ী ____________।

উ:-পশ্চিমা বায়ু 

6)নিরক্ষরেখা বরাবর বিপরীতমুখী বায়ুস্রোত লক্ষ‍্য করা যায় একে বলে ___________।

উ:- পূবালী জেট বায়ু 

7)25° –30° অক্ষাংশ হল _______ অক্ষাংশ।

উ:-অশ্ব অক্ষাংশ 

8)নিরক্ষরেখা বরাবর ________ দেখা যায়।

 উ:-ডোলড্রাম।

9)____________ অক্ষাংশের মধ‍্যে ফেরেল কক্ষ অবস্থিত।

উ:- 30°–60° আয়ন

10)________ জন‍্য নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর বায়ু বিক্ষিপ্ত হয়।

উ:-আবর্তন গতি 

11)মৌসুমী বায়ুর শেষ সীমাকে নির্দেশ করে ____________।

উ:-নর্দান লিমিট অব মনসুন 

12)দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পূর্ব আয়নবায়ুর  মিলন কে __________ বলা হয়।

 উ:-ITCZ 

13)____________ সমুদ্র বায়ু বয়ে যায়।

উ:-দিনের বেলায়  

14)_________ শব্দের অর্থ তুষারভক্ষক।

উ:- চিনুক 

15)60° ___________ বরাবর তীক্ষ্ণ শব্দে প্রবাহিত  পশ্চিমা বায়ুকে তীক্ষ্ণ চীৎকার কারী ষাট বলা হয়।

উ:-দক্ষিণ অক্ষরেখা 

16)মহাদেশের পশ্চিমে যে মরুভূমি গুলি গড়ে উঠেছে তার জন‍্য দায়ী __________ বায়ু।

উ:- আয়ন

17)_________ হল দক্ষিণ চিনসাগরের আকষ্মিক বায়ু।

উ:-টাইফুন 

18)বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় হল __________।

উ:-টর্নেডো 

19)স্থলভাগে ঝড়ের গতি কমে যায় _______ জন‍্য।

উ:- ঘর্ষণ 

20)ক্রোধোমত্ত পঞ্চাশ দেখা যায় __________ দক্ষিণ অক্ষাংশে।

উ:- 50°

আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ   (2.4)

1)বায়ু যে তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত হয় ,সেটা হল ওই বায়ুর ______________।

উ:-শিশিরাঙ্ক 

2)জলীয় বাষ্প যখন জলকণায় পরিণত হয় সেটাকে ____________ বলা হয়।

উ:-ঘনীভবন 

3)জল যখন বাষ্পে পরিণত হয় তখন তাকে __________ বলে।

উ:-বাষ্পীভবন 

4)চেরাপুঞ্জি তে গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত __________ মিমি।

উ:-11,777 মিমি 

5)___________ ঢালে লি স্রোত দেখা যায়।

উ:-অনুবাত 

6)গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাতে জলকণার ব‍্যাসের পরিমাণ ___________।

উ:-0.5 

7)____________ উচ্চতার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও জলবায়ুর পরিবর্তন হয়।

উ:-ভূমির

8)পৃথিবীর মোট আয়তনের 31% _________ দ্বারা আবৃত।

 উ:-স্বাভাবিক উদ্ভিদ 

9)যে সব উদ্ভিদ আলোর অভাবে অন্ধকারে জন্মগ্রহণ করে তাকে __________ বলে।

উ:-স্টিয়োফাইট বা আলোক -বিদ্বেষী উদ্ভিদ 

10)কোনো জায়গায় যদি বছরে 40-100 সেমি বৃষ্টিপাত হয় তাহল সেখানে __________ উদ্ভিদ জন্মায়।

উ:-পর্ণমোচী 

11)___________ তৃণভূমিতে এলিফ‍্যান্ট গ্র‍্যাস দেখা যায়।

উ:-সাভানা

12)__________অরণ‍্যে চন্দন গাছ পাওয়া যায়।

 উ:-মৌসুমী  

13)_____________ জলবায়ু অঞ্চলে স্নোমোবাইল দেখা যায়।

উ:-তুন্দ্রা 

14)____________ উদ্ভিদ জন্মায় জলসিক্ত মৃত্তিকায়।

উ:-মেসোফাইট 

15)__________ হল পৃথিবীর সবথেকে বড় তৃণভূমি।

উ:-মাসাই 

16)____________জলবায়ু অঞ্চলে কেবলমাত্র একটিই ঋতু দেখা যায়।

উ:-নিরক্ষীয় 

17)___________ বেশি ধোঁয়াশা লক্ষ‍ করা যায়।

উ:-শহরাঞ্চলে 

18)___________ থেকে ভারতের আবহাওয়া মানচিত্র প্রকাশ হয়।

উ:-পুণে 

19)____________ জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টি হয়।

উ:- ভূমধ‍্যসাগরীয় 

20)__________ ঋতুতে শিশির ও কুয়াশা বেশি লক্ষ‍ করা যায়।

উ:- শীত 

21)__________ শীত ঋতুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে।

উ:- শীত

বায়ুমন্ডল

 

বায়ুমন্ডলের ধারণা,উপাদান ও স্তরবিন‍্যাস

শুদ্ধ ও অশুদ্ধ  নির্ণয়:-

1)বায়ুমন্ডলের বিস্তার 10,000 কিমি।

উ:-শু 

 

2)বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন আছে 78%।

উ:-অ (20.90%)

 

3)মেসোস্ফিয়ারে  ভ‍্যান অ্যালেন বলয় দেখা যায়।

উ:-অ(ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ারে)

 

4)ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা বাড়লে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

উ:-অ( উষ্ণতা কমে)

 

5)ট্রপোস্ফিয়ারকে সমমন্ডল বলা হয়।

উ:- শু 

 

6)বায়ুতে ভাসমান ছোটো ছোটো ধূলিকণা অ্যারোসেল নামে পরিচিত।

উ:- শু 

 

7)মেসোস্ফিয়ার ও স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারের মাঝের অংশ ট্রপোপজ।

উ:-অ(স্ট্র‍্যাটোপজ) 

 

8)মেসোস্ফিয়ারের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা হ্রাস পায়।

উ:- শু 

 

9)টার্বোপেজ হল হেটরোস্ফিয়ার ও হেমোস্ফিয়ারের সীমারেখা।

উ:- অ(টর্বোপস) 



10)প্রাকৃতিক সৌরপর্দা হল মেসোস্ফিয়ার।

উ:- অ(ওজনোস্ফিয়ার) 

 

11)গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে প্রত‍্যক্ষভাবে ভূমিকা পালন করে জলীয় বাষ্প।

উ:- শু 

 

12) একটি গ্রিনহাউস গ‍্যাস হল ওজোন।

উ:- অ(কার্বন ডাই অক্সাইড) 

 

13)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার হল বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর।

উ:-শু 

 

14)ওজোন গ্যাসের গন্ধ পচা কলার গন্ধের মত।

উ:- অ(আঁশটে) 



15)মেরু অঞ্চলে ওজোন  স্তরে বেশি ছিদ্র দেখা যায়।

উ:- শু 

 

16)উত্তর – দক্ষিণে বিস্তৃত দেশগুলোতে অক্ষাংশের ভিত্তিতে  উষ্ণতার পার্থক্য বেশি  দেখা যায়।

উ:-শু 

 

17)কলকাতার থেকে দার্জিলিং এর উষ্ণতা কম কারণ উচ্চতা বৃদ্ধিতে উষ্ণতা কমতে থাকে।

উ:- শু 

 

18)জলের গ‍্যাসীয় অবস্থাকে জলীয় বাষ্প বলা হয়।

উ:- শু 

 

19)বায়ুমন্ডলে 50.4% নাইট্রোজেন আছে।

উ:-অ (78%)



20)সূর্যরশ্মি জলীয় বাষ্পতে বিচ্ছুরিত হয় বলেই আমরা আকাশকে নীল দেখি।

উ:- অ (ধূলিকণা)

 

21)বিষমমন্ডল বলা হয় আয়নোস্ফিয়ার কে।

উ:- অ (হেটরোস্ফিয়ার কে)

 

22)90–10000 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হেটেরোস্ফিয়ার।

উ:-শু

 

 23)বায়ুমন্ডলের রক্ষাকবচ হল ওজনোস্ফিয়ার।

:উ- শু 

 

24)800–1300 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হাইড্রোজেন স্তর।

উ:-অ (3,500-10,000)



25)ট্রপোপজ অঞ্চলে বায়ুর তাপমাত্রা 75 ℃।

উ:- অ (– 60℃)

 

26)স্ট্রাটোস্ফিয়ারের অপর নাম শান্তমন্ডল।

উ:- শু 

 

27)নকটিলুসেন্ট মেঘ মেসোস্ফিয়ারে দেখা যায়।

উ:- শু 

 

28)মেসোস্ফিয়ারের উপরের স্তর ট্রপোপজ।

উ:-অ (মেসোপজ)

 

29)বায়ুমন্ডলে উচ্চতা অনুসারে উষ্ণতা হ্রাস হওয়ার শেষ সীমা হল মেসোস্ফিয়ার।

উ:- শু 



30)বেতারতরঙ্গ প্রতিফলিত হয় ট্রপোস্ফিয়ারের মধ‍্য দিয়ে।

উ:- অ (আয়নোস্ফিয়ার)

 

31)আয়নিত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম পরমাণুর আধিক‍্য লক্ষ করা যায় ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ারে।

উ:-অ(এক্সোস্ফিয়ার) 

 

32)পৃথিবীর ‘চৌম্বক বর্ম’ হল ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার।

উ:- শু 

 

33)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ারের আনুমানিক উষ্ণতা 2000 কেলভিন ধরা হয়।

উ:- শু 

 

34)ওজোন গ‍্যাস পাওয়া যায় 170 কিমি উচ্চতা পর্যন্ত।

উ:- অ (50 কিমি)



35)সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মি থেকে প্রাণীজগৎকে রক্ষা করে অক্সিজেন।

উ:- অ(ওজোন) 

 

36)ওজোন অণুর সৃষ্টি হয় অক্সিজেন অণুর রাসায়নিক সংযোজকের মাধ‍্যমে।

উ:-শু 

 

37)সর্বাধিক পরিমাণে সূর্যালোক শোষণ করে কার্বন ডাই অক্সাইড।

উ:- শু 

 

38)ওজোনস্তরের গহ্বর দেখা যায় আন্টার্কটিকা মহাদেশের উপর।

উ:- শু 

 

39)অ্যান্টার্কটিকায় স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারে শীতকালে সামান‍্য মেঘ সঞ্চিত হয়।

উ:- শু 



40)ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর গতিবেগ 2 কিমি উচ্চতা পর্যন্ত কম থাকে।

উ:- শু 

 

41)প্রাকৃতিক সৌরপর্দা বলা হয় ওজোনস্তরকে।

উ:- শু



বায়ুমন্ডলের তাপ,উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন

1)চরমভাবাপন্ন জলবায়ু দেখা যায় স্তেপ তৃণাঞ্চলে।

উ:-শু 

 

2)নিউফাউন্ডল‍্যান্ডে উষ্ণ ল‍্যাব্রাডার স্রোতের জন‍্য মগ্নচড়া গঠিত হয়েছে।

উ:- অ (শীতল স্রোত)

 

3)পৃথিবীতে একক সমপরিমাণ জায়গায় সূর্যরশ্মি পতিত হয় একে সৌরধ্রুবক বলা হয়।

উ:- শু 

4)সৌর ধ্রুবক হিসাবে প্রধান ভূমিকা পালন করে লম্বরশ্মি।

উ:- শু 

 

5)অ্যাসিড বৃষ্টি বেশি ঘটে নগরায়নের জন‍্য।

উ:- শু 

 

6)বায়ুর গতিবেগ জানা যায় সিক্সের থার্মোমিটার দিয়ে।

উ:- অ(বায়ুর উষ্ণতা)

 

7)গ্রিন হাউস প্রভাবের জন‍্য তাপের সমতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

উ:-শু

 

 8)তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকে সকালবেলা‌।

উ:- অ (রাত্রিবেলা)



9)তাপের সমতা বজায় রাখে জলভাগ ও স্থলভাগের বন্টন।

উ:-অ(তাপের তারতম‍্য ঘটায়) 

 

10)বৈপরিত‍্য উষ্ণতা মরুভূমিতে দেখা যায়।

উ:-অ(পার্বত‍্য অঞ্চলে) 

 

11)তাপমন্ডলকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।

উ:- শু 

 

12)তাপীয় ঢাল বেশি হয় যখন সমোষ্ণরেখাগুলি গায়ে গায়ে থাকে।

উ:- শু 

 

13)আহ্নিক গতির জন‍্য পৃথিবীতে তাপের অনুভূমিক বন্টন হয়।

উ:- শু 



14)মেরু অঞ্চলের বরফ দ্রুত গলার কারণ হল বিশ্ব উষ্ণায়ন।

উ:- শু 

 

15)এল নিনোর বিপরীত অবস্থা হল লা নিনো।

উ:- শু 

 

16)এল নিনোর প্রভাব বেশি দেখা যায় পেরু চিলি সমুদ্রে।

উ:- শু 

 

17)এল নিনোর অর্থ হল তুষার ভক্ষক।

উ:- অ (দূরন্ত বালক বা যিশুখ্রীষ্ট)



18)নিম্নচাপ থেকে উচ্চচাপের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়।

উ:- অ (উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ)

 

19)ভার্নিয়ার স্কেল ও মেন স্কেল এই দুটি ব‍্যারোমিটারে দেখা যায়।

উ:- শু 

 

20)মূল স্কেলের ক্ষুদ্রতম অংশ ও ভার্নিয়ার স্কেলের পাঠ সংখ‍্যা যেখানে মিলিত হয় তাকে বলা হয় ভার্নিয়ার স্থিরাঙ্ক।

উ:- শু



বায়ুর চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ

1)বায়ুর চাপবলয়ের একক হল মিলিবার।

উ:-শু 

 

2)পৃথিবীতে মোট 10 টি তাপবলয় আছে।

উ:-অ (7টি)



3)আয়ন বায়ুর অপর নাম বাণিজ‍্য বায়ু।

উ:-শু 

 

4)উত্তর অক্ষাংশে আয়ন বায়ুর গতিবেগ বেশি।

উ:-অ(দক্ষিণ গোলার্ধে)

 

5)35° উত্তর অক্ষাংশকে অশ্ব অক্ষাংশ বলা হয়।

 উ:- শু 

 

6)70° দক্ষিণ অক্ষাংশকে গর্জনশীল চল্লিশা বলা হয়।

উ:- অ (40°)

 

7)ব‍্যালাট সূত্র উপস্থাপিত হয় 1857 খ্রীস্টাব্দে।

উ:-শু 



8)বায়ু যে দিক দিয়ে বয়ে যায় সেই দিকের উপর ভিত্তি করে নামকরণ হয়।

উ:- শু 

 

9)ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডানদিক থেকে বেঁকে প্রবাহিত হয় ।

উ:- শু 

 

10) মরুভূমির সৃষ্টি হয় আয়নবায়ুর প্রবাহপথে।

উ:- শু 

 

11)অনুভূমিক বায়ু চলাচল হয় না বলে অশ্ব অক্ষাংশে পালতোলা জাহাজ আটকে যায়।

উ:- শু 

 

12)সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ শান্তবলয় সৃষ্টি হয়।

উ:- শু 



13)মেঘলা দিনে  যখন ভ‍্যাপসা গরম হয় তখন জলীয় বাষ্পের তাপধারণ ক্ষমতা বেশি হয়ে যায়।

উ:- শু 

 

14)মৌসুমী বায়ু হল স্থলবায়ু ও জলবায়ুর বৃহৎ সংস্করণ।

উ:- শু 

 

15)সমপ্রেষরেখার মান ঘূর্ণবাত কেন্দ্রে 900 mb  থাকে।

উ:- অ (980 mb)

 

16)একটি উষ্ণ বায়ু হল মিষ্ট্রাল।

 উ:- শু 

 

17)একটি উষ্ণ বায়ু হল সিরাক্কা ।

উ:- শু 



18)থর মরুভূমিতে প্রবাহিত তীব্র গতিবেগ সম্পন্ন একটি শীতল বায়ুর নাম হল লু।

উ:- অ (গরম বায়ু)

 

19)কেবলমাত্র গ্রীষ্মকালে  জেট বায়ু প্রবাহিত হয়।

উ:- অ(সবসময় প্রবাহিত হয়)

 

20)সর্পিলাকারে প্রবাহিত হয় জেট বায়ু।

উ:- শু 

 

21)পূর্ব চিন সাগরের ঘূর্ণিঝড় হল টর্নেডো।

উ:- অ(টাইফুন)

 

22)সাইক্লোন হল বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় ।

উ:-শু



23)দুটি গোলার্ধের 10° – 30 ° অক্ষাংশের মধ‍্যবর্তী অঞ্চলে সৃষ্টি হয় ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত।

উ:- শু 



আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ 

1)চরমভাবাপন্ন অঞ্চলে বাষ্পীভবনের পরিমাণ বেশি।

উ:-শু

 

2)নিরক্ষীয় অঞ্চলে বাষ্পীয় প্রস্বেদনের হার বেশী।

উ:- শু 

 

3)ঘণীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্প জলকণায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় বায়ুতে যে লীনতাপ ত‍্যাগ করে তাকে বলা হয় ঘণীভবনের লীনতাপ।

উ:- শু 

 

4)অবস্থাগত পরিবর্তনের ফলে তরল পদার্থ থেকে গ‍্যাসের উৎপত্তির যে ভৌত প্রক্রিয়া  তাকে বাষ্পীভবন বলে।

উ:- শু 

 

5)নির্দিষ্ট আয়তনে নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ুতে জলীয় বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ ই হল চরম আর্দ্রতা।

উ:- শু 

 

6)বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা নির্ভর করে বায়ুর উষ্ণতার উপর।

উ:- শু 

 

7)যে তাপ পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পদার্থের উষ্ণতার কোনো পরিবর্তন ঘটায় না সেটা হল লীনতাপ।

উ:-শু 

 

8)পশ্চিম উপকূলীয় সামুদ্রিক জলবায়ু দেখা যায় নিউজিল‍্যান্ডের পশ্চিম অংশে।

উ:- অ (দক্ষিণ অংশে)

9)কুয়াশা অধঃক্ষেপণ নয়।

উ:-শু 

 

10)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢালে দেখা যায়।

উ:- শু 

 

11)বৃষ্টিচ্ছায় দেখা যায় পর্বতের অনুবাত ঢালে।

উ:-শু 

 

12)একটি বজ্রমেঘ হল কিউমুলাস।

উ:- অ(কিউমুলোনিম্বাস)

 

13)শৈলোৎক্ষেপবৃষ্টি সবচেয়ে বেশি হয় নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

 উ:-অ (পরিচলন বৃষ্টি)



14)বায়ুমন্ডলের মেসোস্ফিয়ারে মেঘের বৃষ্টি হয়।

উ:-অ (ট্রপোস্ফিয়ারে)

 

15)সারাবছর পরিচশন বৃষ্টি হয় নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

উ:- শু 

 

16)মৌসুমী জলবায়ুর অন‍্যতম বৈশিষ্ট‍্য হল শীতকাল শীতল – আর্দ্র থাকবে।

উ:-অ (ভূমধ‍্যসাগরীয়)

 

17)’সেলভা’ হল ব্রাজিলের নিরক্ষীয় অরণ‍্য।

উ:-শু 

 

18)আরবি শব্দ ‘মৌসিম’ থেকে মৌসুমী শব্দ টি এসেছে।

উ:-শু 



19)মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলকে ‘শীতকালীন বৃষ্টিপাতের দেশ’ বলা হয়।

উ:-অ (ভূমধ‍্যসাগরীয়)

 

20)গভীর রাতে সূর্য দেখা যায় নরওয়ের হ‍্যামারফেস্ট বন্দরে।

উ:-শু 

 

21)পশ্চিম গোলার্ধের শীতলতম স্থান হল সাইবেরিয়ার ‘ভারখয়ানষ্ক’।

উ:- অ (উত্তর গোলার্ধের)

 

22)’পৃথিবীর ফলের ঝুড়ি’ বলা হয় তুন্দ্রা জলবায়ু অঞ্চলকে।

উ:-অ (ভুমধ‍্যসাগরীয়)

 

23)গ্রীষ্মকালে এস্কিমোরা ‘টিউপিক’ তাঁবুতে বাস করে।

উ:-শু



24)ক‍্যালিফোর্নিয়ায় হলিউড চলচ্চিত্র শিল্প গড়ে উঠেছে কারণ সেখানকার আবহাওয়া আর্দ্র স‍্যাঁতস‍্যাঁতে।

 উ:- অ (নাতিশীতোষ্ণ মনোরম আবহাওয়ার জন‍্য) ।

25)প্রচুর জলপাই এর চাষ হয় দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া তে ।

উ:-অ( ভূমধ‍্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে)

বায়ুমণ্ডল 

বায়ুমন্ডলের ধারণা,উপাদান ও স্তরবিন‍্যাস

 

1)সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমন্ডলের উচ্চতা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত।

উ:-10,000 কিলোমিটার পর্যন্ত।

 

2)বায়ুমন্ডলে কোন গ‍্যাস বেশি পরিমাণে থাকে?

উ:-নাইট্রোজেন।

 

3)নিস্ক্রিয় গ‍্যাসের নাম লেখ?

:-নিয়ন , আর্গন।

 

4)বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কত?

উ:-0.003%



5)জলীয় বাষ্প কাকে বলে?

উ:- জলের গ‍্যাসীয় অবস্থাকে।

 

6)বায়ুমন্ডলে যে সূক্ষ সূক্ষ ধূলিকণার উপাদান  গুলি থাকে তার নাম কী?

উ:-এরোসেল।

 

7)গ্রিনহাউস প্রভাবের সঙ্গে জলীয় বাষ্পের সম্পর্ক কী?

উ:-জলীয় বাষ্প তাপ ধরে রাখে এবং বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।

 

8)সমমন্ডল বা হোমোস্ফিয়ারের এর বিস্তৃতি কত?

উ:-ভূ পৃষ্ঠ থেকে 90  কিমি পর্যন্ত।

 

9)হেটরোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তৃতি কত?

উ:-90-10,000 কিমি।



10)হেটরোস্ফিয়ারকে কটি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?

উ:- চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, পারমাণবিক অক্সিজেন, আণবিক নাইট্রোজেন স্তর।

 

11)আণবিক নাইট্রোজেন স্তরের বিস্তৃতি কত?

উ:-90-200 কিমি।

 

12)ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা মেরু অঞ্চলে কত কিমি?

উ:-18 কিমি।

 

13)বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা ট্রপোপজে কত ডিগ্রি?

উ:-60℃।

 

14)নিরক্ষীয় অঞ্চলে ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত কিলোমিটার?

উ:-18 কিমি।



15)বায়ুমন্ডলের নীচের স্তরটি কী নামে পরিচিত?

উ:-ট্রপোস্ফিয়ার।

 

16)ট্রপোস্ফিয়ারের অপর নাম কী?

উ:-ক্ষুদ্ধমন্ডল।

 

17)প্রতি  1 কিলোমিটার  উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে উষ্ণতা হ্রাসের হার কত?

উ:-6.4℃।

 

18)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারের অপর নাম শান্তমন্ডল কেন?

উ:-এখানে শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে তাই এর নাম শান্তমন্ডল।

 

19)ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্রমশ উষ্ণতা হ্রাস পাওয়াকে কী বলে?

উ:-ল‍্যাপস রেট।



20)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ারের উর্ধ্ব স্তরের নাম কী?

উ:-স্ট‍্র‍্যাটোপজ।

 

21)কোন স্তরে উল্কাপিন্ড পুরে ছাই হয়ে যায়?

উ:- মেসোস্ফিয়ার।

 

22)কোন স্তরে নকটিলুসেন্ট মেঘ দেখা যায়?

উ:-মেসোস্ফিয়ারে।

 

23)মেসোস্ফিয়ারের উপরের স্তরের নাম কী?

উ:-মেসোপজ।

 

24)পৃথিবীর ‘চৌম্বক বর্ম’ কোন স্তর?

উ:-ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার স্তর।



25)কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ প্রতিফলিত হয়?

উ:-আয়নোস্ফিয়ার ।



বায়ুমন্ডলের তাপ,উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন

1)সূর্যের তাপের কত ভাগ তাপ আমাদের পৃথিবীতে এসে পৌঁছোয়?

উ:-200 কোটি ভাগের 1 ভাগ তাপ।

 

2)অ্যালবেডো কী?

উ:-34 ভাগ সূর্যের রশ্মি যখন বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত না করে মহাশূন‍্যে আবার ফিরে যায়  তাকে বলে অ্যালবেডো।

 

3)পৃথিবীতে কার্যকরী সৌরবিকিরণ কত পরিমাণ থাকে?

উ:-66%।

 

4) সূর্য থেকে আসা ক্ষুদ্র তরঙ্গ ভূপৃষ্ঠে কত কিলোমিটার বেগে ছুটে আসে?

উ:-প্রতি সেকেন্ডে 3 লক্ষ কিমি ।

5)ইনসোলেশন কী?

উ:-সূর্য থেকে আসা ছোটো তরঙ্গরশ্মির তাপীয় ফল হল ইনসোলেশন।

 

6)কোন গ‍্যাস তাপ শোষন করে?

উ:-কার্বন ডাই অক্সাইড।

 

7)অসম্পৃক্ত বায়ুর শীতলীকরণের হারকে কী বলে?

উ:-শুষ্কতাপ বিযুক্তি হার।

 

8)সম্পৃক্ত বায়ুর শীতলীকরণের হারকে কী বলে?

উ:আর্দ্র তাপ বিযুক্তি হার।

 

9)ইন্দ্রিয়গ্রাহ‍্য  উষ্ণতা কাকে বলে?

উ:-মানবদেহের অনুভূতময় উষ্ণতায় হল ইন্দ্রিয়গ্রাহ‍্য উষ্ণতা।

 

10)ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রতি  1 কিমি উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে 64℃ করে উষ্ণতার হ্রাস হয়  এই পদ্ধতিকে কী বলা হয়?

উ:-নরম‍্যাল ল‍্যাপস রেট।

 

11)দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতা মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায‍্যে?

উ:-সিক্সের গরিষ্ঠ ও লঘিষ্ঠ থার্মোমিটার।

 

12)উত্তর গোলার্ধের পূর্ব-পশ্চিমে  বিস্তৃত পর্বতমালার কোন দিকে উষ্ণতার বৃদ্ধি লক্ষ করা যায়?

উ:-নিরক্ষরেখার দিকে।

 

13)গ্রীষ্মকালে উত্তর ভারতের উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় কেন?

উ:-লু বায়ুপ্রবাহের জন‍্য।

 

14)শীতকালে চীন দেশে উষ্ণতা কমে যায় কেন?

উ:-শীতল সাইবেরীয় বায়ুর প্রভাবে।

 

15)উষ্ণমন্ডলের গড় উষ্ণতা কত ডিগ্রি?

উ:-27℃।

 

16)কোন অঞ্চলে উষ্ণতা সারাবছর 0℃ নীচে থাকে?

উ:-সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত অঞ্চলে।

 

17)কোন্ রেখার সমান্তরালে সমোষ্ণরেখা অবস্থান করে?

উ:-অক্ষরেখার সমান্তরালে।

 

18)এল নিনো শব্দের অর্থ কী?

উ:- দূরন্ত বালক।

 

19)লা নিনো শব্দের অর্থ কী?

উ:-ছোট্ট বালিকা।



20)পেরু ও চিলির পশ্চিমাংশে তীব্র নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় কেন?

উ:-এল নিনোর প্রভাবের জন‍্য।



বায়ুর চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ:   

1)একক ক্ষেত্রফলে বা একক আয়তনে বায়ুর উলম্বভাবে চাপ কে কী বলা হয়?

উ:-বায়ুর চাপ।

 

2)নির্দিষ্ট আয়তনের মধ‍্যে  বায়ুকণার অতিরিক্ত পরিমাণকে কী বলে?

উ:-উচ্চচাপ বলে।

 

3)বায়ুর চাপ আমরা কেন অনুভব করতে পারি না?

উ:-কারণ আমাদের দেহের ভিতরের বায়ুর চাপ আর বায়ুমন্ডলের বায়ুর চাপ দুটোই সমান তাই আমরা অনুভব করতে পারি না।



4)বায়ুচাপের সঙ্গে বায়ুর উষ্ণতার একটি সম্পর্ক লেখ?

উ:-উষ্ণতার হ্রাস হলে বায়ু সংকুচিত হয়ে যায় ফলে বায়ুর চাপ ও বৃদ্ধি পায়।

 

5)বায়ুর সমচাপরেখার সঙ্গে সমকোণে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রতি একক দূরত্বে বায়ুচাপের যে পার্থক‍্য লক্ষ করা যায় তাকে কী বলে?

উ:-বায়ুচাপের ঢাল।

 

6)উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধে কয়টি রসবি তরঙ্গ দেখা যায়?

উ:-3-6 টি।

 

7)যে বায়ু সারাবছর ধরে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কী বলে?

উ:-নিয়ত বায়ু বলে।

 

8)আয়ন বায়ুর অপর নাম বাণিজ‍্য বায়ু কেন?

উ:-কারণ প্রাচীনকালে মানুষ এই বায়ুপ্রবাহের পথ ধরে বাণিজ‍্য করত।তাই এর নাম বাণিজ‍্য বায়ু।

 

9)দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?

উ:-মেরু বায়ু।

 

10)বায়ুপ্রবাহ কাকে বলে?

উ:-ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে যখন বায়ু অনুভূমিক ভাবে চলাচল করে তখন তাকে বায়ুপ্রবাহ বলে।

 

11)চিনুক বায়ু কোথায় প্রবাহিত হয়?

উ:-রকি পর্বতের পূর্ব ঢালে।

 

12)যে বায়ু ঋতু অনুসারে প্রবাহিত হয় এমন একটি সাময়িক বায়ুর উদাহরণ দাও।

উ:-মৌসুমি বায়ু।

 

13)ক্রোধোন্মত্ত পঞ্চাশ কী?

উ:-50° দক্ষিণ অক্ষরেখা বরাবর খুব দ্রুত গতিতে প্রবাহিত পশ্চিমা বায়ুকে ক্রোধোন্মত্ত পঞ্চাশ বলা হয়।



14)তীক্ষ্ণ চিৎকারকারী ষাট কী?

উ:-60° দক্ষিণ অক্ষরেখা বরাবর  তীক্ষ্ণ শব্দে প্রবাহিত পশ্চিমা বায়ুকে তীক্ষ্ন চিৎকারকারী ষাট বলা হয়।

 

15)উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ ও শীতল বায়ুপুঞ্জের মিলন কে কী বলে?

উ:-সীমান্ত বলে।

 

16)রসবি তরঙ্গের আবিষ্কর্তা কে?

উ:-সি জি রসবি (1930খ্রীস্টাব্দ)।

 

17)জেট বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ কত কিমি?

উ:-ঘন্টায় 322- 483 কিমি।

 

18)কোন সময় জেট বায়ুর গতিবেগ বেশি?

উ:-শীতকালে।



19)আয়ন বায়ুর মধ‍্যে বেশি উচ্চতাতে সৃষ্ট  বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহকে কী বলে?

উ:-প্রত‍্যয়ন বায়ু।

 

20)গর্জনশীল চল্লিশার মান লেখ?

উ:-40° দক্ষিণ অক্ষাংশ।

 

21)দিনের বেলা কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?

উ:- সমুদ্রবায়ু।

 

22)রাত্রিবেলা কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?

উ:- স্থলবায়ু‌।






আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ   

1)বাষ্প থেকে কঠিন অথবা তরল অবস্থায় বস্তুর ভৌতরূপের অবস্থার পরিবর্তন ঘটে এই প্রক্রিয়াকে কী বলে?

উ:-ঘনীভবন বলে।

 

2)ধোঁয়াশা কাকে বলে?

উ;-শিল্পাঞ্চলে যে ধোঁয়া নির্গত হয় তাকে আশ্রয় করে সৃষ্ট একপ্রকার কুয়াশা হল ধোঁয়াশা।

 

3)কুয়াশা কাকে বলে?

উ:-বায়স্তরে জলাকর্ষী কণাকে আশ্রয় করে সৃষ্ট মেঘের মত ঘনীভবন হল কুয়াশা।

 

4)’Bumpy Cloud’ কাকে বলা হয়?

উ;-স্ট্র‍্যাটোকিউমুলাস মেঘ কে।

 

5)শিশিরাঙ্ক কাকে বলে?

উ:-যে তাপমাত্রায় বায়ু সম্পৃক্ত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক বলে।

6)শীতল বায়ুতে কেন বৃষ্টিপাত হয়?

উ:-শীতল বায়ু ঘনীভবন ঘটাতে পারে তাই বৃষ্টিপাত হয়।

 

7)বজ্রপাত সহ ভীষণ ঝড়- বৃষ্টি হয় কোন মেঘে?

উ:-কিউমুলোনিম্বাস মেঘে।

 

8)একটানা বৃষ্টিপাত হয় কোন মেঘে?

উ:-নিম্বোস্ট্র‍্যাটাস ।

 

9)ঘনীভূত হয়ে কোন বায়ু বৃষ্টিপাত ঘটায়?

উ:- সম্পৃক্ত বায়ু।

 

10)মেঘের জলীয় বাষ্প সম্পৃক্ত হতে পারে না বলে কী ঘটে?

উ:- জলীয় বাষ্প সম্পৃক্ত হতে পারে না বলে সব মেঘে বৃষ্টিপাত হয় না।



11)বায়ু কোন পদ্ধতির দ্বারা পরিচলন বৃষ্টিপাতে উত্তপ্ত হয়?

উ:-পরিচলন পদ্ধতির দ্বারা 

 

12)কোপেনের মত অনুযায়ু af জলবায়ু অঞ্চল কোনটি?

উ:-ক্রান্তীয় উষ্ণ ও আর্দ্র বৃষ্টি অরণ‍্য জলবায়ু অঞ্চল।

 

13)কোন অঞ্চলে অরোরা বোরিয়োলিস দেখা যায়?

উ:-মেরু অঞ্চলে।

 

14)প্রচুর পরিচলন বৃষ্টিপাত হয় বলে নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন অরণ‍্যের সৃষ্টি হয়েছে?

উ:-চিরহরিৎ।

 

15)কোথায় সারাবছর পরিচলন বৃষ্টি হয়?

উ:-ইন্দোনেশিয়া ও কঙ্গো।



16)জলবায়ু অঞ্চল কাকে বলে?

উ:-কোনো একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জলবায়ুর উপাদানগুলির প্রকৃতি সমান তাকে জলবায়ু অঞ্চল বলে।

 

17)চিরসবুজ অরণ‍্য কোথায় দেখা যায়?

উ:-নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

 

18)ইগলু কী?

  উ:-এস্কিমোদের শীতকালীন বরফাবৃত ঘর হল ইগলু।

 

19)কোন কোন দেশে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়?

উ:-ফ্রান্স,ইটালি,লেবানন, লিবিয়া ,সিরিয়া, স্পেন‌।

 

20)আশ্বিনের ঝড় কখন দেখা যায়?

উ:-পশ্চিমবঙ্গে শরৎকালে এই ঘূর্ণিঝড় দেখা যায়।



21)মৌসুমি বিষ্ফোরণের ফলে কী ঘটে?

উ:-ক্রান্তীয় অঞ্চলে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচন্ড বৃষ্টিপাত হয়।

 

22)পৃথিবীর সর্বাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় কোনটি?

উ:-টর্নেডো।

23)পরিচলন বৃষ্টিপাত কে কী বলা হয়?

উ:-4 o ‘clock rain।

24)ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে 2018 সালে যে ঘূর্ণিঝড় হয় তার নাম কী?

উ:-তিতলি।

 

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর - Long Answers & Questions (5-6 Marks)

বায়ুমন্ডলের ধারণা,উপাদান ও স্তরবিন‍্যাস

1)

                  ক স্তম্ভ

          খ স্তম্ভ

1)আর্গন 

A)0.93%

2)নাইট্রোজেন 

B) 20.95%

3)অক্সিজেন 

C)0.003%

কার্বন ডাই অক্সাইড

D)78.08%

 

উ:-1-B, 2 -A,3-D ,4- C




2)

    ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ

1)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ার

A)ওজোনগ‍্যাস ধ্বংস হয়

2)থার্মোস্ফিয়ার

B)আয়ন বিনিময় হয়

3)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার

C)ঝড় – বৃষ্টি হয়

4)ট্রপোস্ফিয়ার

D)প্রোটন ও ইলেকট্রন দেখা যায়



 

উ:-1-D ,2-B, 3-A,4-C

 

3)

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ 

1)মেরু অঞ্চল

A)66%

2)কার্যকরী সৌরকিরণ

B)লম্বরশ্মি

3)অ্যালবেডো 

C)34%

ক্রান্তীয় অঞ্চল 

D)তীর্যকরশ্মি 

 

উ:-1-D,2-C ,3-B  , 4:–A 

.

4)

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ 

1)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার + মেসোস্ফিয়ার 

A)ম‍্যাগনেটোপজ 

2)ট্রপোস্ফিয়ার + স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার

B)মেসোপজ 

3)ম‍্যাগনেটোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমা 

C)ট্রপোপজ 

4)মেসোস্ফিয়ার + আয়নোস্ফিয়ার 

D)স্ট্র‍্যাটোপজ

 

উ:-,1-D, 2-C, 3-A, 4-B

 

5)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)ট্রপোস্ফিয়ার 

A)জেটবায়ু 

2)ট্রপোপজ 

B) ক্ষুদ্ধমন্ডল 

3)আয়নোস্ফিয়ার 

C)শান্তমন্ডল

4)স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়া

D)আরোরা

 

উ:-1-B, 2-A, 3- D,4-C




বায়ুমন্ডলের তাপ,উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন

 

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ 

1)বায়ুর গতি মাপার যন্ত্র

A)রেনগজ 

2)বায়ুর উষ্ণতা মাপার যন্ত্র 

B)ব‍্যারোমিটার 

3)বায়ুর গতি মাপার যন্ত্র 

C)সিক্সের থার্মোমিটার

4) বৃষ্টি মাপক যন্ত্র 

D)অ্যানিমোমিটার 

 

উ:-1-D, 2-C,3-D, 4-A

 

2)

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ 

1)বায়ুতে ভাসমান জলীয় বাষ্পের তাপধারণ ক্ষমতা 

A)পরিবহন পদ্ধতি 

2)ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ু উষ্ণ হবার পর শীতল বায়ুতে  তা সঞ্চালন পদ্ধতি।

B) পরিচলন পদ্ধতি 

3)নীচের উষ্ণ বায়ু  উপরে উঠে যাবার পর শীতববায়ুর সেখানে চলে আসা পদ্ধতি 

C)তাপ শোষণ পদ্ধতি 

4)ভূপৃষ্ঠ যখন উত্তপ্ত হয় বায়ুমন্ডল ও তখন উত্তপ্ত হয় এই পদ্ধতি হল 

D) বিকিরণ

 

উ;-1-C, 2-A, 3-B,4-D

 

3)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)দিনের মধ‍্যে সবথেকে বেশি উষ্ণতা 

A)উষ্ণতার প্রসর 

2)দিনের মধ্যে সবথেকে কম উষ্ণতা

B)গড় উষ্ণতা 

3)সর্বোচ্চ উষ্ণতা থেকে সর্বনিম্ন উষ্ণতার বিয়োগ

C)সর্বোচ্চ উষ্ণতার পাঠ 

4)সর্বোচ্চ উষ্ণতা থেকে সর্বনিম্ন উষ্ণতার যোগফল এবং দুই দিয়ে ভাগ করে

D) সর্বনিম্ন উষ্ণতার পাঠ 

 

উ:- 1-C, 2-D, 3-A, 4-B

 

5)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)মিথেন 

A)দাবানল সৃষ্টি হয়।

2)নাইট্রাস অক্সাইড 

B)জেট বিমান চলাচল করে ।

3)ক্লোরোফ্লুরোকার্বন 

C)ফ্রিজ তৈরি হয় 

4)কার্বন ডাই অক্সাইড 

D)ধানের চাষের জমি 

 

উ:-1-D, 2- B, 3-C,4-A

 

বায়ুর চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ:

 

1)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)হিমমন্ডল 

A)0° -10 ° অক্ষাংশ 

2)উষ্ণমন্ডল 

B)30° – 60° অক্ষাংশ 

3)হিট কুয়েটার 

C) 60° -90° অক্ষাংশ 

4)নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল

D)0° – 30° অক্ষাংশ

 

উ:- 1- C, 2- D, 3- A, 4-B

 

2)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় 

A)আয়ন বায়ু 

2)স্থানীয় বায়ু 

B)সিরোক্কো

3)বায়ু উলম্ব ভাবে চলাচল করে 

C) ডোলড্রাম 

4)বাণিজ‍্য বায়ু 

D)বায়ুস্রোত 

5)গর্জনশীল চল্লিশা 

E)পশ্চিমা বায়ু 

 

উ:-1-C, 2- B, 3- D, 4-A, 5-E

 

3)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)থার্মোমিটার 

A)বায়ুর গতি 

2) ব‍্যারোমিটার 

B)বায়ুর চাপ 

3)হাইগ্রোমিটার 

C)আপেক্ষিক আর্দ্রতা 

4) রেনগজ 

D)উষ্ণতা 

5)অ্যানিমোমিটার

E)বৃষ্টিপাত 

 

উ:-1- D,2-B, 3-C, 4- E, 5- A

 

4)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ

1)পূর্ব অস্ট্রেলিয়া 

A)হ‍্যারিকেন 

2)বঙ্গোপসাগর 

B)উইলি উইলি 

3) পূর্ব চিন সাগর 

C) টাইফুন 

4)ক‍্যারিবিয়ান সাগর।

D)সাইক্লোন 

উ:- 1-B, 2-D, 3-C, D- A

5)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)দক্ষিণ চিন সাগর 

A)হ‍্যারিকেন 

2)ভারত মহাসাগর 

B)উইলি উইলি 

3)পূর্ব  অষ্ট্রেলিয়া সাগর 

C)টাইফুন 

4)পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপ পুঞ্জ

D)সাইক্লোন

 

উ:-1-C, 2-D, 3-B,4-A

 

6)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)চিনুক বায়ু 

A)দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 

2)ফন বায়ু 

B)আল্পস পার্বত‍্য অঞ্চল 

3)মৌসুমী বায়ু 

C)রকি পার্বত‍্য অঞ্চল 

4)মিষ্ট্রাল বায়ু 

D)আল্পস এর দক্ষিণ পূর্ব দিক

 

উ:-1-C, 2-B, 3-A, 4-D

7)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)ফেরেল কক্ষ 

A)30°-60° অক্ষাংশ 

2)জেট বায়ু 

B)15° – 35°  অক্ষাংশ 

3) হ‍্যাডলি কক্ষ

C)0° – 30° অক্ষাংশ 

4) মেরু কক্ষ

D)60° – 90° অক্ষাংশ 

উ:-1-A,2-B,3-D, 4-C

8)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)সাময়িক বায়ু 

A)বোরা 

2)আকষ্মিক বায়ু 

B)বাণিজ‍্য বায়ু 

3)স্থানীয় বায়ু 

C)হ‍্যারিকেন 

4)নিয়ত বায়ু 

D)মৌসুমী বায়ু 

উ:-1-D,2-A,3-C,4-B

আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ  

1)

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ

1)গম্বুজের মত মেঘ

A)স্ট‍্যাটোকিউমুলাস

2)স্তুপের মত স্তরে স্তরে সজ্জিত মেঘ

B)সিরাস

3)সাদা পালকের মত মেঘ

C)সিরোকিউমুলাস

4)পেঁজা তুলোর মত মেঘ

D)কিউমুলোনিম্বাস

উ:-1-D, 2- A, 3- B, 4- C

2)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টি 

A)নিরক্ষীয় অঞ্চল 

2)পরিচলন বৃষ্টি

B)মেরু অঞ্চল 

3)প্রতীপ ঘূর্ণবাত 

C)কাশ্মীর উপত‍্যকা 

4)পশ্চিমী   ঝঞ্ঝা 

D)মধ‍্য অক্ষাংশীয় অঞ্চল 

উ:-1- D, 2- A, 3- B, 4-C

3)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ

1)সরলবর্গীয় বনভূমি 

A)শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি 

2)নিরক্ষীয় জলবায়ু

B)ঘূর্ণবাত বৃষ্টি 

3)ভূমধ‍্যসাগরীয় 

C)পরিচলন বৃষ্টি 

4)হিমালয় পার্বত‍্য 

D)সীমান্ত বৃষ্টি 

উ:-1- D, 2-C, 3-B, 4- A

4)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ

1)তুন্দ্রা জলবায়ু 

A)হারমাট্টান 

2)স্টেপ জলবায়ু 

B)হ‍্যারিকেন 

3)আর্দ্র নিরক্ষীয় জলবায়ু 

C)ব্লিজার্ড 

4)উষ্ণ মরু জলবায়ু 

D)ডাস্ট ট্রম 

উ:- 1-C, 2-D, 3- B, 4- A

5)

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)সীমান্ত বৃষ্টি

A)ভূমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ু 

2)বর্ষাকালীন বৃষ্টি

B)নাতীশীতোষ্ণ জলবায়ু 

3)4 o’ clock rain

C)নিরক্ষীয় জলবায়ু 

4)শীতকালীন বৃষ্টি

D)মৌসুমি জলবায়ু 

উ:-1-B, 2- D, 3- C, 4-A



6

ক স্তম্ভ 

খ স্তম্ভ 

1)কায়াক 

A)মৌসুমি জলবায়ু 

2)জলপাই গাছ 

B)সেলভা তৃণভূমি 

3)ভারখয়ানস্ক 

C)ভূমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ু

4)ক্রান্তীয় শীতকাল

D)সিলমাছের চামড়ার নৌকা

5)যাযাবর

E)মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চল 

6)ওরাং ওটাং 

F)মৌসুমী জলবায়ুর শরৎকাল 

7)মৌসুমী বায়ুর প্রত‍্যাবর্তন 

G)তুন্দ্রা জলবায়ু

8)উষ্ণ আর্দ্র গ্রীষ্মকাল

H)নিরক্ষীয় জলবায়ু 

9)গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিহীন

I)ভুমধ‍্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান  উদ্ভিদ

10)পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চল 

J)উত্তর গোলার্ধের শীতলতম জায়গা



উ:-1- D, 2- I, 3- J, 4- H, 5- G, 6- B, 7- F, 8- A, 9- C, 10-  E

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

  • all replace

WEST BENGAL BOARD Related Links

Shopping Cart
Open chat