উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র-Upogroho Chitra o Bhu-Boichitrasuchok Maanchitra Geography Bhugol Subject WBBSE Madhyamik Class 10

আপনি এখানে শিখবেন এই অধ্যায়ে এবং বিষয়ের ফাউন্ডেশন অংশটা, এই বিষয়টিকে সহজ-সরলভাবে পড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ভিডিও লেকচার এর মাধ্যমে এবং এই পুরো অধ্যায়কে চার ভাগে খন্ডিত করে আপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে

  • প্রথম খন্ডে আপনি শিখবেন ফাউন্ডেশন অংশটা যেখানে অধ্যায়ের ব্যাপারে আপনাকে বোঝানো হয়েছে তার মানে definitions,basics  গুলো সহজভাবে.  এবং এটাকে আপনি বুঝতে পারবেন যেটা আপনাকে পরীক্ষার জন্য ক্রীপের করতে সাহায্য করবে
  • দ্বিতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন MCQ মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন যেটা সাধারণত এক Marks’er আসে পরীক্ষায়
  • তৃতীয় মডিউলে আপনি শিখবেন শর্ট অ্যানসার এবং কোয়েশ্চেন, যেটা আপনার পরীক্ষার সাজেশন মধ্যে পড়ে এবং এটা 3-4 marks’er  প্রশ্ন আসে আপনার পরীক্ষা
  • চতুর্থ মডিউল আপনি শিখবেন লং আনসার এবং questions যেটা সাধারণত 5-6 marks er হয়

আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যাতে কি আপনাকে আমরা সাহায্য করতে পারি

উপগ্রহ চিত্র

উপগ্রহ চিত্র : উপগ্রহ চিত্র হল কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে সংগৃহিত পৃথিবীর আলোকচিত্র । মহাকাশের কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর আলোকচিত্র সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষকের কাছে পাঠিয়ে দেয় । এই আলোকচিত্রই হলো উপগ্রহ চিত্র । Satellite-এর ব্যবহার Remote Sensing ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি।

উপগ্রহ চিত্রের ক্ষেত্র

উপগ্রহ চিত্রের তিনটি ক্ষেত্র –

  1. মহাকাশ ক্ষেত্র অর্থাৎ মহাকাশে উপগ্রহ পাঠানো ও কক্ষপথে প্রতিস্থাপন
  2. অনুধাবক ব্যবস্থা অর্থাৎ চোখ ভুপৃষ্ঠস্থ লক্ষ্যবস্তুকে পর্যবেক্ষণ করে
  3. তথ‍্যসংগ্রহক ব‍্যবস্থা

উপগ্রহ চিত্রের শ্রেণীবিভাগ 

উপগ্রহ চিত্রকে দুইভাগে ভাগ করা হয় –

  1. জিওস্টেশনারি উপগ্রহ চিত্র
  2. মেরুকক্ষ পরিভ্রমণকারী উপগ্রহ চিত্র
  • জিওস্টেশনারি উপগ্রহ চিত্র যেমন INSAT 1A, INSAT 1B এই সমস্ত স‍্যাটেলাইট গুলি পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে একই গতিতে ঘোরে এবং ছবি পাঠায় । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 36000 কিমি উচ্চতার নিরক্ষরেখা বরাবর জিওস্টেশনারি উপগ্রহ চিত্র ঘোরে ।
  • মেরুকক্ষ পরিভ্রমণকারী উপগ্রহ চিত্র সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 700-900 কিমি উচ্চতায় যেমন 1R ও 1A, 1R ও B প্রতি 22 দিন ছাড়া মেরু থেকে মেরুতে ঘোরে ।

ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের শিল্প, যানবাহন, জীবনযাপন, আয়তন, ভূপ্রকৃতি, নদনদী, উদ্ভিদ এগুলোর সঠিক বিবরণ মানচিত্রে যে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নের দ্বারা আঁকা হয় তাকে ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র বলে ।

ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট‍্য

  • এই মানচিত্রে যাতায়াত ব‍্যবস্থা, শহর ও জনবসতি, প্রাকৃতিক উপাদান, অর্থনৈতিক উপাদান ইত‍্যাদি সম্পর্কে সঠিক বিবরণ পাওয়া যায় ।
  • এই মানচিত্রে অক্ষাংশগত ও দ্রাঘিমাংশগতকে নির্দিষ্ট ভাবে দেখানো হয়েছে ।
  • এই মানচিত্রে সমোন্নতিরেখা ও স্থানিক উচ্চতার সাহায্যে যেকোনো অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও ভূমিরূপের নিখুঁত বর্ণনা চিত্রিত থাকে।

উদ্দেশ‍্য ও প্রয়োজনীয়তা

এই মানচিত্রে কোনো জায়গার উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হয় ।

যাতায়াত ব‍্যবস্থা, জনবসতি ইত‍্যাদি সম্পর্কে জানা যায় ।

প্রাকৃতিক বিষয় যেমন নদনদী, ভূপ্রকৃতি, হ্রদ প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে জানা যায় । 

প্রাকৃতিক উপাদান ও সংস্কৃতিক উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরতা সম্পর্কে জানা যায়।

উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রের তুলনা

উপগ্রহ চিত্রভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্র
মহাকাশের কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর আলোকচিত্র সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষকের কাছে পাঠিয়ে দেয় । এই আলোকচিত্রই উপগ্রহ চিত্র ।কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের শিল্প, যানবাহন, জীবনযাপন, আয়তন, ভূপ্রকৃতি, নদনদী, উদ্ভিদ এগুলোর সঠিক বিবরণ মানচিত্রে যে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নের দ্বারা আঁকা হয় তাকে ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র বলে ।
এটি সমগ্র ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরে ।এটি শুধুমাত্র বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলো তুলে ধরে।
দুর্গম অঞ্চলের ফটো নেওয়া যায় ।দূর্গম অঞ্চলে কাজ করা যায় না ।
অল্প সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায় ।মানচিত্র তৈরী সময় সাপেক্ষ ।

উপগ্রহ চিত্র গ্রহণের পর্যায়

কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে চিত্র সংখ‍্যা নেওয়ার পর সেই সংখ‍্যাগুলোকে কম্পিউটারের সাহায‍্যে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় । এই প্রতিবিম্ব গঠনের আবার কতগুলি পর্যায় আছে । যেমন-

  1. প্রথমে মানচিত্র  তৈরির জন‍্য একটি বিশেষ অঞ্চল বেছে নেওয়া হয় । যার মাধ‍্যমে নির্দিষ্ট স্থানের মানচিত্র সংগ্রহ করা হয় ।
  2. এরপর নির্দিষ্ট অঞ্চলটিকে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা হয় ।
  3. এরপর স‍্যাটেলাইট ওই অঞ্চলের বস্তু ও বিষয়সমূহের তথ‍্য সংখ‍্যার আকারে সঞ্চয় ও গ্রহণ করে ।
  4. শেষে এই তথ‍্যগুলি আবার বিশ্লেষণের জন‍্য ground station এ পাঠানো হয়, একে বলা হয় রূপায়ণ এবং তার প্রতিলিপি নেওয়া হয় । একে বলা হয় মুদ্রণ ।

উপগ্রহ চিত্রের বৈশিষ্ট‍্য

  1. উপগ্রহ চিত্র গুলি ডিজিটাল ।
  2. কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ‍্যমে স্ক‍্যান করে উপগ্রহ চিত্র গুলি পর্যবেক্ষকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ।
  3. অনেক উচু 600-30000 কিলোমিটার  থেকে এগুলোকে তোলা হয় ।
  4. বিদ‍্যুৎ চুম্বকীয় শক্তির মাধ‍্যমে  উপগ্রহ চিত্র তোলা হয় ।
  5. এর মাধ‍্যমে বস্তুকে দেখা যায়না, কিন্তু বস্তুর ছাপ ফুটে ওঠে ।
  6. বস্তুর বা উপাদানের ত্রিমাত্রিক দর্শন সম্ভবপর হয় না ।
  7. সকল প্রকার অবয়বের ছাপ ফুটে ওঠে ।

উপগ্রহ চিত্রের ব্যবহার ও গুরুত্ব 

  1. এই চিত্রের সাহায‍্যে কোনো অঞ্চলের ভূমিরূপের আবরণগত ও ব‍্যবহারগত মানচিত্র তৈরি করা হয় ।
  2. এই চিত্রের সাহায‍্যে অগ্ন‍্যুদ্গমের বিকিরণের পরিমাণ জানা যায় ।
  3. এই চিত্রের সাহায‍্যে ঘূর্ণবাতের গতিবিধি চিহ্নিতকরণ করা যায় ।
  4. ভূমিধস, দাবানল, ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা যায় ।
  5. এই চিত্রের মাধ‍্যমে পতিত জমি চিহ্নিত করা হয় এবং তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয় ।
  6. এই চিত্রের মাধ‍্যমে জলাশয়ের উদ্ভিজ্জ কণার পরিমাণ বোঝা যায় ।
  7. এই চিত্রের মাধ‍্যমে শস‍্যের ফলনের পরিমাণ ও গুণমান সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া হয় । র‍্যাডারের সাহায‍্যে ঘূর্ণবাতের গতিবিধি চিহ্নিত করা হয় ।

ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রে বিভিন্ন স্কেলের ব‍্যবহার 

অতীতে ব্রিটিশ পদ্ধতি ব‍্যবহৃত হলেও বর্তমানে CGS পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় । এই মানচিত্রে তিনটি স্কেল ব‍্যহৃত হয় । যথা –

  1. বিবৃতিমূলক স্কেল (statement scale) : যে সকল মানচিত্রের যেমন মৌজা , ভূবৈচিত্রমূলক মানচিত্র আয়তন ছোটো বা বড় করলে পরিমাপে সমস‍্যা দেখা যায়, সেই সকল মানচিত্রে লিখিত বিবৃতির মাধ‍্যমে মানচিত্র প্রকাশ করা হয় । যেমন- 16 সেমিতে 50 কিমি । এর দ্বারা ভূমি ভাগের দূরত্ব ও মানচিত্র দূরত্ব অনুপাতকে লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে  প্রকাশ করা হয় ।
  2. রৈখিক স্কেল (Linear scale) : এই স্কেলের মাধ‍্যমে গবেষক, লেখকরা নিজেদর মানচিত্র প্রস্তুত করেন । এই স্কেলের মাধ‍্যমে কোনো স্থানের মানচিত্রের দূরত্ব ও ভূমিভাগের দূরত্বের অনুপাতকে এই স্কেলের দ্বারা প্রকাশ করা হয় । প্রয়োজন অনুসারে মানচিত্রের আয়তন ছোটো বা বড় করতে এই স্কেল ব‍্যবহার করা হয়।

সংখ‍্যাসূচক স্কেল (R.F scale) : পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানচিত্রে এই স্কেল ব‍্যবহার করা হয় । এই স্কেলের সাহায‍্যে ভূমিভাগের দূরত্ব ও মানচিত্রের দূরত্বের অনুপাতকে সংখ‍্যায় প্রকাশ করা হয় ।

উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রের তুলনা

উপগ্রহ চিত্রভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্র
মহাকাশের কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর আলোকচিত্র সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষকের কাছে পাঠিয়ে দেয় । এই আলোকচিত্রই উপগ্রহ চিত্র ।কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের শিল্প, যানবাহন, জীবনযাপন, আয়তন, ভূপ্রকৃতি, নদনদী, উদ্ভিদ এগুলোর সঠিক বিবরণ মানচিত্রে যে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নের দ্বারা আঁকা হয় তাকে ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র বলে ।
এটি সমগ্র ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরে ।এটি শুধুমাত্র বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলো তুলে ধরে।
দুর্গম অঞ্চলের ফটো নেওয়া যায় ।দূর্গম অঞ্চলে কাজ করা যায় না ।
অল্প সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায় ।মানচিত্র তৈরী সময় সাপেক্ষ ।

SOLVED QUESTIONS & ANSWERS of উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

1 MARKS QUESTIONS of উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

  1. প্রথম স্যাটেলাইট ইমেজ কত খ্রিস্টাব্দে সংগ্রহ করা হয় ?

উঃ 1946 খ্রিস্টাব্দে।

  1. IRS – 1A স্যাটেলাইটটি কত খ্রিস্টাব্দে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ? 

উঃ 1988 খ্রিস্টাব্দের 17 মার্চ।

  1. উপগ্রহের মধ্যে যে – ক্যামেরা লাগানো হয়ে থাকে, তাকে কি বলে ? 

উঃ সেন্সর।

  1. সেন্সর কিসের দ্বারা সমস্ত চিত্রগুলি সংগ্রহ করে ? 

উঃ প্রতিফলিত রশ্মি।

  1. ভারতের প্রথম উপগ্রহের নাম কী ? 

উঃ আর্যভট্ট।

  1. কোন স্যাটেলাইট দ্বারা আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্যসংগ্রহ করা হয় ?

উঃ IRS স্যাটেলাইট।

  1. ভারতের উপগ্রহ গবেষণাকেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত ?

উঃ বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত।

৪. কোলকাতায় টোপোমানচিত্র প্রকাশনা কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত ? 

উঃ উডস্ট্রিটে।

  1. একটি অ্যাকটিভ সেন্সরের উদাহরণ দাও।

উঃ র‍্যাডার।

  1. একটি প্যাসিভ সেন্সরের উদাহরণ দাও।

উঃ ফটোগ্রাফিক ক্যামেরা।

  1. GIS- এর পুরো নাম লেখ ? 

উঃ Geographical Information System

  1. GPS- যন্ত্র কীভাবে একটি জায়গার অবস্থান নির্ণয় করে ?

উঃ উপগ্রহের সাহায্যে অবস্থান জেনে।

  1. স্যাটেলাইট কয় প্রকারের ও কি কি ? 

উঃ দুই প্রকারের, যথা জিয়োস্টেশনারি ও সানসিনক্রোনাস।

  1. আকাশ থেকে আলোকচিত্র গ্রহণ করে তা বিচার বিশ্লেষণ করে মানচিত্র বা ম্যাগাজিন হিসাবে প্রকাশ করাকে কী বলে ? 

উঃ ফটোগ্রামিতি।

  1. মৌজা মানচিত্রের স্কেল কত ? 

উঃ 16 ইঞ্চিতে 1 মাইল।

  1. পৃথিবীর ক্ষেত্রে মুক্তি বেগ কত ? 

উঃ 11.2 কিমি / সে।

  1. সূর্যের ক্ষেত্রে মুক্তিবেগ কত ? 

উঃ 617 কিমি / সে।

  1. Geostationary Satellite কিসের চিত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম ? 

উঃ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের।

  1. Geostationary Satellite- এর কয়েকটি উদাহরণ দাও ।

উঃ GOES , INSAT , GOMS , METEOSAT , GMS ।

  1. Sunsyncronous Satellite কিসের চিত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম ?

উঃ সমগ্র পৃথিবীর।

  1. কয়েকটি SunSyncronous Satellite- এর নাম উল্লেখ কর ।

উঃ IRS, SPOT, LANDSAT।

  1. DGPS এর পুরো নাম কি?

উঃ Differention Global Positioning System।

  1. DGPS কেন ব্যবহার করা হয় ?

উঃ GPS- এর বিভিন্ন ভুল- ত্রুটি কমানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়।

  1. GLONASS কি ? 

উঃ GLONASS হল রাশিয়ার একটি GPS ব্যবস্থা।

  1. GALILEO বলতে কি বোঝো ?

উঃ এটি ইউরোপের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তৈরি একটি Global Navigation Satellite System |

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে ভূপ্রকৃতি ও ভূমির ঢাল কোন রং দ্বারা চিহ্নিত করা হয় ?

উঃ বাদামি।

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে নদনদী ও জলাভূমি দেখানো হয় কোন রঙের সাহায্যে ? 

উঃ নীল।

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে বনভূমি দেখানাের জন্যে কোন রং ব্যবহার করা হয় ?

উঃ সবুজ।

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে জনবসতি দেখানো হয় কোন রং দ্বারা ? 

উঃ লাল।

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে কাঁচারাস্তা ও পাকারাস্তা দেখানোর জন্য কোন্ রং ব্যবহৃত হয় ?

উঃ লাল।

  1. Survey of India কত খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত হয় ?

উঃ 1767 খ্রিস্টাব্দে।

Multiple Choice Questions – 1 Marks of উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

একটি স্বাভাবিক উপগ্রহের নাম লেখ ?

  • চাঁদ 
  • সূর্য
  • পৃথিবী
  •  মঙ্গল

চাঁদ

একটি কৃত্রিম উপগ্রহ হল- 

  •  পৃথিবী                         
  • সূর্য
  •  নেপচুন                        
  • IRS

IRS (Indian Remote Sensing)

সানসিনক্রোনাস স্যাটেলাইটগুলির উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে মূলত কত কিমি হয় ?

  1. 2000-3000                      
  2. 700-900 
  3. 100-500                         
  4. 50-100                        

700-900

জিয়োস্টেশনারি স্যাটেলাইটগুলি ভূপৃষ্ঠ থেকে কত কিমি উচ্চতায় অবস্থান করে ?

  • 2000                           
  • 4600
  • 2000                           
  • 1000

36000

IRS স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় কত সালে ?

  • 1990  খ্রিষ্টাব্দে                  
  • 2000 খ্রিষ্টাব্দে
  • 1988 খ্রিষ্টাব্দে                   
  • 2010 খ্রিষ্টাব্দে

1988 খ্রিস্টাব্দে

ভারতের প্রথম উপগ্রহ হল কোনটি?

  • INSAT                         
  • আর্যভট্ট
  • স্পুটনিক                        
  • রোহিনী

আর্যভট্ট

রেজোলিউশান কয় প্রকারের ?

  • 1                                
  • 2
  • 3                               
  • 4          

4

FCC- তে সবুজ রং কে কি হিসাবে দেখানো হয় ?

  • লাল                             
  • নীল 
  • হলুদ                            
  • সাদা 

লাল

ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে RF কত থাকে ?

  • 1 : 2,50,000                    
  • 1 : 50,000
  • 1 : 1,00,000                    
  • 1 : 5,00,000

1 : 50,000

কত খ্রিস্টাব্দে NOAA (National Oceanic and Atmospheric Administration) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় ?

  • 1970                            
  • 1991
  • 1981                            
  • 2001

1991 খ্রিস্টাব্দে

একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র হল –

  • কোনো দেশের মানচিত্র            
  • মৌজা মানচিত্র 
  • রাজ্য মানচিত্র                     
  • পৃথিবী মানচিত্র      

মৌজা মানচিত্র

ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে অনিত্যৰহ নদীগুলি কোন রং দ্বারা চিহ্নিত করা হয় ?

  • সবুজ                             
  • খয়েরি 
  • লাল                               
  • কালো

কালো

ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে সূচকসংখ্যার ঊল্লেখ কোন দিকে থাকে ?

  • উত্তর-পূর্ব                          
  • দক্ষিণ-পূর্ব
  • উত্তর-পশ্চিম                       
  • দক্ষিণ-পশ্চিম 

উত্তর – পশ্চিম

ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রে প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক উপাদানগুলির সম্পর্ক কিসের দ্বারা দেখানো হয় ?

  • কোরোপ্লেথ চার্ট দ্বারা              
  • ট্রানজেক্ট চার্ট দ্বারা
  • নদী ম্যাপ দ্বারা                    
  • কন্টুর ম্যাপ দ্বারা          

ট্রানজেক্ট চার্ট দ্বারা

Short Questions – 2-3 Marks of উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

  • দূর সংবেদন (Remote Sensing) কাকে বলে ?

উত্তরঃ বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ক্ষেত্র বা উপাদানকে স্পর্শ না করেই দূরের

বিষয়বস্তু সম্পর্কে সুন্দর নিখুঁত ধারণা গড়ে তোলার পদ্ধতিকে দূর সংবেদন বা Remote Sensing বলে।

Remote sensing is an art or “science of collecting data ( information ) from an object at a far distance without any physical contact . ”

এ ক্ষেত্রে ভূপৃষ্ঠ থেকে, উপরে বিমান থেকে Air Photo অথবা মহাকাশে Satellite- এর দ্বারা তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

  • প্রাত্যহিক জীবনে Remote Sensing- এর কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করো।

উত্তরঃ  আমরা প্রতিদিনের কাজকর্মের মধ্যে দিয়ে এই Remote Sensing ব্যবস্থার প্রয়োগ করে থাকি। তবে এত ক্ষুদ্র অর্থে এই সীমাবদ্ধ নয়। যেমন- টেলিভিশন দেখার সময় রিমোটের সাহায্যে আমরা চ্যানেল পরিবর্তন করি, বন্ধ করি ইত্যাদি। এক্ষেত্রে টেলিভিশনে কোনো রকম স্পর্শ ছাড়াই আমরা  নিয়ন্ত্রণ করে থাকি। এটিকেই Remonte Sensing এর প্রাথমিক ধারনা বলা যায়। এছাড়াও বই পড়ে কোনো তথ্য সংগ্রহ করার সময় দূর থেকে স্পর্শ না করেই কোনো বিষয়বস্তু সম্পর্কে আমরা একাধিক তথ্য সংগ্রহ করে থাকি। অন্যতম উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে আলোক তরঙ্গকে Sensing যন্ত্রে ধরে বস্তুর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন করা।

  • দুর সংবেদন ব্যবস্থার ( Types of Remote Sensing ) শ্রেণিবিভাগ উল্লেখ কর ।

উত্তরঃ  দূর সংবেদন ব্যবস্থা দুই প্রকারের । যথা- I. Air photo বা বিমান চিত্র সংগ্রহ , II. উপগ্রহ চিত্রগ্রহণ

  1. এয়ারফটো বা বিমান চিত্র সংগ্রহ পদ্ধতিতে ভূপৃষ্ঠ থেকে কিছুটা উপরে বিমান , হেলিকপ্টার বা বেলুন সংস্থাপিত ক্যামেরার সাহায্যে প্রথাগত বিমানচিত্র সংগ্রহ করা হয় ।
  2. উপগ্রহ চিত্রগ্রহণ পদ্ধতিতে মহাকাশে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে পৃথিবীর চিত্র সংগ্রহ করা হয়। সেন্সর কর্তৃক গৃহীত এই ডিজিটাল পরিসংখ্যান নিয়ন্ত্রক কেন্দ্রগুলিতে সংরক্ষিত হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিচার বিশ্লেষণ করে ব্যবহার করা হয়।
  • EMR কি ?

উত্তরঃ EMR এই সম্পূর্ণ নাম হল- Electro Magnetic Radiation। সৌরশক্তির বিকিরণকে তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ বা EMR বলা হয়। দূর সংবেদন ব্যবস্থায় EMR কে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

  • EMS বলতে কি বোঝো ?

উত্তরঃ EMS এর পুরো নাম হল Electro Magnetic Spectrum। সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত আলোক রশ্মি যখন তরঙ্গের আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং আলোক বর্ণালীর বিভিন্ন ক্ষেত্র রচনা করে তাকে তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালী বা Electro Magnetic Spectrum বলে।

  • মাইক্রোওয়েভ রিমোট সেনসিং ( Microwave Remote Sensing ) বলতে কি বোঝো ? 

উত্তরঃ দূর সংবেদন ব্যবস্থার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল Microwave Remote Sensing (MRS)।এটি Electro Magnetic Spectrum ( EMS )- এর 1mm থেকে 1m পর্যন্ত হয়। এটি মূলত Radar দ্বারা পরিচালিত হয় । Remote Sensing এর এই পর্যায়ে Sensor- এর নিজস্ব শক্তি বা Wave Length ব্যবহৃত হয়। Microwave Remote Sensing মূলত বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষেত্রগুলিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে অন্যান্য ক্ষেত্রে এর ব্যবহার লক্ষণীয়।

  • এরিয়াল ফটোগ্রাফি ( Aerial Photography ) কি ? 

উত্তরঃ Aerial Photo বা বিমান চিত্র  দূর সংবেদন ব্যবস্থার একটি বিশেষ পদ্ধতি। পৃথিবীর কোনো অংশের ছবি যখন বিমানে Camera বসিয়ে আকাশ থেকে সংগ্রহ করা হয় তখন তাকে Aerial Photograph বলে। আকাশে পাঠানো বিমানে Camera- এর ব্যবহার ঘটিয়ে একদিকে যেমন ভূপৃষ্ঠের একটি বড় অঞ্চলের সচিত্র বৈশিষ্ট্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়, ঠিক তেমনি এর সাহায্যে মানচিত্র আঁকা সহজ হয়। উদ্ভিদ, মৃত্তিকা, কৃষি ইত্যাদি বিষয়ের জন্য যে – জরিপ কার্য সম্পাদন করা হয় তার জন্যে আকাশ থেকে গৃহীত আলোকচিত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

  • GIS কী ? 

উত্তরঃ GIS হল  Geographical Information System যার মাধ্যমে দেশের  তথা ভৌগোলিক নানান তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করা হয়। সাধারণত দূর সংবেদন ( Remote Sensing ) ব্যবস্থার দ্বারা পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত সংখ্যাভিত্তিক তথ্য ( Digital Information ) সংগ্রহ করা হয় সেগুলি Computer- এর সাহায্যে বিচার বিশ্লেষণ ও তার বাস্তবিক প্রয়োগের অত্যাধুনিক পদ্ধতি হল GIS ।

তথ্য তালিকা

ট্রপোপাগ্রাফি

জিয়োলজি

সয়েল

হাইড্রোলজি

ক্লাইমেট

ভেজিটেশন

ল্যান্ড ইউস

পপুলেশন

উৎপত্তি

এয়ারফটো টোপোশিট

এয়ারফটো জিএসআই ম্যাপ

এয়ারফটো সয়েল ম্যাপ

এয়ারফটো টোপোশিট

এয়ারফটো ওয়েদার চার্ট

এয়ারফটো ন্যাটমো ম্যাপ

এয়ারফটো ন্যাটমো ম্যাপ

এয়ারফটো সেন্সাস

                                       

GIS

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে GIS-এর সূচনা ষাটের দশকে হলেও, বৈজ্ঞানিকভাবে এর প্রয়োগ শুরু হয় 1980 -এর দশকে। যদিও ভারতবর্ষে এর ব্যবহার নতুন। দেরাদুনে অবস্থিত Indian Institute of Remote Sensing (IIRS) GIS শিক্ষামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে GIS- এর সূচনা ষাটের দশকে হলেও, বৈজ্ঞানিকভাবে এর প্রয়োগ শুরু হয় 1980-এর দশকে। যদিও ভারতবর্ষে এর ব্যবহার নতুন। দেরাদুনে অবস্থিত Indian Institute of Remote Sensing ( IIRS ) GIS শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

  • ভারতের ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র ( Topographical Map ) – এর নম্বর বিভাজন উল্লেখ কর ? 

উত্তরঃ ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলো 1 : 10,00,000 স্কেলে 4° x 4° শিটে বিভাজিত। যার নম্বর 1, 2, 3, .. 96, 97 প্রভৃতি রূপে উল্লিখিত হয়। এরপর 4° x 4° -এর প্রতিটি গ্রিডকে 1° x 1° গ্রিডে 16 টি অংশে ভাগ করা হয়। এটির স্কেল হয় 1 ইঞ্চিতে 4 মাইল বা 1 সেমিতে 2.5 কিমি । এই শিটগুলির সূচক সংখ্যা – 69A, 73B প্রভৃতি। এই 1° x 1° শিটকে আবার 15′ x 15′ গ্রিডে 16 টি ভাগে ভাগ করা হয় যার স্কেল হয় 1 ইঞ্চিতে 1 মাইল বা 1 সেমিতে 0.5 কিমি। এই শিটগুলির সংখ্যা বিভাজন 61A/2, 55C/5,73M/10 ইত্যাদি হয়।

  • ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ কর ।

উত্তরঃ এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ –

  1. এই মানচিত্রগুলি প্রয়োজন অনুযায়ি কতগুলি সুনির্দিষ্ট স্কেলে আঁকা হয়ে থাকে।
  2. ভূপৃষ্ঠের জরিপ কার্যের দ্বারা গৃহীত প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মানচিত্র অঙ্কিত হলেও বর্তমানে উপগ্রহ চিত্র ও আকাশ চিত্র থেকে সংগৃহীত তথ্যের নিরিখে এই মানচিত্র তৈরি করা হয়ে থাকে।
  3. প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উভয় তথ্যই এই মানচিত্রে প্রকাশিত হয়।
  4. এরূপ মানচিত্রে সূচক সংখ্যার উল্লেখ থাকে।
  5. এই মানচিত্রে সুনির্দিষ্ট অখ্যাংশ ও দ্রাঘিমাংশগত বিস্তার লক্ষনীয়।
  6. বিভিন্ন রকমের সংকেত, প্রতীক চিহ্ন, রেখা, রং প্রভৃতি মানচিত্রে উপস্থিত।
  7. এই প্রকারের মানচিত্রগুলি ভারতে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া ব্যতীত অন্য কেউ প্রকাশ করতে পারে না।
  • Topographical Map- এ ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের স্কেলের পরিচয় দাও ।

 উত্তরঃ Survey of India (ভারতীয় জরিপ বিভাগ,  যার প্রতিষ্ঠা  1767 খ্রিস্টাব্দে, সদর দপ্তর – দেরাদুন, উত্তরাখণ্ড) 1957 খ্রিস্টাব্দ থেকে ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র তৈরির জন্য ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত  ইঞ্চি, ফুট, গজ, মিটার প্রভৃতি এককের  পরিবর্তে মেট্রিক পদ্ধতি যথা – মিলিমিটার, সেন্টিমিটার, মিটার, কিলোমিটার ইত্যাদি চালু করে। বর্তমানে ভারতের সমস্ত Topographical Map- এ ব্যবহৃত মেট্রিক পদ্ধতির স্কেলগুলি হল- (1) 1 : 25,000 ( বিশেষ ম্যাপ ) (2) 1 : 10,00,000 ( মিলিয়ন শিট ) (3) 1 : 2,50,000 ( ডিগ্রি শিট ) (4) 1 : 1,00,000 ( অর্ধ ডিগ্রি শিট ) (5) 1 : 50,000 ( এক ইঞি শিট )।

  • ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র ( Topographical Map ) থেকে কোন কোন বিষয় জানা যায় ? 

উত্তরঃ এর দ্বারা মূলত আমরা দুই প্রকারের তথ্যাবলী জানতে পারি। যথা-

ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র (Topographical Map) থেকে কোন কোন বিষয় জানা যায় ? উত্তর এর দ্বারা মূলত আমরা দুই প্রকারের তথ্যাবলী জানতে পারি। যথা-

  1. প্রাকৃতিক উপাদান : এক্ষেত্রে ভূমিরূপ ( সমোন্নতি রেখারমাধ্যমে ) নদনদী , হ্রদ , জলাশয় , স্বাভাবিক উদ্ভিদ , বনভূমি প্রভৃতির অবস্থান সম্পর্কে জানা যায় ।
  2. সাংস্কৃতিক উপাদান : যেমন- জনবসতি, শিল্প, কলকারখানা, রাস্তাঘাট, রেললাইন, টেলিফোন ও ইলেকট্রিক লাইন ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়।
  • ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র ( Topographical Map ) কারা, কীভাবে প্রস্তুত করে ? 

উত্তরঃ  ভারতীয় উপমহাদেশের ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ ও প্রকাশনার কাজ করে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে। তবে সারা ভারতবর্ষ জুড়ে এর শাখা দপ্তর রয়েছে।

  • RF স্কেল কি ? 

উত্তরঃ  RF হল Representative Fraction বা ভগ্নাংশসূচক স্কেল। মানচিত্রের দূরত্ব ও ভূমিভাগের দূরত্বকে যখন ভগ্নাংশে প্রকাশ করা হয় তাকে RF বা ভগ্নাংশসূচক স্কেল বলে।

সূত্র : RF = মানচিত্রের দূরত্ব/ভূমিভাগের দুরত্ব

উদাহরণ : 1 : 50,000 ; 1 : 10,00,000 প্রভৃতি

বৈশিষ্ট্য :  i) RF স্কেল একক বিহীন। ii) এই স্কেলের লব সবসময় 1 হয়ে থাকে।

  • ভিজিবেল ওয়েভ লেন্থ ( Visiable Wave Length ) বলতে কি বোঝায় ? 

উত্তরঃ  ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামের অতি ক্ষুদ্র অংশই দৃশ্যমান, কারণ স্পেকট্রামের প্রতি মানুষের চোখের স্পর্শকাতরতা মাত্র 0.4 µm থেকে প্রায় 0.7 µm- এর মধ্যে সীমিত। 0.4 µm থেকে 0.5 µm পর্যন্ত নীল, 0.5 থেকে 0.6 µm পর্যন্ত সবুজ ও 0.6 থেকে 0.7 µm পর্যন্ত লাল স্পেকট্রাম লক্ষনীয়। একেই ভিজিবেল ওয়েভ লেন্থ বলা হয়।

  • Overlapping কাকে বলে? 

উত্তরঃ  বিমান থেকে তোলা দুটি আকাশচিত্রের চিত্রের মধ্যে একটি  অংশ উভয় চিত্রের মধ্যে পাওয়া যায়। এই সারণভাবে পাওয়া একই  অংশকে Overlap বলে। Mirror Stercoscope- এর সাহায্যে Overlap অঞ্চলকে বিশ্লেষণ করা হয়। এর দুটি বিভাগ বর্তমান- Forward Overlap ও lateral Overlap।

  • Photogrammetry কি ? 

উত্তরঃ  আকাশ বা মহাকাশ থেকে চিত্র সংগ্রহ ও তার অনুশীলন পদ্ধতিকে Photogrammetry বলা হয়। এটি জরিপ কার্যে সাহায্য করে। কানাডার জরিপ বিভাগের প্রধান ক্যাপ্টেন ডেভিল 1886 খ্রিস্টাব্দে প্রথম আলোকচিত্রের সাহায্যে জরিপ কার্যের ব্যবস্থা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে এই পদ্ধতি উন্নত হয়।

  • False Colour Image বলতে কি বোঝায় ?

উত্তরঃ  উপগ্রহ চিত্রের মধ্যে কখনও কখনও False Colour ব্যবহার করা হয় যার সাহায্যে চিত্রায়িত উপাদানগুলির কিছু বিশেষ অংশকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ধরনের Image- কে False Colour Image বলে। যেমন- অধিকাংশ Landsat Image- এ কৃষিভূমি গুলিকে লাল ও পতিত ভূমিকে বাদামি রঙের দেখানো হয়।

Long Questions – 5 Marks of উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র‍্যসূচক মানচিত্র

1.উপগ্রহ চিত্র তোলার বিভিন্ন পর্যায়গুলি আলোচনা কর ।

উত্তরঃ  মূলত দুটি পর্যায়ে এই চিত্র তোলা হয়। যথা- a. তথ্য সংগ্রহ ও b. সংগৃহীত তথ্যের যথাযত বিশ্লেষণ

  1. তথ্য সংগ্রহ: তথ্য সংগ্রহের প্রথম পর্যায়ে যে কর্যাবলি সম্পাদিত হয় তা নিম্নরূপ-
  • কৃত্রিম উপগ্রহের প্রতিস্থাপন: ভূপৃষ্ঠ থেকে তথ্যসংগ্রহের জন্য মহাকাশে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রতিস্থাপন করা হয়। এই কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে উপস্থিত সেন্সর বা ক্যামেরা তথ্যসংগ্রহের কাজ করে।
  • তথ্যসংগ্রহ: কৃত্রিম উপগ্রহের সেন্সর বা ক্যামেরা পৃথিবীর প্রতিটি বস্তু, ক্ষেত্র বা উপাদান থেকে নির্গত তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে ( EMR ) গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে দিনেরবেলায় আগত সূর্যের আলো বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফেরার সময় দূর সংবেদনের সাহায্যে উপগ্রহ চিত্র গ্রহণের পদ্ধতিকে নিষ্ক্রিয় – দূর সংবেদন বা নিষ্ক্রিয় সেন্সর বলে। অন্যদিকে রাত্রিবেলা কৃত্রিম উপগ্রহ র্যাডারের সাহায্যে ভূপৃষ্ঠের কোনো বস্তুর ওপর নিজস্ব আলো দিয়ে বস্তুর প্রতিফলন সংগ্রহ করে। এই ধরনের সেন্সর হল সক্রিয় সেন্সর। আলোকরশ্মি ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন উপাদান থেকে বিভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়। প্রতিফলিত তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ ও তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালির সাহায্যে সেন্সরের দ্বারা ভূপৃষ্ঠের নানান তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
  • তথ্যের নথিভুক্তকরণ: ভূপৃষ্ঠের কোনো বস্তু বা উপাদান থেকে সংগৃহীত প্রতিফলন বৈদ্যুতিনভাবে সংখ্যা বা digital আকারে নথিভুক্ত হয়। সেন্সর যন্ত্র ভূপৃষ্ঠের যে অংশের ছবি তোলে তাকে অনেকগুলি গ্রিড বা খোপে ভাগ করে থাকে যাকে  পিক্সেল বলে।
  1. সংগৃহীত তথ্যের যথাযথ বিশ্লেষণ: কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে সংগৃহীত তথ্যের সঠিক ও যথার্থ বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এই বিশ্লেষণ দুভাবে করা হয়–
  • কম্পিউটারের ব্যবহার করে: সংগৃহিত digital তথ্যরাশি কম্পিউটারের বিশেষ software ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।
  • অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে সমন্বয়সাধন এবং রাশিতথ্যের প্রয়োগ:  রাশিতথ্য বিশ্লেষণ দ্বারা মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়। এক্ষেত্রে  একাধিক তথ্যের মধ্যে যেমন সমন্বয় ঘটানো হয় তেমনই নানান তথ্যকে সংযুক্ত করে মানচিত্রকে সহজ, বোধগম্য ও নির্ভুলভাবে নির্মাণ করা হয়।

2.উপগ্রহ চিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি লেখ।

উত্তরঃ  মহাকাশে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে গৃহীত ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশের আলোকচিত্রকে উপগ্রহ চিত্র বলে। এই উপগ্রহ চিত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ-

  1. উপগ্রহ চিত্র দ্বারা যেকোনো অঞ্চলের সম্পূর্ণ প্রতিকৃতি লাভ করা সম্ভব।
  2. এর মাধ্যমে ভূদৃশ্যের পরিবর্তিত চিত্র সঠিক সময়ে পাওয়া সম্ভব হয়।
  3. উপগ্রহ চিত্র অতিদ্রুত প্রদর্শন করা যায়।
  4. এর মাধ্যমে সহজেই দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে চিত্র প্রস্তুত করা হয়।
  5. বিস্তারিত অঞ্চলের একাধিক চিত্র অনেক কম সময়ে সংগ্রহ করা যায়।
  6. বিদেশি শত্রুরা যাতে ভূপৃষ্ঠের বস্তু বা উপাদানগুলিকে সহজে বুঝতে না পারে সেজন্য FCC বা ছদ্ম রঙ ব্যবহৃত হয়।
  7. নানান প্রকারের Colour band ব্যবহার করা হয়। যার ফলে রঙের বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন ধরণের হয়।
  8. দূর সংবেদন ব্যবস্থার মাধ্যমে চিত্র সংগ্রহ করা হয়।
  9. উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের ত্রিমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণ সম্ভব হয়।
  10. সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় উভয় প্রকারের সেন্সস ব্যবহারের মাধ্যমে চিত্র সংগ্রহ করা হয়।
  11. উপগ্রহ চিত্র প্রস্তুত করার জন্য ডিজিটাল আকারে তথ্যসংগ্রহ করা হয় বলে তা কম্পিউটারে সযত্নে সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
  12. এর সাহায্যে ভূগর্ভে সঞ্চিত খনিজ পদার্থের অবস্থান জানা যায়।
  13. উপগ্রহ চিত্র ঝড় – ঝঞ্জা, মেঘাচ্ছন্নতা প্রভৃতি আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে সহায়তা করে।

3.উপগ্রহ চিত্রের ব্যবহার ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর। 

উত্তরঃ  উপগ্রহ চিত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে তা আলোচিত হল-

  1. প্রাকৃতিক সম্পদের মানচিত্রকরণ: উপগ্রহ চিত্রের সাহায্যে ভূপৃষ্ঠের নানান সম্পদ অনুসন্ধান করে তা মানচিত্রে তুলে ধরা হয়।
  2. ভূপৃষ্ঠের নির্ভুল চিত্র গঠন: উপগ্রহ চিত্ৰ দ্বারা তথ্যরাশি ডিজিটালরূপে লাভ করা সম্ভব হয় বলে ভূপৃষ্ঠের প্রতিটি বস্তু বা উপাদানকে নিখুঁত ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
  3. ব্যবহৃত ভূমির মানচিত্র প্রস্তুত: ভূপৃষ্ঠের কোন ভূমি কোন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে তার মানচিত্র তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র, শিল্পাঞ্চল, বনভূমি, পতিত জমি, জনবসতি প্রভৃতি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
  4. কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার: উপগ্রহ চিত্রের সাহায্যে মৃত্তিকার নানাপ্রকার গুণগত মান যাচাই করে সেইমতো শস্য কিংবা নির্দিষ্ট ফসলের চাষ করা যায়।
  5. আবহাওয়ার পূর্বাভাস: বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানগুলি সূর্যরশ্মির বিভিন্ন বর্ণালির তরঙ্গকে প্রহণ করে ও বর্জন করে। বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলির এই প্রকার বৈশিষ্ট্যগুলি লক্ষ করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কিত মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়। সুতরাং মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, আর্দ্রতার পরিমাণ ইত্যাদি আবহাওয়ার পূর্বাভাস উপগ্রহ চিত্র থেকে পাওয়া যায়।
  6. প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা: উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে দুর্যোগ কবলিত স্থানকে দ্রুত চিহ্নিত করে তার যথার্থ মােকাবিলা করা সম্ভব হয়।
  7. মৎস্যক্ষেত্রের অবস্থান নির্ণয়: উপগ্রহ চিত্রের সাহায্যে সমুদ্রে মৎস্যক্ষেত্রগুলির অবস্থান নির্ণয় করা যায়।
  8. আদমশুমারি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান: উপগ্রহ চিত্রকে কাজে লাগিয়ে দেশের আদমশুমারি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান মানচিত্রকরণ করা যায়।
  9. পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: পরিবহণ ও আধুনিক যােগাযােগ ব্যবস্থায় উপগ্রহ চিত্র বিশেষ ভূমিকা পালন করে
  10. প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে: বিদেশি শত্রুর হাত থেকে রক্ষার জন্য উপগ্রহ চিত্রের সাহায্য নেওয়া হয়ে থাকে।

k. গবেষণার কাজ:  মানচিত্র প্রস্তুত, বিভিন্ন সরকারি তথ্যসংগ্রহ প্রভৃতি নানান গবেষণা মূলক কাজে উপগ্রহ চিত্র ব্যবহার করা হয়।

4.উপগ্রহ চিত্রের সুবিধাগুলি লেখ ।

উত্তরঃ  a. দুর্গম স্থানের তথ্যসংগ্রহ সহজ: পার্বত্য অঞ্চল, ঘন অরণ্য অঞ্চল, জনমানবহীন মরু অঞ্চল প্রভৃতি দুর্গম স্থানের তথ্য কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে সহজেই সংগ্রহ করা যায়।

  1. আবহাওয়ার পূর্বাভাস: দৈনন্দিন আবহাওয়ার গতিবিধি ও ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হলে তার গতিপথের চিত্র উপগ্রহের মাধ্যমে পাওয়া যায়।
  2. সমুদ্র মৎস্যের বিচরণ ক্ষেত্র: এই চিত্র সমুদ্রের কতটা গভীরে এবং কোন অংশে মৎস্যগুলি বিচরণ করছে তার তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম হয়, ফলে মৎস্য আহরণ সহজ হয়।
  3. সম্পদের অনুসন্ধান: ভূপৃষ্ঠে কোথায় কোন্ সম্পদ উপস্থিত তা উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সহজে জানা যায়।
  4. মেঘাচ্ছন্নতা: আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে উপগ্রহের দ্বারা ভূপৃষ্ঠের চিত্র তুলতে অসুবিধার সৃষ্টি হয়। তবে মাইক্রোওয়েভ সেন্সরের সাহায্যে মেঘাচ্ছন্নতা অবস্থাতেও চিত্র বা তথ্য সহজে সংগ্রহ করা সম্ভব।
  5. দিন ও রাত্রে তথ্যসংগ্রহ: কৃত্রিম উপগ্রহগুলি সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় উভয় সেন্সরের সাহায্যে দিন ও রাত্রে ভূপৃষ্ঠের কোনো বস্তু বা উপাদানের চিত্র তুলতে সক্ষম হয়।
  6. পুনঃ দৃশ্য যোগ্যতা: উপগ্রহের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কোনো একটি স্থানের একাধিক চিত্র পাওয়া যায়, কারণ নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে একই স্থান দিয়ে উপগ্রহটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে থাকে।
  7. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি: উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানের মধ্যে দ্রুত ও সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে।
  8. দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ: উপগ্রহ চিত্রের দ্বারা বিভিন্ন তথ্য ডিজিটাল রূপে গৃহীত হয় বলে কম্পিউটারে খুব দ্রুত তা বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়।

j. সাশ্রয়কর: উপগ্রহ চিত্র প্রস্তুত করতে শ্রম, লোক সংখ্যা ও সময় কম লাগে।

5.উপগ্রহ চিত্রের অসুবিধাগুলি উল্লেখ কর। 

উত্তরঃ  উপগ্রহ চিত্রের একাধিক সুবিধা থাকলেও এর কিছু অসুবিধার জায়গাও রয়েছে । যেমন:

  1. উপগ্রহ চিত্র সম্পর্কে প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলে উপগ্রহ চিত্র সংগ্রহ করা ও সংগৃহীত চিত্রকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।
  2. উপগ্রহ চিত্রে কোনো বস্তুর একদম সঠিক উচ্চতা নির্ণয় করা যায় না।
  3. মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপন করে ভূপৃষ্ঠের চিত্র সংগ্রহ করার পদ্ধতিটি খুব ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক উন্নত দেশগুলি করতে পারলেও পৃথিবীর অনেক অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ এখনও তা করে তুলতে সক্ষম হয়নি ।
  4. আকাশ ঘন মেঘে ঢাকা থাকলে উপগ্রহ চিত্র দ্বারা তথ্য সংগ্রহের কাজটি কঠিন হয়ে যায়।
  5. একই রকমের দুটি উপাদান বা বস্তুকে পৃথক করা ও ব্যাখ্যা করার কাজটি সহজ নয়।

6.FCC কাকে বলে ? এটি ব্যবহারের কারণ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ  উপগ্রহ প্রতিচ্ছবিকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করার জন্য যখন Image-processing এর সময় লক্ষবস্তুর প্রকৃতি রং-এর পরিবর্তে ছদ্মরং ব্যবহার করা হলে তাকে False Colour Compoisition (FCC) বলে।

FCC ব্যবহারের কারণ:

  1. বাস্তবে প্রকৃত রঙের মিশ্রণ (TCC- True Colour Composite )- এর প্রয়োজন কম হয়, কারণ বেশিরভাগ স্থানেই নীল জলরাশি ও সবুজ স্বাভাবিক উদ্ভিদের আছে। মানুষের চোখ এক্ষেত্রে সবুজ বা নীল রঙকে সহজে পৃথক করতে পারে না। আসলে সবুজ ও নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ( Wave Length ) কাছাকাছি, ফলে চিত্রের Contrast কাছাকাছি হয় যার ফলে Image- এর পৃথককরণ, স্পষ্টতা এবং ব্যাখ্যা কঠিন হয়ে যায়।
  2. কোনো অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমির ব্যবহার, ভু- অবরণের পরিবর্তন, নগরায়ন প্রভৃতি নানা বিষয় সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য লাভ করা সম্ভব হয়।

উদাহরণঃ

বস্তু বা উপাদান ছদ্ম রং ( FCC )
স্বাভাবিক উদ্ভিদ, সবুজ শস্যক্ষেত্রগাঢ় , হালকা বা উজ্জ্বল লাল
ঘরবাড়ি, বসতিদানা দানা ভাবযুক্ত নীল
পতিত জমি, অব্যবহৃত কৃষিজমিসাদা থেকে ঘিয়ে সাদা
জলাভূমিসবুজ থেকে কালো

7.সেন্সরের শ্রেণীবিভাগ গুলি আলোচনা কর ।

উত্তরঃ  Sensor- কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় । যথা- a. Active Sensor ও b. Passive Sensor 

  1. সক্রিয় সেন্সর বা Active Sensor : যে সেন্সরগুলি কোনো বস্তু বা উপাদানের তথ্যসংগ্রহের সময় সৌরশক্তির উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজের পাঠানো আলোক তরঙ্গের প্রতিফলন সংগ্রহ করে , সেগুলিকে Active sensor বলে। যেমন— Radar, Active Radiometer ইত্যাদি। এইসব Sensor অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানের এবং রাতের  সময়  যেমন- তথ্যসংগ্রহ করতে সক্ষম , তেমন আবার দিনের বেলাতেও অর্থাৎ সূর্যালােকের উপস্থিতিতে নিজের আলোক তরঙ্গকে কাজে লাগিয়েও তথ্যসংগ্রহ করতে পারে।

নিষ্ক্রিয় সেন্সর বা Passive Sensor : যেসব sensor সৌরশক্তির প্রতিফলনের ওপর নির্ভর করে কোনো বস্তু বা উপাদানের তথ্যসংগ্রহ করে থাকে, তাকে Passive Sensor বলে। এইসব Passive sensor কেবলমাত্র দিনের বেলায় কার্যকর হয় , রাত্রি বা অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে এরা তথ্যসংগ্রহে অক্ষম। যেমন-  Photographic Camera , Electronic Camera , Multispectra Camera ইত্যাদি।

8.দুর সংবেদন ব্যবস্থায় রাশিবিশ্লেষণ বা Data Interpretation কীভাবে করা হয় তা উল্লেখ কর

উত্তরঃ দূর সংবেদন ব্যবস্থায় রাশিতথ্য সংগ্রহ বিষয়টি যেমন গুরুত্বপূর্ণ সেই সংগৃহীত রাশিতথ্যের যথাযথ বিশ্লেষণও (Interpretation) একান্ত প্রয়োজন। এজন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। যথা-

  1. যন্ত্রের ব্যবহার: বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সাহায্যে সংগৃহীত রাশিতথ্যগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন Aerial Photograph- গুলির বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে Steriograph ও Satellite থেকে সংগৃহীত Digital number- গুলি বিশ্লেষণের করতে কম্পিউটারের সাহায্য নেওয়া হয়।
  2. মানচিত্র গঠন: Remote Sensing যন্ত্রের সাহায্যে সংগৃহীত তথ্যগুলি বিশ্লেষণ করার পর সেগুলির সাহায্যে বিভিন্ন মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়।
  3. অন্যান্য তথ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধন: রাশিতথ্যের বিশ্লেষণের সময় বিশ্লেষিত বিষয়টির বৈশিষ্ট্য বা চরিত্র সম্পর্কে আরো নিখুঁত ভাবে জানতে অন্যান্য বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হয়ে থাকে। এর দ্বারা তথ্যের যথার্থ বিশ্লেষণ হয়।
  4. অতিরিক্ত রাশিতথ্যের ( Reference data ) প্রয়োগ : সংগৃহীত রাশিতথ্যগুলি বিশ্লেষণের সময় অন্যান্য অতিরিক্ত নতুন রাশিতথ্যের প্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন- Aerial Photograph ও Satellite Data বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে Toposheet থেকে সংগৃহীত তথ্য বা Census Hand Book থেকে সংগৃহীত তথ্য ইত্যাদির প্রয়োগ করা হয়।

এছাড়া তথ্যকে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে যথার্থ বিশ্লেষণকারী দক্ষতা প্রয়োজন।

9.বিভিন্ন প্রকারের উপগ্রহের শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তরঃ Satellite বা উপগ্রহ হল এমন একটি যন্ত্র যা নির্দিষ্ট গ্রহের চারদিকে নির্দিষ্ট পথে এবং একটি নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তন করতে থাকে।

স্যাটেলাইটের শ্রেণিবিভাগ:  উপগ্রহ সাধারণত দুই প্রকারের হয়- a. প্রাকৃতিক ( Natural ) ও b. কৃত্রিম ( Artificial )।

  1. প্রাকৃতিক বা Natural Satellite : এই সমস্ত উপগ্রহগুলি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হয়, মানুষের দ্বারা নয়। যেমন — চাঁদ পৃথিবীর একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
  2. কৃত্রিম বা Artificial Satellite : এই উপগ্রহগুলি মানুষের দ্বারা সৃষ্ট হয়ে থাকে। এগুলির ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক প্রভাব কম থাকে।

কৃত্রিম উপগ্রহগুলি সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যথা –

  1. i) Geostationary satellite : যে সমস্ত কৃত্রিম উপগ্রহ গুলি পৃথিবীর ওপর অবস্থিত কোনাে একটি স্থানের সাপেক্ষে সামঞ্জস্য রেখে পৃথিবীর আবর্তন গতির সঙ্গে সমান গতিতে পৃথিবীর চতুর্দিকে আবর্তন করে , তাকে Geostationary Satellite বলে।  Geostationary Satellite- গুলিকে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 36,000 কিমি উচ্চতায় পৃথিবীর নিরক্ষীয় তল বরাবর রাখা হয় বলে এদের Equatorial orbit Satellite- ও বলে। এই -উপগ্রহগুলি মূলত দূর – যোগাযোগ ( Tele Communication )- এর কাজে ব্যবহার হয়। যেমন- Insat Series Satellite .
  2. ii) Sun Synchronous satellite : সে – সমস্ত কৃত্রিম উপগ্রহগুলি পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত এবং সূর্যের অপাতন কোণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পৃথিবীর চারিদিকে আবর্তন করে , সেগুলিকে Sun Synchronous Satellite বলে। যেমন IRS , SPOT Series Satellite।

এই ধরনের উপগ্রহগুলি সাধারণত ভূপৃষ্ঠ থেকে 600 থেকে 1000 কিমি উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। পৃথিবীর দুই মেরু নিকটবর্তী অঞ্চল বরাবর এরা প্রদক্ষিণ করে বলে এদের Near Polar Satellite- ও বলে।

Sun Synchronous Satellite- গুলি পৃথিবীর প্রতিটি অক্ষরেখাকে একই স্থানীয় সময়ে অতিক্রম করে । পৃথিবীর সম্পদ সমীক্ষার ক্ষেত্রে এই উপগ্রহগুলির ব্যবহার অধিক। তাই বেশিরভাগ Remote Sensing Satellite- গুলি Sunsynchronous প্রকৃতির হয়।

10.ভূবৈচিত্র্যসূচক বা টোপােগ্রাফিক্যাল মানচিত্র বলতে কী বোঝো ? এই মানচিত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ কর।

উত্তরঃ  ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘টোপোগ্রাফি’। এই শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Topos’ যার অর্থ ‘স্থান’ এবং ‘Grapho’ যার অর্থ ‘আমি আঁকি’ থেকে এসেছে। যে মানচিত্রের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যাবলি যেমন- পাহাড়, পর্বত, সমভূমি, মালভূমি,  জলাশয়, হ্রদ, নদনদী , স্বাভাবিক উদ্ভিদ ইত্যাদি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যাবলি যেমন- পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা , জনবসতি ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য নিখুঁত ও সঠিক ভাবে জানা যায়, তাকে ভূবৈচিত্র্যসূচক বা টোপোগ্রাফিক্যাল মানচিত্র বলে । ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ-

  1. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রগুলি প্রয়োজন মতো কতকগুলি সুনির্দিষ্ট স্কেলে আঁকা হয় । যেমন : 50,000 , 1 : 2,50,000 ,

1 : 10,00,000 ইত্যাদি।

  1. বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলি প্রচলিত প্রতীক চিহ্নের ( Conventional Sign) সাহায্যে দেখানো হয়।
  2. এই মানচিত্রগুলিতে নির্দিষ্ট অক্ষাংশগত ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার বর্তমান।
  3. প্রত্যেক ভূবৈচিত্র্যসুচক মানচিত্রে  নির্দিষ্ট সূচক সংখ্যা বা নম্বরের উল্লেখ থাকে। এই সূচক সংখ্যার সাহায্যে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানচিত্রকে নির্দেশ করা হয় । স্কেলের ভিন্নতা অনুযায়ী সূচক সংখ্যার  পরিবর্তন হয় । যেমন —73 , 73P, 73P/SE, 73P/10 ইত্যাদি ।
  4. ভুবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে নির্দিষ্ট রঙের দ্বারা নির্দিষ্ট উপাদানকে চিহ্নিত করা হয় । যেমন— বনভূমিকে -সবুজ, জনবসতিকে- লাল রঙের দেখানো হয়।
  5. এই মানচিত্রে প্রধানত 5টি উপাদান প্রদর্শিত হয়। যথা- ভূপ্রকৃতি ,জনবসতি, নদনদী ও জলাশয়, বনভূমি ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
  6. ভারতে একমাত্র Survey of India ( ভারতীয় জরিপ বিভাগ ) ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র তৈরি ও প্রকাশ করতে সক্ষম।

11.ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের স্কেলের সঙ্গে সূচক সংখ্যার সম্পর্ক নির্দেশ কর। 

অথবা, ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের বিভিন্ন ধরনের স্কেল ও সূচক সংখ্যার বর্ণনা দাও ।

উত্তরঃ ভারতের জরিপ বিভাগ বা Survey of India ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র তৈরির করার উদ্দেশ্যে ভারতীয় উপমহাদেশকে কয়েকটি গ্রিডে ভাগ করেছে। এই গ্রিডগুলি বিস্তার- 44° পূর্ব থেকে 104° পূর্ব এবং 4° উত্তর থেকে 40° উত্তর পর্যন্ত। এই অংশকে 4° x 4° অন্তর মোট 135 টি গ্রিডে ভাগ করলেও এরমধ্যে কেবল 106 টি গ্রিডকে জরিপ করা হয়েছে। ভারতের মধ্যে গ্রিডগুলি 40 থেকে 92 সূচক সংখ্যা পর্যন্ত আছে।

-প্রথম পর্যায় : যে মানচিত্রের বিস্তার 4° x 4° হয় সেই শিটকে মিলিয়ন শিট বলে। যার স্কেল হয়- 1 সেমিতে 10 কিমি ( RF 1 : 10,00,000 ) এবং সূচক সংখ্যা হয়-  56, 57, 72 প্রভৃতি।

-দ্বিতীয় পর্যায় : এই পর্যায়ে 4° x 4° শিটকে পুনরায় 1° x 1° অন্তর A থেকে P পর্যন্ত মোট 16 টি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শিটকে ডিগ্রি শিট বলে। এক্ষেত্রে স্কেল 1 ইঞ্চিতে 4 মাইল বা 1 সেমিতে 2.5 কিমি ধরা হয় ( RF = 1 : 2,50,000 )। এই শিটের সূচক সংখ্যা হয় 56A , 57D , 72M প্রভৃতি।

-তৃতীয় পর্যায় : এই পর্যায়ে প্রতিটি ডিগ্রি শিটকে পুনরায় 30′ x 30 ‘ অন্তর দিক অনুসারে ( NE , NW , SE , SW ) চারভাগে ভাগ করা হয়। এই শিটকে হাফ ডিগ্রি বা হাফ ইঞি শিট বলে। এক্ষেত্রে স্কেল 1 ইঞ্চিতে 2 মাইল বা 1 সেমিতে 1 কিমি ধরা হয়। ( RF = 1 ; 1,00,000 )। এই শিটের সূচক সংখ্যা হয় 56A/NE , 57D/NW , 72M/SE প্রভৃতি।

-চতুর্থ পর্যায় : এই পর্যায়ে প্রতিটি ডিগ্রি শিটকে আবার 15′ x 15′ অন্তর 1 থেকে 16 পর্যন্ত মােট 16 টি ভাগে ভাগ করা হয়। একে ইঞ্চি শিট বলা হয়। এক্ষেত্রে 1 ইঞ্চিতে 1 মাইল বা 1 সেমিতে 0.5 কিমি ধরা হয় ( RF 1 : 50,000 )।এই শিটের সূচক সংখ্যা হয় 56A/8 , 57D/12 , 72M/16 প্রভৃতি।

-পঞ্চম পর্যায় : বিশেষ ক্ষেত্রে 15′ x 15′ শিটকে পুনরায় 5° X 7′ 30 ” এবং 7′ 30 ” x 730” অন্তর 1 থেকে 6 পর্যন্ত 6 টি ভাগে অথবা দিক অনুসারে চারটি ভাগে ( NE , NW , SE , SW ) ভাগ করা হয়। যাকে বিশেষ শিট বলে। এক্ষেত্রে স্কেল হয় 4 সেমিতে 10 কিমি ও মানচিত্রের সূচক সংখ্যা হয় 56A/10/5 বা 56A/10/SW প্রভৃতি।

error: Content is protected !!
Scroll to Top

আজকেই কেনো পরীক্ষার শর্ট নোটস

এখন সহজে পরীক্ষার প্রস্তুতি নাও – আজকেই ডাউনলোড করো পিডিএফ বা বই অর্ডার করো আমাজন বা ফ্লিপকার্ট থেকে