খেয়া- (Kheya) Bangla Literature Subject WBBSE Class 9

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  • তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  • চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

সারসংক্ষেপ

চৈতালি কাব্যের “খেয়া”কবিতাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বন্দ্ব-সংঘাতপূর্ণ শহুরে দৃশ্যকে শান্তিপূর্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ গ্রামাঞ্চলের সাথে তুলনা করেছেন।

বাংলার গ্রামীণ জীবন, এখানে একটি নামহীন নদী এবং তার দুপাশে দুটি অজ্ঞাত গ্রাম দ্বারা বাংলার পল্লীজীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। খেয়া নৌকাই নদীর দূরত্ব কমিয়ে দুটি সম্প্রদায়কে সংযুক্ত করেছে, তাই সেখানকার বাসিন্দারা একে অপরকে চেনেন। তারা সকালে এবং সন্ধ্যায় নদী পার হয়, এই আসা এবং যাওয়ার মধ্যে দিয়ে তাদের মধ্যে আধ্যাত্মিক সংযোগ বজায় থাকে। বিশ্বের একদিকে হিংসা, ঘৃণা এবং রক্তপাত সবই আধিপত্যের লড়াইয়ের অংশ। একটি সাম্রাজ্যের পতন হলে তার জায়গায় আরেকটি সাম্রাজ্য উঠে যায়। 

যদিও তথাকথিত সভ্যতা নিঃসন্দেহে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছে, সাথে ধ্বংসাত্মক প্রযুক্তির অস্ত্রাগার সরবরাহ করেছে। সমাজের নেতিবাচক দিকগুলি ছাপিয়ে গেছে ইতিবাচক দিকগুলিকে। গ্রামবাসীরা একইভাবে একে অপরকে জড়িয়ে বেঁচে থাকে।  দৈনন্দিন জীবন বিশ্বব্যাপী সংঘাত এবং রক্তপাত দ্বারা তারা প্রভাবিত হয় না। খেয়া পারাপার, একটি চিরস্থায়ী সেতু যা নদীর দুটি ধারের জনবসতিকে সংযুক্ত করে, এটি দৈনন্দিন জীবনের স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতীক। কবি এই নির্মল, মাটির ছবিকে বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র সত্য পল্লীগ্রাম হিসাবে উপস্থাপন করেছেন, যা কখনই পরিবর্তন হবে না।

নামকরণের তাৎপর্য

যে কোনো সাহিত্যের নাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি সাহিত্যের বিষয়বস্তু নামকরণের মাধ্যমে পাঠকের সামনে উন্মোচিত হতে পারে। সাহিত্যের নাম তার বিষয়, বা চরিত্রকেন্দ্রিক এমনকি রূপকধর্মীও হতে পারে । কবিতার অর্থ উপলব্ধি করার জন্য নামকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কবিতা সাধারণত একটি প্রতীকী নামকরণ ব্যবহার করে যা এর বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হয়।

রবীন্দ্রনাথের “খেয়া” কবিতাটি “চৈতালী” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কবিতাটি গ্রামীণ শান্তিপূর্ণ, মানবিক জীবনের এবং  ঝগড়া-বিবাদ পূর্ণ পৃথিবীর ছবি  চিত্রিত করে। “খেয়া” শব্দটির সংজ্ঞা হল নদী বা খালের উপর দিয়ে নৌকায় পার করা। নদী পারাপারের নৌকাকেও খেয়া বলে। 

এই কবিতায় সমগ্র বাংলার গ্রামীণ অস্তিত্বের মূর্তি তুলে ধরা হয়েছে একটি নামহীন নদীর বিপরীত তীরে অবস্থিত দুটি গ্রামের মাধ্যমে। নদী পারাপারের নৌকা দুই সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। 

অন্যদিকে, সভ্য সমাজগুলো চিরকালই ভয়ানক আন্তঃসংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক সাম্রাজ্যের শেষ থেকেই নতুন একটি  সাম্রাজ্য উঠে আসছে। যদিও তথাকথিত সভ্যতার অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে উন্নীত করেছে, তারা সম্প্রদায় এবং বাস্তুতন্ত্রকেও ধ্বংস করেছে। এ কারণে কবি বলেছেন, বিষ ও অমৃত উভয়ই সভ্যতার অগ্রগতির ফল।

এই নাগরিক উত্থান-পতন গ্রামবাসীদের জীবনকে  নাড়া দেয় না। তারা একইভাবে জীবন যাপন করতে থাকে। খেয়ানৌকা এই সংযোগগুলির জন্য অনুঘটক। কবিতাটির নামকরণ “খেয়া” তাই তাৎপর্যপূর্ণ এবং প্রতীকী।

SOLVED QUESTIONS & ANSWERS of খেয়া (Kheya)

1 MARKS QUESTIONS of খেয়া (Kheya)

  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তর:) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতাটি ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

  1. ‘চৈতালি’ কাব্যটি কোন্ সময়ে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়? 

উত্তর:) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থটি ১৩০৩ বঙ্গাব্দের চৈত্রমাসে সত্যপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায় প্রকাশিত ‘কাব্যগ্রন্থাবলী’র অন্তর্গত হয়ে গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয়।

  1. শিরােনামসূচি অনুযায়ী ‘খেয়া’ কবিতাটি  ‘চৈতালি কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক কবিতা?

উত্তর:) শিরােনাম সূচি অনুযায়ী ‘খেয়া’ কবিতাটি ‘চৈতালি’  কাব্যগ্রন্থের উনিশ সংখ্যক কবিতা।

  1. চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থে মােট কতগুলি কবিতা রয়েছে?

উত্তর:) “চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থে মােট ৭৯টি কবিতা রয়েছে।

  1. চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতা কোন্ বাংলা মাসে লিখিত?

উত্তর:) চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতা চৈত্রমাসে লিখিত, কবি তাই বছরের শেষ উৎপন্ন শস্যের নামেই তার  নামকরণ করেছেন।

  1. ‘খেয়া’ কবিতাটিতে কটি পঙ্‌ক্তি রয়েছে?

উত্তর:) খেয়া কবিতাটিতে মােট ১৪টি পঙ্‌ক্তি রয়েছে।

  1. কোন্ কোন্ স্থানে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ‘চৈতালি’ কাব্যের কবিতাগুলি রচনা করেন?

উত্তর:) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পতিসর ও সাজাদপুরে অবস্থানকালে ‘চৈতালি’ কাব্যের কবিতাগুলি রচনা করেন।

৪. নদীস্রোতে কী পারাপার করে?

উত্তর:) নদীর এক পারের মানুষকে বিভিন্ন প্রয়ােজনে অন্য পারে পৌছে দিতে নদীস্রোতে খেয়ানৌকা পারাপার করে।

9.”…আছে জানাশােনা”—কাদের মধ্যে জানাশােনা রয়েছে? 

উত্তর:) গ্রাম্য নদীর দুই তীরের মানুষদের মধ্যে জানাশােনা ’ রয়েছে। একেই কবি দুই তীরের দুই গ্রামের জানাশােনা বলেছেন।

  1. খেয়ানৌকা বলতে কী বােঝ?

উত্তর:) নদী বা বড়াে জলাশয় পারাপারের জন্য ব্যবহৃত ছােটো  নৌকাকে খেয়ানৌকা বলা হয়ে থাকে। 

  1. সকাল থেকে সন্ধ্যা দুই গ্রামের মানুষ কী করে?

উত্তর:) সকাল থেকে সন্ধ্যা দুই গ্রামের মানুষ একে অন্যের গ্রামে নানা প্রয়ােজনে আনাগােনা অর্থাৎ যাতায়াত করে।

  1. পৃথিবীতে নতুন নতুন কী গড়ে ওঠে?

উত্তর:) পৃথিবীতে নতুন নতুন ইতিহাস অর্থাৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের কাহিনি গড়ে ওঠে। 

  1. “সকাল হইতে সন্ধ্যা করে আনাগােনা”—এই আনাগােনা কোথায়?

 উত্তর:) রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘খেয়া’ কবিতার প্রশ্নোপ্ত পঙ্‌ক্তিটিতে উল্লিখিত এই আনাগােনা নদীতীরের গ্রামদুটিতে।

  1. ‘খেয়া’ কবিতায় বাস্তব সভ্যতার কী উঠে আসে?

উত্তর:) ‘খেয়া’ কবিতায় বাস্তব সভ্যতার নব নব তৃয়া ক্ষুধা উঠে আসে৷

  1. “দোহাপানে চেয়ে আছে”– কারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে আছে? 

 উত্তর:) রবীন্দ্রনাথের ‘খেয়া’ কবিতায় বলা হয়েছে, গ্রাম্য নদীর  দুই তীরবর্তী দুটি গ্রাম পরস্পরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

multiple choice questions – 1 marks of খেয়া (Kheya)

1. শিরোনাম সূচি অনুযায়ী “খেয়া” কবিতাটি ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের-
A. ১৯ সংখ্যক কবিতা B. ১৮ সংখ্যক কবিতা
C. ২০ সংখ্যক কবিতা D. ২১ সংখ্যক কবিতা
উত্তর- ১৯ সংখ্যক কবিতা
2. রবীন্দ্রনাথ ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের নামকরণ করেছেন-
A. একটি নদীর নামে B. একটি গ্রামের নামে
C. বছরের শেষ উৎপন্ন শস্যের নামে D. তাঁর এক আত্মীয়ার নামে
উত্তর- বছরের শেষ উৎপন্ন শস্যের নামে
3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চৈতালি’ কাব্যটি সত্যপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায় প্রকাশিত ‘কাব্যগ্রন্থাবলী’র অন্তর্গত হয়ে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়—
A. ১৩০১ বঙ্গাব্দে B. ১৩০২ বঙ্গাব্দে C. ১৩০৩ বঙ্গাব্দে D. ১৩০৪ বঙ্গাব্দে
উত্তর- ১৩০৩ বঙ্গাব্দে
4. রবীন্দ্রনাথ ‘চৈতালি’ কাব্যের কবিতাগুলি যেখানে বসে লিখেছিলেন, তা হল—
A. পাতিসর ও সাজাদপুর B. কলকাতা ও শান্তিনিকেতন
C. শান্তিনিকেতন ও পাতিসর। D. সাজাদপুর ও শান্তিনিকেতন
উত্তর- পাতিসর ও সাজাদপুর
5. চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের মােট কবিতার সংখ্যা-
A. ৭৮ টি B. ৭৯ টি C. ৮০ টি D. ৭৭ টি
উত্তর- ৭৮ টি
6. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের সূচনা রচনা করেছেন-
A. আশ্বিন, ১৩৪১ বঙ্গাব্দে B. অগ্রহায়ণ, ১৩৪৬ বঙ্গাব্দে
C. মাঘ, ১৩৪৭ বঙ্গাব্দে D. অগ্রহায়ণ, ১৩৪৭ বঙ্গাব্দে
উত্তর- অগ্রহায়ণ, ১৩৪৭ বঙ্গাব্দে
7. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘খেয়া’ কবিতাটি রচনা করেন-
A. ১৮ চৈত্র, ১৩০০ বঙ্গান্দে B. ১১ চৈত্র, ১৩০২ বঙ্গাব্দে
C. ১৮ চৈত্র, ১৩০২ বঙ্গাব্দে D. ১৯ চৈত্র, ১৩০২ বঙ্গাব্দে
উত্তর:) ১৮ চৈত্র, ১৩০২ বঙ্গাব্দে
8. ‘খেয়া’ কবিতায় যে নদীর প্রসঙ্গ রয়েছে,সেটি হল-
A. নাগর নদী B. করতোয়া নদী C. ঝিলম নদী D. পদ্মা নদী
উত্তর:) নাগর নদী
9. নাগর নদী কোথায় প্রবাহিত হয়েছে ?
A. পাতিসরে B. বোলপুরে C. সুন্দরবনে D. মধুপুরে
উত্তর:) পাতিসরে
10. “খেয়া _____ পারাপার করে নদীস্রোতে”,-
A. জাহাজ B. নৌকা C. তরী D. ডিঙি
উত্তর:) নৌকা
11.খেয়ানৌকা বলতে বোঝায়-
A. যে নৌকায় মালপত্র বহন করা হয় B. যে নৌকা নিয়ে মাছ ধরা হয়
C. যে নৌকায় প্রমোদ ভ্রমণ করা হয় D. যে নৌকায় প্রাত্যহিক যাত্রী পারাপার করা হয়
উত্তর:) যে নৌকায় প্রাত্যহিক যাত্রী পারাপার করা হয়
12. “কেহ যায়_________”
A. হাটে B. বাজারে C. ঘরে D. মাঠে
উত্তর:) ঘরে
13. ‘খেয়া’ কবিতায় দুই তীরে ক-টি গ্রাম আছে?
A. তিনটি B. চারটি C. পাঁচটি D. দুটি
উত্তর:) দুটি
14. দুই তীরে দুটি গ্রামের সম্পর্ক হল-
A. জানাশোনার B. রেষারেষির C. অপরিচয়ের D. কোনোটাই নয়
উত্তর:) জানাশোনার

15. “সকাল হইতে ____________ করে আনাগোনা
A. দুপুর B. বিকেল C. সন্ধ্যা D. রাত্রি
উত্তর:) সন্ধ্যা
16. “পৃথিবীতে কত __________,কত সর্বনাশ”
A. ছন্দ B. গন্ধ C. আনন্দ D. দ্বন্দ্ব
উত্তর:) দ্বন্দ্ব
17. পৃথিবীতে নূতন নূতন কী গড়ে ওঠে?
A. ইতিহাস B. ভূগােল C. নগর D. কারখানা
উত্তর:) ইতিহাস
18.“রক্তপ্রবাহের মাঝে ফেনাইয়া উঠে”–কবির রক্তপ্রবাহের মধ্যে ফেনিয়ে ওঠে-
A. জিঘাংসা B. কৌতুহল C. ইতিহাসসচেতনতা D. সাম্রাজ্যের ধবংসের ছবি
উত্তর:) ইতিহাসসচেতনতা
19. “সােনার মুকুট কত ফুটে আর টুটে” বলতে কবি বুঝিয়েছেন-
A. রাজশক্তির উত্থান ও পতনকে
B. কোনাে নির্দিষ্ট রাজার অভিষেক ও অপসারণকে
C. কোনাে দেশের গড়ে-ওঠা আর বিলােপসাধনকে
D. রাজাদের দম্ভ আর তার চুর্ণ হওয়াকে
উত্তর:) রাজশক্তির উত্থান ও পতনকে
20. ‘খেয়া’ কবিতায় ‘সভ্যতার নব নব কত তৃষ্ণা ক্ষুধা’ বলতে কবি-
A. সভ্যতার নানাবিধ চাহিদাকে নির্দেশ করেছেন
B. সভ্যতার বিভিন্ন ব্যাধিগুলিকে নির্দেশ করেছেন
C. সভ্যতার অন্ধকারময় দিকগুলিকে নির্দেশ করেছেন
D. সভ্যতার গড়ে-ওঠার কারণগুলিকে নির্দেশ করেছেন
উত্তর:) সভ্যতার নানাবিধ চাহিদাকে নির্দেশ করেছেন
21. “উঠে কত –, উঠে কত সুধা!”
A. কোলাহল B. কলরব C. কলতান D. হলাহল
উত্তর:) হলাহল
22. “উঠে কত হলাহল, উঠে কত সুধা!”—‘হলাহল’ ও ‘সুধা’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন-
A. বিষ ও অমৃতকে B. সভ্যতার সুফল ও কুফলকে
C. দুঃখ ও আনন্দকে D. পরাজয় ও জয়কে
উত্তর:) সভ্যতার সুফল ও কুফলকে

23. “শুধু হেথা দুই তীরে, কেবা জানে________”
A.গ্রাম B.ধাম C.নাম D. ঠিকানা
উত্তর:) নাম
24. “কেবা জানে নাম,” – যাদের নাম কেউ জানে কি না বলে কবির সন্দেহ, তারা হল –
A. গ্রামের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা নদী B. গ্রামের সাধারণ মানুষজন
C. নদীর দু-পাড়ের দুই গ্রাম D. খেয়া নৌকাগুলির মাঝিরা
উত্তর:) নদীর দু-পাড়ের দুই গ্রাম
25. “দোঁহা পানে চেয়ে আছে…” পরস্পরের দিকে তাকিয়ে আছে-
A.মাঝি ও যাত্রী B.নদীর দুই তীরের দুটি গ্রাম
C.নদীর দুই তীরের দুটি গ্রামের মানুষ D.কবি ও নদীর পাড়ের গ্রামগুলি
উত্তর:) নদীর দুই তীরের দুটি গ্রাম
26. “এই খেয়া চিরদিন চলে ________”
A.জলস্রোতে B.নদীস্রোতে C. বায়ুস্রোতে D.জনস্রোতে
উত্তর:) নদীস্রোতে
27. “এই খেয়া চিরদিন চলে নদীস্রোতে”—পঙ্‌ক্তিটিতে কবি প্রকৃতপক্ষে যে খেয়ার কথা বলেছেন, তা হল-
A.জীবনতরী B. বাণিজ্যতরী
C. মানুষ পারাপারের কাজে ব্যবহৃত খেয়ানৌকা D. দূরদেশে যাত্রা করার জন্য ব্যবহৃত
উত্তর:) জীবনতরী

short questions – 2-3 marks of খেয়া (Kheya)

1.“খেয়ানৌকা পারপার করে নদীস্রোতে;”— খেয়া নৌকা  পারাপারের মধ্যে দিয়ে কবি কোন্ ছবি তুলে ধরেছেন?

 উত্তর:) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “খেয়া” কবিতায় নদীর বিপরীত তীরে অবস্থিত দুটি গ্রামের বাসিন্দারা খেয়ানৌকা করে এক পাশ থেকে অন্য প্রান্তে  যাওয়ার জন্য পাড়ি দেয়।

উদ্ধৃত পংক্তির মাধ্যমে কবি গ্রামবাংলার মানুষের সরল জীবনধারাকে তুলে ধরেছেন। কবিতার দুটি গ্রাম সামগ্রিকভাবে বাংলার পল্লীসমাজের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। মানুষের সম্পর্ক গ্রামীণ বাঙালির জীবনযাত্রার ভিত্তি। এই মানুষদের সংযোগের যোগসূত্র হল নদী পার হওয়া নৌকা।

  1. “কেহ যায় ঘরে, কেহ আসে ঘর হতে।”— এই পঙ্‌ক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি কী বুঝিয়েছেন?

 উত্তর:) যে লাইনটি উদ্ধৃত করা হচ্ছে তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “খেয়া” কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। নামহীন দুটি গ্রামের মধ্য দিয়ে কবি এই কবিতায় বাংলার পল্লীসমাজের কালজয়ী চিত্র তুলে ধরেছেন। গ্রামবাসীদের জীবনযাত্রা সরল এবং অসংগঠিত, এবং সম্প্রদায়ের একটি শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষ নৌকা ব্যবহার করে। এই মানুষগুলো নৃশংস ক্ষমতার লড়াইয়ের অংশ নয়, এরা সাধারণ জীবনধারার বাহক।

  1. “পৃথিবীতে কত দ্বন্দ্ব, কত সর্বনাশ,”— একথা বলতে  কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর:) যে লাইনটি উদ্ধৃত করা হচ্ছে তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “খেয়া” কবিতা থেকে‌ নেওয়া হয়েছে।

কবি পাঠককে নগর ও গ্রামের জীবনের তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছেন কবিতায়।

নাগরিক জীবনে দ্বন্দ্ব একটি ধ্রুবক। গ্রামের তুলনায় শহরে অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে, কিন্তু আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ করার সুযোগ কম। অনেক মানুষ সুখী হতে চায় বলে তাদের মধ্যে অনেক দ্বন্দ্ব ও রক্তপাত হয়। এই নির্মম সংগ্রামের ফলে পৃথিবীর অনেক ক্ষতি হয়।

  1. “নূতন নূতন কত গড়ে ইতিহাস” পঙ্‌ক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর:) শব্দগুচ্ছটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “খেয়া” কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। অসংখ্য যুদ্ধের মাধ্যমে পৃথিবীতে রাজশক্তির পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ প্রায়ই সুখ, সমৃদ্ধি এবং ক্ষমতার নামে একে অপরকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হয় অন্যদের কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করে। এভাবে এক সাম্রাজ্যের পতন এবং অন্য সাম্রাজ্যের জন্মের ফলে মানব সভ্যতার ইতিহাসে রচিত হয়েছে এক নতুন অধ্যায়।

  1. “সােনার মুকুট কত ফুটে আর টুটে!”— উদ্ধৃত পঙ্‌ক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে।

উত্তর:) প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সময়ে রাজারা তাদের মাথায় সোনার মুকুট পরতেন। সোনার মুকুট কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করে। ক্ষমতার লালসা একটি স্বাভাবিক মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। আদিকাল থেকে, মানুষ আধিপত্যের জন্য নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছে। যিনি এখন দায়িত্বে আছেন আগামীকাল তাকে অপসারণ করা যেতে পারে। বিজয়ী তার মাথায় সোনার মুকুট গ্রহণ করে এবং তখন পরাজিতের মুকুটটি শক্তির প্রতীক হিসাবে ভেঙে ফেলা হয়।

  1. “সভ্যতার নব নব কত তৃষ্ঞা ক্ষুধা”- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর:) যে লাইনটি উদ্ধৃত করা হচ্ছে তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “খেয়া” কবিতা থেকে নেওয়া। পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হল মানুষ। সৃষ্টির শুরু থেকে মানবজাতি ধারাবাহিকভাবে তার জীবনযাত্রার স্তরকে উন্নীত করেছে। এই বিকাশের ইতিহাসও মানব সভ্যতার ইতিহাস। সভ্যতার অগ্রগতির মধ্য দিয়ে মানবজাতিতে সুখ ও সমৃদ্ধি এসেছে। কিন্তু আবারও, উন্নয়নের প্রতি অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি প্রাকৃতিক জগত, পরিবেশ এবং মানুষের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। খরচ বিবেচনা না করে সভ্যতাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তার আবেগপ্রবণ পদক্ষেপকে তিনি তার “নব নব তৃষ্ঞা ক্ষুধা” হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

long questions – 5 marks of খেয়া (Kheya)

  1. ‘খেয়া’কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করাে।

উত্তর:) কবিতাকে সাধারণত তার বিষয়বস্তু বা চরিত্রের উপর ভিত্তি করে নাম দেওয়া হয়।

রবীন্দ্রনাথের “চৈতালী” কাব্যগ্রন্থের”খেয়া” কবিতায় কবি শহুরে ও দেশীয় জীবনের দুটি বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছেন। সমগ্র বাংলার গ্রামীণ জীবন চিত্রিত হয়েছিল একটি নামহীন নদীর দুপাশে দুটি নামহীন গ্রামকে কেন্দ্র করে। গ্রামের সাধারণ নাগরিকরা সরল জীবনযাপন করত। খেয়ানৌকা সেখানে নদীর বিভাজনের ওপর মানব-মানুষের বন্ধুত্বের সেতু নির্মাণ করে।

অন্যদিকে সভ্য সমাজে ক্ষমতার প্রয়োজনে মানুষ সহজেই একে অপরকে রক্তাক্ত করে। একটি সাম্রাজ্যের পতন হলে তার জায়গায় আরেকটি সাম্রাজ্য গড়ে উঠে । সভ্যতার কারণে মানুষ এখন সুখী জীবনযাপন করছে। ইতিমধ্যে, আধুনিক সমাজ মানুষকে প্রাকৃতিক জগত থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।

নাগরিক জীবনের এই উত্থান-পতন পল্লীগ্রামের জীবনযাত্রায় কোনও প্রভাব ফেলে না। 

গ্রামীণ জীবন গড়ে ওঠে ব্যক্তিবিশেষের সম্পর্কের উপর। তাদের সংযোগ বা সম্পর্কের প্রতীক খেয়ানৌকা। তাই দাবি করা যেতে পারে যে কবিতাটির প্রতীকী নাম “খেয়া” সর্বস্তরে তাৎপর্য বহন করে।

2.‘খেয়া’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নগর ও গ্রামজীবনের  যে তুলনামূলক ছবিটি তুলে ধরেছেন তা নিজের ভাষায় বর্ণনা কিরাে।

উত্তর:) ‘খেয়া’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একদিকে বিশ্বের নিষ্ঠুর নাগরিক জীবন, অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ ও সদয় মানবিক সম্পর্কে গ্রামীণ জীবন চিত্রিত করেছেন।

এখানে, সমগ্র বাংলার পল্লীগ্রামগুলি একটি নামহীন নদীর দুপাশে দুটি নামহীন জনবসতি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেছে । গ্রামের সাধারণ নাগরিকরা সরল জীবনযাপন করত। নদী পার হওয়ার পদ্ধতিটি উভয় পাশের দুটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে একটি আত্মীয়তার সংযোগ তৈরি করে।

যদিও শহরে বসবাস অত্যন্ত আরামদায়ক, কিন্তু আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক নেই বললেই চলে । তাই তারা মর্যাদা বা ভাগ্যের উন্নতির জন্য একে অপরের সহজেই ক্ষতি করতে পারে। রক্তক্ষয়ী সংঘাত যা এক সাম্রাজ্যকে পতন ঘটিয়ে আরেকটির উত্থান ঘটায়। সভ্যতার বিকাশের কারণে মানুষ এখন উন্নত জীবনযাপন করছে। অনেক উন্নত অস্ত্রের ফলে সভ্য মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে বিচ্ছিন্নতা বেড়েছে।

মহানগর জীবনের উত্থান-পতন, সেই সাথে দ্বন্দ্ব সংঘাত থেকে দূরে পৃথিবীর এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লীগ্রামের জীবনও একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। পরিমার্জিত, নির্মম নাগরিক জীবনের বিপরীতে সরল, সদয়, মানবিক দেশীয় জীবনের প্রতি রবীন্দ্রনাথের প্রবল অনুরাগ কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে।

  1. “উঠে কত হলাহল, উঠে কত সুধা!”— কোন্ প্রসঙ্গে কবি এই মন্তব্যটি করেছেন? উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করাে।

 উত্তর:) কাব্যগ্রন্থ ‘চৈতালী’র ‘খেয়া’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানব সভ্যতার কথিত অগ্রগতি সম্পর্কে এই বক্তব্য রেখেছেন।

মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। তার কথাই হলো সামগ্রিকভাবে মানবসভ্যতার ইতিহাস।

মানুষ যত স্বাচ্ছন্দ্য পেয়েছে ততো আরো চাহিদা বেড়েছে। সভ্যতার তথাকথিত অগ্রগতি মানুষকে ভয়ঙ্কর অস্ত্রের প্রবেশাধিকার দিয়েছে। মানুষের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের নেশা তৈরি হয়েছে। এর ফলে একটি সাম্রাজ্যের অবসান এবং আরেকটির উত্থান হয়েছে। মানব সভ্যতার রক্তাক্ত ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে এভাবেই রক্তের ভূমিকা রয়েছে।

প্রাচীন কাহিনী দাবি করে যে সমুদ্রমন্থনের ফলে সুধা বা অমৃত এবং হলাহল বা বিষ উভয়েরই সৃষ্টি করেছিল। কবির মতে, সভ্যতা যত এগিয়েছে, বিষ ও অমৃত উভয়ই দেখা দিয়েছে। কবি সভ্যতার মন্দ দিককে বিষ এবং ভালো দিককে সুধা বলে উল্লেখ করেছেন। দুর্ভাগ্যক্রমে, সভ্যতার নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলি প্রায়শই এর ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলিকে ছাড়িয়ে গেছে। নাগরিক ব্যস্ততার এই প্রভাবে কবি চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর তিনি পল্লীজীবনের শান্ত-নরম-মাটি গন্ধমাখা রূপের কথা উল্লেখ করেন। যেহেতু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে আসছে, তাই সম্ভবত সেখানে সভ্যতার অগ্রগতি তেমন প্রভাব ফেলেনি।

  1. চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থের বৈশিষ্ট্যের আলােকে ‘খেয়া’কবিতাটি বিশ্লেষণ করাে।

 উত্তর:) “চৈতালী” কাব্য সম্পর্কে রবীন্দ্র জীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন “চৈত্রের দুঃসহ গরমে নৌকায় আছেন,…। বোটের জানালা বন্ধ-খড়খড়ি তোলা, তার মধ্যে দিয়ে দেখা যায় বাইরের জগৎ, যেন ‘ছবি ও গান’ -এর জগৎটাকে আর একবার দেখে নিচ্ছেন আরেক পরিবেশে।

“খেয়া” কবিতাটি সরাসরি ভাষার মাধ্যমে কবির একটি প্রাণবন্ত স্মৃতি দেখায়। সত্যপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়ের “কাব্যগ্রন্থাবলী”-তে “চৈতালী” কাব্যের আগে যে কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল তা নিম্নরূপ:

“তুমি যদি বক্ষোমাঝে থাক নিরবধি 

তােমার আনন্দমূর্তি নিত্য হেরে যদি 

এ মুগ্ধ নয়ন মাের, …

কোনাে ভয় নাহি করি বাঁচিতে মরিতে |”

পাঠ্য কবিতা “খেয়া”-তে কবি বর্ণনা করেছেন যে কীভাবে গ্রামীণ দরিদ্রদের কঠোর জীবনযাপন বিশ্বের বিস্ময়ের দিকে তার চোখ খুলেছিল। কবির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের গভীর উপলব্ধি ছিল, যা তাকে নদীর তীরে দেখেছেন এমন অনেক ব্যক্তির জীবনের সৌন্দর্য এবং সরলতার প্রশংসা করতে পেরেছিলেন। সেই সাফল্য সভ্যতার উত্থান ও পতন এবং রাজবংশের পতন দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ‘চৈতালী’ কাব্যের অধিকাংশই গ্রামীণ অস্তিত্বের এই চিরন্তন গুণকে প্রতিফলিত করে। এই সুবিধার দিক থেকে চৈতালী কবিতার প্রাথমিক স্বর “খেয়া” কবিতায় স্পষ্ট।

error: Content is protected !!
Scroll to Top

আজকেই কেনো পরীক্ষার শর্ট নোটস

এখন সহজে পরীক্ষার প্রস্তুতি নাও – আজকেই ডাউনলোড করো পিডিএফ বা বই অর্ডার করো আমাজন বা ফ্লিপকার্ট থেকে